বিহার বিধানসভার ৩২৪ জন সদস্যকে নির্বাচিত করার জন্য ১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে একাদশ বিহার বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। জনতা দল রাজ্যে এক নির্ণায়ক জয়লাভ করে। রাজনৈতিক কৌশলের মাধ্যমে লালু প্রসাদ যাদব মুখ্যমন্ত্রী পদে জয় নিশ্চিত করেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সঞ্জয় কুমারের মতে, এই নির্বাচন বিহার রাজ্যের বর্ণভিত্তিক রাজনীতিতে একটি ভিন্ন ধারা তৈরি করেছে। কারণ এই নির্বাচনে রাজ্যে দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল ক্ষমতার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল। এই ক্ষমতার লড়াইয়ের উভয় পক্ষই অনগ্রসর জাতি দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল। এটি ছিল সেই নির্বাচন যেখানে রাজ্যের রাজনীতিতে উচ্চবর্ণের জাতিগুলিকে প্রান্তিকের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল।[১]
১৯৯৭ সালে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির অভিযোগের কারণে জনতা দলে নেতৃত্বের বিদ্রোহ দেখা দেয়। ফলস্বরূপ লালু জনতা দল থেকে বেরিয়ে এসে একটি নতুন রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) গঠন করেন।[২] তিনি তার কার্যত শাসন নিশ্চিত করার জন্য বিহারের লাগাম তার স্ত্রী রাবড়ি দেবীর হাতে তুলে দেন, যিনি রাষ্ট্রীয় জনতা দল (১৩৬), কংগ্রেস (২৮), ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (এস), ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (এম), ঝাড়খণ্ড পিপলস পার্টি (২০) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের (১০) সমর্থনে আস্থা ভোট জিতেছিলেন।[৩]
↑Kumar, Sanjay (১৯৯৯)। ""New Phase in Backward Caste Politics in Bihar: Janata Dal on the Decline."": ২৪৭২–৮০। জেস্টোর4408343।{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)