বিহার বিধানসভা নির্বাচন, ১৯৫৭
| ||||||||||||||||||||||||||||
| ||||||||||||||||||||||||||||
| ||||||||||||||||||||||||||||
১৯৫৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিহার বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিধানসভার ২৬৪টি নির্বাচনী এলাকা থেকে ১৩৯৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ৫৪টি দুই সদস্যের নির্বাচনী এলাকা এবং ২১০টি এক সদস্যের নির্বাচনী এলাকা ছিল।
রাজ্য পুনর্গঠন
[সম্পাদনা]১৯৫৬ সালে রাজ্য পুনর্গঠন আইন, ১৯৫৬ এর অধীনে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষুদ্র অঞ্চল হস্তান্তরের মাধ্যমে বিহারের আয়তন কিছুটা হ্রাস পায়।[১] তাই ১৯৫১ সালের ৩৩০টি আসন থেকে ১৯৫৭ সালের নির্বাচনে ৩১৮টিতে কমিয়ে আনা হয়।
ফলাফল
[সম্পাদনা]| দল | পতাকা | প্রতিদ্বন্দ্বিতাকৃত আসন | জয়ী | আসন পরিবর্তন | আসন % | প্রাপ্ত ভোট | ভোট % | ভোট % পরিবর্তন | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস | ৩১২ | ২১০ | ৬৬.০৪ | ৪৪,৫৫,৪২৫ | ৪২.০৯ | ||||
| প্রজা সমাজতান্ত্রিক দল | ২২২ | ৩১ | নতুন | ৯.৭৫ | ১৬,৯৪,৯৭৪ | ১৬.০১ | নতুন | ||
| ছোট নাগপুর সাঁওতাল পরগনা জনতা পার্টি | ১২৫ | ২৩ | ৭.২৩ | ৮,২৯,১৯৫ | ৭.৮৩ | ||||
| ঝাড়খণ্ড পার্টি | ৭১ | ৩১ | ৯.৭৫ | ৭,৪৯,০২১ | ৭.০৮ | ||||
| ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি | ৬০ | ৭ | ২.২০ | ৫,৪৫,৫৭৭ | ৫.১৫ | ||||
| স্বতন্ত্র | ৫৭২ | ১৬ | ৫.০৩ | ২১,৮১,১৮০ | ২০.৬১ | N/A | |||
| মোট আসন | ৩১৮ ( | ভোটার সংখ্যা | ২,৫৬,২১,১৪৪ | ভোটার উপস্থিতি | ১,০৫,৮৫,৪২২ (৪১.৩২%) | ||||
উপ-নির্বাচন
[সম্পাদনা]১৯৫৮ সালে ধানবাদ আসনের জন্য একটি উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী আর. চৌধুরী জয়ী হন। চৌধুরী ৮,৯৯৮ ভোট পেয়েছিলেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এম. দেশাই ৫,৭৯২ ভোট পেয়েছেন।[২]
১৯৫৯ সালে নওয়াদা আসনের জন্য একটি উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী এম. আহমেদ জয়ী হন। আহমেদ ১০,২৩৬ ভোট পেয়েছিলেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী টিএন যাদব ৭,৪৭৪ ভোট পেয়েছেন।[২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Reorganisation of States, 1955" (পিডিএফ)। The Economic Weekly। ১৫ অক্টোবর ১৯৫৫। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০১৫।
- 1 2 "Details of Bye Elections from 1952 to 1995"। ECI, New Delhi। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭।