বিহার বিধানসভা নির্বাচন, ১৯৫২
অবয়ব
| ||||||||||||||||||||||
বিহার বিধানসভার সর্বমোট ৩৩০টি আসন সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ১৬৬টি আসন | ||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ||||||||||||||||||||||
| ||||||||||||||||||||||
১৯৫২ সালের মার্চ মাসে বিহার বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৭৬টি নির্বাচনী এলাকা ছিল যার মধ্যে ৫০টি ছিল দুই সদস্যের নির্বাচনী এলাকা। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (আইএনসি) ক্ষমতায় আসে। শ্রী কৃষ্ণ সিং বিহারের প্রথম নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী হন এবং ডঃ অনুগ্রহ নারায়ণ সিনহা রাজ্যের প্রথম উপ-মুখ্যমন্ত্রী এবং একইসাথে অর্থমন্ত্রী হন।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দলসমূহ
[সম্পাদনা]জাতীয় দলসমূহ
[সম্পাদনা]রাজ্য দলসমূহ
[সম্পাদনা]- ছোট নাগপুর সাঁওতাল পরগনা জনতা পার্টি
- ঝাড়খণ্ড পার্টি
- লোকসেবক সংঘ
- অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড কিষাণ সভা
নিবন্ধিত (অস্বীকৃত) দলসমূহ
[সম্পাদনা]- অখিল ভারত গণতন্ত্র পরিষদ
ফলাফল
[সম্পাদনা]| রাজনৈতিক দল | পতাকা | প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আসন | জয়ী | আসন % | প্রাপ্ত ভোট | ভোট % | |||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস | ৩২২ | ২৩৯ | ৭২.৪২ | ৩৯,৫১,১৪৫ | ৪১.৩৮ | ||||
| সমাজতান্ত্রিক দল | ২৬৬ | ২৩ | ৬.৯৭ | ১৭,২৯,৭৫০ | ১৮.১১ | ||||
| কিষাণ মজদুর প্রজা পার্টি | ৯৮ | ১ | ০.৩০ | ২,৬৮,৪১৬ | ২.৮১ | ||||
| ঝাড়খণ্ড পার্টি | ৫৩ | ৩২ | ৯.৭০ | ৭,৬৫,২৭২ | ৮.০১ | ||||
| ছোট নাগপুর সাঁওতাল পরগনা জনতা পার্টি | ৩৮ | ১১ | ৩.৩৩ | ৩,০১,৬৯১ | ৩.১৬ | ||||
| ফরওয়ার্ড ব্লক (মার্ক্সবাদী গোষ্ঠী) | ৩৪ | ১ | ০.৩০ | ১,০৭,৩৮৬ | ১.১২ | ||||
| অখিল ভারতীয় রামরাজ্য পরিষদ | ২৯ | ১ | ০.৩০ | ৬০,৩৬০ | ০.৬৩ | ||||
| লোকসেবক সংঘ | ১২ | ৭ | ২.১২ | ১,৪৮,৯২১ | ১.৫৬ | ||||
| অল ইন্ডিয়া গণতন্ত্র পরিষদ | ১ | ১ | ০.৩০ | ১৪,২৩৭ | ০.১৫ | ||||
| স্বতন্ত্র | ৬৩৮ | ১৪ | ৪.২৪ | ১৮,৭৭,২৩৬ | ১৯.৬৬ | ||||
| মোট আসন | ৩৩০ | ভোটার সংখ্যা | ২,৪১,৬৫,৩৮৯ | ভোটার উপস্থিতি | ৯৫,৪৮,৮৩৫ (৩৯.৫১%) | ||||
রাজ্য পুনর্গঠন
[সম্পাদনা]১৯৫৬ সালে রাজ্য পুনর্গঠন আইন, ১৯৫৬ এর অধীনে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষুদ্র অঞ্চল হস্তান্তরের মাধ্যমে বিহারের আয়তন কিছুটা হ্রাস পায়।[২] তাই ১৯৫১ সালের ৩৩০টি আসন থেকে ১৯৫৭ সালের নির্বাচনে ৩১৮টিতে কমিয়ে আনা হয়।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Statistical Report on General Election, 1951 : To the Legislative Assembly of Bihar" (পিডিএফ)। Election Commission of India। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৪।
- ↑ "Reorganisation of States, 1955" (পিডিএফ)। The Economic Weekly। ১৫ অক্টোবর ১৯৫৫। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০১৫।