বিস্ট অফ ডিন
ডিনের দানব বা বিস্ট অফ ডিন হল ইংল্যান্ডের লোককাহিনির একটি প্রাণী। এটি গ্লুচেস্টারশায়ারের ফরেস্ট অব ডিনে বাস করত বা একসময় বাস করেছিল বলে বলা হয়[১] উনবিংশ শতকের শুরুতে অনেকেই এই দানবের দেখা পাওয়া, বন্দি করা বা হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তবে এর অস্তিত্বের পক্ষে কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।[১] তা সত্ত্বেও, ক্রিপ্টোজুলজি-সংক্রান্ত সাহিত্যে মাঝে মাঝে এই দানবের উল্লেখ পাওয়া যায়।[১]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]ডিনের দানব সম্পর্কিত লোককাহিনিগুলো ১৮শ বা উনবিংশ শতকের শুরুর দিকে উদ্ভূত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ১৮০২ সালে, পার্কএন্ড গ্রামের কৃষকরা এই দানবকে ধরার জন্য একটি অভিযান চালায়, তবে তারা এমন কোনো প্রাণীর সন্ধান পায়নি, যা লোককাহিনির দানবের মতো ছিল। তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল একটি বিশালাকৃতির বন্য শুকর, যা নাকি গাছ ও ঝোপ ভেঙে ফেলতে পারত। উনবিংশ শতকের অন্যান্য বর্ণনায়ও ফরেস্ট অব ডিনে বড় বড় বন্য শুকরের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। এমনকি শরৎকালে "অসংখ্য পাল" বনাঞ্চলে বিচরণ করত বলে জানা যায়।[২] ফরেস্ট অব ডিনে এখনও বন্য শুকর দেখা যায়।[৩] তবে ২০শ ও ২১শ শতকের গোড়ার দিকে ক্রিপ্টোজুলজিস্টরা ডিনের দানবকে একটি অজানা বা নতুন বৈজ্ঞানিক প্রাণী বলে ধারণা করেন।[১] ২০০৭ সালে, বিজ্ঞান কল্পকাহিনিভিত্তিক টেলিভিশন সিরিজ প্রিমেভেল ডিনের দানবকে নতুনভাবে কল্পনা করে। সেখানে এটি দেখানো হয় একটি জীবিত গরগোনোপ্সিড হিসেবে, যা একটি ওয়ার্মহোলের মাধ্যমে পারমিয়ান যুগ থেকে বর্তমান সময়ে এসে পৌঁছেছিল।[৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 Nanson, A. (2011). Gloucestershire Folk Tales. United Kingdom: History Press.
- ↑ Nicholls, H. G. (1858). The Forest of Dean: an historical and descriptive account. J. Murray.
- ↑ Government supports local communities to manage wild boar. Department for Environment, Food and Rural Affairs. 19 February 2008
- ↑ Flett, Kathryn (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)। "Saturday night feast of big, big beasts"। The Observer। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
বহির্সংযোগ
[সম্পাদনা]- "Myths & Legends of the Forest of Dean"। Visit Dean Wye।
- "If Netflix's The Witcher was set in Gloucestershire these are the monsters he would confront"। GloucestershireLive। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।