বিষয়বস্তুতে চলুন

"ক্রিস্টিয়ান মেটাল" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
|regional_scenes=[[আমেরিকা]], [[ব্রাজিল]], [[মেক্সিকো]],[[জার্মানি]], [[হল্যান্ড]], [[নরওয়ে]], [[সুইডেন]] ও [[ফিনল্যান্ড]]
}}
[[File:Stryper_Concert_1986.jpg|leftright|200px|thumb| [[স্টাইপার]] ব্যান্ডের মঞ্চ ১৯৮৬ সালে টু হেল উইথ দ্যা ডেভিল সফরে]]
'''ক্রিস্টিয়ান মেটাল''' যা হোয়াইট মেটাল নামেও পরিচিত একটি [[হেভি মেটাল]] ধারার সংগীতের একটি উপধারা যাতে ক্রিস্টান ধর্মের উপদেশ থাকে। যেসব ক্রিস্টানরা [[হেভি মেটাল]] ধারার গান শোনে তাদের জন্য ক্রিস্টান ধর্ম অনুসারীরা ব্যান্ডরা এই ধারার গান গায়, যা তৈরি ও বন্টন হয় নানা ক্রিস্টান নেটওয়ার্কে। ক্রিস্টিয়ান মেটাল একটি সংগীত ধারা থেকে ধারণা বলাই শ্রেয় যেহেতু এর নির্দিষ্ট কোন বৈশিষ্ট্য নেই। [[হেভি মেটাল]] ধারার সংগীতের প্রায় সব উপধারাতেই ক্রিস্টিয়ান মেটাল ব্যান্ড আছে এবং তাদের মধ্যে একটি সাধারণ মিল হচ্ছে গানের কথায়। এই ধারার গানের অগ্রবর্তী ব্যান্ড হলো আমেরিকান [[রিজারেকশন]] ব্যান্ড ও [[সুইডেন]]-এর [[জেরুজালেম]] ব্যান্ড।
 
== ইতিহাস ==
ক্রিস্টিয়ান মেটাল যা হোয়াইট মেটাল নামেও পরিচিত একটি [[হেভি মেটাল]] ধারার সংগীতের একটি উপধারা যাতে ক্রিস্টান ধর্মের উপদেশ থাকে। যেসব ক্রিস্টানরা [[হেভি মেটাল]] ধারার গান শোনে তাদের জন্য ক্রিস্টান ধর্ম অনুসারীরা ব্যান্ডরা এই ধারার গান গায় , যা তৈরি ও বন্টন হয় নানা ক্রিস্টান নেটওয়ার্কে। ক্রিস্টিয়ান মেটাল একটি সংগীত ধারা থেকে ধারণা বলাই শ্রেয় যেহেতু এর নির্দিষ্ট কোন বৈশিষ্ট্য নেই। [[হেভি মেটাল]] ধারার সংগীতের প্রায় সব উপধারাতেই ক্রিস্টিয়ান মেটাল ব্যান্ড আছে এবং তাদের মধ্যে একটি সাধারণ মিল হচ্ছে গানের কথায়। এই ধারার গানের অগ্রবর্তী ব্যান্ড হলো আমেরিকান [[রিজারেকশন]] ব্যান্ড ও [[সুইডেন]]-এর [[জেরুজালেম]] ব্যান্ড। ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে এই ধারার গান বিস্তৃতি লাভ করে।লস এ্যাঞ্জেলসের ব্যান্ড [[স্টাইপার]] ১৯৮০-এর দশকে সাফল্য পায়।১৯৮৪ সালে ক্রিস্টিয়ান মেটাল শব্দটির উদ্ভব হয়।ক্যালিফোর্নিয়ারহয়। [[ক্যালিফোর্নিয়া|ক্যালিফোর্নিয়ার]] ব্যান্ড [[ট্যুরনিকুয়েট]] ও [[অস্ট্রেলিয়া]]-এর ব্যান্ড [[মরটিফিকেশন]] ১৯৯০-এর দশকে এই ধারার নেতৃত্ব দেয়। [[মেটালকোর]] দলেরা যেমন [[আন্ডারওথ]], [[ডেমন হান্টার]], [[এজ আই লে ডায়িং]] এবং [[নরমা জিন]] ২০০০ সহস্রাব্দে মূলধারায় বেশ কিছু সাফল্য পায় ও মনোযোগ আকর্ষণ করে [[বিলবোর্ড ২০০]] ভেতর স্থান করে নিয়ে।আমেরিকাননিয়ে। আমেরিকান ইতিহাসবিদ [[ইলীন লুর]] ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্রিস্টিয়ান মেটালকে পর্যালোচনা করেন ও ২০০৫ সালে আমেরিকান কোয়ার্টারলি নামক পত্রিকায় নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ লেখেন “ মেটাল“মেটাল মিশনারীস টু দ্যা নেশনঃ ক্রিস্টিয়ান হেভি মেটাল মিউজিক,’পারিবারিক পারিবারিক মূল্যবোধ ও তরুণ সংস্কৃতি,১৯৮৪-১৯৯৪” শিরোনামে। লুর বলেন ক্রিস্টিয়ান মেটাল বিচ্ছিন্নতার অনুভব ও বিদ্রোহ প্রকাশ করছে সেকুলার মেটালের মতোই তবে সম্পূর্ণ ভিন্ন উপায়ে। ক্রিস্টিয়ান মেটালের বিদ্রোহ আসলে ক্রিস্টানদেরখ্রিস্টানদের অবস্থানের মতোই যারা আধুনিক সমাজ ও সংস্কৃতির পাপাচারপূর্ণ ও নৈতিকতাবিহীন অবস্থানের বিপরীতে, যেখানে আইনগত বৈধতা ও জনপ্রিয়তা পাচ্ছে [[গর্ভপাত]], [[পর্নোগ্রাফি]] ও ঐতিহ্যবাহী সামাজিক মূল্যবোধ ক্ষয়ে যাচ্ছে এবং [[পুরুষ সমকামী অধিকার]] ও [[নারীবাদী আন্দোলন]]-এর তীব্রতা বাড়ছে।সেকুলারবাড়ছে। সেকুলার মেটাল ব্যান্ড ও তাদের ভক্তরা তাদের মত ও চিন্তা প্রকাশে উৎসাহী ও কর্তৃপক্ষকে অন্ধভাবে অনুসরণ করে না এমনকি তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের ক্ষেত্রেও।
[[File:Seventh_avenue-guitarplayer2.JPG|left|200px|thumb| জার্মান [[পাওয়ার মেটাল]] সেভেন্থ এভিনিউ]]
 
মরবাগের মতে যেসব দেশে দীর্ঘ মেটাল আন্দোলনের ইতিহাস আছে সেখানে ক্রিস্টিয়ান মেটালের উদ্ভব ঘটেছে যেমন-[[আমেরিকা]], [[ব্রাজিল]], [[মেক্সিকো]],[[জার্মানি]], [[হল্যান্ড]], [[নরওয়ে]], [[সুইডেন]] ও [[ফিনল্যান্ড|ফিনল্যান্ডে]]। কজেটিল মলনেস [[এ্যান্টেস্টটর]] ব্যান্ডের মূল ভোকাল বলেনঃ” আমরা আমদের চিহ্নিত করে [[ব্ল্যাক মেটাল]]-এর মতো সংগীত ধারা হিসেবে, কিন্তু [[ব্ল্যাক মেটাল]]কে আমাদের বিশ্বাস বা আদর্শ হিসেবে মনে করে না।“ কিছু ক্রিস্টান দলেরা, যেমন- [[কিং জেমস অনলি মুভমেন্ট]] মনে করে মেটাল ও রক সংগীতের কথা, সুর ও ব্যান্ড সদস্যদের জীবনযাপনের ধরন সবই তাদের বিশ্বাসের বিপরীতে, যদিও মেটাল ভক্তরা একে আর দশটা সংগীত ধারা যেমন-[[জ্যাজ সঙ্গীত]], [[শাস্ত্রীয় সঙ্গীত]], [[ব্লুজ]], [[পাঙ্ক]] ও [[হিপহপ|হিপহপের]] মতোই মনে করে। কিছু মেটাল ভক্তরা আবার মনে করে ক্রিস্টিয়ান মেটালের গানের কথা মেটালের আসল উদ্দেশ্যের বিপরীত। ১৯৮০ ও ১৯৯০-এ।এর দশকে সমালোচিত হয় এই ধারার সংগীত আন্দোলন ও ক্রিস্টিয়ান মেটাল আন্দোলনে মৌলিকত্বের অভাব বলে একই সাথে মনে করে সেকুলার ও ক্রিস্টান দলগুলো।
কজেটিল মলনেস [[এ্যান্টেস্টটর]] ব্যান্ডের মূল ভোকাল বলেনঃ” আমরা আমদের চিহ্নিত করে [[ব্ল্যাক মেটাল]]-এর মতো সংগীত ধারা হিসেবে , কিন্তু [[ব্ল্যাক মেটাল]]কে আমাদের বিশ্বাস বা আদর্শ হিসেবে মনে করে না।“ কিছু ক্রিস্টান দলেরা ,যেমন- [[কিং জেমস অনলি মুভমেন্ট]] মনে করে মেটাল ও রক সংগীতের কথা, সুর ও ব্যান্ড সদস্যদের জীবনযাপনের ধরন সবই তাদের বিশ্বাসের বিপরীতে, যদিও মেটাল ভক্তরা একে আর দশটা সংগীত ধারা যেমন-[[জ্যাজ সঙ্গীত]],[[শাস্ত্রীয় সঙ্গীত]], [[ব্লুজ]], [[পাঙ্ক]] ও [[হিপহপ]]-এর মতোই মনে করে।কিছু মেটাল ভক্তরা আবার মনে করে ক্রিস্টিয়ান মেটালের গানের কথা মেটালের আসল উদ্দেশ্যের বিপরীত। ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে সমালোচিত হয় এই ধারার সংগীত আন্দোলন ও ক্রিস্টিয়ান মেটাল আন্দোলনে মৌলিকত্বের অভাব বলে একই সাথে মনে করে সেকুলার ও ক্রিস্টান দলগুলো।
 
== বহিঃসংযোগ==
*[http://www.inter-disciplinary.net/ci/mmp/mmp1/moberg.pdf inter-disciplinary.net]
*[http://www.buzzgrinder.com/2006/revolver-on-christian-metal/ buzzgrinder.com]
*[http://www.buzzgrinder.com/2006/revolver-on-christian-metal/]
 
 
{{সঙ্গীত-অসম্পূর্ণ}}