বিষয়বস্তুতে চলুন

আহোম রাজ্য: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
==পাইক প্রথা==
আহোম রাজ্যে জনসাধারনকেজনসাধারণকে জোরপূর্বক রাজ্যের কার্যে নিয়োগ করার প্রথাকে পাইক প্রথা বলা হত। প্রথাটি প্রাচীনকালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রচলিত ছিল বলে বিশ্বাস করা হয়। ১২২৮ সালে আহোমেরা অসম আসার পর প্রথাটির প্রচলন করেন। ১৬০৬ সালে পাইক প্রথার কিছু পরিবর্তন করে [[মোমাই তামুলী বরবরুয়া]] পুনরায় প্রচলন করেন। বিজ্ঞ ব্যক্তিরা মত প্রকাশ করেছেন যে, পাইক প্রথা ছিল আহোমের পতনের মূল কারণ। আহোম রাজ্যের রাজবংশের লোক, পুরোহিত, উচ্চ শ্রেনীর লোক ও দাসদের বাদ দিয়ে সকল ১৫ থেকে ৫০ বৎসরের পুরুষকে পাইক বলা হত। স্বর্গদেউ রুদ্র সিংহের রাজত্বকালে রাজ্যের প্রায় ৯০% লোক এই শ্রেনীর অন্তর্গত ছিল।এই প্রথা অনুযায়ী অসমের প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের রাজ্যের বিভিন্ন কাজে নিয়োগ করা হয়েছিল। এই শ্রেনীর অন্তর্গত ব্যক্তিদের দিয়ে নৌকা তৈরী করা, গৃহ নির্মাণ করা, পথ-ঘাট নির্মাণ করা, রাজস্ব আদায় করা, হাতি ধরা, বন-জঙ্গল পরিদর্শন করা ইত্যাদি কাজ করানো হত।
 
==মাটির মাপ==
বেনামী ব্যবহারকারী