বিষয়বস্তুতে চলুন

ব্রহ্মপুত্র নদ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

103.146.42.195 (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে M.I.S-647-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: পুনর্বহালকৃত মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(103.146.42.195 (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে M.I.S-647-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: পুনর্বহাল
 
১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদ এর তলদেশ‌ উঠিত হবার কারণে এর দিক পরিবর্তিত হয়ে যায়। ১৭৮৭ সালের আগে এটি ময়মনসিংহের উপর দিয়ে আড়াআড়ি ভাবে বয়ে যেত‌। পরবর্তিতে এর নতুন শাখা নদীর সৃষ্টি হয়, যা যমুনা নামে পরিচিত। উৎপত্তিস্থল থেকে এর দৈর্ঘ্য ২৮৫০ [[কিলোমিটার]]। ব্রহ্মপুত্র নদ এর সর্বাধিক প্রস্থ ১০৪২৬ মিটার (বাহাদুরাবাদ)। এটিই বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা হচ্ছে [[যমুনা নদী (বাংলাদেশ)|যমুনা]]। এক কালের প্রশস্ত ব্রহ্মপুত্র নদ বর্তমানে (২০১১) শীর্ণকায়।
 
== কিংবদন্তি ==
ব্রহ্মপুত্রর উৎপত্তি সম্বন্ধে [[কালিকা পুরাণ]]ে একটি আখ্যান আছে ৷ আসামের পূর্বদিকে [[মিসিমি]] পর্ব্বতের অগ্রভাগে [[ব্রহ্মকুণ্ড]] নামে একটি কুণ্ড আছে৷ এটি [[হিন্দু]]দের অতি পবিত্র তীর্থ৷ এই ব্রহ্মকুণ্ডতেই [[পরশুরাম]] পাপের থেকে উদ্ধার পান, অর্থাৎ এখানেই তার হাত থেকে কুঠারটি খসে পড়ায় তিনি এর মহিমা দেখে এর জল অন্যের উপকারার্থে এর পারটি কাটিয়ে দেন ৷ ফলত এর জল দেশ-দেশান্তরে যায় ৷ এইভাবে ব্রহ্মপুত্র নদীর উৎপত্তি হয় ৷
 
== উৎপত্তি এবং গতিপথ ==