বিষয়বস্তুতে চলুন

এ. এন. এম. নূরুজ্জামান: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান সংশোধন
(লিঙ্কের পরামর্শ: ৩টি লিঙ্ক যুক্ত করা হয়েছে।)
(বানান সংশোধন)
 
== জন্ম ও শিক্ষাজীবন ==
এ.এন.এম. নূরুজ্জামান ১৯৩৮ সালের ডিসেম্বর মাসে [[নরসিংদী জেলা|নরসিংদী জেলার]] রায়পুরা থানাধীন সায়দাবাদ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবার নাম আবু আহাম্মদ এবং মায়ের নাম লুৎফুননেছা। বাবার চাকুরীচাকরি সূত্রে দেশের বিভিন্ন স্থানে তার শৈশব কেটেছে নূরুজ্জামানের। স্কুল জীবন কেটেছে [[মাদারীপুর জেলা|মাদারীপুর]] ইসলামিয়া হাইস্কুল, [[কুমিল্লা জেলা|কুমিল্লা]] ইউসুফ স্কুল, [[শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমী]] ও [[সুনামগঞ্জ জেলা|সুনামগঞ্জ]] সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে। সুনামগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং [[সিলেট জেলা|সিলেট]] এম.সি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৫৬ সালে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে]] ভর্তি হন। ছাত্র জীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস.এম এ্যাথলেটিক সেক্রেটারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৯ সালে ইতিহাসে অনার্সসহ স্নাতক পাস করেন।<ref>{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম= একাত্তরের বীরযোদ্ধাদের অবিস্মরণীয় জীবনগাঁথা, খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা স্মারকগ্রহন্থ |শেষাংশ= |প্রথমাংশ= |লেখক-সংযোগ= |coauthors= |বছর=জুন ২০১২ |প্রকাশক= জনতা ব্যাংক লিমিটেড |অবস্থান= |আইএসবিএন= 9789843351449|পাতা= ৫০|পাতাসমূহ= |সংগ্রহের-তারিখ= |ইউআরএল=}}</ref>
 
== কর্মজীবন ==
স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছাত্রাবস্থায় তিনি [[পাকিস্তান]] মিলিটারি একাডেমীতে 'গ্রাজুয়েট কোর্স' এ যোগ দেন। ১৯৬০ সালের অক্টোবর মাসে সেকেন্ড লেফট্যানেন্ট হিসেবে কমিশন লাভ করেন। কশিমন প্রাপ্তির পর তিনি [[যশোর জেলা|যশোর]], [[ঢাকা]] ও [[চট্টগ্রাম জেলা|চট্টগ্রাম]] ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত ছিলেন। [[আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা|আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায়]] আসামী হিসেবে ১৯৬৮ সালেই তাকে বন্দী অবস্থায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে আসা হয়। তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ১৯৬৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মামলা থেকে নিঃশর্ত মুক্তি পান তিনি। কিন্তু তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
 
১৯৭১ সালে তিনি ব্যবসা করতেন। ২৫ মার্চ ঢাকায় ছিলেন। ২৭ মার্চ ঢাকা থেকে পালিয়ে নিজ এলাকায় গিয়ে যুদ্ধে যোগ দেন। নূরুজ্জামানকে পুনরায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পর্যায়ক্রমে [[ব্রিগেডিয়ার জেনারেল]] পদে উন্নীত হন। মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে তাকে নবগঠিত [[জাতীয় রক্ষীবাহিনী]]র পরিচালক নিযুক্ত করা হয়। ১৯৭৫ সালের শেষ দিকে সরকার এ বাহিনী বিলুপ্ত করে। ১৯৭৫ সালের পট পরিবর্তনের পর তার চাকুরীচাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকুরীকালীনচাকরিকালীন তিনি [[অস্ট্রেলিয়া]], [[ফিলিপাইন]], [[সেনেগাল]], [[কানাডা]] ও [[সুইডেন|সুইডেনে]] কর্মরত ছিলেন।
 
== মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা ==
২৫,৩৯০টি

সম্পাদনা