বিষয়বস্তুতে চলুন

ফাজিল পরীক্ষা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
সম্পাদনা সারাংশ নেই
সম্পাদনা সারাংশ নেই
 
== ইতিহাস ==
১৯৪৭ সালে [[সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকা|ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা]] ঢাকায় স্থানান্তরের পূর্বে বাংলাদেশ ও ভারতের ফাজিল পরীক্ষা [[মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, কলকাতা|কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসার]] অধীনে অনুষ্ঠিত হতো। ফাযিল পরীক্ষা বর্তমানে [[ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়|ইসলামি আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। যা পূর্বে [[বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড|মাদরাসা বোর্ড]] ও [[ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ|ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের]] আধীনে অনুষ্ঠিত হত। [[সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, কলকাতা|মাদ্রাসা-ই-আলিয়া]] ঢাকায় স্থানান্তরিত হলে ১৯৪৮ সালে মাদ্রাসা বোর্ডের ফাজিলগুলো পরীক্ষা [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] কর্তৃক গৃহীত হতো।<ref name=":0" /> ১৯৭৫ সালের [[কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন|কুদরত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশনের]] সুপারিশে মাদ্রাসা বোর্ড নিয়ন্ত্রিত আলিয়া মাদ্রাসাসমূহে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও বহুমুখী পাঠ্যসূচি প্রবর্তিত করা হয়। ১৯৮০ সালে অনুষ্ঠিত ফাজিল পরীক্ষায় এই পাঠ্যসুচী কার্যকর হয়। এই শিক্ষা কমিশন অনুসারে ফাজিল শ্রেণীতে ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ পাঠ্যসূচী অন্তর্ভুক্ত করে ফাজিল পরীক্ষাকে সাধারণ উচ্চ মাধ্যমিক [[উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট|এইচ এস সির]] সমমান ঘোষণা করা হয়।<ref>{{ওয়েব nameউদ্ধৃতি|শেষাংশ=":1"প্রতিবেদক|প্রথমাংশ=নিজস্ব|ভাষা=bn|শিরোনাম=মাদ্রাসাশিক্ষার ধারা ও উপধারা|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/special-supplement/মাদ্রাসাশিক্ষার-ধারা-ও-উপধারা|সংগ্রহের-তারিখ=2022-05-19|ওয়েবসাইট=Prothomalo}}</ref>
 
১৯৭৮ সালে অধ্যাপক মুস্তফা বিন কাসিমের নেতৃত্বে '''সিনিয়র মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা কমিটি''' গঠিত হয়। এই কমিটির নির্দেশনায় ১৯৮৪ সালে সাধারণ শিক্ষার স্তরের সঙ্গে [[বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড|বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ড]] নিয়ন্ত্রিত আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা স্তরের সামঞ্জস্য করা হয়। ফাজিল স্তরকে ২ বছর মেয়াদী কোর্সে উন্নিত করে, মোট ১৬ বছর ব্যাপী আলিয়া মাদ্রাসার পূর্ণাঙ্গ আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এই কমিশনের মাধ্যমেই সরকার ফাজিল পরীক্ষাকে সাধারণ ডিগ্রি মান ঘোষণা করে।<ref name=":2" />