বিষয়বস্তুতে চলুন

খনা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যছক +
(বানান)
ট্যাগ: দৃশ্যমান সম্পাদনা মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(তথ্যছক +)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
{{তথ্যছক লেখক
[[File:খনা - প্রচার পুস্তিকা (১৯৩৮).pdf|thumb|খনা - প্রচার পুস্তিকা]]
| নাম = খনা
'''খনা''', বা '''ক্ষণা''' ছিলেন জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এক বিদুষী নারী ; যিনি বচন রচনার জন্যেই বেশি সমাদৃত। কথিত আছে তার আসল নাম '''[[লীলাবতী]]'''। মূলতঃ খনার ভবিষ্যতবাণীগুলোই '[[খনার বচন]]' নামে বহুল পরিচিত।
[[File:| চিত্র = খনা - প্রচার পুস্তিকা (১৯৩৮).pdf|thumb|খনা - প্রচার পুস্তিকা]]
| শিরোলিপি = খনা - প্রচার পুস্তিকা
| স্থানীয়_নাম =
| জন্ম_তারিখ = {{circa}} অষ্টম-দ্বাদশ শতাব্দী
| জন্ম_স্থান = [[বঙ্গ]]
| মৃত্যু_তারিখ =
| পেশা = [[কবি]], [[জ্যোতির্বিদ]]
| ভাষা = বাংলা
| বাসস্থান =
| জাতীয়তা =
| সময়কাল = [[পাল সাম্রাজ্য]]
| উল্লেখযোগ্য_রচনাবলি = ''[[খনার বচন]]''
| পুরস্কার =
| দাম্পত্যসঙ্গী = মিহির
}}
'''খনা''', বা '''ক্ষণা''' ছিলেন জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এক বিদুষী নারী ; যিনি বচন রচনার জন্যেই বেশি সমাদৃত। কথিত আছে তার আসল নাম '''[[লীলাবতী]]'''। মূলতঃ খনার ভবিষ্যতবাণীগুলোই '[[খনার বচন]]' নামে বহুল পরিচিত।
 
== জন্ম ==
[[File:Excavated Brick Structure - Khana-Mihir Mound - Berachampa - North 24 Parganas 2015-04-11 7158.JPG|thumb|250px|খনামিহিরের ঢিবি, চন্দ্রকেতুগড়]]
মনে করা হয় ৮০০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে তার আবির্ভাব হয়েছিল।<ref name="banglapedia">{{ওয়েববাংলাপিডিয়া উদ্ধৃতি |ইউআরএলঅধ্যায়=http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%BEখনা |শিরোনামলেখক=খনাআজহার |ওয়েবসাইট=banglapediaইসলাম}}</ref> কিংবদন্তি অনুসারে তিনি বাস করতেন পশ্চিমবঙ্গের [[উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলা]]র [[বারাসাত মহকুমা]]র বেড়াচাঁপার
দেউলিয়া গ্রামে (বর্তমান [[চন্দ্রকেতুগড়]] প্রত্নস্থল, যেটি ''খনামিহিরের ঢিবি'' নামে পরিচিত)। তার পিতার নাম ছিল অনাচার্য। অন্য একটি কিংবদন্তি অনুসারে, তিনি ছিলেন সিংহলরাজের কন্যা।
 
== বিবাহ ==
রাজা [[বিক্রমপুরদ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত|বিক্রমপুরেরবিক্রমাদিত্যের]] রাজা বিক্রমাদিত্যের রাজ সভার প্রখ্যাত জ্যোতির্বিদ বরাহপুত্র[[বরাহমিহির|বরাহের]] ছেলে মিহিরকে খনার স্বামীরূপে পাওয়া যায়। কথিত আছে বরাহ তার পুত্রের জন্ম কোষ্ঠি গণনা করে পুত্রের আয়ু এক বছর দেখতে পেয়ে শিশু পুত্র মিহিরকে একটি পাত্রে করে সমুদ্র জলেসমুদ্রে ভাসিয়ে দেন। পাত্রটি ভাসতে ভাসতে [[সিংহল]] দ্বীপে পৌছলে সিংহলরাজ শিশুটিকে লালন পালন করেন এবং পরে কন্যা খনার সাথে বিয়ে দেন।
 
== কর্ম ==
খনা এবং মিহির দু'জনেইদুজনেই [[জ্যোতিষশাস্ত্র|জ্যোতিষশাস্ত্রে]] দক্ষতা অর্জন করেন। মিহির একসময় বিক্রমাদিত্যের সভাসদ হন। একদিন পিতা বরাহ এবং পুত্র মিহির আকাশের তারা গণনায় সমস্যায় পড়লে, খনা এ সমস্যার সমাধান দিয়ে [[দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত|রাজা বিক্রমাদিত্যের]] দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। গণনা করে খনার দেওয়া পূর্বাভাস রাজ্যের কৃষকরা উপকৃত হতো বলে রাজা বিক্রমাদিত্য খনাকে ''দশম রত্ন'' হিসেবে আখ্যা দেন।<ref name="bani">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://bani.com.bd/author/10/ |শিরোনাম=ক্ষণা |ওয়েবসাইট=bani.com.bd}}</ref>
 
== মৃত্যু ==
রাজসভায় প্রতিপত্তি হারানোর ভয়ে প্রতিহিংসায় [[বরাহমিহির|বরাহের]] আদেশে মিহির লীলাবতীর জিহ্বা কেটে দেন। এর কিছুকাল পরে খনার মৃত্যু হয়। তবে আমৃত্যু লীলাবতী সত্যের প্রতীক হয়ে ছিলেন। তিনি এমন ভবিষ্যদ্বাণী করতেন, যা হুবহু ফলে যেত। বাঙালি লোকসংস্কৃতিতে এখনো অমৃতবাণীর মতো খনার বচনের প্রচলন রয়েছে।
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
<references/>
 
== বহিঃসংযোগ ==