বিষয়বস্তুতে চলুন

"হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান সংশোধন
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা
(বানান সংশোধন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধের প্রধান কারণ করোনারি ধমনী রোগ । অন্যান্য কারনের মধ্যে আছে প্রচুর রক্তপাত হওয়া, অক্সিজেনের অভাব, পটাশিয়ামের অতিস্বল্পতা, হৃৎপিন্ডের বৈকল্য এবং প্রচন্ড শরীরচর্চা। কিছু সংখ্যক জন্মগত হৃৎত্রুটিও যেমন দীর্ঘ কিউ টি উপসর্গ এর ঝুকি বাড়াতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রাথমিক হৃৎছন্দ হিসেবে ভেন্ট্রিকুলার ফিব্রিলেশন পাওয়া যায়। বুকে বা নাড়িতে কোন স্পন্দন না পাওয়া গেলে রোগ নির্ণয় নিশ্চিত করা যায়।
 
ধুমপানধূমপান বর্জন, শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যায়। এর চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে হৃৎ-ফুস্ফুসীয় পুনরুজ্জীবন, এবং যদি শক দেয়ার মত স্পন্দন পাওয়া যায় তাহলে ডিফিব্রিলেশন পদ্ধতি। এদের মধ্যে যারা বেঁচে থাকে লক্ষ্যমাত্রা তাপমাত্রা পরিচালনার মাধ্যমে ফলাফল ভালো করা যায়। প্রতিস্থাপনযোগ্য হৃৎপিন্ডের ডিফিব্রিলেটরের মাধ্যমে পুনরাবৃত্তিতে মৃত্যুর সম্ভাবনা কমানো যায়।
 
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর প্রায় ৫৩৫,০০০ জন হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়, যার মধ্যে প্রতি ১০,০০০ জনের মধ্যে ১৩ জনের (৩২৬,০০০ বা ৬১%) হাসপাতালের বাহিরে সংঘটিত হয় এবং বাকিদের (২০৯,০০০ বা ৩৯%) হাসপাতালের অভ্যন্তরে। বয়সের সাথে সাথে হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ার সম্ভাবণা বাড়ে। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এটি বেশি হয়। হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ার পর হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসার মাধ্যমে আরোগ্য সম্ভাবনা প্রায় ৮%। যারা বেঁচে থাকেন তাদের মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হারে বিকলাঙ্গতা দেখা যায়। যদিও বিভিন্ন আমেরিকান টিভি অনুষ্ঠানে ৬৭% এর মতো অবাস্তব উচ্চমাত্রার আরোগ্য সম্ভাবনা দেখানো হয়।
২২,২৪৮টি

সম্পাদনা