বিষয়বস্তুতে চলুন

"শোফিল্ড হেই" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান ও অন্যান্য সংশোধন
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(বানান ও অন্যান্য সংশোধন)
১৮৯৮-৯৯ মৌসুমে [[মার্টিন হক|লর্ড হকের]] নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ তারিখে [[দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ক্রিকেট দল|দক্ষিণ আফ্রিকার]] বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে শোফিল্ড হেইয়ের। অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য তাকে কখনো বেছে নেয়া হয়নি। তবে, দক্ষিণ আফ্রিকায় ম্যাটিং পিচে মাঝারিমানের সফলতা পেয়েছেন যা কাউন্টি খেলাগুলোর তুলনায় কিছুই নয়।
 
১৯০৫ সালে টেস্ট দলে খেলার জন্য পুণরায় অন্তর্ভূক্তঅন্তর্ভুক্ত হন। পোঁতানো উইকেটে প্রত্যাশিত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করতে পারেননি। ফলে, ১৯০৯ সালের পূর্ব-পর্যন্ত তাকে আর টেস্ট দলে দেখা যায়নি। ১৯১২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও একটি টেস্টে অংশ নেন। কিন্তু তেমন সফলতা পাননি। এ সময় তার বয়স ছিল ৪১।
 
উপর্যুপরী পাঁচ মৌসুমে জাতীয় গড়ে শীর্ষস্থানে অবস্থান করেছেন। কেবলমাত্র, ১৯০৭ সালে [[আলবার্ট হলাম|আলবার্ট হলামের]] কীর্তির কাছে তার সাফল্য ঢাকা পড়ে যায়। ঐ বছর ওয়ারউইকশায়ারের বিপক্ষে খেলায় মাত্র ৪০ রান দিয়ে ১৩ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। [[উইলফ্রেড রোডস]] ও [[জর্জ হার্স্ট|জর্জ হার্স্টের]] ন্যায় ইয়র্কশায়ারের বোলারেরা দীর্ঘক্ষণ বোলিং করতেন। পরবর্তীতে এর সুফল ভোগ করতেন তিনি। ১৯১০ সালে মন্দ সময় কাটানোর পর ১৯১১ ও ১৯১২ সালে খেলার ছন্দে ফিরে আসেন। ১১.৪১ গড়ে ৯৬ উইকেট লাভে [[আনুষ্ঠানিক কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপ বিজয়ী দলের তালিকা|ইয়র্কশায়ারের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা বিজয়ে]] প্রভূতঃ ভূমিকা রাখেন। এ সময় তিনি মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে বেশকিছু কার্যকরী ইনিংস খেলেছেন। তবে, বড় অঙ্কের দিকে ধাবিত হতে পারেননি। অন্যদিকে তার বোলিং কার্যতঃ অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
২২,২৪৮টি

সম্পাদনা