"শালবন বৌদ্ধ বিহার" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কারিগরী সম্পাদনা
(তথ্যসূত্র সংযোজন)
(কারিগরী সম্পাদনা)
প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে। এগুলো বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে।
 
==গ্রন্থপঞ্জী==
==তথ্যসূত্র==
* ইফফাত আরা, ‌‌''জানার আছে অনেক কিছু‌‌'', ১৯৯৯, দেশ প্রকাশন, ঢাকা।
* এ, কে, এম, শামসুল আলম, ‌‌''ময়নামতি'', ১৯৭৬, ডিপার্টমেন্ট অফ আর্কিওলজি এন্ড মিউজিয়াম, ঢাকা।
* মোঃ শফিকুল আলম, ''এক্সভেশান এট রুপবনমুরা‌‌, ২০০০, ডিপার্টমেন্ট অফ আর্কিওলজি এন্ড মিউজিয়াম, ঢাকা।
 
==তথ্যসূত্র==
<references/>
 
 
==বহিঃসংযোগ==
 
 

পরিভ্রমণ বাছাইতালিকা