বিষয়বস্তুতে চলুন

"বাঁকুড়া সদর মহকুমা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
[[সংস্কৃত ভাষা|সংস্কৃত]] ও [[প্রাকৃত ভাষা|প্রাকৃত]] ভাষায় লিখিত [[শুশুনিয়া]] লিপি থেকে জানা যায়, খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীতে পুষ্করণার (অধুনা বাঁকুড়া সদর মহকুমার [[পোখরনা]]) রাজা সিংহবর্মণের পুত্র [[চন্দ্রবর্মণ]] প্রায় সমগ্র রাঢ়ে নিজ কর্তৃত্ব স্থাপন করে পূর্বে অধুনা বাংলাদেশের [[ফরিদপুর জেলা]] পর্যন্ত রাজ্যবিস্তার করেছিলেন।<ref>Majumdar, R.C., ''History of Ancient Bengal'', pp. 32, 444, Tulshi Prakashani.</ref><ref>Ghosh, Binoy, ''Paschim Banger Sanskriti'', (in Bengali), part I, 1976 edition, pp. 408-409, Prakash Bhaban</ref> [[এলাহাবাদ স্তম্ভ|এলাহাবাদ প্রশস্তি]] থেকে জানা যায়, [[গুপ্ত সাম্রাজ্য|গুপ্ত সম্রাট]] [[সমুদ্রগুপ্ত]] চন্দ্রবর্মণকে পরাজিত করেছিলেন এবং তার ফলে প্রাচীন বাংলায় গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রসারের পথ সুগম হয়েছিল।<ref>Sengupta, Nitish, ''History of the Bengali-speaking People'', p.21, UBS Publishers’ Distributors Pvt. Ltd.</ref> [[বর্ধমানভুক্তি]] (অধুনা [[পূর্ব বর্ধমান জেলা|পূর্ব]] ও [[পশ্চিম বর্ধমান জেলা|পশ্চিম বর্ধমান]] জেলা) ও [[দণ্ডভুক্তি]] (অধুনা [[পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা]]) দীর্ঘকাল পুষ্করণার রাজাদের অধীনস্থ ছিল।<ref name=Ghosh>Ghosh, Binoy, ''Paschim Banger Sanskriti'', (in Bengali), part I, 1976 edition, pp. 82-86, Prakash Bhaban</ref>
 
আনুমানিক খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীতে রচিত [[জৈনধর্ম|জৈন]] ধর্মগ্রন্থ [[আচারাঙ্গ সূত্র|আচারাঙ্গ সূত্রে]] [[সুহ্ম রাজ্য|সুহ্ম]] (পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল) ও "লাঢ়া" (রাঢ়) অঞ্চল দু’টিকে বর্বর জাতি অধ্যুষিত আখ্যা দেওয়া হয়েছে। কোনও কোনও ইতিহাসবিদ মনে করেন, বাংলায় আর্যীকরণের কাজ শুরু হয়েছিল উত্তর ও পূর্ববঙ্গ থেকে, পরে তা শুরু হয় পশ্চিমবঙ্গে। এই সময়েই বাংলায়, বিশেষত বাঁকুড়া জেলায় [[জৈনধর্ম|জৈন]] ও [[বৌদ্ধধর্ম]] প্রসার লাভ করে। খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দী থেকে বাংলায় আর্যসভ্যতার প্রসারের একাধিক নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।<ref name=Binoy1/>
 
==ভূগোল==