বিষয়বস্তুতে চলুন

"মানসা মূসা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(অধিক পরিমাণ স্বর্নের কথা উল্লেখ করা হয়েছে)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা
|full name =
|house = কেইতা রাজবংশ
|father =ফাগা লায়ে<ref name=recherches>{{cite book |title=Earthen magic and the Empire of Mali = Magia en tierra y el imperio de Mali |year=2005 |publisher=FISA |isbn=9788493112417}}</ref>
|father =কানকাউ মুসা
|mother =
|birth_date = ১২৮০
|}}
 
'''মানসা মূসা''' (আনুমানিক [[১২৮০]] থেকে আনুমানিক [[১৩৩৭]] পর্যন্ত) অথবা '''মালির প্রথম মূসা''' ছিলেন ১৪শতকের [[মালি]] সম্রাজ্যের একজন মানসা। মানসা শব্দের অর্থ সুলতান, বিজেতা,<ref>Lapidus, Ira M. [https://books.google.com/books?id=kFJNBAAAQBAJ&pg=PA455 ''A History of Islamic Societies'']. 3rd edn. New York, NY: Cambridge University Press, 2014, p. 455.</ref> বা "সম্র্রাট",<ref>Knoblock, Kathleen, [https://books.google.com/books?id=o5L-T9e4KY8C&pg=PA154 "An Interview with Ibn Battuta"], ''Primary Source Fluency Activities: World Cultures'' (In Sub-Saharan Africa), Shell Education, 2007. {{ISBN|978-1-4258-0102-1}}.</ref><ref>[https://books.google.com/books?id=zKqn_CWTxYEC&pg=PA324 Travels in Asia and Africa, 1325-1354], by Ibn Battuta, London 2005, p. 324, {{ISBN|0-415-34473-5}}.</ref><ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি |শেষাংশ=Jansen |প্রথমাংশ=Jan |শিরোনাম=Hot Issues: The 1997 Kamabolon Ceremony in Kangaba (Mali) |সাময়িকী=[[The International Journal of African Historical Studies]] |খণ্ড=31 |সংখ্যা নং=2 |পাতাসমূহ= 253–278 |jstor= 221083 |তারিখ=1998 |নিবন্ধন=yes }} On page 256, Jan Jansen writes: "''Mansa'' is generally translated as 'king,' 'ruler' or 'ancestor.' The Griaulians, however, often translate ''mansa'' as 'God,' 'the divine principle' or 'priest king,' although they never argue the choice for this translation, which has an enormous impact on their analysis of the Kamabolon ceremony."</ref><ref>Macbrair, Robert Maxwell, [https://books.google.com/books?id=CiJKAAAAcAAJ&pg=PA5&lpg=PA5 ''A Grammar of the Mandingo Language: With Vocabularies''], London, 1873, p. 5.</ref><ref>Berkin, Carol, Christopher Miller, Robert Cherny, James Gormly & Douglas Egerton, [https://books.google.com/books?id=_7YeBPdFAAkC&pg=PA13 ''Making America – A History of the United States''], 5th edition, Boston, 2011, p. 13. {{ISBN|978-0-618-47139-3}}.</ref> মানসা ছিলেন মালি সম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সান্দিয়াতা কেইতা'র ভাগ্নে। [[১৩০৭]] সালে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি প্রথম আফ্রিকান শাসক যিনি [[ইউরোপ]] এবং [[মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্যে]] ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন।<ref>{{harvnb|Goodwin|1957|p=109}}</ref> মানসা মূসার কাছে এত পরিমাণ স্বর্ন ছিল যে, তিনি তার রাজ্য থেকে ১০কিলোমিটার এর একটি পথ স্বর্ন দিয়ে ডেকেঢেকে দিয়েছিলেন।
 
মুসার সিংহাসনে আরোহণের সময়, মালি র বিশাল অংশে ঘানা সাম্রাজ্যের প্রাক্তন অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল, যা মালি জয় করেছিল। মালি সাম্রাজ্যের মধ্যে ছিল এমন জমি যা এখন [[গিনি]], [[সেনেগাল]], [[মৌরিতানিয়া]], [[গাম্বিয়া]] এবং আধুনিক [[মালি]] রাজ্যের অংশ। মুসা তার শাসনামলে "মেলের আমির", "ওয়াঙ্গারার খনির প্রভু", এবং "ঘানাতার বিজয়ী" এর মতো অনেক উপাধি ধারণ করেছিলেন।<ref>{{harvnb|Goodwin|1957|p=109}}.</ref>
 
মুসা তাদের আশেপাশের জেলাসহ ২৪টি শহর জয় করে।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=hgrmT5wT0R4C|শিরোনাম=Empires of Medieval West Africa: Ghana, Mali, and Songhay|শেষাংশ=Conrad|প্রথমাংশ=David C.|তারিখ=2009|প্রকাশক=Infobase Publishing|পাতাসমূহ=৩৬|ভাষা=en|আইএসবিএন=978-1-4381-0319-8}}</ref> মুসার শাসনামলে, মালি বিশ্বের বৃহত্তম স্বর্ণ উৎপাদক হতে পারে, এবং মুসা কে অন্যতম ধনী ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.history.com/news/who-was-the-richest-man-in-history-mansa-musa|শিরোনাম=This 14th-Century African Emperor Remains the Richest Person in History|শেষাংশ=Morgan|প্রথমাংশ=Thad|ওয়েবসাইট=HISTORY|ভাষা=en|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190501152955/https://www.history.com/news/who-was-the-richest-man-in-history-mansa-musa|আর্কাইভের-তারিখ=2019-05-01|সংগ্রহের-তারিখ=2021-04-06}}</ref> তবে টাইম ম্যাগাজিনের মতো আধুনিক ভাষ্যকাররা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে মুসার সম্পদের পরিমাণ নির্ধারণের কোন সঠিক উপায় নেই।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://time.com/money/3977798/the-10-richest-people-of-all-time/|শিরোনাম=The 10 Richest People of All Time|শেষাংশ=Davidson, Jacob|তারিখ=July 30, 2015|কর্ম=Time|সংগ্রহের-তারিখ=2021-04-06|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150824185817/http://time.com/money/3977798/the-10-richest-people-of-all-time/|আর্কাইভের-তারিখ=August 24, 2015|ভাষা=en-US|issn=0040-781X}}</ref>
 
মুসাকে সাধারণত পশ্চিমা পাণ্ডুলিপি ও সাহিত্যে "মানসা মুসা" বলা হয়। তার নাম "কানকৌ মুসা", "কানকান মুসা", এবং "কাঙ্কু মুসা" হিসাবেও প্রদর্শিত হয়। মুসার জন্য ব্যবহৃত অন্যান্য নামের মধ্যে রয়েছে "মালি-কয় কানকান মুসা", "গঙ্গা মুসা", এবং "মালির সিংহ"।<ref>{{harvnb|Hunwick|1999|p=9}}.</ref><ref name="Bell 224–225">{{harvnb|Bell|1972|pp=224–225}}.</ref> তিনি বিজ্ঞান, শিল্পকলা, সাহিত্য ও স্থাপত্যের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তাঁর শাসনামলে সাম্রাজ্য সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়েছিল।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=RPTk3gmZrYUC&q=mansa+musa|শিরোনাম=Mansa Musa: Leader of Mali|শেষাংশ=Zamosky|প্রথমাংশ=Lisa|তারিখ=2007-01-05|প্রকাশক=Teacher Created Materials|ভাষা=en|আইএসবিএন=978-1-4333-9059-3}}</ref>
 
== হজ্জব্রত পালন ও স্বর্ণ বিতরণ ==
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
 
== গ্রন্থপুঞ্জি ==
 
* {{citation|last=Bell|first=Nawal Morcos|year=1972|title=The age of Mansa Musa of Mali: Problems in succession and chronology|journal=[[International Journal of African Historical Studies]]|volume=5|issue=2|pages=221–234|doi=10.2307/217515|jstor=217515}}.
* [[De Villiers, Marq]], and Sheila Hirtle. ''Timbuktu: Sahara’s Fabled City of Gold''. Walker and Company: New York. 2007.
* {{citation|last=Goodwin|first=A. J .H.|year=1957|title=The Medieval Empire of Ghana|journal=[[South African Archaeological Bulletin]]|volume=12|issue=47|pages=108–112|doi=10.2307/3886971|jstor=3886971}}.
* {{citation|last=Hunwick|first=John O.|author-link=John Hunwick|title=Timbuktu and the Songhay Empire: Al-Sadi's Tarikh al-Sudan down to 1613 and other contemporary documents|publisher=Brill|place=Leiden|year=1999|isbn=90-04-11207-3}}.
* {{citation|author-link1=Nehemia Levtzion|last=Levtzion|first=Nehemia|year=1963|title=The thirteenth- and fourteenth-century kings of Mali|journal=[[Journal of African History]]|volume=4|issue=3|pages=341–353|jstor=180027|doi=10.1017/s002185370000428x}}.
* {{citation|last=Levtzion|first=Nehemia|title=Ancient Ghana and Mali|publisher=Methuen|place=London|year=1973|isbn=0-8419-0431-6}}.
* {{citation|editor1-last=Levtzion|editor1-first=Nehemia|editor2=John F. P. Hopkins|title=Corpus of Early Arabic Sources for West Africa|publisher=Marcus Weiner Press|place=New York, NY|year=2000|isbn=1-55876-241-8}}. First published in 1981.
 
== বহিঃসংযোগ ==