বিষয়বস্তুতে চলুন

নিশাপুর: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

চিত্র
(পরিষ্কারকরণ)
(চিত্র)
 
| size = 260
}}
| image_seal = Sealনিশাপুরের of Nishapurসীল.png
| nickname = ''[[সাসানীয় সাম্রাজ্য|সাসানীয়]] এবং [[উমাইয়া খেলাফত|উমাইয়া]] যুগ'': [[Abarshahr|আবরশহর]] (উপরের শহর), [[Damascus|খুদে দামেস্ক]] {{small|([[ইবনে বতুতা]])}}<ref>The Cambridge History of Iran - Volume 1 - Page 68</ref>
| pushpin_map = ইরান
| website = {{URL|http://www.neyshaboor.com/}}, [http://www.rovzane.com/ Rowzaneh], [http://551.ir/en Neyshabur Day]
}}
'''নিশাপুর''' বা '''নিশাবুর''' ({{pronunciation|Neyshabour.ogg}}; {{lang-fa|نیشابور}}, এছাড়াও [[Romanization|রোমান]] রূপে '''Nīshāpūr''', '''Nišâpur''', '''Nişapur''', '''Nīshābūr''', '''Neyshābūr''', এবং '''Neeshapoor''', যার উৎস মধ্য-পারসিক শব্দ: ''New-Shabuhr'', অর্থ "[[Shapur I|শাপুরের]] নতুন শহর", "সুন্দর শাপুর",<ref>Honigmann, E.; Bosworth, C.E.. "[http://referenceworks.brillonline.com/entries/encyclopaedia-of-islam-2/nishapur-SIM_5930 Nīs̲h̲āpūr]." Encyclopaedia of Islam, Second Edition. Edited by: P. Bearman, Th. Bianquis, C.E. Bosworth, E. van Donzel, W.P. Heinrichs. Brill Online, 2013. Reference. 31 December 2013</ref> বা "শাপুরের নিখুঁত স্থাপত্য")<ref>{{GEOnet3|-3076915}}</ref> হলো উত্তরপূর্ব [[ইরান|ইরানের]] খোরাসান প্রদেশের একটি শহর এবং নিশাপুর শহরিস্তানের (বিভাগ) রাজধানী। বিনালুদ পর্বতমালার পাদদেশে অবস্থিত এই শহরটি আগে খোরাসান প্রদেশের রাজধানী ছিল। ২০১১ সালে এর জনসংখ্যা ছিল আনুমানিক ২৩৯,১৮৫, এবং পুরো প্রদেশে ৪৩৩,১০৫। "ফিরোজা ভূমি" বলে অভিহিত এই শহরের আশেপাশে ফিরোজা পাথরের অসংখ্য খনি আছে, যেগুলো প্রায় দুই হাজার বছর ধরে সারা বিশ্বে ফিরোজার যোগান দিচ্ছে।[[File:Thr muze art islam 7.jpg|200px|thumbnail|৯ম বা ১০ম শতাব্দীর একটি পাত্রের গায়ে ছবি এঁকে তার ওপর স্বচ্ছ গ্লেজ (পলিক্রোম) দেয়া হয়েছে। ইরান ছাতীয় জাদুঘর, [[তেহরান]]।|বাম]]৩য় শতাব্দীতে রাজা প্রথম শাপুর এই শহরটি গড়ে তোলেন [[সাসানীয় সাম্রাজ্য|সাসানীয়]] একটি [[সত্রপ|সত্রপের]] রাজধানী হিসেবে। পরবর্তীতে এটি [[তাহিরি রাজবংশ|তাহিরি সাম্রাজ্রের]] কেন্দ্র হয়ে ওঠে এবং ৮৩০ সনে আবদুল্লাহ তাহির শহরটি সংস্কার করেন। [[সেলজুক সাম্রাজ্য|সেলজুক সাম্রাজ্যকালে]] ১০৩৭ সালে তুঘরিল এটিকে তার রাজধানী হিসেবে বেছে নেন। [[আব্বাসীয় খিলাফত|আব্বাসী]] আমল থেকে মোঙ্গলদের খারেজম ও পূর্ব ইরান দখল করার আগ পর্যন্ত এই শহরটি ছিল মুসলিম বিশ্বের সংস্কৃতি, বাণিজ্য ও জ্ঞানবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। নিশাপুর, মারভ, হেরাত ও বলখ এই চারটি ছিল মধ্যযুগে বৃহত্তর খোরাসানের সবচেয়ে অগ্রসর ও উন্নত শহর।
 
৩য় শতাব্দীতে রাজা প্রথম শাপুর এই শহরটি গড়ে তোলেন [[সাসানীয় সাম্রাজ্য|সাসানীয়]] একটি [[সত্রপ|সত্রপের]] রাজধানী হিসেবে। পরবর্তীতে এটি [[তাহিরি রাজবংশ|তাহিরি সাম্রাজ্রের]] কেন্দ্র হয়ে ওঠে এবং ৮৩০ সনে আবদুল্লাহ তাহির শহরটি সংস্কার করেন। [[সেলজুক সাম্রাজ্য|সেলজুক সাম্রাজ্যকালে]] ১০৩৭ সালে তুঘরিল এটিকে তার রাজধানী হিসেবে বেছে নেন। [[আব্বাসীয় খিলাফত|আব্বাসী]] আমল থেকে মোঙ্গলদের খারেজম ও পূর্ব ইরান দখল করার আগ পর্যন্ত এই শহরটি ছিল মুসলিম বিশ্বের সংস্কৃতি, বাণিজ্য ও জ্ঞানবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। নিশাপুর, মারভ, হেরাত ও বলখ এই চারটি ছিল মধ্যযুগে বৃহত্তর খোরাসানের সবচেয়ে অগ্রসর ও উন্নত শহর।
 
১০ম শতাব্দীতে সামানি শাসনামলে নিশাপুর উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করে, কিন্তু ১২২১ সালে মোঙ্গলরা সব ধ্বংস করে দেয়, এরপর অন্যান্য দখলদারদের আক্রমণ এবং ১৩শ শতাব্দীর ভূমিকম্পে শহরটি গুঁড়িয়ে যায়। এরপর এর উত্তরাংশে অল্পকিছু বসতি গড়ে ওঠে এবং একসময়কার সদাগুঞ্জরিত শহরটি এভাবে মাটিচাপা পড়ে থাকে; যতদিন না মার্কিন মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্টের একদল প্রত্নতাত্ত্বিক খননকারী এখানে এসে খনন শুরু করেন, ২০-শতকের মধ্যভাগে। তারা ১৯৩৫ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত নিশাপুরে কাজ করেন, এবং ১৯৪৭-৪৮ সালের শীতকালে প্রকল্পটি সমাপ্ত করে ফিরে যান।<ref>http://www.metmuseum.org/toah/hd/nish/hd_nish.htm</ref>
== শিল্পকলা ==
=== মৃৎশিল্প ===
[[File:Thr muze art islam 7.jpg|200px|thumbnail|right|৯ম বা ১০ম শতাব্দীর একটি পাত্রের গায়ে ছবি এঁকে তার ওপর স্বচ্ছ গ্লেজ (পলিক্রোম) দেয়া হয়েছে। ইরান ছাতীয় জাদুঘর, [[তেহরান]]।]]
ইসলামী স্বর্ণযুগে, বিশেষ করে ৯ম ও ১০ম শতাব্দীতে, নিশাপুর হয়ে ওঠে মৃৎশিল্প ও এরকম অন্যান্য শিল্পের অন্যতম কেন্দ্র।<ref>Nishapur: Pottery of the Early Islamic Period, Wilkinson, Charles K. (1973)</ref> নিশাপুরে পাওয়া অধিকাংশ সিরামিক শিল্পদ্রব্য এখন সংরক্ষিত আছে মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট এবং তেহরান ও মাশহাদের বিভিন্ন জাদুঘরে। নিশাপুরে তৈরিকৃত সিরামিক দ্রব্যগুলোর সাথে সাসানীয় শিল্পকলা এবং মধ্যএশিয়ার সংযোগ পাওয়া যায়।<ref>http://www.britannica.com/EBchecked/topic/415980/Nishapur-pottery</ref> বর্তমানে এখানে চারটি মৃৎশিল্পের কারখানা আছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি |ইউআরএল=http://incc.ir/fa/Lists/News/DispForm.aspx?ID=2589 |সংগ্রহের-তারিখ=১০ নভেম্বর ২০১৭ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20131202223236/http://incc.ir/fa/Lists/News/DispForm.aspx?ID=2589 |আর্কাইভের-তারিখ=২ ডিসেম্বর ২০১৩ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>