বিষয়বস্তুতে ঝাঁপ দিন

"বৌদ্ধ ধ্যান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎সমসাময়িক থেরবাদ: সংশোধন, বানান সংশোধন
(→‎থেরবাদ: সম্প্রসারণ, অনুবাদ)
(→‎সমসাময়িক থেরবাদ: সংশোধন, বানান সংশোধন)
বৌদ্ধ ধর্মে শমথ হল, কোন কিছুকে ভিত্তি করে বা নিমিত্ত করে তাতে মনোনিবেশ করা। বর্মী বৌদ্ধ ভিক্ষুরা শমথ ধ্যানকে অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করেন। অন্য দিকে, থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ ভিক্ষুরা শমথ ও বিদর্শন ধ্যানকে একটি অপরটির সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত বলে মনে করেন।
 
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বার্মায় (বর্তমানে [[মিয়ানমার]]) বিপাশনা ধ্যানের নবজাগরণ হয়। মিঙ্গুন সেয়াদো, উ নারাদা এবং মাহাসি সেয়াদো এর বিকাশ ঘটান। তাঁদের মতে, শমথ ধ্যান অপ্রয়োজনীয় নয়, বরং এটি বিপাশনার সহায়ক হিসেবে অনুশীলন করা যায়। তবে শমথ ধ্যান করে নির্বাণ লাভ সম্ভব নয়, এর জন্য বিদর্শন ধ্যান আবশ্যক। আরেক বর্মী ধারা আছে যা লেদি দেয়াদোসেয়াদো, বা খিন এবং এস, এন, গোয়েঙ্কা মানুষের কাছে প্রচার করেন, যা প্রায় একই ধরণের ধ্যানের অনুশীলন। তাঁদের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল, প্রথম পক্ষ আনাপানা স্মৃতি ধ্যানের মনোনিবেশ পেট ফোলা ও কমার উপর জোর দেয়, অন্য দিকে দ্বিতীয় পক্ষ নাকে শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুভূতিতে মনোনিবেশ করে ধ্যানে জোর দেয়।
 
থাইল্যান্ডের, থাই অরণ্য ধারাটি ভদন্ত মুন ভুরিদত্ত ধারা থেকে এসেছে, যা আঝান চ্যান মানুষের কাছে প্রচার করেন এবং তা জনপ্রিয় করে তোলেন। এই ধারা মতে, শমথ ও বিদর্শন, উভয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
৮৬৭টি

সম্পাদনা