"রাজস্ব নীতি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সংশোধন
(হটক্যাটের মাধ্যমে বিষয়শ্রেণী:সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি যোগ)
(সংশোধন)
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
* '''নিরপেক্ষ রাজস্ব নীতি-''' সাধারণত অর্থনৈতিক অবস্থা যখন স্থিতিশীল থাকে তখন নিরপেক্ষ রাজস্ব নীতি অবলম্বন করা হয় অর্থাৎ যখন অর্থনৈতিক প্রসার বা অর্থনৈতিক মন্দা কোনটাই ঘটে না। এক্ষেত্রে সরকারের রাজস্ব এবং ব্যয় প্রায় সমান থাকে এবং অর্থনৈতিক কার্যকলাপের উপর রাজস্ব নীতির আলাদা কোন প্রভাব থাকে না বরং নিরপেক্ষ থাকে।
* '''সম্প্রসারণমূলক রাজস্ব নীতি-''' সাধারণত অর্থনৈতিক মন্দা চলাকালীন সময়ে সরকার অর্থনৈতিক চক্র সংকোচন মোকাবেলায় এই নীতি অনুসরণ করে থাকে। এক্ষেত্রে সরকার রাজস্ব আয়ের থেকে ব্যয় বেশি করে। বিশেষ করে জনসাধারণের সুবিধায় ব্যবহার্য অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়ন এবং ক্ষেত্রবিশেষ প্রণোদনা দিয়ে থাকে। সেই সাথে কর হার কমিয়ে দেয় যাতে জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। রাজস্ব নীতির জাতীয় বাজেটভিত্তিক প্রয়োগ বিবেচনায় এক্ষেত্রে ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করা হয়।
* '''সংকোচনমূলক রাজস্ব নীতি-''' এই ধরণের রাজস্ব নীতি সরকার সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির চাপ সামাল দিলেদিতে গ্রহণ করে থাকে। এক্ষেত্রে সরকার হয় কর হার বাড়িয়ে দেয় অথবা সামগ্রিক সরকারী ব্যয় কমাতে চায় অথবা উভয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কর হার বৃদ্ধি পেলে জনসাধারণের তথা ব্যবসায়ীদের খরচযোগ্য কমে যায়। অন্যদিকে সরকারের ব্যয় কমে গেলে সেটা মোট দেশজ উৎপাদনে সরাসরি প্রভাব ফেলে অর্থাৎ মোট দেশজ উৎপাদনে কমে যায়। এতে মুদ্রাস্ফীতির উপর চাপ কমে কিন্তু সেই সাথে বেকারত্ব বেড়ে যায়।
 
== রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহ ==
যেহেতু জাতীয় বাজেটেই রাজস্ব নীতির প্রতিফলন ঘটে থাকে, সেহেতু রাজস্ব নীতির হাতিয়ার বা রাজস্ব নীতি অর্থায়নের মাধ্যম বলতে আসলে বাজেট অর্থায়নের হাতিয়ার বা মাধ্যমগুলোকে বুঝানো হয়। সাধারণত বাজেটের অর্থায়ন হয় নিন্মক্ত উৎস থেকে-<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://openlibrary.org/books/OL23140153M/The_concise_encyclopedia_of_economics|শিরোনাম=The concise encyclopedia of economics|শেষাংশ=Henderson|প্রথমাংশ=David R.|তারিখ=2007|প্রকাশক=Liberty Fund, Inc.|অবস্থান=Indianapolis|আইএসবিএন=978-0-86597-665-8}}</ref>
 
=== '''সরকারি রাজস্ব''' ===
বাজেটের অর্থায়নের মূল উৎস হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন রাজস্ব আয়। সরকারি রাজস্বকে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ
 
* '''কর বহির্ভূত রাজস্ব-''' কর বহির্ভূত রাজস্বের মধ্যে আছে সরকারি প্রতিষ্ঠান হতে লভ্যাংশ ও মুনাফা, সরকার প্রদত্ত ঋণের থেকে প্রাপ্ত সুদ, সরকারি সেবা খাত থেকে প্রাপ্ত আয় এবং বিভিন্ন দণ্ড ও জরিমান থেকে প্রাপ্ত অর্থ।
 
=== '''ঋণগ্রহণ''' ===
সরকার ঘাটতি বাজেট অর্থায়নের জন্য দেশ অথবা বিদেশ থেকে ঋণ গ্রহন করে থাকে। দেশীয় উৎস থেকে সাধারণত ট্রেজারি বিল, সরকারি বিভিন্ন মেয়াদী সিকিউরিটিজ এবং বন্ডসমূহ বিক্রি করে করে ঋণ নেয়া হয়।নেয়। দেশি-বিদেশি উভয়ক্ষেত্রেই সরকারকে উক্ত ঋণের বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমান সুদ দিতে হয়।
 
=== '''অনুদান''' ===
ক্ষেত্রবিশেষ ঘাটতি বাজেট অর্থায়নের জন্য বিদেশি অনুদান গ্রহন করা হয়। সাধারণত [[উন্নত দেশ|উন্নত দেশসমুহ]] অনুন্নত ও [[উন্নয়নশীল দেশ|উন্নয়নশীল দেশসমূহকে]] অনুদান দিয়ে থাকে। তবে, এই অনুদান শুধুমাত্র নগদ অর্থের মাধ্যমেই হয় না বরং অন্য অনেক উপায়ে হতে পারে।  
 
=== '''পূর্ববর্তী উদ্বৃত্ত বাজেট থেকে অর্থায়ন''' ===
সরকার পূর্ববর্তী উদ্বৃত্ত বাজেটের অর্থ থেকে পরবর্তী বছরের বাজেট অর্থায়ন করতে পারে।
 
=== '''স্থায়ী সম্পদের বিক্রয়''' ===
বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার ঘাটতি বাজেট অর্থায়নের জন্য সরকারি স্থায়ী সম্পদ বিক্রয় করতে পারে। যদিও এ ধরণের অর্থায়ন খুব একটা দেখা যায় না।
 
১,৩৭৩টি

সম্পাদনা

পরিভ্রমণ বাছাইতালিকা