বিষয়বস্তুতে চলুন

"আখড়াই গান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
আখড়াই গানে ঢোল, কাঁসি প্রভৃতি দেশীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো হতো। চুঁচুড়া অঞ্চলে ঢোল-কাঁসি থেকে হাঁড়ি-কলসি মিলিয়ে মোট বাইশ রকমের বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হতো। সেই জন্য সেখানকার দলের নাম হয়েছিল 'বাইশেরা'।
 
রামনিধি গুপ্ত(নিধুবাবু) ও তার আত্মীয় কুলুই চন্দ্র সেন আখড়াই গানের সংশোধন করেন। পরে ছাপরা থেকে ফিরে এসে নিধুবাবুও ভদ্র আখড়াই গান শেখানোর জন্য কলকাতায় এক আখড়াই শিক্ষাকেন্দ্র খোলেন। এছাড়াও কলকাতার সৌখিন ব্যাক্তিদেরব্যক্তিদের কেউ কেউ আরো কয়েকটি আখড়াই শিক্ষাকেন্দ্র খোলেন। নিধুবাবুর প্রভাবে টপ্পার গায়ন রীতি এবং তানপুরা, বেহালা, সেতার, বীণা, বাঁশি, জলতরঙ্গ, ঢোল প্রভৃতি বাদ্যযন্ত্রের সমাহারে বিভিন্ন রাগ রাগিনী তে বাজানো সাজের বাজনা বা অর্কেস্ট্রা এই গানে স্থান করে নেয়। এইভাবে আখড়াই গান উচ্চাঙ্গের বৈঠকী গানে পর্যবসিত হয়। আখড়াই গানে রামনিধি গুপ্ত বা নিধুবাবুই শ্রেষ্ঠ শিল্পী।
 
আখড়াই এর ভবানী বিষয়ক অংশে পার্বতী সম্পর্কিত গান, খেউড়ে লৌকিক প্রেমের তীব্র মিলন আকাঙ্ক্ষা এবং প্রভাতীতে রজনি প্রভাতের অবসন্নতা জনিত বেদনার গান গাওয়া হতো। প্রতি অংশে মহড়া, কিতেন আর অন্তরা থাকতো। গানগুলি মূলত পয়ার ত্রিপদীতে রচিত হতো। উনিশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত আখড়াই গান বেশ জনপ্রিয় ছিল। তারপর অন্যান্য গানের স্রোতে এটি হারিয়ে যেতে বসে।
১,৮৬,১২৭টি

সম্পাদনা