"তানসেন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
Seadark14-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে আফতাবুজ্জামান-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(Seadark14-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে আফতাবুজ্জামান-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: পুনর্বহাল
[[চিত্র:Tansen mughal.jpg|thumb|220px|তানসেনের প্রতিকৃতি]]
[[চিত্র:Tomb of Tansen.jpg|thumb|ভারতের মধ্য প্রদেশের অন্তর্গত গোয়ালিয়র নামক স্থানে অবস্থিত তানসেনের স্মৃতিসৌধ।সমাধি।]]
 
'''পন্ডিতমিয়া রামতনু পান্ডে''' তিনি '''তানসেন''' নামে অধিক পরিচিত ছিলেন ([[১৫০৬]] - [[১৫৮৯]]) প্রায় সকল বিশেষজ্ঞের ধারণা মতে উত্তর [[ভারত|ভারতের]] সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ। বর্তমানে আমরা যে [[হিন্দুস্তানী উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত|হিন্দুস্তানী উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের]] সাথে পরিচিত তার মূল স্রষ্টা হলেন এই তানসেন। তার এই সৃষ্টি যন্ত্র সঙ্গীতের এক অনবদ্য অবদান। বহু প্রাচীনকালে সৃষ্টি হলেও এখন পর্যন্ত এর প্রভাব বিদ্যমান রয়েছে। তার কর্ম এবং বংশীয় উত্তরাধিকারীদের মাধ্যমেই মূলত এই ধারাটি আজও টিকে রয়েছে। তিনি মহারাজ [[রামচন্দ্র সিং]] এর রাজদরবার থেকে সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে যাত্রা শুরু করেন ও পরে [[মুঘল]] বাদশাহ [[আকবর|আকবরের]] রাজদরবারের [[নবরত্ন|নবরত্নের]] মধ্যে অন্যতম ছিলেন। তাকে সঙ্গীত সম্রাট নামে ডাকা হয়।
 
== জীবনী ==
তানসেন ভারতের [[গোয়ালিয়র|গোয়ালিয়রে]] এক [[হিন্দু ধর্ম|হিন্দু]] পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা '''মুকুন্দ পান্ডে/মিস্ত্র''' ছিলেন একজন কবি। ছোটবেলায় তার নাম ছিল '''তনু পান্ডেমিস্ত্র'''<ref>Tansen's birth name is a matter of some debate: Ramtannu, Tanna and Mukul have all been suggested, as well as a family name of Pande.</ref>। তার বাবা মূলত বিহাটের বাসিন্দা ছিলেন। ছেলের জন্মে তিনি অতি আনন্দিত হন এবং এই জন্মের পিছনে সাধু গাউসের আশীর্বাদ রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন। ছেলের নাম রাখেন '''রামতনু''' (রামতনু পান্ডেমিস্ত্র)। ছোটবেলা থেকেই তানসেন সঙ্গীত শিক্ষা করতে শুরু করেন। এই শিক্ষায় তার গুরু ছিলেন [[বৃন্দাবন|বৃন্দাবনের]] তৎকালীন বিখ্যাত সঙ্গীত শিক্ষক [[হরিদাস স্বামী]]। মাত্র ১০ বছর বয়সে তার মেধার ক্ষমতা প্রকাশিত হয়। তার মেধা দেখে স্বামীজি বিস্মিত হন এবং তার বাবাকে বলে নিজের সাথে [[বৃন্দাবন]] নিয়ে যান। এই বৃন্দাবনেই তানসেনের মূল ভিত রচিত হয়। বিভিন্ন রাগের সুষ্ঠু চর্চার মাধ্যমে তিনি বিখ্যাত পণ্ডিত শিল্পীতে পরিণত হন। অনেক বিখ্যাত হওয়ার পরও তাই তিনি সময় পেলেই বৃন্দাবন আসতেন।
 
বৃন্দাবন থেকে বিহাটে ফিরে তানসেন শিব মন্দিরে সঙ্গীত সাধনা শুরু করেন। লোকমুখে বলতে শোনা যায়, তার সঙ্গীতে মন্দিরের দেয়াল আন্দোলিত হত। স্থানীয়রা পূর্ণভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে, তানসনের সঙ্গীতের কারণেই মন্দিরটি এক দিকে একটু হেলে পড়েছে। তানসেন সম্বন্ধে আরও কিছু অলৌকিক ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায়। যেমন : বৃক্ষ ও পাথরকে আন্দোলিত করা, নিজ থেকেই বাতি জ্বালানো এবং যখন বৃষ্টির কোনো চিহ্নই নেই তখন বৃষ্টি আনয়ন।
বাবা-মার মৃত্যুর পর তিনি হযরত গাউসের নিকট আসেন।তিনি একই সাথে তানসেনের সাঙ্গীতিক ও আধ্যাত্মীক গুরু ছিলেন।ছিলেন।তবে তানসেন ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন কি না তা নির্ভরযোগ্য ভাবে জানা যায় না।এর পক্ষে ও বিপক্ষে দুইদিকেই প্রচুর মত পাওয়া যায়। যাই হোক, শিক্ষা শেষে তিনি [[মেওয়া]] বান্ধবগড়ের রাজা রামচন্দ্রের রাজকীয় আদালতে সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে যোগ দেন। এরপর তিনি মুঘল বাদশাহ আকবরের রাজ দরবারে নবরত্নের একজন হিসেবে সঙ্গীতের সাধনা শুরু করেন।
তানসেনের দুজন স্ত্রী ও পাঁচ সন্তানের খবর পাওয়া যায়।সন্তানদের নাম- হামিরসেনঃহামিরসেন,সুরাটসেন,বিলাস খান,তান্সান্স খান,সরস্বতী দেবী।
 
== গাউসের সমাধি ==

পরিভ্রমণ বাছাইতালিকা