বিষয়বস্তুতে চলুন

"অজয় নদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎বাংলা সাহিত্যে অজয় নদের প্রভাব: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অজয় নদীর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে লিখেছেন- চাঁদের কিরণ পড়ে যেথায় একটু আছে জল যেন বন্ধ্যা কোন্ বিধবার লুটানো অঞ্চল। নিঃস্ব দিনের লজ্জা সদাই বহন করতে হয়, আপনাকে হায় হারিয়ে-ফেলা অকীর্তি অজয়।
(পরে পশ্চিম বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া ঘাট, বীরকুলটি ঘাট, দরবারডাঙা ঘাট ও সিদ্ধপুর ঘাট হয়ে এবং বীরভূম জেলার বড়কোলা, তামড়া, বিনুই ও নবসন গ্রামের সীমানা হয়ে পূর্বে প্রবাহিত হয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রাম থানার নারেং গ্রামের প্রবেশ করে কাটোয়া শহরের কাছে ভাগীরথী নদী<nowiki/>র সংগে মিলিত হয়েছে।<)
(→‎বাংলা সাহিত্যে অজয় নদের প্রভাব: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অজয় নদীর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে লিখেছেন- চাঁদের কিরণ পড়ে যেথায় একটু আছে জল যেন বন্ধ্যা কোন্ বিধবার লুটানো অঞ্চল। নিঃস্ব দিনের লজ্জা সদাই বহন করতে হয়, আপনাকে হায় হারিয়ে-ফেলা অকীর্তি অজয়।)
:"অজয়ের ভাঙনেতে করে বাড়ি ভঙ্গ,
:তবু নিতি নিতি হেরি নব নব রঙ্গ।"
 
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অজয় নদীর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে লিখেছেন-
 
চাঁদের কিরণ পড়ে যেথায় একটু আছে জল
যেন বন্ধ্যা কোন্ বিধবার লুটানো অঞ্চল।
নিঃস্ব দিনের লজ্জা সদাই বহন করতে হয়,
আপনাকে হায় হারিয়ে-ফেলা অকীর্তি অজয়।
 
== তথ্যসূত্র ==
৩১৯টি

সম্পাদনা