বিষয়বস্তুতে চলুন

সূরা বনী-ইসরাঈল: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
'''বনী-ইসরাঈল''' বা ''' সূরা ইসরা''' ([[আরবি|আরবি ভাষায়]]: سورة الإسراء) [[মুসলমান|মুসলমানদের]] ধর্মীয় গ্রন্থ [[কুরআন|কুরআনের]] ১৭ তম [[সূরা]], এর আয়াত সংখ্যা ১১১ টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১২ টি। বনী-ইসরাঈল সূরাটি [[মক্কা|মক্কায়]] অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরা [[মুহাম্মাদ|হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)]] এর [[মেরাজ|মেরাজের]] কথা, পিতা-মাতার ও আত্মীয়-স্বজনের হক, এতীমদের সম্পর্কে, ওয়াদা করার সম্পর্কে, নামায সম্পর্কে, রূহু সম্পর্কে কুরাইশদের প্রশ্ন, বলা হয়েছে।
 
[[মসজিদে হারাম]] থেকে [[মসজিদে আকসা]] পর্যন্ত সফরকে 'ইসরা' বলা হয় এবং সেখান থেকে আসমান পর্যন্ত যে সফর হয়েছে, তার নাম মে'রাজ। ইসরা অকাট্য আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে। আর মে'রাজ [[আন-নাজম|সূরা নাজমে]] উল্লেখিত রয়েছে এবং অনেক মুতাওয়াতির [[হাদিস|হাদীস]] দ্বারা প্রমাণিত। মে'রাজে গিয়ে হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) তাঁরতার উম্মতের জন্য প্রথমে পঞ্চাশ ওয়াক্তের [[নামাজ]] ফরয হওয়ার নির্দেশ হয়। অতঃপর তা হ্রাস করে পাঁচ ওয়াক্ত করে দেয়া হয়। এ দ্বারা সব এবাদতের মধ্যে নামাজের বিশেষ গুরুত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণিত হয়। হরবী বলেনঃ ইসরা ও মে'রাজের ঘটনা [[রবিউস সানি]] মাসের ২৭ তম রাত্রিতে [[হিজরত|হিজরতের]] এক বছর পূর্বে ঘটেছে। ইবনে কাসেম সাহাবী বলেনঃ নবুওয়ত প্রাপ্তির আঠার মাস পর এ ঘটনা ঘটেছে। মুহাদ্দেসগণ বিভিন্ন রেওয়ায়েত উল্লেখ করার পরে কোন সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করেননি। কিন্তু সাধারণভাবে খ্যাত এই যে, রজব মাসের ২৭ তম রাত্রি মে'রাজের রাত্রি।<ref>মারেফুল কোরআন, ৭৬৪ পৃষ্ঠা।</ref>
 
== মসজিদে-হারাম ও মসজিদে-আকসা ==
== কুরাইশদের প্রশ্ন ==
 
মুসনাদে আহমদের রেওয়াতে হযরত আবদুল্লাহ্‌ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেনঃ কোরাইশরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) -কে সঙ্গত অসঙ্গত প্রশ্ন করত। একবার তারা মনে করল যে, ইহুদীরা বিদ্বান লোক। তারা পূর্ববর্তী গ্রন্থসমূহেরও জ্ঞান রাখে। কাজেই তাদের কাছ থেকে কিছু প্রশ্ন জেনে নেয়া দরকার; যেগুলো দ্বারা মুহাম্মদের পরীহ্মা নেয়া যেতে পারে। তদনুসারে কোরাইশরা কয়েকজন লোক ইহুদীদের কাছে প্রেরণ করল। তারা শিখিয়ে দিল যে, তোমরা তাঁকেতাকে রূহু সম্পর্কে প্রশ্ন করো।<ref নাম="১">ইবনে কাসীর।</ref> তখন ইহুদীরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-কে রূহু সম্পর্কে প্রশ্ন করে এবং তাতে এ কথাও ছিল যে, রূহুকে কিভাবে আযাব দেয়া হয়। তখন পর্যন্ত এ সম্পর্কে কোন আয়াত নাযিল হয়নি বিধায় রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) তাৎহ্মণিক উত্তরদানে বিরত থাকেন। এরপর জিবরাইল (আঃ) আয়াত নিয়ে অবতরণ করেন। {{cquote|قُلِ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي}}{{cquote|অর্থাৎ বলে দিনঃ রূহ আমার পালনকর্তার আদেশ ঘটিত। --- (সূরা বনী-ইসরাঈল, আয়াতঃ ৮৫)}} এ জওয়াবে যতুটুকু বিষয় বলা জরুরী ছিল এবং যতটুকু বিষয় সাধারণ লোকের বোধ্যগম্য ছিল, ততটুকুই বলে দেয়া হয়েছে। রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) -কে আদেশ করা হয়েছে যে, আপনি তাদেরকে উত্তরে বলে দিনঃ রূহ আমার পালনকর্তার আদেশ ঘটিত। অর্থাৎ রূহু সাধারণ সৃষ্টজীবের মত উপাদানের সমন্বয়ে এবং জন্ম ও বংশবিস্তারের মাধ্যমে অস্তিত্ব লাভ করেনি; বরং তা সরাসরি আল্লাহ্‌ তাআলার আদেশ (হও) দ্বারা সৃজিত।<ref>মারেফুল কোরআন, ৭৯০ থেকে ৭৯১ পৃষ্ঠা।</ref>
 
== তথ্যসূত্র ==
১,৯৬,০১৪টি

সম্পাদনা