"ইসোয়াতিনি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
}}
'''এসোয়াতিনি''' ({{IPAc-en|ɛ|s|w|ə|ˈ|t|iː|n|ɪ}}, {{lang-ss|eSwatini}} {{IPA-ss|ɛswáˈtʼiːni|}}) আনুষ্ঠানিকভাবে '''কিংডম অব এসোয়াতিনি''' (সোয়াজি: উম্বুসো ভাসওয়াটিনি) নামে পরিচিত, এছাড়াও '''সোয়াজিল্যান্ড''' নামেও পরিচিত। এটি [[দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকা]]র একটি [[স্থলবেষ্টিত দেশ]]। দেশটির উত্তর-পূর্ব দিকে [[মোজাম্বিক]] এবং উত্তর, পশ্চিম ও দক্ষিণে [[দক্ষিণ আফ্রিকা]]র সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। দক্ষিণ থেকে উত্তরে ২০০ কিলোমিটার (১২০ মাইল) এবং পূর্ব থেকে পশ্চিমে ১৩০ কিলোমিটার (৮১ মাইল) বিস্তৃত এসোয়াতিনি [[আফ্রিকা]]র ক্ষুদ্রতম দেশগুলির মধ্যে অন্যতম নয়; তা সত্ত্বেও, দেশটির জলবায়ু এবং স্থলচিত্রে বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র রয়েছে। দেশটি শীতল এবং বৃষ্টিপাত যুক্ত উচ্চ পাহাড়ী এলাকা থেকে উষ্ণ এবং শুষ্ক নিম্ন এলাকা নিয়ে গঠিত।
 
দেশের জনসংখ্যার বেশিরভাগ অংশ জাতিগতভাবে সোয়াজি। দেশের মূলভাষা ভাষা সোয়াজি (স্থানীয় আকারে সিসোয়াতি)। সোয়াজিরা ১৮ তম শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগভানে তৃতীয়-এর নেতৃত্বের অধীনে তাদের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। [6] দেশ ও সোয়াজি জাতি তাদের নাম গ্রহণ করেছে চ১৯ শতকের রাজা মসোয়াতি দ্বিতীয়-এর থেকে, যার শাসনামলে সোয়াজি অঞ্চল বিস্তৃত এবং ঐক্যবদ্ধ ছিল; বর্তমান সীমানা ১৮৮১ সালে আফ্রিকার জন্য স্ক্র্যামবলের মাঝখানে তৈরি হয়েছিল। [7] দ্বিতীয় বোয়ার যুদ্ধের পর, সোয়াজিল্যান্ড (/ swɑːzllnd, -lənd /) নামে রাজত্বটি ব্রিটিশের অধীনে ছিল ১৯০৩ সাল থেকে ১৯৬৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর স্বাধীনতা লাভ না হওয়া পর্যন্ত। [8] ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে দেশের সরকারী নাম ''কিংডম অব সোয়াজিল্যান্ড'' থেকে ''কিংডম অব এসোইয়াতিনি''-এ পরিবর্তন করা হয়, যা সাধারণত সোয়াজি ব্যবহৃত হয়। [9] [10]
 
==তথ্যসূত্র==

পরিভ্রমণ বাছাইতালিকা