বিষয়বস্তুতে চলুন

গিরিশ চন্দ্র সেন: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(নাগরিকত্ব বিষয়ক ভুলের সংশোধন)
ট্যাগ: দৃশ্যমান সম্পাদনা মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
চাকরি ছেড়ে দিয়ে গিরিশচন্দ্র [[কলকাতা|কলকাতায়]] গমন করেন। কলকাতায় যাওয়ার পর তাঁর সাথে দেখা হয় [[রাজা রামমোহন রায়]] প্রবর্তিত [[ব্রাহ্মধর্ম|ব্রাহ্মধর্মের]] তৎকালীন প্রচারক [[কেশবচন্দ্র সেন|কেশবচন্দ্র সেনের]]। সে সময় কেশবচন্দ্র ছিলেন ব্রাহ্মধর্মের নববিধান শাখার প্রধান। তাঁরই প্রভাবে গিরিশচন্দ্র সেন ব্রাহ্ম মতবাদে দীক্ষা গ্রহণ করেন। ব্রাহ্মসমাজ তাঁর কর্তব্যনিষ্ঠায় মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ভাই উপাধিতে ভূষিত করে। {{Citation needed}}
 
== কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদকঅনুবাদ প্রকাশক ==
কেশবচন্দ্রের অনুরোধ ও ব্যবস্থাপনাতে তিনি ফার্সি ভাষায় আরো গভীর জ্ঞান লাভ এবং [[আরবি]]-ফার্সি সাহিত্যের ওপর পড়াশোনা করার জন্য [[কানপুর]] ও [[লখনউ]] গমন করেন। ফিরে আসার পর কেশবচন্দ্রের উৎসাহেই তিনি ইসলামি দর্শনের উপর গবেষণা শুরু করেন। কিন্তু [[ইসলাম ধর্ম]] সম্পর্কে পড়াশোনা ও গবেষণা করার জন্য প্রধান বাঁধাই ছিল ভাষা। [[হিন্দু ধর্ম|হিন্দু]] ও [[খ্রিস্ট ধর্ম|খ্রিস্ট ধর্মের]] ধর্মগ্রন্থসমূহ অনেক আগেই বাংলায় অনূদিত হয়েছিল, কিন্তু ইসলাম ধর্মের কোন ধর্মশাস্ত্রই বাংলাভাষায় ছিলনা। বিশেষ করে পবিত্র কুরআন ও [[হাদিস]] তখনো বাংলায় প্রকাশিত হয়নি। যার ফলে কুরআনের মর্মার্থ অনুবাধন করা থেকে বৃহত্তর মুসলিম গোষ্ঠী পুরোপুরিই বঞ্চিত ছিল। তাই ব্রাহ্মসমাজের কেশবচন্দ্র সেন পরিচালিত নববিধান সভা ইসলাম ধর্মগ্রন্থসমূহ বাংলায় অনুবাদ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। স্বাভাবিকভাবেই, আরবি-ফার্সি ভাষার সুপন্ডিত ভাই গিরিশচন্দ্র সেন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এ দায়িত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করেন।
 
বেনামী ব্যবহারকারী