বিষয়বস্তুতে চলুন

"সঙ্গীত" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎সঙ্গীত শিল্প: এই হেডিং এর অধীনে বাণিজ্যিক দিকটি উঠে এসেছে, তাই হেডিং এর নাম সংশোধ্ন করা হল। পাইরেসি ব্যপারটি ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মধ্যে নিরপেক্ষ নয়। তাই পাইরেসি শব্দটি বাদ দেওয়া হল।
(সম্প্রসারণ)
(→‎সঙ্গীত শিল্প: এই হেডিং এর অধীনে বাণিজ্যিক দিকটি উঠে এসেছে, তাই হেডিং এর নাম সংশোধ্ন করা হল। পাইরেসি ব্যপারটি ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মধ্যে নিরপেক্ষ নয়। তাই পাইরেসি শব্দটি বাদ দেওয়া হল।)
** [[আনদ্ধ]]
 
== সঙ্গীত শিল্পশিল্পের বাণিজ্যিক প্রসার ==
প্রাচীনকাল থেকে এ বঙ্গঅঞ্চলে কীর্তন বা ঈশ্বরের নামে গান করার প্রচলন চলে আসছে। চর্যাগীতির পরে বাংলা সঙ্গীতে উল্লেখযোগ্য হয়ে আছে নাথগীতি। যদিও সঙ্গীতকে ঘিরে বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট হয়েছে এক ধরণের ব্যবসায়। এতে সঙ্গীত রচনা করে গ্রাহক কিংবা প্রচার মাধ্যমে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এর সাথে জড়িত রয়েছে বিভিন্ন রেকর্ড কোম্পানী, ব্রান্ড এবং ট্রেডমার্ক সহযোগে লেবেল এবং বিক্রেতা। ২০০০ সালের পর থেকে গানের শ্রোতার সংখ্যা অসম্ভব আকারে বৃদ্ধি পেয়েছ। শ্রোতারা ডিজিটাল মিউজিক ফাইলগুলোকে [[এমপি-থ্রী প্লেয়ার]], [[আইপড]], [[কম্পিউটার]] এবং অন্যান্য বহনযোগ্য আধুনিক যন্ত্রে সংরক্ষণ করছেন। গানগুলো [[ইন্টারনেট]] থেকে [[ডাউনলোড]]বিনামূল্যে কিংবা [[অনলাইন|অনলাইনে]] ক্রয় করে মনের ক্ষুধাসংগ্রহ দূরীভূতকরা করছেন।যায়। ডিজিটাল মাধ্যমে গান সংগ্রহ ও দেয়া-নেয়ার মাধ্যমে বর্তমান সঙ্গীত ব্যবসাশিল্প পরিচালিতপ্রসারিত হচ্ছে।হয়েছে।
 
তবে ইন্টারনেট থেকে অবাধে বিনামূল্যে গান ডাউনলোড করার ফলে সঙ্গীতগানের শিল্পসিডি বিক্রয়ের ব্যবসায় এক ধরণের হুমকির মুখে রয়েছে। তাছাড়া, পাইরেসি ও মনের খোরাক মেটানোএর নির্ভেজালফলে এইবাণিজ্যিক বিনোদনশিল্পীরা শিল্পকেআর্থিকভাবে ঠেলেলাভবান দিচ্ছেহতে নিকষপারছেন আঁধারে।না।
 
== বহিঃসংযোগ ==
১৯৫টি

সম্পাদনা