"তৈমুর লং" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
প্রায় অর্ধেক পৃথিবী তৈমুরের দখলে চলে আসে। চেঙ্গিস খানকে আদর্শ মানা তৈমুর বীরদর্পে তার সাম্রাজ্যে পদচারণ করেন। দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়ে তৈমুরের বীরত্বগাথা। স্বাধীন সম্রাটরা ভয়ে ভয়ে থাকেন। এই বুঝি তৈমুর তার বাহিনী নিয়ে আক্রমণ করে বসেন!
 
==অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য==
 
বিভিন্ন গ্রন্থ এবং ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপিতে তৈমুর সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লিপিবদ্ধ করা আছে। বেশ কিছু তথ্য নিয়ে ইতিহাসবিদগণ দ্বিমত প্রকাশ করলেও অধিকাংশ তথ্যই তৈমুরের ব্যক্তিগত জীবন দর্শনকে উপলব্ধি করার জন্য অপরিহার্য। বহু তথ্যের ভিড় থেকে বাছাই করা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:
 
তৈমুরের পঙ্গুত্ব নিয়ে দ্বিধার অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৪১ সালে এক রুশ প্রত্নতাত্ত্বিক তৈমুরের সমাধিক্ষেত্র খনন করেন। গবেষণায় তৈমুরের কোমরের বেশ কিছু স্থানে হাড়ের অসারতা এবং ডান হাতে দু’টি আঙুলের হাড় ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়।
তৈমুরের কফিনের ঢালায় বড় করে লেখা ছিল, “যে আমার কবর খনন করবে, সে আমার চেয়েও ভয়াবহ এক শাসককে জাগিয়ে তুলবে” এবং “আমি যেদিন ফের জেগে উঠবো, সেদিন সমগ্র পৃথিবী আমার ভয়ে কাঁপবে!”
 
তৈমুরের সমাধিক্ষেত্র গুর-ই-আমির;
 
তৈমুরকে পুনরায় দাফন করার কিছুক্ষণের মধ্যেই রুশ বাহিনী স্টালিনগ্রাডে হিটলারের উপর জয় লাভ করে।
তৈমুর বাহিনী প্রায় ১৭ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করে, যা তৎকালীন পৃথিবীর জনসংখ্যার প্রায় ৫%।
তৈমুর নিজেকে ‘ইসলামের তরবারি’ হিসেবে জাহির করেন। কিন্তু ইতিহাসবিদগণ তার ব্যক্তিগত ধর্ম বিশ্বাস সম্পর্কে কোনো প্রমাণ পাননি। ইতিহাসবিদদের মতে, তিনি ইসলামকে স্রেফ ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছেন। রণকৌশলের ক্ষেত্রে তৈমুর অত্যন্ত চৌকস ছিলেন।
কঠোর তৈমুর ব্যক্তিগত জীবনে একজন শিল্পানুরাগী ছিলেন। তার পৃষ্ঠপোষকতায় পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন ইমারত ও ভাস্কর্য নির্মিত হয়।
 
== তথ্যসূত্র ==
বেনামী ব্যবহারকারী

পরিভ্রমণ বাছাইতালিকা