বিষয়বস্তুতে চলুন

নিশাপুর: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বিষয়বস্তু যোগ
(→‎বহিঃসংযোগ: অপ্রয়োজনীয় লিংক বাতিল)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(বিষয়বস্তু যোগ)
১০ম শতাব্দীতে সামানি শাসনামলে নিশাপুর উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করে, কিন্তু ১২২১ সালে মোঙ্গলরা সব ধ্বংস করে দেয়, এরপর অন্যান্য দখলদারদের আক্রমণ এবং ১৩শ শতাব্দীর ভূমিকম্পে শহরটি গুঁড়িয়ে যায়। এরপর এর উত্তরাংশে অল্পকিছু বসতি গড়ে ওঠে এবং একসময়কার সদাগুঞ্জরিত শহরটি এভাবে মাটিচাপা পড়ে থাকে; যতদিন না মার্কিন মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্টের একদল প্রত্নতাত্ত্বিক খননকারী এখানে এসে খনন শুরু করেন, ২০-শতকের মধ্যভাগে। তারা ১৯৩৫ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত নিশাপুরে কাজ করেন, এবং ১৯৪৭-৪৮ সালের শীতকালে প্রকল্পটি সমাপ্ত করে ফিরে যান।<ref>http://www.metmuseum.org/toah/hd/nish/hd_nish.htm</ref>
{{TOC limit|2}}
 
== শিল্পকলা ==
=== মৃৎশিল্প ===
[[File:Thr muze art islam 7.jpg|200px|thumbnail|right|৯ম বা ১০ম শতাব্দীর একটি পাত্রের গায়ে ছবি এঁকে তার ওপর স্বচ্ছ গ্লেজ (পলিক্রোম) দেয়া হয়েছে। ইরান ছাতীয় জাদুঘর, [[তেহরান]]।]]
ইসলামী স্বর্ণযুগে, বিশেষ করে ৯ম ও ১০ম শতাব্দীতে, নিশাপুর হয়ে ওঠে মৃৎশিল্প ও এরকম অন্যান্য শিল্পের অন্যতম কেন্দ্র।<ref>Nishapur: Pottery of the Early Islamic Period, Wilkinson, Charles K. (1973)</ref> নিশাপুরে পাওয়া অধিকাংশ সিরামিক শিল্পদ্রব্য এখন সংরক্ষিত আছে মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট এবং তেহরান ও মাশহাদের বিভিন্ন জাদুঘরে। নিশাপুরে তৈরিকৃত সিরামিক দ্রব্যগুলোর সাথে সাসানীয় শিল্পকলা এবং মধ্যএশিয়ার সংযোগ পাওয়া যায়।<ref>http://www.britannica.com/EBchecked/topic/415980/Nishapur-pottery</ref> বর্তমানে এখানে চারটি মৃৎশিল্পের কারখানা আছে।<ref>http://incc.ir/fa/Lists/News/DispForm.aspx?ID=2589</ref>
 
=== গালিচা-বুনন ===
নিশাপুর বিভাগের গ্রামগুলোতে গালিচা ও মাদুর বোনা খুবই পরিচিত একটি কাজ। শাফিয়াবাদ, গারিনেহ, দাররুদ, বাঘশান, খারভ, বোজঘান, সায়্যিদ আবাদ, সার চাহ, সুলেইমানি, সুলতান আবাদ, এবং এশঘ আবাদ গ্রামগুলোতে প্রধান প্রধান গালিচা কারখানাগুলো অবস্থিত। বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় কার্পেটগুলো নিশাপুরেই তৈরি হয়েছে, সেগুলো শোভা পাচ্ছে শেখ যায়েদ মসজিদ,<ref>http://news.webindia123.com/news/Articles/World/20070728/726654.html</ref> সুলতান কাবুস গ্র্যান্ড মস্ক,<ref>http://www.omanet.om/english/Relegious/grandmosq.asp</ref> আর্মেনিয়ান প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেস, তেহরানে ফিনল্যান্ডের দূতাবাস এবং ওমানের মোহাম্মদ আল-আমীন মসজিদে।<ref>Muscat</ref>
 
নিশাপুরের গালিচায় আধুনিক কারুকার্য করা শুরু হয় ১৯৪৬-এ, যখন এখানকার এক সরাইখানায় প্রথম গালিচা-বুননের কারখানা খোলা হয়।
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা|2}}
{{reflist|2}}
 
==অতিরিক্ত অধ্যয়ন==