বিষয়বস্তুতে চলুন

"চিকিৎসক" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে, কোন সমস্যা?)
(বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন)
সাধারণতঃ চিকিৎসা সংক্রান্ত শিক্ষাগ্রহণ এবং জীবিকানির্বাহে চিকিৎসকদের কর্মপন্থা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন রূপ হয়ে থাকে।
 
প্রধানতঃ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষই চিকিৎসা শাস্ত্র বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। সকল [[উন্নত দেশ|উন্নত দেশসমূহে]] চিকিৎসা বিদ্যাগ্রহণের পর্যায় মূলতঃ তৃতীয়-ধাঁপে হয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিকিৎসা বিদ্যালয় কিংবা [[চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়|চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়গুলো]] কোন একটি [[বিশ্ববিদ্যালয়|বিশ্ববিদ্যালয়ের]] সাথে সম্পৃক্ত থাকে। মাধ্যমিক বিদ্যালয় কিংবা উচ্চ মাধ্যমিক পাঠ শেষে ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা পূরণসাপেক্ষে তীক্ষ্ণ ধী-শক্তির অধিকারী শিক্ষার্থীকে প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হয়। উত্তীর্ণরাই পরবর্তীতেপরবর্তীকালে স্নাতক-পূর্ব পড়াশোনা হিসেবে চিকিৎসা বিদ্যায় অংশগ্রহণ করতে হয়। এ প্রশিক্ষণ বছরের শুরুতেই অথবা কয়েক বছর পর হতে পারে।
 
সাধারণতঃ [[শিক্ষা]] [[পাঠ্যক্রম]] সম্পাদনের জন্য পাঁচ থেকে ছয় [[বছর|বছরের]] প্রয়োজন পড়ে। [[বিজ্ঞান বিভাগ|বিজ্ঞান বিভাগের]] [[শিক্ষার্থী|শিক্ষার্থীরাই]] চিকিৎসা বিদ্যা অধ্যয়ন করে থাকেন। তারপরও মৌলিকভাবে চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞান অর্জনের জন্য আইন-কানুন এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উপর নির্ভর করে পাঁচ থেকে আট বৎসর [[সময়]] ব্যয়িত হয়।
 
== দক্ষতা ও পেশাদারীত্ব পর্যবেক্ষণ ==
চিকিৎসকগণ তাদের পেশার প্রতি যথেষ্ট দায়িত্বশীল ও সময় সচেতন হয়ে থাকেন। তিনি চিকিৎসাবিদ্যায় তাঁর সহজাত দক্ষতা ও পেশাদারীত্বের পরিচয় রোগীর কাছে দিয়ে থাকেন। তারপরও ছোটখাটছোটোখাটো চিকিৎসাজনিত ভুল-ভ্রান্তি, [[মদপান]] করাসহ অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা, ব্যক্তিগত সমস্যা ও সমালোচনায় তাদের পেশাদারী আচরণকে বিশ্বব্যাপী প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে।<ref>{{cite journal |author=Lim MK |title=Quest for quality care and patient safety: the case of Singapore |journal=Qual Saf Health Care |volume=13 |issue=1 |pages=71–5 |year=2004 |month=February |pmid=14757804 |pmc=1758053 |doi=10.1136/qshc.2002.004994 |url=}}</ref> ২০০০ সালে রোগী-নিরাপদ আন্দোলন নামে সমালোচনাধর্মী একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।<ref>Committee on Quality of Health Care in America, Institute of Medicine. (2000). To Err is Human: Building A Safer Health System. ''National Academies Press''. [http://www.nap.edu/catalog.php?record_id=9728#toc Free full-text].</ref><ref>{{cite journal |author=Wachter RM |title=Patient safety at ten: unmistakable progress, troubling gaps |journal=Health Aff (Millwood) |volume=29 |issue=1 |pages=165–73 |year=2010 |pmid=19952010 |doi=10.1377/hlthaff.2009.0785 |url=}}</ref> [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে]] বেশকিছু প্রতিষ্ঠান চিকিৎসকদের কার্যকলাপ ও দক্ষতার বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে নজরদারী করছে।
 
== উপমহাদেশ ==
৯৬,১৬৮টি

সম্পাদনা