বিষয়বস্তুতে চলুন

"গ্যালিলিও গ্যালিলেই" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন
(বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন)
(বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন)
গ্যালিলিও [[১৫৬৪]] সালের [[ফেব্রুয়ারি ১৫|১৫ই ফেব্রুয়ারি]] তারিখে [[ইতালি|ইতালির]] [[টুসকানি|টুসকানিতে]] অবস্থিত [[পিসা]] নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা [[ভিনসেঞ্জো গ্যালিলি]] গণিতজ্ঞ এবং সংগীতশিল্পী ছিলেন। ভিনসেঞ্জো [[১৫২০]] সালে ইতালির ফ্লোরেনসে জন্ম নেন। তার মা'র নাম ''গিউলিয়া আমানাটি'' (Giulia Ammannati)। গ্যালিলিও ছিলেন বাবা মা'র সাত সন্তানের (কারও কারও মতে ৬) মধ্যে সবার বড়। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মতে তিনি ভাইবোনদের মধ্যে সবচেয়ে মেধাবীও ছিলেন।
 
বেশ অল্প বয়স থেকে গ্যালিলিওর শিক্ষাজীবন শুরু হয়। সাধারণ শিক্ষার পর তিনি [[পিসা বিশ্ববিদ্যালয়|পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে]] ভর্তি হন, কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার দরুণদরুন সেখানেই তার পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে হয়। তার পরেও [[১৫৮৯]] সালে গ্যালিলিও পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার জন্য একটি পদ পান এবং সেখানে গণিত পড়ানো শুরু করেন। এর পরপরই তিনি [[পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয়|পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে]] চলে যান এবং সেখানকার অনুষদে [[জ্যামিতি]], [[বলবিজ্ঞান]] এবং [[জ্যোতির্বিজ্ঞান]] বিষয়ে [[১৬১০]] সালের পূর্ব পর্যন্ত অধ্যাপনা করেন। এই সময়ের মধ্যেই তিনি বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে ভাবেন এবং বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করেন।
 
গ্যালিলিও এবং [[মারিনা গ্যামবা]] তিন সন্তানের জন্ম দেন, কিন্তু তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হননি। গ্যালিলিও একজন নিবেদিত [[রোমান ক্যাথলিক]] ছিলেন বলে যে ধারণা প্রচলিত আছে তা মেনে নিলে তার বিবাহবহির্ভূত এই যৌনাচার অনেকটাই অবাস্তব মনে হয়। তাদের দুই মেয়ে (ভার্জিনিয়া ও লিভিয়া) এবং এক ছেলে (ভিনসেঞ্জিও) জন্মেছিলো। বিবাহবহির্ভূত সন্তান উৎপাদনের জন্য তাদের দুই মেয়েকেই স্বল্প বয়সে আরসেট্রিতে অবস্থিত ''সান মেটিও'' নামক চার্চে পাঠিয়ে দেয়া হয়। তাদের দুই মেয়েকে বাকি জীবন সেখানেই পার করতে হয়েছিলো। কনভেন্টে প্রবেশের পর ''ভার্জিনিয়'' [[মারিয়া সেলেস্টি]] নাম ধারণ করে, সে-ই ছিলো গ্যালিলিওর সন্তানদের মধ্যে সবার বড়। ভার্জিনিয়া সবচেয়ে আদরের সন্তানও ছিলো এবং বাবার মেধার খানিকটা উত্তরাধিকার সে-ই লাভ করতে সমর্থ হয়েছিলো। [[১৬৩৪]] সালের [[এপ্রিল ২|২ এপ্রিল]] তারিখে সে মারা যায়। তার কবর [[বাসিলিকা ডি সান্তা ক্রস ডি ফিরেঞ্জ|বাসিলিকা ডি সান্তা ক্রস ডি ফিরেঞ্জে]] গ্যালিলিওর কবরের পাশেই অবস্থিত। লিভিয়া (জ. ১৬০১) ''সুওর আরকাঞ্জেলা'' নাম ধারণ করে। বড় বোনের মত সে কিছু করে দেখাতে পারেনি, জীবনের বেশির ভাগ সময়ই সে অসুস্ত ছিলো। ছেলে ভিনসেঞ্জিও (জ. ১৬০৬) পরবর্তীতে বৈধ জাত্যাধিকারী হয় এবং ''সেসটিলা বচ্চিনারিককে'' (Sestilia Bocchineri) বিয়ে করে।
 
==== দূরবীক্ষণ যন্ত্রের আবিস্কার ====
[[চিত্র:Bertini fresco of Galileo Galilei and Doge of Venice.jpg|thumbnail|right|নিজের আবিষ্কৃত দুরবীক্ষনদূরবীক্ষণ যন্ত্রের প্রদর্শন]]
১৬০৯ সালে গ্যালিলিও স্বাধীনভাবে এবং উন্নত ধরনের দূরবীক্ষণ যন্ত্র নির্মাণ ও এই যন্ত্রকে জ্যোতির্বিদ্যায় সার্থকভাবে প্রয়োগের করেন। এর আগে ১৬০৮ খ্রীষ্টাব্দে ওলন্দাজ চশমা নির্মাতা লিপেরশাইম তার নির্মিত এক দূরবীক্ষণ যন্ত্রের কথা প্রকাশ করেন এবং সেই বছরেই এই অদ্ভুত কাচ নির্মিত যন্ত্রের কথা গ্যালিলিওর নিকট পৌঁছে। এসময় তিনি তার এক রচনায় লিখেন: “প্রায় ১০ মাস পূর্বে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছে যে জনৈক ওলন্দাজ চশমা নির্মাতা এমন এক যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন যার দ্বারা দূরবর্তী বস্তুদের নিকটবর্তী বস্তুর মতো স্পষ্ট দেখা যায়। এ খবর পাওয়া মাত্র আমি নিজে কিভাবে এরূপ একটি যন্ত্র নির্মাণ করতে পারি তা চিন্তা করতে লাগলাম।” শীঘ্রই দূরবীক্ষণ যন্ত্রের নানা উন্নতি সাধন করে গ্যালিলিও দূরবর্তী বস্তুদের অন্তত ৩০ গুণ বড় করে দেখার ব্যবস্থা করেন।
==== চাঁদের কলঙ্কের কারণ আবিস্কার ====
১,০৭,৮৩৮টি

সম্পাদনা