বিষয়বস্তুতে চলুন

আহোম রাজ্য: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন
(+ 4টি বিষয়শ্রেণী; ±বিষয়শ্রেণী:আহোম রাজাবিষয়শ্রেণী:আহোম সাম্রাজ্য হটক্যাটের মাধ্যমে)
(বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন)
 
==যুদ্ধের প্রস্তুতি==
যুদ্ধ আরম্ভ হওয়ার পূর্বে আহোমেরা ট্রেন নামক উপাস্য দেবতাকে পূজা করিতেন। আহোমদের স্থলসেনা ও নৌসেনার দুইটি বিভাগ ছিল। স্থলসেনার প্রধান সেনাপতিকে ফুকন ও নৌসেনার প্রধানকে পানীফুকন বলা হত। সেনাপতির নিম্নবর্গদের বরনেওগ ও নেওগ বলা হত। যুদ্ধে যাওয়ার সময় আহোম সেনারা কয়েকজন বিজ্ঞপণ্ডিতদের সঙ্গে নিয়ে যেতেন। এদের মধ্যে বেজবরুয়া, দেওধাই ও বাইলুং প্রধান ছিল। বেজবরুয়া শ্রেনীর ব্যক্তিরা সাধারনত যুদ্ধে আহত সৈন্যদের চিকিৎসা করিতেন ও দেওধাই ও বাইলুং গনকের কাজ করিতেন। কোন দিক থেকে আক্রমনআক্রমণ করার প্রয়োজন ও শত্রুরা কোন দিক থেকে আক্রমনআক্রমণ করার সম্ভাবনা বেশী ইত্যাদি গনকেরা পূর্বানুমান করে বলতেন। প্রয়োজন সাপেক্ষে আহোম রাজ্যের মুখ্য বিষয়া যেমন বরফুকন ও বরবরুয়া ইত্যাদি শ্রেনীর ব্যক্তিরা যুদ্ধে অংশ গ্রহন করিতেন। কখনো স্বয়ং রাজা নিজে যুদ্ধ করিতেন। মুখ্য বিষয়ারা হাতির পিঠে চড়ে যুদ্ধ করিতেন। যুদ্ধের সময় কোন আহোম সেনা যুদ্ধ ছেড়ে আসার অনুমতি ছিলনা। সেনাপতি বা সৈন্য সবার জন্য নিয়ম এক ছিল। পালিয়ে আসা সৈন্যদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হত। অন্যান্য সৈন্যদের উপস্থিতে পালাতক সৈন্যকে হত্যা করা হত যাতে এমন ভুল অন্য কেউ না করে।
 
===যুদ্ধের সামগ্রী===
১,০৭,৮৪০টি

সম্পাদনা