বিষয়বস্তুতে চলুন

"মেসোপটেমিয়া" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(Robot: ceb:Mesopotamya is a featured article; কসমেটিক পরিবর্তন)
[[চিত্রFile:Mesopotamia map bn.PNGsvg|thumb|right|400px|প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার মানচিত্র।]]
'''মেসোপটেমিয়া''' (প্রাচীন গ্রীকঃ Μεσοποταμία অর্থ-দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমি, আরবিঃ بلاد الرافدين‎ ) বর্তমান ইরাকের [[টাইগ্রিস]] বা দজলা ও [[ইউফ্রেটিস]] বা ফোরাত নদী দুটির মধ্যবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। অধুনা [[ইরাক]], [[সিরিয়া|সিরিয়ার]] উত্তরাংশ, [[তুরষ্ক|তুরষ্কের]] উত্তরাংশ এবং [[ইরান|ইরানের]] খুযেস্তান প্রদেশের অঞ্চল গুলোই প্রাচীন কালে মেসোপটেমিয়ার অন্তর্গত ছিল বলে মনে করা হয় । '''মেসোপটেমিয় সভ্যতা''' পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতার অন্যতম। খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ হতে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের মধ্যে মেসোপটেমিয়ায় অতি উন্নত এক সভ্যতার উম্মেষ ঘটেছিল। [[সভ্যতার আঁতুড়ঘর]] হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চল মিশরীয় সভ্যতার থেকে অনেকটাই ভিন্ন ছিল এবং বহিঃশত্রুদের থেকে খুব একটা সুরক্ষিত ছিলনা বলে বারবার এর উপর আক্রমন চলতে থাকে এবং পরবর্তীতে এখান থেকেই ব্রোঞ্জ যুগে আক্কাদীয়, ব্যবিলনীয়, এসিরীয় ও লৌহ যুগে নব্য-এসিরীয় এবং নব্য-ব্যাবিলনীয় সভ্যতা গড়ে উঠে।<ref>বইঃ সাংস্কৃতিক ভূগোল, লেখক-আব্দুল বাকী। প্রকাশকঃ গ্লোব লাইব্রেরী (প্রাঃ) লিমিটেড</ref><br />
খৃষ্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে মেসোপটেমিয়া পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রনেই ছিল কিন্তু পরে এই ভূখন্ডের আধিপত্ত নিয়ে রোমানদের সাথে যুদ্ধ হয় এবং রোমানরা এই অঞ্চল ২৫০ বছরের বেশি শাষন করতে পারে নি। । দ্বিতীয় শতকের শুরুর দিকে [[পারস্য|পার্সিয়ানরা]] এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রন নিয়ে নেয় এবং সপ্তম শতাব্দী পর্যন্ত এই অঞ্চল তাদের শাসনেই থাকে, এরপর মুসলিম শাসনামল শুরু হয় । মুসলিম খিলাফত শাসনে এই অঞ্চল পরবর্তীতে [[ইরাক]] নামে পরিচিতি লাভ করে ।
১৩,৪৫৫টি

সম্পাদনা