বিলাতি ঝাউ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বিলাতি ঝাউ
Casuarina equesitifolia tree.jpg
C. equisetifolia উপপ্রজাতি incana
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস e
জগৎ/রাজ্য: Plantae
গোষ্ঠী: Tracheophytes
ক্লেড: Angiosperms
ক্লেড: Eudicots
গোষ্ঠী: Rosids
বর্গ: Fagales
পরিবার: Casuarinaceae
Genus: Casuarina
প্রজাতি: C. equisetifolia
দ্বিপদী নাম
Casuarina equisetifolia
লিনিয়াস ১৭৫৯
উপপ্রজাতি
  • Casuarina equisetifolia subsp. equisetifolia
  • Casuarina equisetifolia subsp. incana
চট্টগ্রামের মহামায়া হ্রদে বিলাতি ঝাউ
মহারাষ্ট্রের চিখালদারায় বিলাতি ঝাউ
তুলুজ জাদুঘরে বিলাতি ঝাউয়ের নমুনা

বিলাতি ঝাউ বা অস্ট্রেলীয় পাইন (বৈজ্ঞানিক নাম: Casuarina equisetifolia), কাসুয়ারিনাসি গোত্রের কাসুয়ারিনা গণের একটি প্রজাতি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে উত্তর অস্ট্রেলিয়াপ্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় বিলাতি ঝাউ স্থানীয় প্রজাতি হিসেবে পাওয়া যায়। থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, পূর্ব তিমুর (এই সমস্ত অঞ্চলে এটি আগোহো পাইন নামে পরিচিত)[১] থেকে পূর্বে পাপুয়া নিউ গিনি, ফরাসি পলিনেশিয়া, নিউ ক্যালিডোনিয়াভানুয়াতু এবং দক্ষিণে অস্ট্রেলিয়া (নর্দার্ন টেরিটরির উত্তরাঞ্চল, কুইন্সল্যান্ডের উত্তর ও পূর্বাঞ্চল এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের উত্তর-পূর্বাঞ্চল) পর্যন্ত এদের ভৌগোলিক বিস্তৃতির অন্তর্ভুক্ত।[২] এছাড়া মাদাগাস্কারে পাওয়া গেলেও এটি এর স্থানীয় বিস্তৃতির অন্তর্ভুক্ত কিনা, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ থাকে।[৩][৪] এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলে ও পশ্চিম আফ্রিকায় এদের রোপন করা হয়েছে।[৫] বিলাতি ঝাউ ফ্লোরিডা,[৬][৭] দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারতব্রাজিলে দখলদার প্রজাতি হিসেবে পরিচিত।[৮]

শ্রেণীবিন্যাস[সম্পাদনা]

বিজ্ঞানী কার্ল লিনিয়াস ১৭৫৯ সালে বিলাতি ঝাউয়ের (Casuarina equisetifolia) প্রজাতিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেন। ১৯৮৯ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসের উদ্ভিদবিজ্ঞানী লরি জনসন প্রথম এর টাইপ প্রজাতি বর্ণনা করেন।[৯] এর প্রজাতিক নাম equisetifolia ল্যাটিন শব্দ equisetum থেকে এসেছে যার অর্থ "ঘোড়ার চুল" (আনত শাখা অনেকটা অশ্বপুচ্ছ উদ্ভিদের মতো হওয়ায়)।[২] এর সাধারণ নামগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উপকূল স্ত্রী-ওক (উপকূলীয় স্ত্রী-ওক), উপকূল ঝাউ, উপকূল ওক, উপকূল পাইন, শিস উদ্ভিদ, অশ্বপুচ্ছ, অশ্বপুচ্ছ স্ত্রী-ওক, অশ্বপুচ্ছ বিফউড, অস্ট্রেলীয় পাইন, লৌহকাষ্ঠ, ফিলাও গাছ ও আগোহো ইত্যাদি।[২][৯][১০]

বিলাতি ঝাউয়ের দুইটি উপপ্রজাতি রয়েছে:[১১][১২]

  • Casuarina equisetifolia subsp. equisetifolia, ৩৫ মি (১১৫ ফু) লম্বা উদ্ভিদ; পাতা ০.৫–০.৭ মিমি (০.০২০–০.০২৮ ইঞ্চি) ব্যাসবিশিষ্ট, লোমশূণ্য। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, উত্তর অস্ট্রেলিয়া।[১৩]
  • Casuarina equisetifolia subsp. incana (বেন্থ.) এল.এ.এস. জনসন. মাত্র ১২ মি (৩৯ ফু) লম্বা ক্ষুদ্রাকায় উদ্ভিদ; পাতার ব্যাস ০.৭–১ মিমি (০.০২৮–০.০৩৯ ইঞ্চি), আনত। পূর্ব অস্ট্রেলিয়া (পূর্ব কুইন্সল্যান্ড, নিউ সাউথ অয়েলস), নিউ ক্যালিডোনিয়া, দক্ষিণ ভানুয়াতু।[১৪]

বর্ণনা[সম্পাদনা]

বিলাতি ঝাউয়ের পাতা ভূতলে জমা হয়ে জৈবরাসায়নিক পদার্থ ক্ষরণের মাধ্যমে নতুন অঙ্কুরোদ্গমে বাধা দেয়, যা উভয় উদ্ভিদের ক্ষতির কারণ। সম্ভবত এ কারণেই এদের স্থানীয় বিস্তৃতির বাইরে এরা ক্ষতিকর দখলদারিত্বের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়

বিলাতি ঝাউ বা অস্ট্রেলীয় পাইন ৬–৩৫ মি (২০–১১৫ ফু) লম্বা চিরহরিৎ বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ। পত্রমঞ্জরিতে সরু সরু শাখান্বিত ধূসরাভ সবুজ পাতা থাকে, যার ব্যাস প্রায় ০.৫–১ মিমি (০.০২০–০.০৩৯ ইঞ্চি)। পত্রমূলে ছয় থেকে আটটি আঁইশাকার পাতা একসাথে থাকে। ছোট ছোট ফুল ক্যাটকিনের মতো থোকায় থোকায় পুষ্পমঞ্জরি আকারে উৎপন্ন হয়। সরল স্পাইক পুষ্পমঞ্জরির পুংপুষ্প ০.৭–৪ সেমি (০.২৮–১.৫৭ ইঞ্চি) লম্বা। স্ত্রীপুষ্পের পেডাঙ্কল বা মঞ্জরিদণ্ড ছোট হয়। কাসুয়ারিনা বা ঝাউ গণের অন্যান্য উদ্ভিদের মতো বিলাতি ঝাউ ডাইওয়িশাস নয় বরং মনোয়িশাস, অর্থাৎ পুং ও স্ত্রীপুষ্প একই উদ্ভিদদেহে থাকলেও আলাদা আলাদা ফুলে পুং ও স্ত্রী স্তবক থাকে। ফল ডিম্বাকার, কিছুটা কাঠের মতো গঠনের, লম্বায় ১০–২৪ মিমি (০.৩৯–০.৯৪ ইঞ্চি) এবং প্রায় ৯–১৩ মিমি (০.৩৫–০.৫১ ইঞ্চি) ব্যাসবিশিষ্ট এবং দেখতে কিছুটা কনিফারের কোণের মতো। এই কোণটি অসংখ্য গর্ভপত্র নিয়ে গঠিত, যার প্রত্যেকটিতে একটি করে বীজ থাকে। প্রতিটি গর্ভপত্রে একটি ক্ষুদ্র পক্ষল অংশ থাকে যা ৬–৮ মিমি (০.২৪–০.৩১ ইঞ্চি) লম্বা।[৩][১৫]

ঝাউ গণের অন্যান্য প্রজাতির মতোই বিলাতি ঝাউ বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন সংবন্ধনে সক্ষম অ্যাক্টিনোরাইজাল উদ্ভিদফ্যাবাসি বা শিম গোত্রীয় প্রজাতিগুলোর (যেমন শিম, আলফালফা, অ্যাকাশিয়া ইত্যাদি) বিপরীতে ঝাউগাছ ফ্রাঙ্কিয়া নামক অ্যাকটিনোমাইসিট ব্যাকটেরিয়াকে আশ্রয় দেয় ও মিথোজীবিতা প্রদর্শন করে।

ভৌগোলিক বিস্তৃতি[সম্পাদনা]

বিলাতি ঝাউ মিয়ানমারভিয়েতনাম থেকে ম্যালেশিয়া হয়ে পূর্বে ফরাসি পলিনেশিয়া, নিউ ক্যালিডোনিয়াভানুয়াতু পর্যন্ত এবং দক্ষিণে অস্ট্রেলিয়া (নর্দার্ন টেরিটোরির উত্তরাঞ্চল, কুইন্সল্যান্ডের উত্তর ও পূর্বাঞ্চল এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে লরিটন পর্যন্ত দক্ষিণে) পাওয়া যায়।[১৬]

ব্যবহার[সম্পাদনা]

ঝাউগাছ বনসাই হিসেবে, বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে ব্যাপক জনপ্রিয়। ইন্দোনেশীয় জাতসমূহ থেকে তাইওয়ানে প্রস্তুত করা বনসাই পৃথিবীতে শীর্ষস্থানীয়। ঝাউ কাষ্ঠ ফলক, বেড়া (বেষ্টনী) ও উত্তম তাপোৎপাদী জ্বালানী কাঠ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। হাওয়াইয়ে ভূমিকে ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া থেকে রক্ষার জন্য ও ঝড়ো বাতাস প্রতিরোধের জন্য ঝাউগাছ লাগানো হয়।

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ নানুমিয়া'র একটি প্রচলন অনুযায়ী কিংবদন্তি বীর তেফোলাহা অলৌকিক বর্শা কাউমাইলে নিয়ে সামোয়াটোঙ্গা দ্বীপপুঞ্জে যুদ্ধ করে। তেফোলাহার মৃত্যুর পর কাউমাইলে তার উত্তরসূরীদের কাছে বাহিত হতে থাকে। ২৩ প্রজন্ম বাহিত হওয়ার পর সামোয়ার ১.৮ মিটার লম্বা ও ৮৮০ বছরের পুরনো কিংবদন্তিতুল্য গাছটি কেটে ফেলা হয়।[১৭]

শহর অঞ্চলে গৃহসজ্জার কাজে ঝাউগাছের পাতা ব্যবহৃত হয়।

গৃহসজ্জা ছাড়াও টেক্সটাইল রংমিশ্রিত তরল বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার জন্যও ঝাউগাছ ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। ঝাউয়ের পাতা বিভিন্ন বর্জ্য টেক্সটাইল রং, যেমন অরেঞ্জ,১৬[১৮] রোডামিন বি,[১৯] মিথাইল ব্লু, ম্যালাকাইট গ্রিন[২০] ও মিথাইল ভায়োলেট ২বি[২১] প্রভৃতি শোষণ করে বলে দেখা যায়। একইভাবে ঝাউয়ের শুষ্ক কোণ রোডামিন বি,[২২] ও মিথাইল ভায়োলেট ২বি[২৩] শোষণ করে বলে জানা যায়। ঝাউয়ের বাকল মিথাইলিন ব্লু অপসারণ করতে সক্ষম বলেও জানা যায়।[২৪] এমনকি ঝাউয়ের বীজও নিরপেক্ষ লাল ও ম্যালাকাইট গ্রিন রং শোষণ করে।[২৫] ঝাউগাছের কোণ থেকে নিঃসৃত কার্বন ভাগাড়ের লাইকেট,[২৬] এমনকি কোনো কোনো পরীক্ষায় জলীয় দ্রবণ থেকে তামা আয়নেরও উত্তম শোষক বলে জানা যায়।[২৭]

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Agoho"The Trees of Alabang Hills, Muntinlupa, Philippines। ২ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ মার্চ ২০১৯ 
  2. বোল্যান্ড, ডি জে; ব্রুকার, এম আই এইচ; চিপেনডেল, জি এম; ম্যাকডোনাল্ড, এম ডাব্লিউ (২০০৬)। Forest trees of Australia (৫ম সংস্করণ)। কলিংউড: সিএসআইআরও পাবলিশিং। পৃষ্ঠা ৮২। আইএসবিএন 0-643-06969-0 
  3. "Casuarina equisetifolia L., Amoen. Acad. 143 (1759)"অস্ট্রেলিয়ান বায়োলজিক্যাল রিসোর্সেস স্টাডি। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল বোটানিক গার্ডেনস। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০১১ 
  4. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৩১ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২০ 
  5. "Plant for the Planet: Billion Tree Campaign" (PDF)ইউনাইটেড নেশনস এনভিরনমেন্ট প্রোগ্রাম। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০১১ 
  6. "Biological control of Australian native Casuarina species in the USA"কমনওয়েলথ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশন। ১৬ মে ২০০৭। ৫ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ 
  7. মাস্টারসন, জে। "Casuarina equisetifolia (Australian Pine)"। ফোর্ট পায়ার্স: স্মিথসোনিয়ান মেরিন স্টেশন। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০০৯ 
  8. "SANBI:Declared Weeds & Invader Plants"। সাউথ আফ্রিকান ন্যাশনাল বায়োডাইভারসিটি ইন্সটিটিউট। ২০১৫-১০-০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ 
  9. "Casuarina equisetifolia L."অস্ট্রেলীয় উদ্ভিদ নাম সূচক (এপিএনআই), আইবিআইএস ডাটাবেস। উদ্ভিদ জীববৈচিত্র্য গবেষণা কেন্দ্র, অস্ট্রেলীয় সরকার। 
  10. "Casuarina equisetifolia"বিশ্ব কৃষিবনায়ন কেন্দ্র। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিক ২০১১  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  11. "Australian Plant Name Index (APNI)"অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল বোটানিক গার্ডেনস। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০১১ 
  12. "Casuarina equisetifolia"জার্মপ্লাজম রিসোর্স ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক (জিআরআইএন)কৃষি গবেষণা পরিসেবা (এআরএস), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০১১ 
  13. "Casuarina equisetifolia L. subsp. equisetifolia"অস্ট্রেলিয়ান বায়োলজিক্যাল রিসোর্স স্টাডি। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল বোটানিক গার্ডেনস। ১৮ মে ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০১১ 
  14. "Casuarina equisetifolia subsp. incana"অস্ট্রেলিয়ান বায়োলজিক্যাল রিসোর্সেস স্টাডি। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল বোটানিক গার্ডেনস। ১৮ মে ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০১১ 
  15. হাক্সলি, অ্যান্থনি; গ্রিফিথস, মার্ক; লেভি, মারগট (১৯৯২)। The New Royal Horticultural Society dictionary of gardening. Volume 1। লন্ডন: ম্যাকমিলান। আইএসবিএন 0-333-47494-5 
  16. টেমপ্লেট:NSW Flora Online
  17. "S dsee-Speer: Hamburger Forscher bestimmt Holzart"স্পিগেল অনলাইন। ৩০ মে ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ 
  18. http://nopr.niscair.res.in/handle/123456789/42920[পূর্ণ তথ্যসূত্র প্রয়োজন][স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  19. কুহ, মুহাম্মাদ রাজিক রাহিমি; দাহরি, মুহাম্মাদ খাইরুদ; লিম, লিন্ডা বি এল (২০১৬)। "The removal of rhodamine B dye from aqueous solution using Casuarina equisetifolia needles as adsorbent"। কোজেন্ট এনভিরনমেন্টাল সায়েন্সডিওআই:10.1080/23311843.2016.1140553অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  20. দাহরি, মুহাম্মাদ খাইরুদ; কুহ, মুহাম্মাদ রাজিক রাহিমি; লিম, লিন্ডা বি এল (২০১৫)। "Application of Casuarina equisetifolia needle for the removal of methylene blue and malachite green dyes from aqueous solution"। আলেকজান্দ্রিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং জার্নাল৫৪ (4): ১২৫৩। ডিওআই:10.1016/j.aej.2015.07.005অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  21. দাহরি, মুহাম্মাদ খাইরুদ; কুহ, মুহাম্মাদ রাজিক রাহিমি; লিম, লিন্ডা বি এল (২০১৩)। "Removal of Methyl Violet 2B from Aqueous Solution Using Casuarina equisetifolia Needle"। আইএসআরএন এনভিরনমেন্টাল কেমিস্ট্রি২০১৩: ১। ডিওআই:10.1155/2013/619819অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  22. দাহরি, মুহাম্মাদ খাইরুদ; কুহ, মুহাম্মাদ রাজিক রাহিমি; লিম, লিন্ডা বি এল (২০১৬)। "Remediation of Rhodamine B Dye from Aqueous Solution Using Casuarina equisetifolia Cone Powder as a Low-Cost Adsorbent"। অ্যাডভান্সেস ইন ফিজিক্যাল কেমিস্ট্রি২০১৬: ১। ডিওআই:10.1155/2016/9497378অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  23. http://www.vinanie.com/jebr/articles/v6n1p34.html[পূর্ণ তথ্যসূত্র প্রয়োজন][স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  24. http://en.cnki.com.cn/Article_en/CJFDTOTAL-ZKZX201006017.htm[পূর্ণ তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
  25. http://www.jfas.info/index.php/jfas/article/view/3342[পূর্ণ তথ্যসূত্র প্রয়োজন][স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  26. আলরোজি, রাসিদাহ; জুবির, নুর আইদা; কামারুদ্দিন, মোহামাদ আনোয়ার; ইউসুফ, সিতি নুর ফাইজাহ মোহদ; ইউসুফ, মোহদ সুফিয়ান (২০১৭)। "Removal of organic fractions from landfill leachate by Casuarina equisetifolia activated carbon: Characteristics and adsorption mechanisms"। এআইপি কনফারেন্স প্রোসিডিংস। AIP Conference Proceedings। ১৮৮৫: ০২০১৩৯। ডিওআই:10.1063/1.5002333বিবকোড:2017AIPC.1885b0139A 
  27. http://jestec.taylors.edu.my/Vol%2012%20issue%202%20February%202017/12_2_1.pdf[পূর্ণ তথ্যসূত্র প্রয়োজন][স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]