বিভাবারী দেশপান্ডে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বিভাবারী দেশপান্ডে
Vibha-Wikipedia-1.jpg
২০১৯ সালে বিভাবারী দেশপান্ডে
জন্ম
বিভাবারী দীক্ষিত

(1979-02-01) ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ (বয়স ৪৩)
জাতীয়তাভারতীয়
পেশাঅভিনেত্রী, লেখিকা
দাম্পত্য সঙ্গীহৃষীকেশ দেশপান্ডে
সন্তানরাধা দেশপান্ডে

বিভাবারী দেশপান্ডে হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, যিনি মারাঠি চলচ্চিত্র জগতে কাজ করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

লেখক ও পরিচালক[সম্পাদনা]

বিভাবারী দেশপান্ডে কলেজের নাটকে অভিনয় এবং নাটকের পেছনের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। তিনি দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা দ্বারা আয়োজিত বিভিন্ন কোর্সে এবং বিশিষ্ট থিয়েটার ব্যক্তিত্ব সত্যদেব দুবে দ্বারা পরিচালিত কর্মশালায় অংশ নিয়েছিলেন। নাটকের জন্য কাজ করার সময় তিনি মূলত সম্পাদনার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি স্টার প্রবাহতে প্রচারিত মারাঠি টেলিভিশন ধারাবাহিক অগ্নিহোত্রার জন্য সংলাপ লিখেছেন।

দেশপান্ডে একটি ইন্দো-জার্মান গ্রুপ "গ্রিপস"-এর সাথে সংযুক্ত হয়ে মঞ্চ নাটকে সক্রিয় রয়েছেন, যা শিশুদের জন্য নাটক তৈরি করে থাকে।[১] চিত্রনাট্য রচনার পাশাপাশি তিনি কন্নড় টেলিভিশন ধারাবাহিক গুম্বা বান্দা গুমা-ও পরিচালনা করেছেন।[২]

অভিনয়[সম্পাদনা]

বিভাবারী দেশপান্ডে ২০০৪ সালে বহু পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র শ্বাস -এ একজন অভ্যর্থনার নিমিত্ত কর্মচারী হিসাবে একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনয় জগতে পদার্পণ করেছেন। পরবর্তীতে স্মিতা তলওয়াকরের প্রযোজনায় নির্মিত সাতচ্য আট ঘরত নামক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন; যেখানে তিনি সাত কলেজ শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন- কেতকীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন যাকে ঘিরে সম্পূর্ণ কাহিনীটি নির্মিত। তিনি ড. জব্বর প্যাটেল দ্বারা পরিচালিত একটি তথ্যচিত্রেও কাজ করেছেন।

পরে তিনি বেশ কয়েকটি হিন্দি চলচ্চিত্রের পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ২০০৯ সালে তিনি হরিশচন্দ্রাচি ফ্যাক্টরি নামক চলচ্চিত্রে ভারতীয় চলচ্চিত্রের পিতা বলে খ্যাত দাদাসাহেব ফালকের স্ত্রী সরস্বতী ফালকে নামক এক ঐতিহাসিক চরিত্রে অভিনয় করার মাধ্যমে সকলের নজরে আসেন। উক্ত চলচ্চিত্রে দেশপান্ডের চরিত্রটি একজন সহায়ক স্ত্রীর ভূমিকায় ছিল, যিনি তাঁর স্বামীকে ভারতের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র রাজা হরিশচন্দ্র তৈরির যাত্রায় সহায়তা করেছিলেন।[৩] তিনি সরস্বতীর চরিত্রে অভিনয়ের জন্য এমআইসিটিএ সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারও লাভ করেছিলেন।[৪] ২০১০ সালে, তিনি নটরঙ্গ নামক চলচ্চিত্রে গুনার স্ত্রী দ্বারকা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। আনন্দ যাদবের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে দ্বারকার চরিত্রটি এমন এক স্ত্রীর ছিল যে তামাশায় স্বামীর জড়িত থাকাকে অপছন্দ করে।[৫] ২০১১ সালে, দেশপান্ডে অন্যতম সেরা মারাঠি গায়ক ও মঞ্চ অভিনেতা বাল গন্ধর্বের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এই চলচ্চিত্রে তাঁর চরিত্রটি চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্র বাল গন্ধর্বের সহায়ক চরিত্র ছিল, যেটি একজন নারী দ্বারা চিত্রায়ন করা হয়েছিল, যে সময় নারীরা মঞ্চ নাটকে অভিনয় করতো না।[৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Ainapure, Mrunmayi। "Coming to Grips with reality"Pune Mirror। Pune। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২ 
  2. Mehar, Rakesh (৬ ডিসেম্বর ২০০৬)। "All a child's play"The HinduBangalore। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১২ 
  3. Masand, Rajeev (৩০ জানুয়ারি ২০১০)। "Watch out for 'Harishchandrachi Factory'"IBN Live। ১১ নভেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২ 
  4. Badam, Ramola Talwar। "Bachchan accepts and confers honours in Marathi films"The National। ২৩ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২ 
  5. Parande, Shweta (২৭ মার্চ ২০১০)। "Atul Kulkarni's 'Natarang' is powerful"IBN Live। ১৩ মে ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১২ 
  6. Gokhale, Shanta (২৬ মে ২০১১)। "The real reel"Times of India। ৭ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]