ফটিকছড়ি পৌরসভা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(বিবিরহাট থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ফটিকছড়ি
পৌরসভা
ফটিকছড়ি পৌরসভা
ফটিকছড়ি বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ফটিকছড়ি
ফটিকছড়ি
বাংলাদেশে ফটিকছড়ি পৌরসভার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৪১′১৬.৪৪০″ উত্তর ৯১°৪৭′২৯.০৪০″ পূর্ব / ২২.৬৮৭৯০০০০° উত্তর ৯১.৭৯১৪০০০০° পূর্ব / 22.68790000; 91.79140000স্থানাঙ্ক: ২২°৪১′১৬.৪৪০″ উত্তর ৯১°৪৭′২৯.০৪০″ পূর্ব / ২২.৬৮৭৯০০০০° উত্তর ৯১.৭৯১৪০০০০° পূর্ব / 22.68790000; 91.79140000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগচট্টগ্রাম বিভাগ
জেলাচট্টগ্রাম জেলা
উপজেলাফটিকছড়ি উপজেলা
প্রতিষ্ঠাকাল৩১ মার্চ, ২০১১
সরকার
 • পৌর মেয়রমোহাম্মদ ইসমাঈল হোসেন
আয়তন
 • মোট৩৭.১৫ কিমি (১৪.৩৪ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট১,০০,০০০
 • ঘনত্ব২৭০০/কিমি (৭০০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট৪৮.৩২%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৪৩৫০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

ফটিকছড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি পৌরসভা[১] স্থানীয়ভাবে বিবিরহাট নামে পরিচিত এই ছোট্ট শহরটির অবস্থান ধুরুং নদীর পাড়ে। আঞ্চলিক মহাসড়ক R160 (৯৮ কিলোমিটার দীর্ঘ) হাটহাজারী পৌরসভা থেকে ফটিকছড়ি পৌরসভার উপর দিয়ে খাগড়াছড়ি গিয়ে পৌঁছেছে।[২] এটি ২০১১ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পৌরসভা হিসেবে ঘোষিত হয়।[৩] সেই সাথে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পৌর প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

আয়তন[সম্পাদনা]

ফটিকছড়ি পৌরসভার আয়তন ৩৭.১৫ বর্গ কিলোমিটার।

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ফটিকছড়ি পৌরসভার লোকসংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ। এর মধ্যে পুরুষ প্রায় ৪৫ হাজার এবং মহিলা প্রায় ৫৫ হাজার।[৪]

অবস্থান ও সীমানা[সম্পাদনা]

ফটিকছড়ি উপজেলার মধ্যাংশে ফটিকছড়ি পৌরসভার অবস্থান। চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে এ পৌরসভার দূরত্ব প্রায় ৪৩ কিলোমিটার। এর পূর্বে লেলাং ইউনিয়নকাঞ্চননগর ইউনিয়ন, উত্তরে কাঞ্চননগর ইউনিয়নপাইন্দং ইউনিয়ন, পশ্চিমে পাইন্দং ইউনিয়নসুন্দরপুর ইউনিয়ন এবং দক্ষিণে নাজিরহাট পৌরসভা অবস্থিত।

নামকরণ[সম্পাদনা]

ফটিক অর্থ স্বচ্ছ ও ছড়ি অর্থ ঝর্ণা বা খাল। উপজেলার পশ্চিমাংশে ফটিকছড়ি খাল নামক একটি স্বচ্ছ ঝর্ণা আছে। নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যে ভরা খালটি সীতাকুণ্ড পাহাড়ী রেঞ্জ থেকে উৎপন্ন হয়ে যোগিনী ঘাটা নামক স্থানে হালদা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। একসময় ফটিকছড়ি উপজেলার অবস্থান ছিল ভূজপুরের দক্ষিণ প্রান্ত দিয়ে প্রবাহিত এই ফটিকছড়ি নদীর তীরে। ফটিকছড়ি খাল থেকেই এই থানার নামকরণ হয়।[৫] পৌরসভা গঠিত হবার পর উপজেলার নামেই পৌরসভার নামকরণ হয়।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ফটিকছড়ি উপজেলার ৮নং রাঙ্গামাটিয়া ও ৯নং ধুরুং ইউনিয়নের সম্পূর্ণ অংশ নিয়ে গঠিত ফটিকছড়ি পৌরসভা। এটি শ্রেণীর পৌরসভা। এটি জাতীয় সংসদের ২৭৯নং নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-২ এর অংশ। এ পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রম ফটিকছড়ি থানার আওতাধীন। এতে মোট ওয়ার্ড নয়টি। ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ৬ অক্টোবর তারিখে পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।[৬] ২০১২ সালের ১৮ ডিসেম্বর পৌরসভার প্রথম বাজেট ঘোষণা করা হয়।[৭]

শিক্ষা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

ফটিকছড়ি পৌরসভার স্বাক্ষরতার হার ৬০.৩২%। পৌরসভায় ১টি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ১টি ফাজিল মাদ্রাসা, ১টি স্কুল এন্ড কলেজ, ১টি আলিম মাদ্রাসা, ৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২টি দাখিল মাদ্রাসা, ১টি কওমী মাদ্রাসা, ১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৬টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে।[৪]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

কলেজ
মাদ্রাসা
স্কুল এন্ড কলেজ
মাধ্যমিক বিদ্যালয়
প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • আনোয়ার আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • উত্তর ধুরুং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • উত্তর রাঙ্গামাটিয়া আদর্শগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • উত্তর রাঙ্গামাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • দক্ষিণ রাঙ্গামাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ধুরুং আতরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ধুরুং এস বি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ধুরুং কে এম টেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ধুরুং জব্বারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ধুরুং জুবিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ধুরুং পালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • পূর্ব ধুরুং এম কে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ফটিকছড়ি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ফটিকছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • রাঙ্গামাটিয়া ফকির মোহাম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • রাঙ্গামাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

[৮][৯]

ধর্মীয় উপাসনালয়[সম্পাদনা]

ফটিকছড়ি পৌরসভায় ৯২টি মসজিদ ও ১০টি মন্দির রয়েছে।[৪]

স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

ফটিকছড়ি পৌরসভায় ৫০ শয্যাবিশিষ্ট ১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ৮টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে।[৪]

হোটেল ও আবাসন[সম্পাদনা]

ফটিকছড়ি পৌরসভায় সরকারি পরিচালনাধীন জেলা পরিষদ ডাকবাংলো ছাড়াও রয়েছে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন হোটেল ও বোর্ডিং।[৪]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • গারাইনা মসজিদ, দক্ষিণ রাঙ্গামাটিয়া

জনপ্রতিনিধি[সম্পাদনা]

  • পৌর মেয়র: মোহাম্মদ ইসমাঈল হোসেন[৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]