বিবর্তন বিরোধিতা
| বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞান |
|---|
| নিম্নোক্ত বিষয়ের উপর একটি ধারাবাহিকের অংশ |
বিবর্তন বিরোধিতার সূচনা ঘটে ১৯ শতকে বিবর্তনের ধারণা গুরুত্ববহ হয়ে উঠার মাধ্যমে। চার্লস ডারউইন ১৮৫৯ সালে তার বই অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিস প্রকাশ করেন। সেই বইয়ে প্রকাশিত তার বিবর্তন তত্ব (এমন একটি ধারণা- প্রজাতিসমূহ একটি একক সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে প্রাকৃতিক নির্বাচনের ন্যায় প্রক্রিয়ায় নানারকম পরিবর্তনের মাধ্যমে বিকশিত হয়েছে) প্রথমে বিজ্ঞানীদের সমালোচনার মুখে পড়ে, কারণ তখন বিভিন্ন ধরনের অনুমান বিজ্ঞানীমহলে প্রচলিত ছিল। কিন্তু অবশেষে বৈজ্ঞানিক মহল প্রায় সম্পূর্ণভাবে একে স্বীকার করে নেয়। ১৯৪০ এর পরে মুলধারার জীববিজ্ঞানীরা সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে বিবর্তনকে স্বীকৃতি দেন কারণ তারা বিবর্তনকে(নব্য ডারউইন সংশ্লেষণ ও বিবর্তনের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করে) পর্যবেক্ষণ করেন।
সেসময় থেকেই বৈজ্ঞানিক সংস্থার তুলনায় ধর্মীয় জায়গা থেকে বিবর্তনকে প্রত্যাখান এবং এর বিরুদ্ধে অধিক সমালোচনা এসেছিল। যদিও বেশ কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী বিবর্তনের সাথে তাদের বিশ্বাশের সহাবস্থানের জন্য আস্তিক্যবাদী বিবর্তন নামক ধারণার আশ্রয় নেয়। কিন্তু বাকি ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলি সৃষ্টিবাদের (এমন এক প্রকার বিশ্বাস যেখানে ধারণা করা হয় অসীম ক্ষমতাধর ঈশ্বর/সত্তা এই মহাজগৎ এবং জীবন সৃষ্টি করেছেন অলৌকিক ক্ষমতার দ্বারা) পক্ষে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় রাখতে গিয়ে বিবর্তনকে ক্রমাগত প্রত্যাখান করতে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞান বনাম ধর্ম দ্বন্দ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে সৃজনবাদ-বিবর্তন বিতর্ক।
সৃজনবাদের বিভিন্ন শাখার মধ্যে রয়েছে সৃষ্টিবাদ বিজ্ঞান, নব্যসৃজনবাদ বিজ্ঞান, বুদ্ধিমান নকশা, পৃথিবীকেন্দ্রিক সৃজনবাদ ইত্যাদি। এইসব কিছু এমন এক বিশ্বাসের কথা বলে যেখানে জীবনকে অলৌকিক ক্ষমতাধরের নকশা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, বলা হয় এ মহাজগতের সব কিছুই সৃষ্টি হয়েছে কোনো বুদ্ধিমান ঈশ্বরের দ্বারা। তারা দাবী করেন এটা বিজ্ঞানসম্মত এবং সর্বসাধারণের এটা পড়া এবং শিক্ষা নেওয়া উচিত। এই সৃজনবাদ বনাম বিবর্তনবাদ বিতর্ক বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয় এবং নতুন নতুন অভিযোগ বিবর্তনের বিরুদ্ধে (যেমন: স্বাভাবিক বিজ্ঞান মানছে না, নৈতিকতাহীন, সম্ভাবনা সূত্রের লঙ্ঘন এবং প্রমাণ ও ভিত্তিহীন ইত্যাদি) উত্থাপিত হতে থাকে। যাই হোক বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায় তাদের এই সব অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং বিজ্ঞানের ভুলব্যাখ্যা দিয়ে বিবর্তন বিরোধিতা করা হয়েছে বলে আখ্যায়িত করেছে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]
১৯ শতকের শুরুতে বিবর্তনবাদের মত নানান মতবাদ ছিল। যার কোনোটাই সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না। যেমন ল্যামার্কের মতবাদ।(এমন এক প্রকার মতবাদ যেখানেও এক প্রজাতি থেকে অপর প্রজাতির পরিবর্তন দেখানো হয়েছে) এই মতবাদটি বৈজ্ঞানিকভাবে তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে জর্জস কার্ভিয়ার এর দ্বারা। তার সাথে সাথে হয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিরোধিতারও।[১] যখন চার্লস ডারউইন ১৮৫৯ সালে তার বই অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিস প্রকাশ করেন, তিনি বৈজ্ঞানিক সংস্থাগুলোকে বুঝাতে সক্ষম হন সকল প্রজাতির উদ্ভব তার গোত্রের সাধারণ পুর্বপুরূষের থেকে হয়েছে। তৎকালীন অধিকাংশ প্রাকৃতিক নির্বাচনকে যুক্তিসংগত এবং অভিজ্ঞতানির্ভর পরীক্ষণীয় থিওরী বলে নেন। ডারউইনের ধারণা এটাই বিবর্তনকে জনসাধারণ এর গ্রহণ না করার এটাই প্রাথমিক কারণ।[২] ডারউইনের বিবর্তন নিয়ে প্রাথমিক আপত্তি ছিল বিজ্ঞান এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ উভয়দিক থেকে। ডারউইনের সমসাময়িকরা জীবাশ্ম প্রমাণের উপর নির্ভর করে প্রজাতির পরিবর্তনকে স্বীকার করে নেন । দ্য এক্স ক্লাব গঠিত হয় বিবর্তনকে চার্চ এবং অপেশাদার কর্মী থেকে রক্ষা করতে।[৩] যদিও বিবর্তনের প্রক্রিয়া -প্রাকৃতিক নির্বাচন- প্রশ্নবিদ্ধ হয় বিকল্প মতবাদ ল্যামার্কিজম দ্বারা। এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মের হঠাৎ রূপান্তর (saltationism) এবং প্রাকৃতিক প্রলয়ংকারী দূর্যোগ মতবাদ(catastrophism)দ্বারা ডারউইনের ধীরে ধীরে নতুন প্রজাতিতে রূপান্তর মতবাদ (gradualistic) বিরোধিতার শিকার হয় । লর্ড ক্যালভিন বৈজ্ঞানিকভাবেই তার থার্মোডায়ানোমিক্স সূত্র দ্বারা। বিরোধিতা করেন। তৎকালীন ভূতাত্ত্বিকদের মতে পৃথিবীর বয়স ২৪ থেকে ৪০০ মিলিয়ন বছর। এ হিসাবকে তুলে ধরে ক্যালভিন বলেন,"এত অল্প সময়ে পৃথিবীতে এত জটিল প্রাণ সৃষ্টি সম্ভব নয়।" কিন্তু এই হিসাবটা সংশোধিত হয় ১৯০৭ সালে, যখন তেজস্ক্রিয় পদার্থ দেখায় পৃথিবীর বয়স বিলিয়ন বছরের চেয়েও বেশি। ফলে ভূবিজ্ঞানীদের দ্বারা ক্যালভিনের এই যুক্তি খণ্ডিত হয়।[৪][৫] ক্যালভিন নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে ঐশ্বরিক মতবাদ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।[৬] ডারউইন সুনির্দিষ্ট ভাবে যে গঠনগত বংশগতিবিদ্যার ব্যাখ্যা দেন তার কোনো সমর্থিত প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি। বিবর্তন হচ্ছে বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে নিশ্চিত থাকলেও, কীভাবে হচ্ছে এই বিষয়ে বিজ্ঞানীরা অন্তত ১৮৮০ থেকে ১৯৩০ পর্যন্ত এক প্রকার অন্ধকারে ছিলেন [৭][৮] যতদিন না মেণ্ডেলের বংশগতিবিদ্যা আবিষ্কৃত হয় এবং নব্য বিবর্তনবাদের সূচনা হয়। নব্য সংশ্লেষণ নতুন নতুন প্রমাণ যেমন জিনতত্ত্ব দ্বারা সার্বজনীনভাবে স্বীকৃতি পায় জীববিজ্ঞানীদের মধ্যে। যা সুনিশ্চিত করে ডারউইনের ভবিষ্যতবাণীকে এবং এ বিষয়ে বাকি মতবাদকে বাতিল করে দেয়।[৯]
আমেরিকায় বিশেষ করে প্রটেস্টান্টরা, ১৮৬০ থেকে ১৮৭০ এর মধ্যে বিবর্তন নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু করে। ১৮৭৩ সালে লুই এগাসিজের (Louis Agassiz) মৃত্যুর পরে এ বিতর্ক আরো বেড়ে যায় এবং ১৮০০ সালে "খৃস্টীয় বিবর্তন" নামে দল গঠিত হয়।[১০] ১৮৭১ সালে ব্রিটেনে দ্য ডিসেন্ট ম্যান (The Descent of Man) প্রকাশের পর এই বিতর্ক পুনরজ্জীবিত হয়, যা এক দশক ধরে চলে আসছিল। স্যার হেনরি চ্যাডউইকই প্রথম যিনি শিক্ষিত খ্রিষ্টানদের মধ্যে বিবর্তন স্বীকার করে বিবৃতি দেন। এর ফলে ১৮৭৬ সালে বিবর্তনবাদ গ্রহণযোগ্য এবং সম্মানিত মতবাদে পরিণত হয়।.[১০] ফ্রেডরিক টেম্পল "ধর্ম এবং বিজ্ঞানের মধ্যে সম্পর্ক'(১৮৮৪) শীর্ষক লেকচার দেন যেখানে আলোচনা করা হয়, কীভাবে বিবর্তন ধর্মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ন।[১১] ক্যান্টারবারির আর্কবিশপদের সাথে ১৮৯৬ সালের মিটিং এটাই প্রমাণ করে যে খোদ প্রটেস্টান্টদের যাজক সম্প্রদায় বিবর্তনবাদ কে স্বীকার করে নিয়েছে।[১০]
এক দশক ধরে রোমান ক্যাথলিক চার্চ বিবর্তন নিয়ে কথাবলা এড়িয়ে যান। এরপর ক্যাথলিকরা বলেন বিবর্তন বাইবেলেরএর নিয়মমতই হচ্ছে। ভ্যাটিকান কাউন্সিল প্রথম বিবর্তনের সাথে ধর্মের যে সংঘর্ষ সেটা মিটমাটে প্রস্তাবনা দেন (১৮৬৯-৭০) সালে। অবশেষে তারা খুঁজে পান সবকিছুই সৃষ্টি হয়েছে শুন্য থেকে; তবে ঈশ্বরের দ্বারা। তারা তাদের এই বক্তব্য কে এক্সোকমিউনিকেশন (এটা এমন এক ধারা ছিল যা ধর্মের সাথে, ক্যাথলিক চার্চের সাথে সংঘর্ষপুর্ণ যে কোনো প্রকার প্রস্তাবনা, বই, মতবাদকে প্রকাশে বাধা দিত এবং এসবকিছুর বক্তাকে শাস্তির কাঠগড়ায় দাঁড় করাতো) এর কাছে পাঠানোর প্রস্তাবনাকে প্রত্যাখান করেন। ১৯৫০ সালে এনসাইক্লিকাল, পোপ পিয়াস XII এর "হিউম্যানি জেনেরিস"এ প্রথমবারের মত বিবর্তনবাদকে অফিসিয়ালী স্বীকার করেন।[১২] তারা বলেন মানুষ আদৌ অন্য কোনো প্রাণ থেকে বিবর্তিত কিনা, সে বিষয়ে তারা নিজেদের মত করে গবেষণা করবেন। কিন্তু আদম হাওয়া আর আত্মার বিষয়ে তারা গবেষণা করবেন কি না এই প্রশ্নকে তারা এড়িয়ে যান। পোপ জন পল II বলেন যে বিবর্তনবাদ শুধু মুখের কথার চেয়েও বেশি কিছু। বিবর্তনবাদই পারে কীভাবে এই বিশাল শরীর গড়ে উঠেছে তার ব্যাখ্যা করতে। কিন্তু পুনরায় আবার বলেন মানুষের আত্মা নিয়ে কোনো বস্তুবাদী ব্যাখ্যা দেওয়া মানুষের উচিত নয়।[১৩]
ধার্মিক মুসলমান, যারা কোরানে বর্ণিত সৃষ্টিতে বিশ্বাসী, তাদের থেকে শুরু করে শিক্ষিত মুসলমান সবার মধ্যেই বিবর্তনবাদ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। শিক্ষিত মুসলমানদের একাংশ অবশ্য এটাও ভাবতো বিবর্তন আল্লাহর নির্দেশেই হচ্ছে। নবম শতকে আল-জাহিয নামক একজন মুসলিম স্কলার এমন এক ধারণা দেন যার সাথে প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদের ধারণা কিছুটা মিলে যায়।[১৪] যাইহোক, মুসলিম বিশ্বে বিবর্তনকে স্বীকার করার ব্যাপ্তি কম। যেহেতু বিবর্তনবাদ অনেকটাই বস্তবাদী ধারণাকে জোরালো করে বলে, মানবদেহের উৎপত্তির সাথে আদম হাওয়ার চিন্তাভাবনা ত্রুটিপূর্ণ। একইসাথে পশ্চিমাবিশ্বে যেসব মুসলিম লেখক প্রকাশক ছিলেন তারাও বিবর্তনবাদের বিপক্ষে অবস্থান নেন। যা তাদের লেখালেখিতে প্রতিফলন ঘটে।[১৫] যাইহোক, সারা বিশ্ব থেকে এখনও প্রচুর মুসলমান রয়েছেন যারা বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাস করেন এবং এটিকে ইসলামী বিশ্বাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করেন। এর মধ্যে রয়েছেন রানা দাজানি (জর্ডান)[১৬], মুহাম্মদ ইকবাল (পাকিস্তান)[১৭], নিধাল গেসুম (আলজেরিয়া)[১৮], ইসরার আহমেদ (পাকিস্তান)[১৯], টিও শানাভাস (ভারত)[২০], বাসিল আলতাই (ইরাক)[১৭], দাউদ আবদুল ফাত্তাহ ব্যাচেলর (মালয়েশিয়া)[১৭], ক্যানের তাসলামান (তুরস্ক)[২১], ডেভিড সলোমন জালাজেল (দাউদ সুলাইমান জালাজেল) (সৌদি আরব)[১৬], শোয়েব আহমেদ মালিক (যুক্তরাজ্য)[১৭], নুহ হা মিম কেলার(মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)[২২], ইয়াসির ক্বাদি (পাকিস্তানি-আমেরিকান)[২৩], নাজির খান (আমেরিকান)[২৪], ইত্যাদি। বিবর্তনবাদ সম্পর্কে মুসলমানদের অবস্থানকে চার ভাগে ভাগ করা যায়: (১) অ-বিবর্তনবাদ (বিবর্তন তত্ত্বের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান) (২) মানব ব্যতিক্রমবাদ (মানুষ ব্যতীত পৃথিবীর সমস্ত জীবের সাধারণ পূর্বপুরুষে বিশ্বাস) (৩) আদমীয় ব্যতিক্রমবাদ (আদম, হাওয়া এবং তাদের প্রাচীনতম বংশধর ব্যতীত আধুনিক মানুষ সহ পৃথিবীর সমস্ত জীবের সাধারণ পূর্বপুরুষে বিশ্বাস) (৪) অ-ব্যতিক্রমবাদ (সমস্ত জীবের সাধারণ পূর্বপুরুষে বিশ্বাস, আদম ও হাওয়া সহ)।[১৭]
প্রধান প্রধান ধর্মের ধর্মযাজকগণ বিবর্তনবাদ বিরোধিতাকেই গ্রহণ করেন। তাদের কাছে প্রতীয়মান হয় এই ধারণা (যেখানে বলা হয়েছে প্রজাতি প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তন হয় এবং ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির একই পূর্বপুরুষ ছিল) "জেনেসিস একাউন্ট অব ক্রিয়েশন" এর সাথে সাংঘর্ষিক। বিশ্বাসীগণ ডারউইনিজমকে প্রচলিত মতবিরোধী বলে আক্রমণ করেন। উইলিয়াম প্যালের ওয়াচমেকার থিওরি একপ্রকার পরম মতবাদে পরিণত হয়, হয়ে উঠে সৃজনবাদীদের আন্দোলনের হাতিয়ার । যখন ডারউইনের থিওরী প্রকাশিত হয়, তখন থেকেই প্রাকৃতিক ধর্মতত্ববিদদের নানাবিধ বিরোধিতার শুরু হয়। তারা আরো একটা ধারণার সুচনা করেন যেখানে বলা হয় বিবর্তন নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে তাই এটাকে ধ্রুব সত্য হিসাবে ধরার কোনো কারণ নাই। আল্লাহতে বিশ্বাস রাখাই এখন বেশি দরকার। এটাই প্রাথমিক এবং প্রধান দরকার। আর যদি বিবর্তন হয়েও থাকে তাহলে আল্লাহই একে পরিচালনা করছেন এবং মানুষকে সৃষ্টি করেছেন [২৫] এই অবস্থানটা খ্রিষ্টান সম্প্রদায় এবং বিবর্তন নিয়ে ইহুদিদের দর্শনবাদী ও একইসাথে নব্য ধর্মবিদরা গ্রহণ করে যার দর্শণ ছিল বাইবেল এবংতোরাহ রুপকভাবে হলেও বিবর্তনের ব্যাপারে বলছে, এইভাবেই তারা বিবর্তন এবং ধর্মের মধ্যে বিরোধিতাকে দূর করে। যাই হোক ১৯২০ সালে গোঁড়া খ্রিষ্টানেরা আমেরিকায় বাইবেলের রেফারেন্স টেনে তাদের তর্কের উন্নয়ন ঘটিয়ে শুরু করে বিবর্তনবাদ শিক্ষা দেওয়ার বিরোধিতা। তারা জানান বিবর্তনবাদ জার্মানির যুদ্ধাবস্থার হিংস্রতার শিক্ষা দেয় এবং ইহা ধর্ম ও নৈতিকতার জন্য হুমকিস্বরুপ। এই বিরোধিতাই ক্রমান্বয়ে সৃজনবাদ বনাম বিবর্তনবাদ প্রক্রিয়ায় রুপ নেয়। এবং সৃজনবাদীরা আপত্তি জানায় বিদ্যালয়ে বিবর্তনবাদ শিক্ষা দেওয়ার বিষয়ে। ১৯৬৮ সালে এপারসন ভি. আরকানসাস বলেন, "ধর্মীয় চিন্তাধারার উপর ভিত্তি করে বিবর্তনবাদ শিখানো নিষেধ করা মুলতঃ প্রতিষ্ঠিত মতবাদকে লঙ্ঘন করা বুঝায়।"[২৬]
এরপর থেকে সৃষ্টিবাদীরা বিবর্তনের বিরুদ্ধে নতুন নতুন অদ্ভুত আপত্তি জানায়, অভিযোগ করে বিবর্তনবাদ অবৈজ্ঞানিক, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ধর্মের বিরোদ্ধাচরণ করে।[২৭] সৃষ্টিবাদীরা গণতান্ত্রিকভাবে বিবর্তনের বিরুদ্ধে আপীল করেন। তারা এ বিষয়ে স্বচ্ছতা দাবী করে বলেন, বিবর্তনবাদ বিতর্কিত এবং বিজ্ঞানশিক্ষা শ্রেণিগুলোতে শিক্ষার্থীদের বিতর্কিত বিষয় শিখাচ্ছে।[২৮] যখন ১৯৯০ সালে সৃজনবাদ মুভমেন্ট হয় তাদের এইসমস্ত আপত্তি চরমমাত্রায় পৌছায় এবং কিটযমিলার বিদ্যালয় ২০০০ সালের পূর্ব পর্যন্ত বিবর্তনবাদের বিকল্প আখ্যা দিয়ে পড়ানো শুরু করে [২৯][৩০]
বিবর্তন শব্দের সীমা
[সম্পাদনা]বিবর্তন শব্দটা এমনই যে, তাকে নিয়েই অস্পষ্টতা তৈরী হয়। জীববিজ্ঞানের ভাষায়: জীবের বংশবৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক প্রজন্ম থেকে অপর প্রজন্মে জীনগত পরিবর্তনই বিবর্তন। কিন্তু এই শব্দটার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন অর্থ আছে, বিবর্তনের শাব্দিক অর্থ পরিবর্তন ধরে নিয়ে একে বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করা হয়, যেমন: সামাজিক বিবর্তন to stellar এবং মহাজাগতিক বিবর্তন। এর সবকিছুই জীববিজ্ঞানের বিবর্তনের সাথে সম্পৃক্ত নয়।যদি জীববিজ্ঞানের বিবর্তনের মুল শর্তগুলোর সাথে অন্য বৈবর্তনিক প্রকৃয়ার সংঘ্র্ষ হয়, তখন ভুল হবার সম্ভাবনা থাকে।যেমন অনেকেই মনে করে থাকেন বিবর্তনের সাথে abiogenesis অথবা Big Bang এর সম্পর্ক আছে। তাই তারা বিবর্তনের সাথে উক্ত বিষয়গুলোকে মিলানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বিবর্তন এই বিষয়গুলো নিয়ে কোনো বক্তব্য দেয় না।[৩১]
সাধারণ ভাষায় বিবর্তন জীবের ধীর বা দ্রুততর উন্নয়ন বা সরল জীব থেকে জটিল জীবের যে উদ্ভব তাকে ব্যাখ্যা করে। বিবর্তনকে পিছনের দিকে চালিত করার পর সাদা চোখে দেখে মনে হয়, বিবর্তনের কোনো লক্ষ্য আছে, অথবা কারো নির্দেশে এটি পরিচালিত হচ্ছে, তবে এটা একটা ভুল ধারণা। বাস্তবতা হল বিবর্তনের কোনো লক্ষ্য থাকে না। বিবর্তন ঘটে জীবের এক প্রজন্ম থেকে অপর প্রজন্মে খুবই ধীরে ধীরে, যাতে করে নতুন প্রজন্ম পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে, এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে পারে। এভাবে করে সে সে যোগ্য হয়ে উঠে পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে। তবে যেসব প্রজাতি পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না, সময়ের সাথে তারা বিলুপ্ত হয়ে যায়। জীববিজ্ঞানীরা কখনো মানুষের মত একটা প্রজাতিকেই বিবেচনা করে না, যে অনেক বেশি উন্নত এবং বিবর্তনের শেষ ধাপে অবস্থান করে। জীববিজ্ঞানিরা কখনো মানুষের মত একটাই প্রজাতি নিয়ে কাজ করে না,যে অন্য প্রজাতি থেকে উন্নত আর অনেক বেশি বিবর্তিত। নির্দিষ্ট কয়েকটি উৎস থেকে বস্তুনিষ্ঠতার পরিবর্তে মানবকেন্দ্রিকতা অনুসারে অমানব জীবসত্তারসমূহ মূল্যায়নের প্রবণতার কারণে অন্য বিষয়ের দিকে ইঙ্গিতের জন্য সমালোচনা করা হয়েছে।[৩২]
বিবর্তনে এটা অপরিহার্য নয় জীব ক্রমশ জটিল হবে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জীব জটিল হবে এমনটা প্রয়োজনীয় নয়,বরং প্রাকৃতিক নির্বাচনের ফলে সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে জীব জটিল হয় প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য। এবং পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে জীবের এই জটিলতা বাড়তে পারে, কমতেও পারে এবং অপরিবর্তিও থাকতে পারে এবং এই তিনও প্রবণতা বিবর্তন প্রকৃয়ায় পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।[৩২] সৃজনবাদীরা বিজ্ঞান দিয়ে বিবর্তনের বিরোধিতা করার বদলে প্রচলিত যুক্তি দিয়েই বিবর্তন তত্তের বিরোধিতা করে। এবং এসব যুক্তি দিয়েই অনেকে বিবর্তনকে খণ্ড বিখণ্ড করে ফেলে। যদিও জীববিজ্ঞানীরা এ নিয়ে কী বলছে তারা খুজে দেখে না (দেখুন straw man argument)।
বিজ্ঞানে স্বীকৃতি
[সম্পাদনা]সৃজনবাদ এবং বিবর্তনের মধ্যে মূল সংঘর্ষ আদতে বিবর্তনের সংজ্ঞা নিয়ে। জীববিজ্ঞান অনুসারে বিবর্তন হল কোন প্রাণীকূলের জনসংখ্যার জিনেটিক পরিবর্তন; যা প্রজন্মান্তরে থেকে যায়। যাই হোক, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিবর্তন শব্দটির ভিন্ন ভিন্ন অর্থ রয়েছে। সামজিক বিবর্তন থেকে শুরু করে আণবিক (molecular) বিবর্তন- এই সব ক্ষেত্রেই বিবর্তন শব্দটির ভিন্ন ভিন্ন ব্যবহার হয়। যখন জীববিজ্ঞানের বিবর্তনকে অন্য বিবর্তন প্রক্রিয়ার সাথে মিশিয়ে ফেলা হয় তখন সাধারনত বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। যেমন প্রচলিত একটি ভুল ধারণা, বিবর্তনবাদ বিগ ব্যাং কিংবা জীবনের উৎসের ব্যাপারে আলোচনা করে।[৩০]
বিভিন্ন সময়ে; বিবর্তনকে বৈজ্ঞানিক বৈধতার কষ্টিপাথরে বারবার যাচাই করা হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এটি বৈজ্ঞানিকভাবে বৈধ কিনা, সেই প্রশ্ন এবং অভিযোগ অনেকে করছেন।[৩৩][৩৪] অথবা চেষ্টা করা হচ্ছে বিবর্তনের বিকল্প হিসেবে অন্য কোনো মতবাদ যেমনঃ সৃজনবাদীতার বিকাশ ঘটানো।[৩৫][৩৬]
বিবর্তনবাদ শুধুই থিওরী
[সম্পাদনা]বিবর্তনের সমালোচনাকারীরা বিবর্তন শুধুমাত্র একটি থিওরী বা তত্ত্ব বলে দাবী করেন এবং তারা জোর দেন যে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব কখনোই বাস্তব নয়। এই তত্ত্ব বিভ্রান্তিকরভাবে নিজেকে প্রকাশ করে এবং এর কোনো প্রমাণস্বাপেক্ষ না। তাই বিবর্তনবাদ ফ্যাক্ট নয়, শুধুই তত্ত্ব॥[৩৭] প্রচলিত ভাষায় তত্ত্ব আর বিজ্ঞানের ভাষায় তত্ত্বের মধ্যে বেশ পার্থক্য আছে। প্রচলিত ভাষায় তত্ত্বের অর্থ অনুমান হলেও বিজ্ঞানের ভাষায় থিওরী বা তত্ত্ব হচ্ছে এমন এক ব্যাখ্যা যার মাধ্যমে ভবিষ্যতবাণী করে প্রমাণের মাধ্যমে যাচাই করা যায় এবং অবশ্যই পরীক্ষা করে তার সত্যতা নিশ্চিত করতে হয়। বিবর্তনবাদ প্রজাতির বৈচিত্র্যতা এবং তাদের পুর্বপুরুষকে ব্যাখ্যা করে। এটা উচ্চতর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ। বিবর্তনবাদের উদাহরণ হচ্ছে আধুনিক বিবর্তনীয় সমন্বয়, যা ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ এবং মেণ্ডেলের বংশগতিবিদ্যার যুগপৎ উদাহরণ। অন্য যে কোনো মতবাদের মতই এই আধুনিক সমন্বয় ঘনঘন তর্ক-বিতর্ক, পরীক্ষা এবং বারবার বিজ্ঞানীদের দ্বারা সংশোধন হতে থাকে। সর্বশেষ গোটা বিজ্ঞান সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে এই সিদ্ধান্তে আসে যে এই মডার্ণ সিন্থেসিস বা আধুনিক সমন্বয় ঘটছে বিবর্তনের কারণে।[৩৭][৩৮]
সমালোচকরা এটাও বলেন যে বিবর্তন ফ্যাক্ট নয়।[৩৯] প্রচলিত অর্থে ফ্যাক্ট হচ্ছে, যা পর্যবেক্ষণ করা যায় এবং পর্যবেক্ষণ করেই সেখান থেকে তথ্য ও জ্ঞান অর্জন করা যায়। কিন্তু বিজ্ঞানে প্রমাণ স্বাপেক্ষে ফ্যাক্ট যে কোনো কিছু হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ জানামতে থিওরী যেমন "পৃথিবী সুর্যের চারদিকে ঘুরে" এবং "বস্তু উপর থেকে নিচে পরে অভিকর্ষের কারণে" হতে পারে "ফ্যাক্টস" যদিও এরা সম্পূর্ণভাবে তত্ত্বীয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে, বিবর্তনকেও "ফ্যাক্ট" বলা যায় একই কারণে, যেভাবে অভিকর্ষকে তত্ত্ব বলা হয়। বিবর্তনবাদ পর্যবেক্ষণলব্ধ প্রক্রিয়া, কারণ জীবের পপুলেশন সময়ের দ্বারা জীনগতভাবে পরিবর্তিত হয়। এইভাবেই বিবর্তনবাদকে ফ্যাক্ট বলা যেতে পারে। এই তত্ত্ব সমাজে প্রতিষ্ঠিত সত্য। এভাবেই বিজ্ঞানীদের কাছে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব এবং ফ্যাক্ট উভয়ভাবেই স্বীকৃত হয় [৪০][৪১][৪২]
শুধুমাত্র পর্যবেক্ষণলব্ধ প্রমাণ ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্বই প্রমাণিত নয় বলে বিবর্তনবাদ এখনো অপ্রমাণিত এবং বিভ্রান্তিকর।[৪৩] এই পার্থক্যটি বৈজ্ঞানিক দর্শনের আলোকে গুরুত্বপূর্ণ, যেহেতু এতে নিশ্চয়তার অভাব আছে। বিজ্ঞানের কিছু কিছু শাখা যেমন গণিত কিংবা যুক্তিবিজ্ঞানে পর্যবেক্ষণলব্ধ দাবীকে মেনে নেয়া গেলেও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তা মেনে নেয়া যায় না। কেননা, এক্ষেত্রে সত্যতা যাচাই এবং সত্যতা প্রতিপাদিত সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাই বিবর্তনবাদ প্রমাণিত নয় কথাটি উল্লেখযোগ্যতাবিহীন হলেও খানিক সত্য। তাই বলে শুধু মাত্র তত্ত্ব বলে সম্পূর্ণ বিবর্তনবাদকে অস্বীকার করা অযৌক্তিক। বিভ্রান্তি বাড়ায় প্রমাণ শব্দটির চলিত অর্থ "বাধ্যতামূলক প্রমান" যাইহোক বিজ্ঞানীরা ববর্তনকে প্রমাণিত বলেই মেনে নেন।[৪৪]
বিবর্তনকে স্বীকার করার স্তর
[সম্পাদনা]বামপ্রান্তে কমলা রঙে জানা তুষার যুগ চিহ্নিত।
আরও দেখুন: মানব সময়রেখা ও প্রকৃতি সময়রেখা
বিবর্তন নিয়ে সৃজনবাদীদের একটা বক্তব্য হল এটা বিতর্কিত এবং কলহপ্রবণতাকে উষ্কে দেয়।[৪৫][৪৬] অতীতের সৃজনবাদীদের মত তারা বিবর্তনবাদের নাম-নিশানা মুছে ফেলতে চায় নাই, এবার তারা এক ভিন্ন কৌশলে হাঁটল। তারা বলতে শুরু করল, বিবর্তনবাদ যদিও বিতর্কিত তারপরেও তোমরা এটা শিখাও, তবে এই ব্যবস্থা করো যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ইচ্ছেমত বিবর্তনবাদ আর সৃজনবাদের মধ্যে বিষয় নির্বাচন করতে পারে।[৪৬][৪৭]
এই আপত্তিটা করেছিল ডিস্কভারি ইন্সটিটিউট নাম্নী এক প্রতিষ্ঠান। ওয়াশিংটনে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠান "বিতর্কিত বিষয় শেখাও" নামে একটা ক্যাম্পেইন করে। এর মাধ্যমে এরা মুলত বিদ্যালয়গুলোতে সৃজনবাদী ভাবনার বিকাশ ঘটাতে চাল এটা ছিল তাদের একপ্রকার কৌশল, যাদের একমাত্র ধ্যান জ্ঞান ছিল বিবর্তনবাদের শিক্ষা দেওয়া রোধ করা এবং বিশ্ব জুড়ে বস্তুবাদের প্রতি সাধারণ মানুষের যে পজিটিভ দৃষ্টিকোণ গড়ে উঠছে সেটাকে খ্রিষ্টান এবং বিশ্বাসীদের ধারণার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবনা দিয়ে পাল্টে দেওয়া।[২৮] তাদের এ কার্যক্রম কিছুটা সফল হয়েছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু বিদ্যালয়ে সৃজনবাদী শিক্ষা পড়ানো হয়েছিল বিবর্তনবাদের বিকল্প হিসাবে। অবশ্য ২০০১ সালে তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।[৪৮]
বিজ্ঞানীগণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের আদালত সৃজনবাদীদের আপত্তিকে বাতিল করে দেন। তারা বলেন বিজ্ঞান কখনো জনপ্রিয়তার উপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে গ্রহণযোগ্যতার উপরে। জীববিজ্ঞানীদের দেওয়া তথ্য, সেই তথ্যের স্বচ্ছতাই সিদ্ধান্ত নিবে বিজ্ঞানে কোন বিষয়টা গ্রহণযোগ্য কোনটা নয়। এখানে জনমত যাচাইয়ের প্রশ্নই উঠে না। এবং যদিও বিবর্তনবাদ জনগণের কাছে বিতর্কিত, প্রকৃত বিজ্ঞানীদের কাছে এবং বিজ্ঞানের জগতে এটা সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে।[৪৯][৫০]
এইবার সৃষ্টিবাদীরা এই যুক্তিকে খণ্ডন করতে গিয়ে ২০০৮ এর আগস্টে একটা বিবৃতি দেয়। সেখানে ৭৬১ জন বিজ্ঞানী স্বাক্ষর করেন। বিবৃতি ছিল ডারউইনিজম নিয়ে বৈজ্ঞানিক মতবিরোধ। এর উদ্দেশ্য ছিল বিবর্তন নিয়ে বৈজ্ঞানিকদের সমালোচনা আছে এটা দেখানো। এই বিবৃতিতে বিজ্ঞানীরা সরাসরি বিবর্তনকে কিন্তু অস্বীকার করেন নাই। সংশয় প্রকাশ করেছেন ক্রমাগত মিউটেশন এবং প্রাকৃতিক নির্বাচনের ফলে এই জটিল প্রাণ তৈরী সম্ভব কি না। প্রায় একই পিটিশন এবার বিবর্তনবাদীরা করেন, যার নাম ডারউইনিজমের প্রতি বিজ্ঞানীদের সমর্থন যেখানে চারদিনের মধ্যে ৭০০০ এর অধিক বিজ্ঞানী এর সমর্থনে সই করেন।[৫১] এবং প্রজেক্ট স্টীভ, "'a tongue-in-chee"' পিটিশনে ২৪শে মে ২০১৬ পর্যন্ত অন্তত ১,৩৯৩ জন বিজ্ঞানী বিবর্তনকে সমর্থন করেন[৫২]
সৃজনবাদীরা এক শতক ধরে একটাই কথা বলে আসছেন বিবর্তন শুধুই থিওরী। এরপর অবশ্য তারা ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে বলতে থাকেন বিবর্তনের পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণের অভাব আছে অথবা এটা প্রকৃতির নিয়মলে লঙ্ঘন করে।এই সব অভিযোগ বিজ্ঞানীদের দ্বারা বাতিল হয়ে যায়। বিজ্ঞানীরা সৃজনবাদীদের উদ্দেশ্যে বলেন আপনার যে আইডির কথা বলেন অথবা কেও সৃষ্টি করেছেন এই ধরনের ব্যাখ্যা দেন, সেগুলো মেনে নিব। কিন্তু এর আগে বিজ্ঞানের স্বাভাবিক নিয়ম অর্থাৎ আপনাদের দাবীর পক্ষে উপযুক্ত প্রমাণ দিতে হবে। তবেই বিবর্তনের বিকল্প হিসেবে সৃজনবাদীতাকে মেনে নেওয়া হবে। এটাও বলা হয়েছে যদি বিবর্তনের বিপক্ষে একটাও প্রমাণ থাকে তাহলে বিবর্তনবাদ বাতিল হবে। কিন্তু তা তো নেই। একইভাবে আইডি প্রতিষ্ঠা করতে হলেও আপনাদের প্রমাণ দেখাতে হবে।[৫৩]
কখনো কখনো অভিযোগ করা হয় অনেক বিজ্ঞান মহল বিবর্তন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।[৫৪] এর সাথে সাথে বলা হয় ডারউইন বিবর্তনবাদকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে যখন তিনি ছিলেন মৃত্যুশয্যায়; কিন্তু এটা লেডি হোপ'স স্টোরি থেকে তৈরী একটা গালগপ্পো মাত্র।[৫৫] এইসব অভিযোগুলো স্বাভাবিকভাবে আপীলস টু অথরিটি দ্বারা বাতিল হয়ে গিয়েছিল।
বৈজ্ঞানিক মতবাদ
[সম্পাদনা]নব্য সৃজনবাদীদের বিবর্তন নিয়ে একটা প্রচলিত অভিযোগ হচ্ছে: বিবর্তন বিজ্ঞানের ধারা অনুসরণ করে না,তাই এটা খাটি বিজ্ঞান নয়। একে বিজ্ঞানের শ্রেণিতে পাঠদান করা উচিত নয়। অথবা এর পাশাপাশি বিকল্প মতবাদ(যেমন সৃজনবাদ) পড়ানো উচিত।
ধর্মীয় স্বভাব
[সম্পাদনা]সৃজনবাদীরা বিভিন্ন সময় বলে থাকেন,"বিবর্তন এক প্রকার ধর্ম, এটা বিজ্ঞান নয়।[২৭]
বিবর্তনকে ধর্ম বানাবার জন্য সৃজনবাদীরা প্রায়সই যে উদাহরণ ব্যবহার করে থাকে,তার মধ্যে একটি হল: বিবর্তনও এক প্রকার বিশ্বাস, এবং তাই বিবর্তনও এক প্রকার ধর্ম। বিবর্তনের সমর্থকরা ডারউইনকে নবী মানে, আর তারা অন্য যেকোনো বিকল্প মতবাদকে বাতিল করে দেয়।[৪৩][৫৬] এই ধরনের দাবীগুলো নব্য সৃজনবাদী আন্দোলনের সময় বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল।[৪৯]
প্রতিউত্তরে বিবর্তন তত্তের সমর্থকরা বলেন কোনো বৈজ্ঞানিক দাবী এমনকি ডারউইনের তত্ত্বও অলঙ্ঘনীয় হিসেবে বিবেচিত হয় না। ডারউইনের যে মতবাদ সেটাও পরিবর্তিত হয়েছে। নব্য ডারউইনবাদ, নব্য বিবর্তন সংশ্লেষণ এর মত নতুন তত্ত্বের মাধ্যমে ডারউইনের মতবাদের বেশ কিছু জায়গা সংশোধিত হয়েছে।[৫৭][৫৮] সৃজনবাদীদের দাবী অনুসারে বিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা যায় না,তাই এটা এক প্রকার বিশ্বাস। কিন্তু বাস্তবে বিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা যায়। এবং এর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আছে, তাই বিবর্তন তত্ত্বকে বিশ্বাসের কোনো প্রয়োজন নেই।
জনসাধারণের কাছে বিবর্তন একটা ধর্ম এই দাবী ধোপে টিকে নি, কারণ ধর্মের বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে আধ্যাত্মিক বিশ্বাস, যাকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না। কিন্তু বিবর্তন তত্ত্ব নিয়ে জনগণও ক্রমাগত প্রশ্ন উত্থাপন করছিলেন। বিবর্তনের সমর্থকরা বলেন, না এটা কোনো প্রমাণবিহীন তত্ত্ব,না এটা কোনো বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতও সৃজনবাদীদের অভিযোগ নাকচ করে দেন:
বিবর্তন যদি ধর্ম অথবা ধর্মীয় বিশ্বাস হয়ে থাকে তবে বিবর্তন তত্ত্বকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে, তাই বলে অন্য কোনো ধর্মকে বিবর্তনবাদের বিরোধিতা করার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ানো যাবে না। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সুষ্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে এবং কমন সেন্সের মাধ্যমে এটা পরিস্কার যে বিবর্তনতত্ত্ব কোনো ধর্ম নয় বরং এটা একটা প্রতিষ্ঠিত সত্য।এবং তাই স্কুল কলেজে বিবর্তন নিয়ে পাঠদান আইনের কোনো ধারাকে লঙ্ঘন করে না।[৫৯]
এর সাথে সম্পৃক্ত আরেকটা দাবী সৃজনবাদীরা করেন বিবর্তন তত্ত্ব নাস্তিকতা। (দেখুন নাস্তিকতাবাদ); সৃজনবাদীরা কখনো কখনো এই দুইটাকে একত্রিত করে একে "নাস্তিকের ধর্ম" বলেন (cf. humanism).[৬০]
সত্যতানির্ধারণযোগ্যতাহীনতা
[সম্পাদনা]১৯৭৬ সালে দার্শনিক কার্ল পোপার বলেছিলেন "ডারউইনিজম কোনো পরীক্ষণীয় বৈজ্ঞানিক মতবাদ নয়, বরং আধ্যাত্মিক গবেষণার বিষয়।"[৬১] পরবর্তীতে তিনি তার চিন্তাধারা পরিবর্তন করে বলেন ডারউইনের "প্রাকৃতিক নির্বাচনের এই মতবাদ পরীক্ষা করা কঠিন" যেভাবে উচ্চতর বিজ্ঞানের অনেক বিষয় পরীক্ষা করা যায় না।[৬২][৬৩]
চার্লস ডারউইন তার "on the origin of species" এর ৬ নং পরিচ্ছেদে বলেন "যদি এমনটা কখনো দেখা যায় যে প্রকৃতিতে কোনো জীবে জটিল অঙ্গ আছে কিন্তু সেটা অনেকগুলো ধারাবাহিক এবং অল্প অল্প পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে না গিয়ে হটাৎ করেই প্রকৃতিতে বিদ্যমান;তাহলে আমার এই তত্ব অবশ্যই ভেঙ্গে পরবে।"[৬৪]
বিবর্তনকে সমালোচনা করার জন্য অসংখ্য পদ্ধতি সৃজনবাদীরা প্রয়োগ করা শুরু করে।[৪৪] J. B. S. Haldane, when asked what hypothetical evidence could disprove evolution, replied "fossil rabbits in the Precambrian era."[৬৫][৬৬].উদাহরণস্বরুপ, মানুষের কাছে এক জোড়া ক্রোমোজোম কম আছে হোমিনিড গোত্রের বাকি সদস্যের তুলনায়। তখন একটা থিওরী বিবর্তনবাদের পক্ষের মানুষরা প্রয়োগ করলেন। তারা বললেন, হয় ফিউশনের ফলে দুইটা ক্রোমোজোম জোড়া লেগে গেছে বা একটি ক্রোমোজোম নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু তা প্রমাণসাপেক্ষ ছিল না। কিন্তু ২০০৫ সালে ফিউশন তত্ত্ব প্রমাণিত হল ২ নং ক্রোমোজোম (মানবদেহ) এর র্বিন্যাস পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে। যেখানে দেখা গেল দুটি ক্রোমোজোমের ফিউশনের ফলেই একটি ক্রোমোজোম তৈরী হয়েছে। যা অন্যান্য প্রাইমেটে আলাদা। মানুষের ২ নং ক্রোমোজোমে ফিউশনের ফলাফল হিসেবে অতিরিক্ত নিষ্ক্রিয় টেলোমিয়ার এবংসেন্ট্রোমিয়ার আছে।[৬৭] সৃজনবাদীরা একটা দাবী করেছিল এইরকম যে যদি সত্যি সত্যি হোমো সেপিয়েন্সের পুর্বপুরুষ থাকে তাহলে ডিএনএ সিকুয়েন্স মডেল আবিষ্কারের পর দেখা যাবে মানুষের সাথে শিম্পাঞ্জী, এবং অন্যান্য প্রজাতির বনমানুষে বেশি মিল থাকবে। যদি মিল না থাকে তাহলে বুঝা যাবে সকল হোমিনিডের পুর্বপুরুষ একই নয়। পরবর্তীতে ডিএনএ এর বিন্যাস আমাদের দেখায় যে,মানুষের সাথে শিম্পাঞ্জীর ডিএনএ এর অনেক মিল রয়েছে(প্রায় ৯৫ থেকে ৯৮%)।[৬৮] হোমিনিড গোত্রের প্রচুর সংখ্যক মধ্যবর্তী ফসিল পাওয়া গিয়েছে[৬৯] এইভাবেই মানুষের বিবর্তন হয়েছে কি না এই প্রশ্নে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেওয়া হয়।
প্রমাণ
[সম্পাদনা]পর্যবেক্ষণের ঘাটতি
[সম্পাদনা]
সৃষ্টিবাদীদের একটা সাধারণ দাবী হল বিবর্তন কখনোই পর্যবেক্ষণ যোগ্য নয়।[৭০] এই বিষয়ে তাদের মতামত হলো কীভাবে বুঝব এটা বিবর্তনের ফলে হচ্ছে? (see the Defining evolution section above)। বিবর্তন যে ঘটছে এটা পর্যবেক্ষণ করা খুবই সহজ ব্যাপার। জনসংখ্যার ক্ষেত্রে জীনের গঠন উত্তরাধিকার থেকে উত্তরাধিকারে পরিবর্তন হয়। ফলের মাছি, ইদুর, এবং ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষাগারে [৭১] ও টিলাপিয়ার ক্ষেত্রে তার নিজস্ব বিচরণক্ষত্রে সরাসরী বিবর্তন পর্যবেক্ষিত হয়। পর্যবেক্ষণলব্ধ বিবর্তন এর পাঠ সুনির্দিষ্টভাবে ক্ষুদ্রতর জীব বিশেষত এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধের এর মাধ্যমে নতুন নতুন উদাহরণ হাজির করে দেখাচ্ছে কীভাবে বিবর্তন হচ্ছে।[৭১][৭২]
এইসব ব্যাপক উদাহরণ দেখে সৃজনবাদীরা বলতে শুরু করেন, তাদের সকল আপত্তি শুধুমাত্র ম্যাক্রো ইভ্যুলেশনের ক্ষেত্রে, মাইক্রোইভ্যুলেশনের ক্ষেত্রে নয়।(অর্থাৎ এর মাধ্যমে মাইক্রো ইভুলেশন যে হচ্ছে সেটা তারা মেনে নেন)[৭৩][৭৪] বিভিন্ন সৃষ্টিবাদীদের সংগঠনগুলো বিবর্তনের ছোট ছোট উদাহরণের সাথে সম্পর্ক যেমন কুকুরের প্রজনন এর মত উদাহরণ গুলোর বিরুদ্ধে নীরব থাকে। এগুলো কেন হচ্ছে সেগুলো নিয়ে তাদের কোনো যুক্তিও নেই, তাদের সকল সমস্যা এবং আপত্তি ম্যাক্রো অর্থাৎ বড় বড় পরিবর্তন অর্থাৎ যেগুলো হতে বেশি সময় লাগে সেগুলো নিয়ে। কারণ সেগুলো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যায় না। এগুলো শুধুমাত্র মাইক্রো বিবর্তনের প্রক্রিয়া থেকে অনুমান করা যায়, এবং ম্যাক্রো বিবর্তনের ফলে যেসব চিহ্ন রেখে যায় সেখান থেকে বুঝতে পারা যায়।
যাইহোক জীববিজ্ঞানীরা বলেন ম্যাক্রো এবং মাইক্রো উভয় বিবর্তনই পর্যবেক্ষণ লব্ধ।[৭৫][৭৬] উদাহরণস্বরূপ প্রজাত্যায়নকে, সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যায়।[৭৭] একইসাথে নব্য বিবর্তনীয় সংশ্লেষণবাদ ম্যাক্রো এবং মাইক্রো উভয় বিবর্তন পর্যবেক্ষণ করতে সহায়তা করে।[৪৪][৭৮] এর উদাহরণ হল চক্র প্রজাতি.
অতীতে ম্যাক্রো বিবর্তন অনুমান করা হত যেসব ঐতিহাসিক চিহ্ন জীবদেহে বিদ্যমান থাকত,তা দেখে। মধ্যবর্তী জীবাশ্ম যেগুলোকেও ঐতিহাসিক চিহ্ন বলে ধরা হত, যা দুই প্রজাতির জীবের মধ্যে সংযোগ ঘটাত, এরকম ফসিল হল আর্কিওপ্টেরিক্স যা সংযোগ ঘটিয়েছে পাখি এবং ডাইনোসর এর মধ্যে।[৭৯] অথবা সাম্প্রতিক আবিষ্কৃত Tiktaalik যা সংযোজন ঘটয়েছে পাখি এবং উভচর প্রাণীর মধ্যে।[৮০] সৃজনবাদীরা এইসব উদাহরণকে বাতিল করে দেন,তারা বলেন এগুলো মধ্যবর্তী ফসিল নয়,চেষ্টাচরিত্র করে যে কোনো একটা গ্রুপে এগুলোকে ফেলা যাবে। তারা বলেন মধ্যবর্তী ফসিল অনেকগুলো পাওয়া যাওয়ার কথা,কিন্তু তা পাওয়া যায় নি।[৮১] ডারউইন বুঝেছিলেন মধ্যবর্তী ফসিলের অভাবই তার তত্বের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।
Why then is not every geological formation and every stratum full of such intermediate links? Geology assuredly does not reveal any such finely graduated organic chain; and this, perhaps, is the most obvious and gravest objection which can be urged against my theory. The explanation lies, as I believe, in the extreme imperfection of the geological record.
ডারউইম আপীল করেন Darwin appealed to the limited collections then available, the extreme lengths of time involved, and different rates of change with some living species differing very little from fossils of the Silurian period. এর পরবর্তী সংস্করণে তিনি বলেন "that the periods during which species have been undergoing modification, though very long as measured by years, have probably been short in comparison with the periods during which these same species remained without undergoing any change."[৮২] ডারউইনের সেই দিনের অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। পাওয়া গিয়েছে মধ্যবর্তী অসংখ্য ফসিল। এবং এই জাতীয় সমস্যার সমাধান করা হয়েছে punctuated equilibrium নামক নতুন থিওরী দ্বারা। which predicts a primarily stable fossil record broken up by occasional major speciations.[৮৩][৮৪]
যেহেতু অনেক মধ্যবর্তী ফসিলের সরাসরি উদাহরণ পাওয়া গিয়েছে, সৃজনবাদীরা তাদের চিন্তাভাবনার সংস্করণ করে, তৈরী করে "created kinds," রবং নতুন নাটকের প্রদর্শন করে। তারা বলতে থাকে এইসব ঘটনা যে আদৌ ঘটেছে সেটা কে দেখেছে? [৮৫] একটা ইশতেহার অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেyoung Earth creationist Ken Hamএর দ্বারা:"তুমি কী সেখানে ছিলে?" তারা বলতে থাকেন যেহেতু ঈশ্বর ছাড়া আর কেওই এইসব ঘটনা কে স্পষ্টভাবে দেখেনি,তাই বৈজ্ঞানিক দাবীগুলো ফটকাবাজি অথবা নিছক গল্প।[৮৬][৮৭] জীবের genomes এর ডিএনএর সিকুয়েন্স থেকে একটি স্বাধীন পরীক্ষা করা হয়, অন্যান্য জীবের মধ্যে আন্তঃসম্পর্কের যে ভবিষ্যতবাণী করা হয়েছিল তা সঠিক কিনা সেটা জানার জন্য। সেই পরীক্ষার ফলাফল দেখায় প্রত্যকের মধ্যে আন্তঃসংযোগ আছে। অর্থাৎ আছে স্বাধীন পুর্বপুরুষ।[৮৮][৮৯]
কিছু কিছু ক্ষেত্র যেমন নভোবিজ্ঞান অথবা আবহাওয়া বিজ্ঞান এর ক্ষেত্রে সরাসরি পর্যবেক্ষণ অথবা ল্যাবে পরীক্ষণ কঠিন, এমনকি কখনো কখনো অসম্ভবও। বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়াগুলো তারপরেও নির্ভর করে পর্যবেক্ষণ ও যৌক্তিক অনুমানের উপরে।এইসব ক্ষেত্রে সততার সাথে করা পর্যবেক্ষণ থেকে নতুন থিওরীর জন্ম হয়, এবং এ থিওরী ব্যবহৃত হয় নতুন অবসারভেশনের ফলে যে ফলাফল আসবে তার ভবিষ্যত বাণীতে। যদি নতুন পর্যবেক্ষণ থিওরীর ভবিষ্যত বানীর সাথে কোনোরুপ সংঘর্ষ করে, তাহলে সেই থিওরীকে পুনর্বার বিশ্লেষণ করা হয়,অথবা বাদ দিয়ে সেখানে নতুন থিওরীর আবির্ভাব ঘটে যদি এর চাইতে ভাল বিকল্প থিওরী থাকে যা নতুন পর্যবেক্ষণ কে ব্যাখ্যা করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ নিউটনের মহাকর্ষ সুত্র প্রতিস্থাপিত হয়েছিল আলবার্ট আইনস্টাইন এর সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদ দ্বারা.[৯০]
অনির্ভরযোগ্য প্রমাণ
[সম্পাদনা]
একটা প্রাসঙ্গিক আপত্তি বিবর্তনের বিরুদ্ধে হচ্ছে বিবর্তন অনির্ভরযোগ্য প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত। বিতর্কের সারমর্ম হল বিবর্তন প্রমাণিত নয়। এমনকি এর বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য প্রমাণও পাওয়া যায় না।তার সাথে সাথে বলা হয় বিবর্তনের আগাগোড়া পুরোটাই ধাপ্পাবাজি আর মিথ্যাচারে ভরপুর।
এবার বিতর্ক সক্রিয় হয় বিবর্তনের নির্ভরযোগ্যতার বিরুদ্ধে, সৃষ্টিবাদীরা বলতে থাকেন অতীতেও গুরুত্বপূর্ণ scientific revolutions(বৈজ্ঞানিক বৈপ্লবিক তত্ব) গুলো মিথ্যা হয়ে গেছে। যদিও প্রাথমিকভাবে সেগুলোকে প্রায় নিশ্চিত বলে ধরা হত। তারা এইরুপে দাবী করতে থাকে সাম্প্রতিক সময়ের বিবর্তনবাদ বিপ্লব ঘটিয়ে দিবে ভবিষ্যতে একটাই বিষয়ের উপর নির্ভর করে। আর সে বিষয়টা হল "বিপদের সময়ের তত্ব"(সৃষ্টিবাদের বিকল্প বুঝাতে এই বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে) [৯২]
সমালোচকরা বিতর্কের জন্য হাজির করেন বিজ্ঞানের ইতিহাসে ধাপ্পাবাজি Piltdown Man(পিল্টডাউন মানবকে) এক প্রকার জালিয়াতি। তারা বলতে থাকেন যেহেতু অতীতে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গী থাকার কারণে বিবর্তনের উপর প্রমাণ নিয়ে বিজ্ঞানীরা ভুল করেছেন এবং কতিপয় গণ জালিয়াতি করেছেন, একইভাবে সাম্প্রতিককালের বিবর্তনও মিথ্যাচার ও ধাপ্পাবাজির উপর প্রতিষ্ঠিত। বিবর্তনের অনেকপ্রমাণই অভিযুক্ত হয়েছে বিভিন্ন সময়ে ও এগুলো প্রতারণাপুর্ণ। তারা এই ব্যাপারে অন্তর্ভুক্ত করেন Archaeopteryx, peppered moth melanism, and Darwin's finchesকে। এইসব দাবীগুলো পরবর্তীতে যুক্তি দিয়ে খণ্ডন করা হয়।[৯৩][৯৪][৯৫][৯৬]
এটাও দাবী করা হয় যে বিবর্তনের যে সব টুকরো প্রমাণ পাওয়া গেছে তা হল ভ্রান্ত এবং অকেজো, Ernst Haeckel' এর মত। যিনি ১৯ শতকে ভ্রূণদ্বয়ের মধ্যে তুলনামুলক চিত্র একেছিলেন যা recapitulation theory নামে পরিচিতি পায়। ("ontogeny recapitulates phylogeny"), যেটা শুধুমাত্র ভুলই ছিল না বরং ধোকাবাজিও ছিল।[৯৭] Molecular biologist Jonathan Wells সমালোচনা করেন জীববিজ্ঞান পাঠ্যবইয়ের,অভিযোগ করেন যে তারা এমন কিছু প্রমাণের ভিত্তিতে বিবর্তন বাদ চাপিয়ে দিতে চাইছে শিক্ষার্থী দের উপর যেসব প্রমাণ ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত।(হেকেলের ধারণাকেই তিনি জনসম্মুখে হাজির করেন) [৯৫] এর প্রতিবাদে National Center for Science Education বলেন কোনো বইই যে ওয়ালস রিভিউ করে নাই এটা হল তার প্রমাণ। রিভিউ করলেই সে বুঝত তার এই দাবীটা মিথ্যা। হ্যাকেলের ড্রইং একটা ঐতিহাসিক পাঠ, এই বিষয়টা নিয়ে পাঠ্যপুস্তকে আলোচনা করা হয়েছে কেন তার চিত্রাংকন ভুল ছিল সেই বিষয়ে, সঠিক এবং সাম্প্রতিক হালনাগাদ হওয়া চিত্রই পাঠ্যপুস্তকে তুলে ধরা হয়েছে। অথচ এটা ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে ওয়ালের দ্বারা [৯৮]
অবিশ্বস্ত কালপঞ্জী
[সম্পাদনা]
সৃজনবাদীরা দাবী করেন যে বিবর্তনবাদ অনিশ্চয়তা নীতির ওপর নির্ভর করে। এবং অতীত সম্বন্ধে কোনো তথ্য দিতে পারে না। উদাহরণস্বরুপ পদার্থের বয়স নির্ধারণের জন্য যে radioactive decay র উপর নির্ভর করা হয় তা সম্পূর্ণভাবে অবিশ্বস্ত। Radiocarbon dating নির্ভর করে carbon-14 র আইসোটোপের উপর। আইসোটোপ থেকে নির্ধারিত এই ফলাফল সম্পূর্ণভাবে সমালোচিত হয়।প্রথমদিকে এটা এত বেশি সমালোচিত হতে যে সমালোচকরা বলতে শুরু করে যে এটা সম্পূর্ণভাবে অন্যায্য অনুমানের নীতি uniformitarianismর উপর অবস্থিত। পাথরের ক্ষয়ের হার থেকে বয়স নির্ধারণ করা পাথরটা closed system হিসেবে কাজ করে। এইরুপ তর্কবিতর্কের নিষ্পত্তি ঘটে বিজ্ঞানীদের দ্বারা যখন স্বাধীনভাবে করা অন্যান্য গবেষণায় এবং ভিন্ন পদ্ধতিতে পাথরের বয়স নির্ধারণ করতে গেলে সবগুলার ফলাফল একই আসে।[১০০] একইরকম অভিযোগ আছে জীবাশ্মকে ঘিরে। অভিযোগ করা হয় জীবাশ্মের প্রমাণ নির্ভরযোগ্য নয়। অভিযোগ করা হয় ফসিল রেকর্ডে বিশাল গ্যাপ আছে।[১০১][১০২] that fossil-dating is circular (see the Unfalsifiability section above), or that certain fossils, such as polystrate fossils, are seemingly "out of place." Examination by geologists have found polystrate fossils to be consistent with in situ formation.[১০৩] অনেকসময় এটাও অভিযোগ করা হয় বিবর্তনবাদের কিছু বৈশিষ্ট্য catastrophism দের (cf. নুহের প্লাবন)কে সমর্থন করে। কিন্তু বিবর্তনবাদের gradualistic punctuated equilibrium কে সমর্থন করে না।[১০৪] যদিও এটাই ব্যাখ্যা করে কেন ফসিলের মধ্যে এত গ্যাপ আছে।[১০৫]
আপাত গ্রহণীয়তা
[সম্পাদনা]কিছু প্রাচীন এবং জনপ্রিয় অভিযোগ বিবর্তনের বিরুদ্ধে আছে, যেমনঃ-বিবর্তন প্রকৃতিতে বিদ্যমান এই জটিলতা ব্যাখ্যা করতে পারে কি না, বলা হয় বিবর্তন কখনো এই প্রাণের বৈচিত্র্যতা ব্যাখ্যা করতে পারে না,অর্থাৎ কোনো এক বুদ্ধিমান সত্তা এই সব কিছুকে নিয়ন্ত্রণ করছে, Abrahamic religions(আব্রাহামিক ধর্মানুসারে) হয়ত বা কোনো ঈশ্বর।
অসম্ভবতা
[সম্পাদনা]একটা প্রচলিত আপত্তি বিবর্তন বিরোধীদের দেখা যায়,বলা হয়: জীবন এর এই নীলনকশা যা বৈচিত্র্যতায় ভরপুর তা কী ভাগ্যের ফেরে তৈরী হয়ে গেছে? তারা বলেন, জীবনের এই বৈচিত্র্যতা কোনো বুদ্ধিমান সত্তার ইচ্ছানুসারে পরিচালনা হওয়া ছাড়া আর কোনোভাবে হতে পারে না, এবং এর সম্ভাবনাও অনেক কম। আর সবকিছুর পেছনে যেহেতু কারণ থাকে, অতএব এই মহাবিশ্ব তৈরি হওয়ার পেছনেও কারণ আছে। আর ঈশ্বরই হলেন সেই আদি কারণ। তার ইচ্ছানুসারেই এই জীববৈচিত্র্য তৈরী হয়েছে।[১০৬] তারা আরো এক কাঠি সরেস হয়ে বলেন বিবর্তন কখনো জটিল কাঠামো গঠন করতে পারে না। (দেখুন Creation of complex structures). এইধারণা অনুসারে বিবর্তনের মাধ্যমে জীবন গঠিত হওয়া ততটাই অসম্ভব যতটা অসম্ভব "সামুদ্রিক ঝড়ের মাধ্যমে এলোমেলো ধাক্কায় Boeing 747 টাইপ কোনো বিমান গঠিত হওয়া।"এ দাবীটা প্রথম করেছিলেন জ্যোতিঃবিজ্ঞানী Fred Hoyle। এই দাবীটা জনপরিচিতি পায় হয়েলের fallacy নামে।[১০৭] হয়েল একজন ডারউইনিস্ট ছিলেন, ছিলেন নাস্তিক এবং বিশ্বাস বিরোধী, কিন্তু তিনি এক হাইপোথিসের জন্ম দেন যার নাম panspermia, যেখানে বলা হয় প্রাণের প্রথম সূচনা হয়েছে outer space এ, এবং প্রাকৃতিক নানা ঘটনা যেমন ধূমকেতু, উল্কা, গ্রহাণুর মাধ্যমে প্রাথমিক জীবন তৈরী হওয়ার প্রয়োজনীয় বস্তু পৃথিবীতে এসে পৌঁছেছে। হয়েলের এই যুক্তির সাথে সৃজনবাদীদের ধারণার সাথে পুরোপুরি না মিললেও কিছুটা মিলে যায়, সৃজনবাদীদের যুক্তির মুল ধারণা হল একজন ঈশ্বর হচ্ছেন পরম কারণ,যার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য আছে এই মহাবিশ্ব তৈরীর পিছনে। এই দাবীর পিছনে তারা ১৮ শতকের বহুল প্রচলিত যুক্তি দার্শনিক উইলিয়াম প্যালের ঘড়ি নির্মাতার উপমা ব্যবহার করে, তারা বলে একটা ঘড়ির যে জটিল কলকব্জা আছে তা এমনি এমনি তৈরী হতে পারে না,এর পিছনে ঘড়ি নির্মাতার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকে,এর ফলেই এত জটিল একটা যন্ত্র তৈরী হয়। একইভাবে এই মহাবিশ্বের এই সীমাহীন জটিলতা দেখে বুঝা যায় কোনোভাবেই এই মহাবিশ্ব কোনো কারণ বা উদ্দেশ্য বিহীনভাবে তৈরি হয় নাই। এর পিছনেও ইন্টেলিজেন্ট এজেন্টের হাত আছে।ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইনের এই দাবী নব্য সৃজনবাদের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠে। এর মাধ্যমে সৃজনবাদীরা তাদের এই মতবাদকে নিছক দর্শন আর বিশ্বাস থেকে উপরের স্তরে নিয়ে গিয়ে বৈজ্ঞানিক মতবাদ বলে আখ্যায়িত করে। এবং একে বিবর্তনের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ানোর দাবী জানায় [২৬][৪৯]

জ্ঞানের অভাব থাকায় এই ধরনের বিতর্ক করা যায়, বিবর্তনবাদের সমর্থকরা সাধারণত বলে থাকেন বিবর্তন কেবল চান্সের খেলা নয়, বরং এটা একপ্রকার রাসায়নিক বিক্রিয়া, প্রাকৃতিক ঘটনা। এটাই যুক্তিযুক্ত অলৌকিক ঈশ্বর থাকার তুলনায়। মুলত প্রাকৃতিক নির্বাচনের এই বাছাই পর্ব চলেছে জীনগত ভাবে, প্রকৃতির সাথে তাল মিলানোর জন্য জীনের পরিবর্তনই বিবর্তনের গতি নির্ধারণ করেছে। বাস্তবতা হল সৃজনবাদীরা ইন্টেলিজেন্ট এজেন্টের কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেন না। দেখাতে পারেন না এই জটিল মহাবিশ্ব তৈরীর পিছনে যে জটিল সত্তা আছে তার বাস্তব প্রমাণ।[১০৯] It is also argued that there is insufficient evidence to make statements about the plausibility or implausibility of abiogenesis, that certain structures demonstrate poor design, and that the implausibility of life evolving exactly as it did is no more evidence for an intelligence than the implausibility of a deck of cards being shuffled and dealt in a certain random order.[৪৯][১০৮]
এটা উল্লেখযোগ্য প্রথম জীবনের উদ্ভব হওয়া যাকে abiogenesis বলা হয়, তা বিবর্তনের অংশ নয়, তাই চান্সের ফলে প্রথম প্রাণের সূচনা নিয়ে যে বিতর্ক আছে তা উদ্ভব বিজ্ঞান এর অন্তর্ভুক্ত, বিবর্তনের নয়। প্রকৃতপক্ষে বিবর্তন নিয়ে মানুষ যে ভুল ধারণার স্বীকা র হয় তা হল তারা উদ্ভব বিজ্ঞানের সাথে বিবর্তনকে গুলিয়ে ফেলে এবং ভাবে বিবর্তন এবায়োজেনেসিসের উপাদান অথবা এবায়োজেনেসিস বিবর্তনের পূর্বসূরি। কখনো কখনো এরা বিবর্তনের সাথে বিগ ব্যাং কেও মিলিয়ে ফেলে।[৩১]
ব্যাখ্যা করতে পারে না স্বাভাবিক জীবন
[সম্পাদনা]
জৈবরসায়নবিদ মাইকেল বেহে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের বিবর্তনবাদ সৃষ্টির জটিল গঠন ব্যাখ্যা করতে পারে না, বিশেষ করে মাইক্রোবায়োলজিতো পারেই না। এর উপর ভিত্তি করে তিনি বলেন " এই জটিল গঠনগুলো বুদ্ধিমান সত্তা দ্বারা তৈরী।."[১১০]
পরবর্তীতে সমালোচক রা বিভিন্ন দাবী করত থাকেন বিবর্তন consciousness, hominid intelligence, instincts, emoions, metamorphosis, photosynthesis, homosexuality, music, language, religion, morality, and altruism(see altruism in animals) এইসব বিষয় গুলো ব্যাখ্যা করতে পাের না।[১১১] যদিও বিবর্তনের সাহায্যে এর অনেকগুলোই বিশেষ করে hominid intelligence, instinct, emotion, photosynthesis, language, and altruism, বেশ ভালোভাবেই ব্যাখ্যা করা যায় । বিবর্তনের সমর্থকরা দাবী করেন অন্য কোনো বিকল্প মতবাদ দিয়ে জীববিজ্ঞানের এতগুলো ঘটনাকে ব্যাখ্যা করা যায় না।[১১২]
সৃজনবাদীরা বিবর্তনের বিরুদ্ধে আরেকটা ভিত্তির উপর দাড়িয়ে দ্বিমত পোষণ করেন, তা হল বিবর্তন নিশ্চিত ভাবে অবিবর্তনীয় প্রক্রিয়া যেমন abiogenesis, Big Bang, অথবা meaning of life কে ব্যাখ্যা করতে পারে না। এই সব উদাহরণ কে সামনে রেখে বলা হলবিবর্তনকে' পুন:সংজ্ঞায়িত করে নির্দেশ করতে হবে পুরো মহাবিশ্বেরগঠন সম্বন্ধে। যদি বিজ্ঞানের অন্য কোনো থিওরী মহাবিশ্বের বিবর্তনেরসাথে না মিলে তাহলে বিজ্ঞানের সকল তত্ত্ব ভেঙে পরবে। এই কারণেই বিবর্তনের জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্র ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত, এবংদার্শনিকের বিতর্কের একটা বিষয় হওয়া উচিত।[১১৩]
জ্যোতির্বিজ্ঞানী Fred Hoyle (ফ্রেড হয়েল) এবং Chandra Wickramasinghe cosmic ancestry এর মাধ্যমে এসকল যুক্তিকে খণ্ডন করেন[১১৪][১১৫][১১৬][১১৭][১১৮][১১৯].[১২০][১২১]
অসম্ভবতা
[সম্পাদনা]পুর্বের তুলনায় বিবর্তন বিরোধিতা আরো বেশি বেড়ে যায়, দাবী করা হয় বিবর্তন শুধু অবৈজ্ঞানিকই নয় অকল্পনীয় এবং এটা অসম্ভব, কারণ এটা প্রাকৃতিক নিয়মের সাথে সাংঘর্ষিক এবং এটা পৃথিবীতে বিদ্যমান জীববৈচিত্র্য তৈরী করতে পারবে না।
সৃষ্টির জটিল গঠন
[সম্পাদনা]
ত্রুটি: কোন উদ্ধৃতি লেখা হয়নি (বা একটি নামহীন প্যারামিটারে প্রকৃত লেখায় সমান চিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছে)
নব্য বিবর্তনীয় তত্ত্ব অনুসারে, প্রাকৃতিক নির্বাচন এবং জিন প্রবাহের যুগপৎ ক্রিয়ার মাধ্যমে সমগ্র জৈবিক ব্যবস্থা ধীরে ধীরে বিবর্তিত হয়। উইলিয়াম প্যালের কাছে চোখের মত অঙ্গ ঈশ্বরের নকশা বলে মনে হয়েছে। আর তার মত সৃষ্টিবাদীরা অনুমান করেছেন চোখের বিবর্তন এবং অন্যান্য জটিল অঙ্গের বিবর্তন সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব। ডারউইন বলেছেন:
যদি আমরা জটিল এবং আপাত নিঁখুত চোখ থেকে অনেক পূর্বের সরল এবং অনিঁখুত একটি চোখের ধাপগুলোকে ধাপে ধাপে সাজাই, তাহলে আমরা দেখব প্রতিটা পর্যায় তার মালিকের কাছে সমানভাবে প্রয়োজনীয়। এই ধাপে ধাপে চোখের বিবর্তনের সময়ে যদি একটুও এদিক সেদিক হত এবং এই পরিবর্তিত প্রকরণ যদি জীবকে সুবিধা দিত ও উত্তরাধিকার সুত্রে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রকরণ বাহিত হওয়ার দরুণ প্রাকৃতিক নির্বাচনের কারণে জটিল এবং নিখুত চোখ তবুও সৃষ্টি হত। যদিও এটি বিশ্বাস করা কঠিন কিন্তু এমনটাই বাস্তবতা।[১২২]
একইভাবে ethologist and বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানী রিচার্ড ডকিন্স পালকএর বিবর্তনের বিষয়ে The Atheism Tapes নামক এক সাক্ষাৎকারে বলতে গিয়ে বলেন
সরীসৃপের আঁইশ থেকে পাখির পালকের বিবর্তনের বহুধা বিস্তৃত ক্রমপর্যায় আছে [অর্থাৎ, সরীসৃপের আঁইশ থেকে হঠাৎ করে পাখির পালক তৈরী হয় নি, অনেকগুলো ধাপ পার হয়ে এসেছে] এবং প্রতিটা ক্রম প্রজাত্যায়নের সময় প্রজাতিকে সুবিধা দিয়েছে। যদি কেও একজন এই ক্রমপর্যায়গুলো ভাবতে না পারে, তবে সেটা তার সমস্যা, প্রাকৃতিক নির্বাচনের নয়। সরীসৃপের আঁইশ; যা তার জন্য অন্তরক হিসেবে কাজ করত সেই আঁইশ বিবর্তিত হয়ে ফুয়োফুয়ো পাখির পালকে রূপান্তরিত হয়। পালকের প্রথমদিককার অবস্থা আইশ সরীসৃপকে উষ্ণ রাখত। অর্থাৎ এখন পালকের যে কাজ, পূর্বে তার কাজ সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল।
বিবর্তনের প্রাথমিক ধারণামতে সরল অঙ্গ থেকে জটিল অঙ্গ রুপান্তরিত হয়েছে, তাই বিবর্তন বিরোধীরা ভেবেছেন জটিল বা বহুকোষী অঙ্গ যেমন চোখ বা পাখির ডানার মত অঙ্গগুলো সম্পূর্ণভাবে এপর্যায়ে আসার পূর্বে তা অসম্পূর্ণ বা অর্ধেক ছিল, এবং এ অসম্পূর্ণ অঙ্গের অধিকারীরা প্রকৃতিতে টিকে ছিল। এবিষয়টিকে মাথায় রেখে বিবর্তন বিরোধীদের প্রশ্ন অনেকটা এইরকম "কী দরকার একটা অর্ধেক চোখ দিয়ে?" অথবা "কী দরকার অর্ধেক ডানার?"[১২৩] প্রাকৃতিক ভাবেই চোখের বিবর্তন এবং অন্যান্য জটিল অঙ্গের বিবর্তন সম্ভব তা গবেষকরা সুনিশ্চিত করেছেন।[১২৪][১২৫] সৃজনবাদীরা কোনো নকশাকারী ছাড়া এইধরনের জটিল গঠনের বিবর্তন হওয়া অসম্ভব এধরনের যুক্তিতে অনড় থাকেন। এরকম অবস্থায় সাম্প্রতিক সময়ে তাদের দাবী নতুন মোড়ে বাক নেয়; যখন মাইকেল বেহে অহ্রাসযোগ্য জটিলতা নামক ধারণাকে ব্যবহার করে সৃজনবাদী আন্দোলনে ভিন্ন মাত্রা যুক্ত করেন।[২৬] জৈবরসায়নবিদ মাইকেল বেহের মতে সাম্প্রতিক সময়ের বিবর্তন তত্ত্ব বিশেষত অনুজীব পর্যায়ে জটিল গঠনকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। এই যুক্তি অনুযায়ী কোনো "বুদ্ধিমান সত্তা দ্বারা উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে" এই ধরনের জটিল গঠন নির্মিত হয়েছে।[১১০]
অহ্রাসযোগ্য জটিলতা এমন একটা ধারণা, যেখানে বলা হয় প্রাকৃতিকভাবে সরল প্রাণ থেকে জটিল প্রাণ বিবর্তিত হয়ে আসতে পারে না। কীভাবে বৃহত্তম প্রত্যঙ্গগুলো বিবর্তিত হলো এনিয়ে বিবর্তনবিরোধী বিতর্ক প্রথমদিকে চলমান ছিল। কিন্তু বেহের অহ্রাসযোগ্য জটিলতা ধারণার মাধ্যমে তিনি কোষীয় এবং জৈবরাসায়নিক পর্যায়েও বিবর্তনের অসারতা প্রমাণের উদ্দেশ্যে নানাবিধ যুক্তি উত্থাপন করতে শুরু করেন। যেমন তিনি রক্ততঞ্চন, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এবং ব্যাকটেরিয়ার ফ্লাজেলাম নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, এগুলো এতটাই জটিল এবং একে অপরের উপর এমনভাবে নির্ভরশীল যে তারা কখনোই সহজ সরল ব্যবস্থা থেকে নিজে নিজে বিবর্তিত হয়ে আসতে পারে না।[১২৬]
ত্রুটি: কোন উদ্ধৃতি লেখা হয়নি (বা একটি নামহীন প্যারামিটারে প্রকৃত লেখায় সমান চিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছে)
বেহে যে বছর অহ্রাসযোগ্য জটিলতা বিষয়ক ধারণা প্রস্তাব করেন, সেই বছরই জীববিজ্ঞানে নব নব উন্নয়ন ঘটার দরুণ ফ্লাজেলার বিবর্তন কীভাবে হয়েছে বিজ্ঞানীরা তা আরো নিবিড়ভাবে বুঝতে শুরু করেন।[১২৭] যার ফলে বেহের যুক্তি স্বাভাবিকভাবেই খণ্ডিত হয়ে যায়।[১২৮][১২৯] অহ্রাসযোগ্য জটিলতার মুল ধারণা হচ্ছে সরল অবস্থা থেকে জটিল অবস্থা বিবর্তনীয় পথপরিক্রমায় আসতে পারে না, কিন্তু যুক্তি এগজাপশনের (পূর্বোক্ত প্রজাতির পুরাতন অঙ্গ বিবর্তনের মাধ্যমে উত্তর প্রজাতিতে এমনভাবে অভিযোজিত হয়, যা সম্পূর্ণ নতুন ধরনের কাজ করে) মত বিবর্তনীয় কলাকৌশল ও "ভারার" ব্যবহারের মাধ্যমে পরাস্ত হয়। এখানে ভারা বলতে বুঝানো হয়েছে, কোনো প্রত্যঙ্গের এমন কোনো বৈশিষ্ট্য যা হয়তো পূর্বে সেই জীবের জন্য প্রয়োজনীয় ছিল, কিন্তু পরবর্তীকালে বিবর্তনের কালচক্রে সেই বৈশিষ্ট্যের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যাওয়ায় প্রত্যঙ্গটি উক্ত কাজ করা থেকে নিবৃত্ত হয়।[১৩০] বেহে অহ্রাসযোগ্য জটিলতা নিয়ে যত প্রকার উদাহরণ ব্যবহার করেছেন, তার প্রতিটা বিষয় নিয়ে সম্ভাবনাময় বিবর্তনবাদ আলোচনা করেছে এবং সে অবস্থায় কীভাবে বিবর্তন হতে পারে, তা ব্যাখা করার চেষ্টা করেছে।[১২৮][১৩১][১৩২]
ক্যাম্ব্রিয়ান বিস্ফোরণের ফলে জটিল গঠন সংক্রান্ত বিতর্ক
[সম্পাদনা]অনেক পর্বের প্রাণীদের জীবাশ্ম রেকর্ড থেকে জানা যায়, ক্যাম্ব্রিয়ান বিস্ফোরণ হয়েছিল, আজ থেকে ৫৪ কোটি ২০ লক্ষ বছর আগে[১৩৩] যার প্রভাবে অনেক পর্বের প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল।[note ১][১৩৪] এর ফলে অন্যান্য জীবে বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়।[note ২] ক্যাম্ব্রিয়ান বিষ্ফোরনের পূর্বে বেশিরভাগ জীব সরল ছিল; কলোনি গঠন করে থাকত। অর্ডার অব ম্যাগনিটিউড দ্বারা ৭ থেকে ৮ কোটি বছর ধরে এই বৈচিত্র্য চলতে থাকে।[note ৩] আজকের জীবজগতে যে বৈচিত্র্য দেখা যায়, তার সুচনা ক্যাম্ব্রিয়ান বিস্ফোরণের পরেই শুরু হয়েছিল।[১৩৭][১৩৮]
মুল সমস্যাটা হলো প্রাকৃতিক নির্বাচন ধীরগতিতে হয়; যেখানে একটি পর্ব তৈরী হতে একটি শ্রেণী তৈরীর চেয়ে বেশি সময় লাগে, একটি শ্রেণি তৈরী হতে একটি বর্গ তৈরীর চেয়ে বেশি সময় লাগে, একটি বর্গ তৈরী হতে একটি গোত্র তৈরীর চেয়ে বেশি সময় লাগে, একটি গোত্র তৈরী হতে একটি গণ তৈরীর চেয়ে বেশি সময় লাগে, একটি গণ তৈরী হতে একটি প্রজাতি তৈরীর চেয়ে বেশি সময় লাগে। [১৩৯] কিন্তু দেখা যাচ্ছে খুব বেশি সময় ছাড়াই উচ্চতর পর্যায়ের ট্যাক্সা তৈরী হয়ে গিয়েছে। যা থেকে বুঝা যায়, এক্ষেত্রে বিবর্তনীয় কলাকৌশল কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করেছে।[১৪০]
সাধারণ মতে অনেক কারণই ক্যামব্রিয়ান বিস্ফোরণ শুরু করতে সাহায্য করেছিল, কিন্তু এই কারণগুলো কীভাবে একত্রে কাজ করেছিল সে বিষয়ে কোন সর্বজন স্বীকৃত মত নেই।[১৪১] কিন্তু এখনও ক্যাম্ব্রিয়ান বিস্ফোরণ একটি বিতর্কের বিষয় হয়েই রয়েছে। এর আপাত ফসিল রেকর্ড সঠিক, তবে কিছু প্রশ্ন, যেমন কেন এটা এত দ্রুত ঘটল, কেন এই পর্ব পর্যায়ে ঘটেছে, কেন তখন এতগুলো পর্ব এতে জড়িত ছিল কিন্তু এরপর একটাও ছিল না-এগুলোর উত্তর খোঁজার জন্য গবেষণা চলছে।[১৪২]
জীববিজ্ঞানী পিযে মায়ার পরিবেশে অক্সিজেন বৃদ্ধির ঘটনাকে সারসংক্ষেপণ করে বলেন:[১৪৩] "পরিবেশগত পরিবর্তনের ফলে, বিশেষ করে বিভিন্ন পতঙ্গের বিবর্তনের ফলে ভূত্বকের বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটছিল এবং সেসব পতঙ্গ পুষ্টিকে মাটিতে প্রোথিত করছিল। পরিবেশে বৃদ্ধি পাচ্ছিল অক্সিজেন; যা সেই পুষ্টিকে জ্বালানি হিসাবে কাজ করছিল;[১৪৪][১৪৫][১৪৬] এর ফলে দূরবর্তী যেসব প্রাণী নতুন করে সৃষ্টি বা বিবর্তিত হচ্ছিল; তাদের বেঁচে থাকার জন্য নতুন পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছিল। সুযোগ হচ্ছিল বাস্তুসংস্থানগত নব নব প্রতিযোগিতার এবং বিবর্তনীয় প্রক্রিয়া বহুকোষী জীবের শেণিবিন্যাসে বিস্তৃতপরিসরে রদবদল ঘটাতে মুখ্য ভূমিকা পালন করছিল।" আণবিক অক্সিজেনের (O2) বৃদ্ধি সুরক্ষিত ওজন স্তর তৈরীতে ভূমিকা রেখেছিল। এই ওজন স্তর (O3) সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে রক্ষা পেতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।[১৪৭]
তথ্যের সৃষ্টি
[সম্পাদনা]"'প্রসঙ্গতঃ আমাদের শরীরের গঠন থেকে শুরু করে গায়ের রং কেমন হবে নির্ধারণ করে আমাদের শরীরের ডিএনএ তে অবস্থিত জীন। তাই এখানে নতুন তথ্য বলতে জীনে অবস্থিত তথ্যের সংযোজনকেই বুঝানো হয়েছে।'" বিবর্তন নিয়ে সৃজনবাদীদের সাম্প্রতিক একটি অভিযোগ হল বিবর্তনীয় প্রক্রিয়া যেমন মিউটেশন কখনোই নতুন তথ্য তৈরী দিতে পারে না। উইলিয়াম অ্যা. ডেম্বস্কি, ভার্নার গিট, এবং লি স্পেটনারের মত সৃজনবাদীরা এই ইস্যুতে তথ্য তত্ত্ব ব্যবহার করে বিবর্তনবাদকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। ডেম্বস্কি দাবী করেছেন যে, জীবনের দিকে তাকালে সুনির্দিষ্ট জটিলতা দেখা যায়। ডেম্বস্কি বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তথ্য সংরক্ষণ সুত্র প্রস্তাব করেন- যেখানে বলা হয়েছে অত্যন্ত অসম্ভব “জটিল নির্দিষ্ট তথ্য” প্রাকৃতিকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু কখনোই কোনো বুদ্ধিমান স্রষ্টা ছাড়া সৃষ্টি হতে পারে না। গিট দাবি করেছেন যে, তথ্য জীবনের একটি অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্য, এবং এর বিশ্লেষণ স্রষ্টার মন ও ইচ্ছার অস্তিত্ব প্রমাণ করে।[১৪৮]
এইদাবীগুলো বৈজ্ঞানিকদের সম্প্রদায় দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়। জিনের প্রতিলিপি (জীনের ডুপ্লিকেশন) বা আদর্শ মিউটেশনের মাধ্যমে বিবর্তনীয় প্রক্রিয়ায় নতুন নতুন তথ্য প্রতিনিয়তই তৈরী হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মিউটেশনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন ও অনন্য বৈশিষ্ট্য তৈরির নাটকীয় উদাহরণও দেখা গেছে। বিবর্তনীয় প্রক্রিয়ায় নাইলন খাদক ব্যাকটেরিয়া আধুনিক যুগে তৈরি নাইলন নামের নতুন পদার্থ হজম করার জন্য সম্পূর্ণ নতুন উৎসেচক (এনজাইম) তৈরি করেছে।[১৪৯][১৫০] কোনো জীবকে তার বিবর্তিত পরিবেশসহ বিবেচনা করলে তথ্য কোথা থেকে এল তা আলাদা করে ব্যাখ্যা করার দরকার হয় না। মিউটেশন যেকোনোভাবে যেকোনো জীবে সংঘটিত হতে পারে। এতে করে তথ্য সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ জীব অভিযোজিত হয়। যদি অভিযোজিত জীব পরিবেশের সাথে টিকে থাকতে পারে, তাহলে স্বাভাবিক ভাবে বংশবিস্তার করে, অথবা বিলুপ্ত হয়ে যায়। ফলে ভবিষ্যতের গবেষণাকারীরা বিলুপ্ত সেই জীবকে আর বাস্তবে দেখবে না। এতে করে অস্তিত্বহীন বিলুপ্ত জীবের জিনে সৃষ্ট ক্ষতিকর তথ্য তাদের দেখার সুযোগ আর নেই। তারা শুধুই যেসব জীব তখন টিকে থাকবে, তাদের জিনোমে থাকা প্রকৃতির প্রয়াস ও প্রমাদ (ট্রায়াল এন্ড এরর) প্রক্রিয়ায় বিবর্তিত হওয়া তথ্যের সংগ্রহশালা দেখবে যা ব্যাখ্যা করবে কিভাবে মিউটেশনের ফলে বিবর্তিত জিন সুনির্দিষ্ট পরিবেশে প্রজাতিটিকে বেঁচে থাকতে সহায়তা করেছিল। বলার অপেক্ষা রাখে না, সেই তথ্যগুলো উপকারী তথ্যই হবে কারণ মিউটেশনের ফলে সৃষ্ট ক্ষতিকর তথ্যসমৃদ্ধ জিন থাকা প্রজাতিটি আগেই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে।[১৫১]
“সুনির্দিষ্ট জটিলতা” ধারণাটি গাণিতিকভাবে অযৌক্তিক বলে ব্যাপকভাবে বিবেচিত হয় এবং তথ্য তত্ত্ব, জটিল ব্যবস্থা (কমপ্লেক্স সিস্টেম) তত্ত্ব বা জীববিজ্ঞানে এর ওপর ভিত্তি করে আর কোনো স্বাধীন গবেষণা গড়ে ওঠেনি।[১৫২][১৫৩][১৫৪]
তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্রের লঙ্ঘন
[সম্পাদনা]
সৃজনবাদীদের আরেকটা আপত্তি হল বিবর্তনবাদ তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সুত্র লঙ্ঘন করে। [১৫৫][১৫৬] এই সূত্র মতে, " সাম্যবস্থা না থাকলে বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থায় এনট্রপি সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকবে, যতক্ষণ না তাপীয় বিশৃঙ্খলা সর্বোচ্চ অবস্থায় পৌছায়"। অন্যকথায় একটি বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থায় এনট্রপি (ভৌত ব্যবস্থায় শক্তি ছড়িয়ে পরার একটি পরিমাপক, এনট্রপি যত বাড়বে যান্ত্রিক কাজ করা তত কঠিন হয়ে পরবে) হয় বাড়বে না হয় স্থিতিশীল থাকবে কিন্তু কমবে না। সৃজনবাদীদের অভিযোগ, বিবর্তনবাদ পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম লঙ্ঘন করছে, কারণ বিবর্তন সংঘটিত হতে হলে সময়ের সাথে সাথে এনট্রপি কমবে, যা অসম্ভব। [১৫৭][১৫৮]
সৃজনবাদীদের এই দাবী সমালোচিত হয়; কারণ তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সুত্র বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থার (যার চারপাশে কখনো পদার্থ অথবা শক্তির রুপান্তর ঘটে না) জন্য প্রযোজ্য। পক্ষান্তরে জীবকূল হচ্ছে উন্মুক্ত ব্যবস্থা, কারণ জীবের ক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিকতার সাপেক্ষে শক্তি এবং পদার্থের ক্রমাগত পরিবর্তন ঘটে। উদাহরণস্বরুপ প্রাণী খাদ্য গ্রহণ করে বর্জ্য পদার্থ নির্গমন করে। তাপ বিকিরণ করে এবং শোষণ করে। সূর্য আমাদের এ পৃথিবীতে প্রতি নিয়ত শক্তির যোগান দিয়ে চলেছে। সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে জীবদেহে কোষের বৃদ্ধি ঘটে, এবং কালের পরিক্রমায় বিবর্তনও ঘটে। শুধুমাত্র জীবদেহের দিকে তাকিয়ে থাকলে মনে হবে যে এনট্রপি কমেছে। কিন্তু ঠিকমত হিসেব-নিকেশ করলে বোঝা যায়, এই ‘আপাতঃ এনট্রপি’ কমাতে গিয়ে শক্তির যোগানটা পড়ছে অনেক বেশি। কাজেই এনট্রপির আসলে নীট বৃদ্ধিই ঘটছে। [১৫৯][১৬০][১৬১]
তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র গণিতের একটা অংশ বিধায় এই বিতর্ককে পরিমাণজ্ঞাপক হিসাব দ্বারা বিশ্লেষণ করা যায়।[১৬২][১৬৩] পদার্থবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল এফ. স্টাইয়ের এই বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন, "জৈব বিবর্তনের সাথে এন্ট্রপির গাণিতিক হিসাব নিকাশ থেকে এটাই প্রমাণ হয়, তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সুত্রের সাথে বিবর্তনবাদের কোনো বিরোধ নেই।"[১৬২]
গণিতজ্ঞ জ্যাসন রোসেনহাউজ একটি প্রকাশিত চিঠিতে বলেন:
এটা বাস্তব যে প্রাকৃতিক বলগুলোই নিয়মিতভাবেই স্থানীয় এনট্রপির পরিমাণ কমায়। পানি বরফে পরিণত হয়, নিষিক্ত ডিমের কুসুম থেকে বাচ্চা তৈরী হয়, গাছ সুর্যের আলো ব্যবহার করে কার্বন ডাই অক্সাইড আর পানির সাহায্যে চিনি এবং অক্সিজেন তৈরী করে। কিন্তু আমরা কখনো এগুলোকে ব্যাখ্যা করতে ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপের আহবান করি না [...] তাপগতিবিদ্যা কখনোই ডারউইনিজমের প্রতি আমাদের আস্থা হ্রাস করে না।[১৬৪]
নৈতিক প্রভাব
[সম্পাদনা]বিবর্তন নিয়ে অন্যান্য সাধারণ আপত্তি হলো—বলা হয় যে বিবর্তন ঘৃণাযোগ্য ফলাফল যেমন জিনগত বিশুদ্ধতাবাদ (ইউজেনিক্স) এবং নাৎসি বর্ণ তত্ত্বের দিকে নিয়ে যায়। অন্যান্য আরো যুক্তি দেওয়া হয় যে বিবর্তন শিক্ষা মূল্যবোধকে নষ্ট করে, নৈতিকতাকে দুর্বল করে এবং নিধার্মিকতা বা নাস্তিকতাকে উৎসাহিত করে। এসব আপত্তিকে “স্বীয় চেতনার সাথে সংগতিপূর্ণ ভ্রান্ত আকাঙ্ক্ষা” (আপীল টু কনসিকোয়েন্স: যা অনানুষ্ঠানিক কুযুক্তি বা ইনফরম্যাল ফ্যালাসির একটি ধরণ) হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, কারণ বিবর্তনের মত প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া সংগঠনের সত্যতার সাথে এই তত্ত্বটিতে বিশ্বাস রাখার সম্ভাব্য পরিণতি কী হতে পারে- তার কোনো সম্পর্কই নেই।
মানুষ প্রাণী হিসেবে
[সম্পাদনা]জীববিজ্ঞানের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী মানুষকে প্রাণী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।[১৬৫][১৬৬] এমন একটি মৌলিক বিষয় যা ২০০০ বছরের বেশি সময় ধরে পরিচিত। এরিস্টটল ইতোমধ্যেই মানুষকে রাজনৈতিক প্রাণী হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।[১৬৭] দার্শনিক পোরফিরি মানুষকে বিবেচনাশীল প্রাণী হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন[১৬৮]-যা মধ্যযুগের ধর্মতাত্ত্বিক দার্শনিকগণ গ্রহণ করেছিলেন। সৃজনবাদী জে. রেণ্ডল-শর্ট (J. Rendle-Short) ক্রিয়েশন ম্যাগাজিনে বলেন যদি মানুষ বিবর্তন সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে, তবে আশা করা যায় তারা জন্তুর মতই আচরণ করবে। কিন্তু মানুষের আচরণ ভিন্ন রকম,[১৬৯] তাই বিবর্তন অর্থহীন। কিন্তু জন্তু আর মানুষের মধ্যে পার্থক্য আছে, বিবর্তনের ধাপে মানুষ জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হয় এবং তাদের আচরণ নানান ধরনের সামাজিক আচরণের সাথে মিল রেখে পরিবর্তিত হয়। তৈরী হয় নতুন সামাজিক আচরণ। তাই মানুষ অন্য মানুষের সাথে কথা বলার সময় সামাজিক আদব কায়দা বজায় রাখতে পারে।[১৭০]
সামাজিক প্রভাব
[সম্পাদনা]

১৯১৭ সালে ভার্নন কেলগ হেডকোয়ার্টার্স নাইটস: এ রেকর্ড অব কনভারসেশনস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্সেস অ্যাট দ্য হেডকোয়ার্টার্স অব দ্য জার্মান আর্মি ইন ফ্রান্স অ্যান্ড বেলজিয়াম বই প্রকাশ করেন। এতে তিনি দাবি করেন জার্মান বুদ্ধিজীবিরা সম্পূর্ণভাবে মনে করেন- শক্তিমান যা সিদ্ধান্ত নিবে তাই সঠিক (মাৎস্যন্যায়)। তাদের এই ধারণাটি নব্য ডারউইনবাদের সবচেয়ে কট্টর সংস্করণ "প্রাকৃতিক নির্বাচনে শুধুমাত্র সবচেয়ে শক্তিশালীরাই টিকে থাকে" এই ব্যাপারটিকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে। আর এই ধারণাটিকে তারা মানব সমাজে কঠোরভাবে প্রয়োগের পক্ষে অবস্থান নেয়। যার ফলে যুদ্ধ অনিবার্য, নৈতিকতার বালাইহীন একটি সমাজ এবং দুর্বল জাতি ও দেশকে শোষণের বৈধতার পক্ষে সম্মতি উৎপাদন করে।[১৭২] এ বিষয়টি রাজনীতিবিদ উইলিয়াম জেনিংস ব্রায়ানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তিনি ডারউইনিজমকে আমেরিকার বিরুদ্ধে নৈতিক আঘাত হিসেবে দেখেন। তিনি বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা চালান। তার ক্যাম্পেইন স্কোপস ট্রায়ালে (একটি বিচারিক প্রক্রিয়ায়) সর্বোচ্চ প্রভাব বিস্তার করে, যার ফলে কার্যত ১৯৬০ সাল পর্যন্ত বেশিরভাগ পাবলিক স্কুলগুলোতে বিবর্তন নিয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নিষিদ্ধ ছিল।
আর. আলবার্ট মোলার, জেয়ার যিনি লুইসভিলের (Louisville) সাউদার্ন ব্যাপ্টিস্ট থিওলজিকাল সেমিনারের সভাপতি ছিলেন। ২০০৫ সালের ৮ই আগস্ট এই বিষয়ের উপর এনপিআরে Taking Issue নামক রচনামুলক সিরিজে ধারাবাহিকভাবে লিখেন, " শিক্ষা, গর্ভপাত, পরিবেশবাদ, সমকামিতা এই বিষয়গুলো নিয়ে বিবর্তনবাদ বিতর্ক করে..... বিবর্তন দাঁড়িয়ে রয়েছে মোরাল রিলেটিভিজমের উপর এবং এটি ঐতিহ্যবাহী প্রথাসমুহের বিরোধী"।[১৭৩][১৭৪]
হেনরি এম. মরিস একজন প্রকৌশলী অধ্যাপক, তিনি ক্রিয়েশন রিসার্চ সোসাইটি এবং ইনস্টিউট অফ ক্রিয়েশন রিসার্চের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তিনি দাবী করেন বিবর্তন তত্ত্ব হচ্ছে পৌত্তলিকতাবাদ ধর্মের একটা অংশ যা ব্যবিলনের টাওয়ার থেকে উৎপন্ন;- প্লেটো ও এরিস্টটল এর দর্শনের সাথে সংগতিপূর্ণ একটি বিষয়। এটি সমাজকে যুদ্ধাবস্থা থেকে যৌনতার দিকে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভাবে দায়ী। তার মতে এর প্রভাবে একক পরিবারগুলোতে ভাঙন ধরবে।[১৭৫] তিনি আরো দাবী করেন, বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাস করার জন্য সামাজিক অসুস্থতা যেমন: অপরাধ, কিশোরী গর্ভাবস্থা, সমকামিতা, গর্ভপাত, অনৈতিকতা, যুদ্ধ, এবং গণহত্যা ঘটতে পারে।[১৭৬]
সেন্টার ফর রিক্লেইমিং আমেরিকা ফর ক্রিস্ট এন্ড কোরাল রিজ মন্ত্রণালয়ের যাজক ডি. জেমস কেনেডি দাবী করেন আডলফ হিটলার এর নৃসংশতার কারণ ডারউইন ছিল।ডারউইনের ডেডলি লিগ্যাসি নামক একই শিরোনামে কেনেডির একটি তথ্যচিত্র এবং পুস্তিকায় তিনি বলেন, "যদি এটাকে সহজভাবে দেখি, তাহলে ডারউইন নেই তো হিটলারও নেই।" ডারউইনবাদের বিবর্তন তত্ত্বের “ক্ষতিকর প্রভাব আমেরিকা, আমাদের সন্তান এবং বিশ্বে এখনো কেমনভাবে পড়ছে তা দেখানোর প্রচেষ্টায়" কেনেডি আরও বলেন, "আমরা ডারউইনবাদের বিবর্তন তত্ত্বের ১৫০ বছর দেখেছি, আর তা আমাদের কী দিয়েছে? ডারউইন তা চাইলেও বা না চাইলেও—মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু, ঊনমানুষ হিসেবে বিবেচিত মানুষদের ধ্বংস, মানব জীবনের অবমূল্যায়ন, এবং বাড়তে থাকা হতাশা।”"[১৭৭][১৭৮][১৭৯] ডিসকভারী ইনস্টিটিউশনের সংস্থা সেন্টার ফর সায়েন্স এন্ড কালচারের ফেলো রিচার্ড ওয়াইকহার্ট সহ অন্যান্য সৃজনবাদীরা একই দাবী করেন।[১৮০][১৮১][১৮২] ২০০৮ সালে সৃজনবাদী ধারণাকে সমর্থনকারী একটি নির্মিত তথ্যচিত্র এক্সপেলড: নো ইন্টেলিজেন্স এলাউডের প্রধান যুক্তি হিসেবে এই দাবীটিকেই তুলে ধরা হয়েছিল। এন্টি ডিফেমেশন লীগ (এডিএল- যারা হিটলারের গণহত্যার স্বীকার হওয়া ইহুদীদের নিয়ে কাজ করে) এসব দাবিকে ইহুদী গণহত্যার ভয়াবহতাকে ভুলভাবে ব্যবহার এবং ইউরোপীয় ইহুদিদের ব্যাপক নিধনে জড়িত “অনেক জটিল কারণকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হচ্ছে” হিসেবে অভিযোগ করে। এডিএল বলে: “.....ইহুদিদের নির্মূল করার জঘন্য পরিকল্পনা তৈরি করতে হিটলারের ডারউইন বা বিবর্তনের প্রয়োজন ছিল না; ডারউইন বা বিবর্তন তত্ত্ব হিটলারের গণহত্যামূলক উন্মত্ততাকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। তাছাড়া, ডারউইন একটি শব্দ লেখার বহু আগেই ইহুদি-বিদ্বেষ বিদ্যমান ছিল।”[১৭৯][১৮৩]
তরুণ পৃথিবী কেন্দ্রিক সৃজনবাদী কেন্ট হভিণ্ড বিবর্তন তত্ত্বকে বহু সামাজিক সমস্যার জন্য দায়ী করেন। তাঁর মতে, বিবর্তনের ফলে সাম্যবাদ, সমাজতন্ত্র, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ , বর্ণবাদ, ইহুদী গণহত্যা, স্ট্যালিনের যুদ্ধাপরাধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধ, এবং পল পটের কিলিং ফিল্ডস, অপরাধ বৃদ্ধির হার এবং বিবাহবহির্ভূত সন্তান জন্ম—সবই ঘটেছে।[৭০] হভিণ্ডের সন্তান এরিক হভিন্ড দাবী করেন উল্কি আঁকা, শরীরে ধাতব পদার্থ দিয়ে চিহ্ন তৈরী করা, বিবাহপূর্বক সঙ্গম, অবৈধ বাচ্চার জন্ম দেওয়া,যৌন রোগসমূহ (STD), বিবাহবিচ্ছেদের জন্য বিবর্তনবাদ দায়ী।[১৮৪]
এই ধরনের অভিযোগগুলো বাস্তবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়; বরং এমন প্রমাণ রয়েছে যা নির্দেশ করে যে ঠিক বিপরীত চিত্রটিই সত্য। লেখক ও চিত্রকর গ্রেগরি এস পলের প্রকাশিত একটি গবেষণায় তিনি দেখান, ধর্মীয় বিশ্বাস- যেখানে সৃজনবাদে বিশ্বাস এবং বিবর্তনবাদে অবিশ্বাস অন্তর্ভুক্ত, তার সাথে অপরাধের মতো সামাজিক ব্যাধিগুলোর একটি ইতিবাচক সম্পর্ক বা যোগসূত্র রয়েছে।[১৮৫] বার্না গ্রুপ যুক্তরাজ্যের খ্রিষ্টান সম্প্রদায় এবং খ্রিষ্টান নন এই দুই সম্প্রদায়ের মধে একটা জরিপ করেন যেখানে দেখা যায় উভয়ের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের হার একইরকম। একইসাথে দেখা যায় ব্যাপ্টিস্ট ও পেন্টেকস্টাল নামক সম্প্রদায় যারা বিবর্তনবাদ কে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং সৃজনবাদকে গ্রহণ করেছে এই দুই গোষ্ঠির মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের হার সর্বোচ্চ।[১৮৬]
মাইকেল শেরমার ২০০৬ সালের অক্টোবর সংখ্যার সায়েন্টিফিক আমেরিকান-এ লিখেছিলেন যে বিবর্তন পরিবারমূল্য, মিথ্যা এড়িয়ে চলা, বিশ্বস্ততা, নৈতিক বিধিবিধান এবং আইনের শাসনের মতো ধারণাকে সমর্থন করে।[১৮৭] তিনি আরও বলেন, বিবর্তন আসলে সীমাবদ্ধতাসম্পন্ন মানবসদৃশ কোনো ‘কারিগর’-এর বদলে সর্বশক্তিমান স্রষ্টার ধারণাকেই বেশি সমর্থন করে—যে ধরনের স্রষ্টার ধারণা সৃষ্টিবাদীরা সাধারণত তুলে ধরে। সৃষ্টিবাদীদের অভিযোগ—যে বিবর্তন নৈতিক আপেক্ষিকতা ও ইহুদি গণহত্যার জন্ম দিয়েছে—এটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এসব অভিযোগ অত্যন্ত সন্দেহজনক। [১৮৮] এসব বিশ্লেষণের মতে, ইহুদি গণহত্যার মূল কারণ বিবর্তনের চেয়ে বরং ঐতিহাসিক খ্রিস্টীয় ইহুদিবিদ্বেষের মধ্যে সম্ভবত প্রোথিত আছে।[১৮৯][১৯০]
বিবর্তনকে সামাজিক ডারউইনবাদ এর সমর্থন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ স্বঘোষিত “উচ্চতর জাতি”দের দ্বারা “আইনবহির্ভূত তথাকথিত নিকৃষ্ট জাতি”দের শোষণকে ন্যায্য প্রমাণ করার জন্য বিশেষ করে উনিশ শতকে এই পদবাচ্যটি ব্যবহার করা হয়েছিল।[১৯১] সাধারণত ইউরোপীয় শক্তিশালী দেশগুলো সফলভাবে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছিল। সেই অর্থে বলা যেতে পারে যে এই শক্তিশালী দেশগুলো আধিপত্যের সংগ্রামে “টিকে” থাকতে পেরেছিল।[১৯১] এই মনোভাবের কারণে খ্রিস্টান মিশনারিরা ব্যাতীত ইউরোপীয়রা তাদের শাসনাধীন দেশগুলোর স্থানীয় মানুষের রীতি-নীতি ও ভাষা খুব কমই গ্রহণ করত।[১৯১] সৃষ্টিবাদীরা প্রায়শই দাবি করে আসছেন যে, "ডারউইনবাদ” (জীববিজ্ঞানে প্রাকৃতিক নির্বাচনের তত্ত্ব)-এর যৌক্তিক পরিণতি হলো সামাজিক ডারউইনবাদ- যা সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করার নীতির দিকে নিয়ে যায়।[১৯২] জীববিজ্ঞানী ও ইতিহাসবিদরা বলেছেন যে, এটি প্রকৃতির প্রতি আবেদনের একটি ভ্রান্তি (আপীল টু ন্যাচারঃ অর্থাৎ প্রকৃতিতে কোনো কিছু থাকলেই তা ভাল, না থাকলে মন্দ), কারণ প্রাকৃতিক নির্বাচনের তত্ত্ব কেবল একটি জীববৈজ্ঞানিক ঘটনা বর্ণনা করার জন্যই তৈরি এবং এর অর্থ এই নয় যে ঘটনাটি "ভালো" বা মানব সমাজে নৈতিক পথপ্রদর্শক হিসেবে এটি ব্যবহার করা উচিত।[১৯৩]
নাস্তিকতাবাদ
[সম্পাদনা]সৃজনবাদীদের আরেকটা অভিযোগ হল বিবর্তনে বিশ্বাস করা মানেই নাস্তিকতারই সমতুল্য।[১৯৪] এটাও সাধারণত দাবী করা হয় যারা এই বিবর্তন থিওরীর বক্তা তারা সবাই "বস্তবাদী নাস্তিক"।[১৯৫] ডেভিস এ. ইয়াং বলেন; সৃজনবাদী বিজ্ঞান খ্রিষ্টধর্মের জন্যই ক্ষতিকর, কারণ এই অপবিজ্ঞান যতটা না মানুষকে আকৃষ্ট করবে তার চেয়ে বেশি দূরে ঠেলে দিবে। তিনি বলেন "যদি আমরা বিজ্ঞানের ব্যানারে সৃজনবাদী বিজ্ঞানের ন্যায় একটা অপ্রমাণিত বিষয় শিখাতে জোর করি, তাহলে আমরা কী সত্যি বিশ্বাস করি যারা খ্রিষ্টান নয় তাদের খ্রিষ্টানদের প্রতি সম্মান বাড়বে?"[১৯৬] যাইহোক, বিবর্তনবাদ কোনো অতিপ্রাকৃত সত্তার অস্তিত্ব না তো দাবি করে, না- অস্বীকার করে। দার্শনিক রবার্ট টি. পিনক নাস্তিকতার সাথে বিবর্তনবাদের সম্পর্কের তুলনা করতে গিয়ে উদাহরণ দিয়ে বলেন, বিবর্তনবাদ পাইপলাইন নির্মাণ এর তুলনায় বেশি নাস্তিকতাবাদী নয়। অর্থাৎ বিবর্তনের সাথে নাস্তিকতার কোনো সম্পর্ক নেই।[১৯৭]রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয় এর জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক এইচ এলেন অর লিখেন:
বিশ শতকের বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানের পাঁচজন প্রতিষ্ঠাতার মধ্যে: একজন ছিলেন একনিষ্ঠ অ্যাংলিকান (খ্রিস্টান সম্প্রদায়) যিনি গির্জায় ধর্মোপদেশ দিতেন ও ধর্মীয় পত্রিকায় লেখালেখি করতেন, একজন ছিলেন ইউনিটারিয়ান ধর্মাবলম্বী, একজন ছিলেন পূর্বদেশীয় আধ্যাত্মবাদে (Eastern mysticism) আগ্রহী, একজন ছিলেন নাস্তিক, এবং একজন ছিলেন রুশ অর্থোডক্স চার্চের সদস্য, যিনি ধর্ম ও বিজ্ঞানের সম্পর্ক নিয়ে একটি বইও লিখেছিলেন।[১৯৮]
ধীরে ধীরে অনেক ধর্মই বিবর্তনের সাথে সমঝোতা করে নেয়। তাদের সমঝোতামুলক বক্তব্য ছিল, "বিবর্তন হচ্ছে মানি, কিন্তু তা হচ্ছে ঈশ্বরের হস্তক্ষেপে।"[১৯৯] মোলেন মাটসুমুরা অব দ্য ন্যাশনাল সেন্টার ফর সায়েন্স এডুকেশন এর গবেষণায় দেখা গিয়েছে "আমেরিকানদের মধ্যে ১২টা বৃহত্তম খ্রিষ্টান শ্রেণিগুলোর মধ্যে ৮৯.৬% ই বিবর্তনবাদী শিক্ষাকে সমর্থন করে"। এই চার্চগুলোর মধ্যে ছিল, "ইউনাইটেড মেথোডিস্ট চার্চ, জাতীয়তাবাদী ব্যাপ্টিস্ট সংগঠন, যুক্তরাষ্ট্র, ইভানজেলিকাল লুথেরান চার্চ ইন আমেরিকা, প্রেসবাইটেরিয়ান চার্চ (যুক্তরাষ্ট্র), যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয়তাবাদী ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশন, আফ্রিকান মেথোডিস্ট এপিস্কোপাল চার্চ, রোমান ক্যাথলিক চার্চ, এপিসকোপাল চার্চ ইত্যাদি."[২০০] ২০০০ সালে পিপল ফর দ্য আমেরিকান ওয়ের করা একটা জরিপে দেখা যায় আমেরিকার জনগণের ৭০% মনে করে বিবর্তনবাদের সাথে ঈশ্বরে বিশ্বাসের কোনো সংঘাত নেই। যদিও শুধুমাত্র ৪৮ শতাংশ মানুষই বিবর্তন প্রকৃতপক্ষে কী তার সঠিক সংজ্ঞাটি তালিকা থেকে বাছাই করতে পেরেছিল।[২০১]
নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, আমেরিকান বিজ্ঞানীদের মধ্যে(across various disciplines) প্রায় ৪০ শতাংশ বিজ্ঞানী বিবর্তন এবং দৈবিক সত্তা (আস্তিক্যবাদী বিবর্তন) উভয়েই বিশ্বাস করে।[২০২] আমেরিকার আমজনতার উপর করা একটি জরিপেও একইরম ফলাফল আসে। সেখানেও বিজ্ঞানীদের ৪০ শতাংশ বিশ্বাস করেন ঈশ্বর প্রার্থনার জবাব দেন এবং বিশ্বাস করেন অনৈতিকতায়।[২০৩]
বিজ্ঞানীদের উপর করা একটি গবেষণায় ৫৫ শতাংশ বিজ্ঞানীদের কেও নাস্তিক, কেও অজ্ঞেয়বাদী, কেও প্রতিষ্ঠিত ধর্মকে সমর্থন না করেও বিশ্বাসী। তথাপি বিজ্ঞানীদের মধ্যে নাস্তিকতা খুবই সাধারণ এমনটা বলা যায় না, কিন্তু তারা বিবর্তনকে সমর্থন করেন। একইভাবে সাধারণ জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য অংশ স্রষ্টায় বিশ্বাস রেখেই বিবর্তনকে সমর্থন করে। অর্থাৎ বিবর্তনকে বিশ্বাস করলেই কেও নাস্তিক হয়ে যাবে, তা সত্য নয়। ১৯৯৭ সালে আমেরিকার জনগণ এবং বিজ্ঞানীদের উপর করা গ্যালোপ জরিপে প্রায় একইরকম ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে; যা নীচের তালিকাতে উল্লেখ করা হল:[২০৪]
| দল[২০৪] | বিশ্বাস করেন আধুনিক ভূকেন্দ্রিক সৃজনবাদ | বিশ্বাস করেন স্রষ্টা বিবর্তনকে নিয়ন্ত্রণ করে | বিশ্বাস করেন স্রষ্টার হস্তক্ষেপ ব্যাতিত বিবর্তনে |
|---|---|---|---|
| আমেরিকার জনগণ' | ৪৪% | ৩৯% | ১০% |
| আমেরিকার বিজ্ঞানী* | ৫% | ৪০% | ৫৫% |
রক্ষণশীলরা তবুও ঈশ্বরের হস্তক্ষেপ ব্যাতীত প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে জীব বৈচিত্র্য ও মানুষের বিকাশের এই ধারণার বিরুদ্ধে আপত্তি করতে থাকে। তারা সৃষ্টিবাদী মিথের সাথে বিবর্তনকে সাংঘর্ষিক মনে করায় তাদের এই বিরোধিতা চলমান থাকে। যাই হোক তারপরও কয়েকটা ধর্ম যেমন ক্যাথলিক চার্চ বিবর্তন কে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান বা সম্পূর্ণ রকমে গ্রহণ না করে আস্তিক্যবাদী বিবর্তন ধারণাকে গ্রহণ করার মাধ্যমে তাদের বিশ্বাসের সাথে বিবর্তনবাদের একটি সহাবস্থান তৈরীতে সক্ষম হয়।।[১৩][২০৫]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]মন্তব্য
[সম্পাদনা]- ↑ Counts vary, but typical is that 35 of the 40 extant phyla originated then, and up to 100 additional phyla that are now extinct.
- ↑ This included at least animals, phytoplankton and calcimicrobes.[১৩৫]
- ↑ As defined in terms of the extinction and origination rate of species.[১৩৬]
তথ্যসুত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Johnston, Ian C. (১৯৯৯)। "Section Three: The Origins of Evolutionary Theory"। . . . And Still We Evolve: A Handbook for the Early History of Modern Science (3rd revised সংস্করণ)। Nanaimo, BC: Liberal Studies Department, Malaspina University-College। ১৬ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০০৭।
- ↑ van Wyhe, John (২০০২)। "Charles Darwin: gentleman naturalist"। The Complete Work of Charles Darwin Online। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০০৭।
- ↑ "Darwin's Timeline: November"। AboutDarwin.com। Eugene, OR: David Leff। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। ২৮ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০১৫।
- ↑ England, Philip; Molnar, Peter; Righter, Frank (জানুয়ারি ২০০৭)। "John Perry's neglected critique of Kelvin's age for the Earth: A missed opportunity in geodynamics"। GSA Today। ১৭ (1)। Boulder, CO: Geological Society of America: ৪–৯। ডিওআই:10.1130/GSAT01701A.1। আইএসএসএন 1052-5173।
- ↑ Boltwood, Bertram B. (ফেব্রুয়ারি ১৯০৭)। "On the Ultimate Disintegration Products of the Radio-Active Elements. Part II. The Disintegration Products of Uranium"। American Journal of Science। 4। ২৩ (134)। New Haven, CT: American Journal of Science: ৭৮–৮৮। ডিওআই:10.2475/ajs.s4-23.134.78। আইএসএসএন 0002-9599।
- ↑ Bowler 1992, পৃ. 23–24
- ↑ The specific hereditary mechanism Darwin provided, Pangenesis, lacked any supporting evidence. Although evolution was unchallenged, uncertainties about the mechanism in The_eclipse_of_Darwinism persisted from the 1880s until the
- ↑ Bowler 1992, পৃ. 3
- ↑ Bowler 2003
- 1 2 3 Moore 1979, পৃ. 10
- ↑ Temple 1884, Lecture IV: "Apparent Conflict Between Religion and the Doctrine of Evolution"
- ↑ Pope Pius XII (১২ আগস্ট ১৯৫০)। "Humani Generis"। Vatican: the Holy See (Papal encyclical)। St. Peter's Basilica, Vatican City: Holy See। ১৯ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১৬।
- 1 2 Pope John Paul II (৩০ অক্টোবর ১৯৯৬)। "Magisterium is concerned with question of evolution, for it involves conception of man"। L'Osservatore Romano (Message to the Pontifical Academy of Sciences)। নং 44 (Weekly English সংস্করণ)। Tipografia Vaticana, Vatican City: Holy See। পৃ. ৩, ৭। ২১ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৫।
- ↑ Majid, Abdul (গ্রীষ্ম ২০০২)। "The Muslim Responses To Evolution"। Science-Religion Dialogue। ১ (1)। Mansehra, Pakistan: Hazara Society for Science-Religion Dialogue। ১৯ জানুয়ারি ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৫।
- ↑ Yahya 1999
- 1 2 "Islamic views on evolution"। Wikipedia (ইংরেজি ভাষায়)। ১ এপ্রিল ২০২৪।
- 1 2 3 4 5 Malik, Shoaib Ahmed। Islam and Evolution Al Ghazali and Modern Evolutionary Paradigm।
- ↑ "Does Islam Forbid Even Studying Evolution?"। HuffPost (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ জানুয়ারি ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ Ahmed, Israr। The Process Of Creation।
- ↑ "t. o. shanavas - IslamiCity"। www.islamicity.org। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ "Caner Taslaman – Kişisel web sitesi" (তুর্কি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ Keller, Nuh Ha Mim। "Evolution Theory and Islam: Letter to Suleman Ali"।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Moran, Glen (মার্চ ২০২১)। "THE FINAL DOMINO: YASIR QADHI, YOUTUBE, AND EVOLUTION"। Zygon® (ইংরেজি ভাষায়)। ৫৬ (1): ৩৪–৫৩। ডিওআই:10.1111/zygo.12666। আইএসএসএন 0591-2385।
- ↑ "Dr. Nazir Khan"। Yaqeen Institute for Islamic Research (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ "Darwin and design"। Darwin Correspondence Project। Cambridge, UK: University of Cambridge; American Council of Learned Societies। ২৭ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০১৫।
- 1 2 3 Scott, Eugenie C.; Matzke, Nicholas J. (১৫ মে ২০০৭)। "Biological design in science classrooms"। Proc. Natl. Acad. Sci. U.S.A.। ১০৪ (suppl. 1)। Washington, D.C.: National Academy of Sciences: ৮৬৬৯–৮৬৭৬। বিবকোড:2007PNAS..104.8669S। ডিওআই:10.1073/pnas.0701505104। আইএসএসএন 0027-8424। পিএমসি 1876445। পিএমআইডি 17494747।
- 1 2 Ham 1987, Chapter 2: "Evolution is Religion"
- 1 2 A copy of the Discovery_Institute's Wedge_strategy document can be found here: "The Wedge" (পিডিএফ)। Seattle, WA: Discovery Institute। ১৯৯৯। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Workosky, Cindy (৩ আগস্ট ২০০৫)। "National Science Teachers Association Disappointed About Intelligent Design Comments Made by President Bush" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Arlington, VA: National Science Teachers Association। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- 1 2 Bishop, George (আগস্ট ২০০৬)। "Polls Apart on Human Origins"। Public Opinion Pros। Chicago, IL: LFP Editorial Enterprises। আইএসএসএন 1555-5518। ২৭ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০০৮।
- 1 2 Moran, Laurence (২২ জানুয়ারি ১৯৯৩)। "What is Evolution?"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- 1 2 Dougherty, Michael J. (২০ জুলাই ১৯৯৮)। "Is the human race evolving or devolving?"। Scientific American। Stuttgart: Georg von Holtzbrinck Publishing Group। আইএসএসএন 0036-8733। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "A Scientific Dissent from Darwinism" (পিডিএফ) (Original "100 Scientists" advertisement)। Seattle, WA: Discovery Institute। সেপ্টেম্বর ২০০১। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০০৭।
- ↑ Edwards, Mark (২৪ সেপ্টেম্বর ২০০১)। "100 Scientists, National Poll Challenge Darwinism" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Seattle, WA: Discovery Institute। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০০৭।
- ↑ Dembski, William A. (২৪ জানুয়ারি ২০০১)। "Is Intelligent Design Testable?"। Access Research Network। Colorado Springs, CO। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১০।
- ↑ Kehoe 1984, পৃ. 8
- 1 2 Moran, Laurence (২২ জানুয়ারি ১৯৯৩)। "Evolution is a Fact and a Theory"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০০৭।
In the American vernacular, 'theory' often means 'imperfect fact'--part of a hierarchy of confidence running downhill from fact to theory to hypothesis to guess. Thus the power of the creationist argument: evolution is 'only' a theory and intense debate now rages about many aspects of the theory. If evolution is worse than a fact, and scientists can't even make up their minds about the theory, then what confidence can we have in it? [...] Well evolution is a theory. It is also a fact. And facts and theories are different things, not rungs in a hierarchy of increasing certainty.
— Moran quoting Stephen_J._Gould (Discover, May 1981) - ↑ "Statement on the Teaching of Evolution" (পিডিএফ)। Washington, D.C.: American Association for the Advancement of Science। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৬। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৬ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৫।
- ↑ Menton, David N. (১৯৯৩)। "Is Evolution a Theory, a Fact, or a Law?"। Missouri Association for Creation। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০১০। "Originally published in: St. Louis MetroVoice, October 1993, Vol. 3, No. 10"
- ↑ Isaak, Mark (১ অক্টোবর ২০০৩)। "Five Major Misconceptions about Evolution"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Gould 1983, পৃ. 253–262
- ↑ Lenski, Richard E. (সেপ্টেম্বর ২০০০)। "Evolution: Fact and Theory"। actionbioscience। Washington, D.C.: American Institute of Biological Sciences। ৩ এপ্রিল ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- 1 2 Morris 1974
- 1 2 3 Theobald, Douglas। "Scientific 'Proof', scientific evidence, and the scientific method"। 29+ Evidences for Macroevolution: The Scientific Case for Common Descent। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭। Version 2.89.
- ↑ Ratliff, Evan (অক্টোবর ২০০৪)। "The Crusade Against Evolution"। Wired (12.10)। New York: Condé Nast। আইএসএসএন 1059-1028। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৫।
- 1 2 Isaak, Mark, সম্পাদক (২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CA040: Equal time"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Meyer, Stephen C. (৩০ মার্চ ২০০২)। "Teach the Controversy"। The Cincinnati Enquirer। Tysons Corner, VA: Gannett Company। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "Transcript of Roundtable Interview, page 5 of 5"। The Washington Post। ২ আগস্ট ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৫।
- 1 2 3 4 Scott 2005
- ↑ IAP Member Academies (২১ জুন ২০০৬)। "IAP Statement on the Teaching of Evolution"। IAP। Trieste, Italy: The World Academy of Sciences। ১৭ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "prnewswire"। ৫ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০১৭।
- ↑ "Project Steve: n > 1200"। National Center for Science Education। Oakland, CA: National Center for Science Education। ৬ এপ্রিল ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৬।
- ↑ Morton, Glenn R. (২০০২)। "The Imminent Demise of Evolution: The Longest Running Falsehood in Creationism"। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৫।
- ↑ Coppedge, David F. (২০০০)। "Shining Through Materialistic Darkness"। The World's Greatest Creation Scientists: From Y1K to Y2K। Chesterbrook, PA: CreationSafaris.com। ২৪ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০১০।
- ↑ Brentnall, John M.; Grigg, Russell M. (২০০২)। "Was Darwin a Christian? Did he believe in God? Did he recant evolutionism when he died?"। ChristianAnswers.Net। Marysville WA: Christian Answers Network। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০১০। Reprinted with permission from Creation_Ministries_International.
- ↑ Wiker, Benjamin D. (জুলাই–আগস্ট ২০০৩)। "Part II: The Christian Critics — Does Science Point to God?"। Crisis Magazine। Washington, D.C.: Morley Publishing Group। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৫।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CA611: Evolution Sacrosanct?"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৫।
- ↑ Kutschera, Ulrich; Niklas, Karl J. (জুন ২০০৪)। "The modern theory of biological evolution: an expanded synthesis"। Naturwissenschaften। ৯১ (6)। Heidelberg: Springer-Verlag Heidelberg: ২৫৫–২৭৬। বিবকোড:2004NW.....91..255K। ডিওআই:10.1007/s00114-004-0515-y। আইএসএসএন 1432-1904। পিএমআইডি 15241603।
- ↑ McLean v. Arkansas, 529 F. Supp. 1255 (E.D. Ark. 1982).
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "notscience" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Popper 1985
- ↑ Popper, Karl (ডিসেম্বর ১৯৭৮)। "Natural Selection and the Emergence of Mind"। Dialectica। ৩২ (3–4)। Oxford, UK: Blackwell Publishers: ৩৩৯–৩৫৫। ডিওআই:10.1111/j.1746-8361.1978.tb01321.x। আইএসএসএন 1746-8361।
- ↑ Cole, John R. (শরৎ ১৯৮১)। "Misquoted Scientists Respond"। Creation/Evolution। ২ (4)। Buffalo, NY: National Center for Science Education। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০১৫। Quoting Popper: "I have changed my mind about the testability and logical status of the theory of natural selection, and I am glad to have the opportunity to make a recantation."
- ↑ Darwin 1859, পৃ. 189
- ↑ Ridley 2004
- ↑ Wallis, Claudia (৭ আগস্ট ২০০৫)। "The Evolution Wars"। Time। ৮ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৫।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - ↑ "Human Chromosome 2"। PBS LearningMedia। PBS; WGBH Educational Foundation। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৫। Video segment from Nova's Judgment_Day:_Intelligent_Design_on_Trial (2007).
- ↑ Hecht, Jeff (১৯ মে ২০০৩)। "Chimps are human, gene study implies"। New Scientist। London: Reed Business Information। আইএসএসএন 0262-4079। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০০৮।
- Wildman, Derek E.; Uddin, Monica; Guozhen Liu; এবং অন্যান্য (১০ জুন ২০০৩)। "Implications of natural selection in shaping 99.4% nonsynonymous DNA identity between humans and chimpanzees: Enlarging genus Homo"। Proc. Natl. Acad. Sci. U.S.A.। ১০০ (12)। Washington, D.C.: National Academy of Sciences: ৭১৮১–৭১৮৮। ডিওআই:10.1073/pnas.1232172100। আইএসএসএন 0027-8424। পিএমসি 165850। পিএমআইডি 12766228।
- ↑ Foley, Jim। "Fossil Hominids: The Evidence for Human Evolution"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০০৮।
- 1 2 টেমপ্লেট:Ite AV media
- 1 2 Buckling, Angus; Maclean, R. Craig; Brockhurst, Michael A.; Colegrave, Nick (১২ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)। "The Beagle in a bottle"। Nature। ৪৫৭ (7231)। London: Nature Publishing Group: ৮২৪–৮২৯। বিবকোড:2009Natur.457..824B। ডিওআই:10.1038/nature07892। আইএসএসএন 0028-0836। পিএমআইডি 19212400।
- ↑ Elena, Santiago F.; Lenski, Richard E. (জুন ২০০৩)। "Evolution experiments with microorganisms: the dynamics and genetic bases of adaptation"। Nature Reviews Genetics। ৪ (6)। London: Nature Publishing Group: ৪৫৭–৪৬৯। ডিওআই:10.1038/nrg1088। আইএসএসএন 1471-0056। পিএমআইডি 12776215।
- ↑ "Questions frequently asked about the TBSEF: Is TBSEF against teaching evolution?"। Texans for Better Science Education Foundation। Spring, TX। ২৫ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "Kansas Evolution Hearings: Part 10"। TalkOrigins Archive (Transcript)। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১৫।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (১৬ এপ্রিল ২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CB901: No Macroevolution"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১৫।
As biologists use the term, macroevolution means evolution at or above the species level. Speciation has been observed and documented.
Published as Isaak 2007, পৃ. 87–88 - ↑ Dawkins 2010, পৃ. 110–120
- ↑ Boxhorn, Joseph (১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫)। "Observed Instances of Speciation"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Wilkins, John S. (২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৬)। "Macroevolution: Its Definition, Philosophy and History"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Mayr, Gerald; Pohl, Burkhard; Peters, D. Stefan (২ ডিসেম্বর ২০০৫)। "A well-preserved Archaeopteryx specimen with theropod features"। Science। ৩১০ (5753)। Washington, D.C.: American Association for the Advancement of Science: ১৪৮৩–১৪৮৬। বিবকোড:2005Sci...310.1483M। ডিওআই:10.1126/science.1120331। আইএসএসএন 0036-8075। পিএমআইডি 16322455।
- ↑ Shubin, Neil H.; Daeschler, Edward B.; Jenkins, Farish A. (৬ এপ্রিল ২০০৬)। "The pectoral fin of Tiktaalik roseae and the origin of the tetrapod limb"। Nature। ৪৪০ (7085)। London: Nature Publishing Group: ৭৬৪–৭৭১। বিবকোড:2006Natur.440..764S। ডিওআই:10.1038/nature04637। আইএসএসএন 0028-0836। পিএমআইডি 16598250।
- ↑ foundation, Inc. |location=Houston, TX |accessdate=2007-03-24}}
- ↑ Darwin 1859, পৃ. 280–313
- Darwin 1866, পৃ. 359–360
- ↑ Elsberry, Wesley R. (২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮)। "Missing links still missing!?"। TalkOrigins Archive (Post of the Month)। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Burian, Richard M. (১৯৮৬)। "Why the panda provides no comfort to the creationist" (পিডিএফ)। Philosophica। খণ্ড ৩৭ নং 1। পৃ. ১১–২৬। ৭ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৬।
- ↑ Wieland, Carl (এপ্রিল ১৯৯১)। "Variation, information and the created kind"। Creation Ex Nihilo Technical Journal। ৫ (1)। Creation Ministries International: ৪২–৪৭। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Ham, Ken (১৯৮৯)। "Were You There?"। Acts & Facts। ১৮ (10)। El Cajon, CA: Institute for Creation Research। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (১০ মে ২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CA221: Were you there?"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Huelsenbeck, John P.; Rannala, Bruce (১১ এপ্রিল ১৯৯৭)। "Phylogenetic Methods Come of Age: Testing Hypotheses in an Evolutionary Context"। Science। ২৭৬ (5310)। Washington, D.C.: American Association for the Advancement of Science: ২২৭–২৩২। ডিওআই:10.1126/science.276.5310.227। আইএসএসএন 0036-8075। পিএমআইডি 9092465।
- ↑ Delsuc, Frédéric; Brinkmann, Henner; Philippe, Hervé (মে ২০০৫)। "Phylogenomics and the reconstruction of the tree of life"। Nature Reviews Genetics। ৬ (5)। London: Nature Publishing Group: ৩৬১–৭৫। ডিওআই:10.1038/nrg1603। আইএসএসএন 1471-0056। পিএমআইডি 15861208।
- ↑ Einstein, Albert (১৯১৬)। "Die Grundlage der allgemeinen Relativitätstheorie" [The Foundation of the General Theory of Relativity]। Annalen der Physik (জার্মান ভাষায়)। ৩৫৪ [৪৯] (7): ৭৬৯–৮২২। বিবকোড:1916AnP...354..769E। ডিওআই:10.1002/andp.19163540702। আইএসএসএন 0003-3804। ২৯ আগস্ট ২০০৬ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৬।
- ↑ Richardson, Michael K.; Keuck, Gerhard (নভেম্বর ২০০২)। "Haeckel's ABC of evolution and development"। Biological Reviews। ৭৭ (4)। Oxford, UK: Wiley-Blackwell on behalf of the Cambridge Philosophical Society: ৪৯৫–৫২৮। ডিওআই:10.1017/S1464793102005948। আইএসএসএন 1464-7931। পিএমআইডি 12475051।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CA110: Evolution will soon be widely rejected"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Charig, Alan J.; Greenaway, Frank; Milner, Angela C.; এবং অন্যান্য (২ মে ১৯৮৬)। "Archaeopteryx Is Not a forgery"। Science। ২৩২ (4750)। Washington, D.C.: American Association for the Advancement of Science: ৬২২–৬২৬। বিবকোড:1986Sci...232..622C। ডিওআই:10.1126/science.232.4750.622। আইএসএসএন 0036-8075। পিএমআইডি 17781413।
- ↑ Nedin, Chris (১৫ ডিসেম্বর ১৯৯৭)। "On Archaeopteryx, Astronomers, and Forgery"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৫।
- 1 2 Wells 2000
- ↑ "Icons of Evolution FAQs"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (৫ জুন ২০০৫)। "Index to Creationist Claims: Claim CB701: Haeckel's embryo pictures"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০১০।
- ↑ Gishlick, Alan D. (২৩ নভেম্বর ২০০৬)। "Icon 4 — Haeckel's Embryos"। National Center for Science Education। Oakland, CA: National Center for Science Education। ১১ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০০৮।
- ↑ Richardson, Michael K.; Hanken, James; Selwood, Lynne; এবং অন্যান্য (১৫ মে ১৯৯৮)। "Haeckel, embryos, and evolution"। Science (Letter to the editor)। ২৮০ (5366)। Washington, D.C.: American Association for the Advancement of Science: ৯৮৩, ৯৮৫–৯৮৬। ডিওআই:10.1126/science.280.5366.983c। আইএসএসএন 0036-8075। পিএমআইডি 9616084।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CD010: Radiometric Dating"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (৫ নভেম্বর ২০০৬)। "Index to Creationist Claims: Claim CC200: Transitional fossils"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০০৮।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (২৯ জানুয়ারি ২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CC200.1: Transitional fossil abundance"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০০৮।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (২২ মার্চ ২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CC340: Out-of-place fossils"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০০৮।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (২৩ জুলাই ২০০৩)। "Index to Creationist Claims: Claim CC363: Requirements for fossilization"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (১৭ মার্চ ২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CC201: Phyletic gradualism"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০০৮।
- ↑ Batten, Don (মার্চ ১৯৯৫)। "Cheating with chance"। Creation Ex Nihilo। ১৭ (2)। Creation Ministries International: ১৪–১৫। সংগ্রহের তারিখ ৬ ডিসেম্বর ২০০৯।
- ↑ Dawkins 2006, পৃ. 137–138
- 1 2 Wilkins, John S. (১৭ এপ্রিল ১৯৯৭)। "Evolution and Chance"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১৫। Version 2.1 Draft 1.
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (৩ এপ্রিল ২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CI100: Intelligent Design"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১৫।
- 1 2 Behe, Michael J. (২৯ অক্টোবর ১৯৯৬)। "Darwin Under the Microscope"। The New York Times। পৃ. ২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Johnson, Phillip E. (অক্টোবর ১৯৯০)। "Evolution as Dogma: The Establishment of Naturalism"। First Things। New York: Institute on Religion and Public Life। আইএসএসএন 1047-5141। ৭ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৩)। "Index to Creationist Claims: Claim CB401: Inconceivable instinct"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০০৯।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CE440: The origin of it all"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Klyce ও Wickramasinghe 2003
- ↑ Hoyle ও Wickramasinghe 1982
- ↑ Hoyle ও Wickramasinghe 1993
- ↑ Hoyle 1982
- ↑ Grynspan, Alec (৯ নভেম্বর ১৯৯৭)। "Figures don't Lie but Creationists Figure"। The Skeptic Tank। San Clementa, CA: Fredric L. Rice। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Gangappa, Rajkumar; Wickramasinghe, Chandra; Wainwright, Milton; এবং অন্যান্য (৭ সেপ্টেম্বর ২০১০)। Hoover, Richard B.; Levin, Gilbert V.; Rozanov, Alexei Y.; এবং অন্যান্য (সম্পাদকগণ)। Growth and replication of red rain cells at 121°C and their red fluorescence (PDF)। Instruments, Methods, and Missions for Astrobiology XIII। Proceedings of the SPIE। খণ্ড ৭৮১৯। Bellingham, WA: International Society for Optical Engineering। আরজাইভ:1008.4960। বিবকোড:2010SPIE.7819E..18G। ডিওআই:10.1117/12.876393। ওসিএলসি 672026808। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১১। Conference held August 3–5, 2010, San Diego, CA.
- ↑ Hoyle ও Wickramasinghe 1986, পৃ. 135
- ↑ Fry 2000
- ↑ Darwin 1859, পৃ. 186–187
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (১৭ নভেম্বর ২০০৫)। "Index to Creationist Claims: Claim CB921.2: Half a wing"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০১০।
- ↑ Gehring, Walter J. (মে–জুন ২০০৫)। "New Perspectives on Eye Development and the Evolution of Eyes and Photoreceptors"। Journal of Heredity। ৯৬ (3)। Oxford, UK: Oxford University Press for the American Genetic Association: ১৭১–১৮৪। ডিওআই:10.1093/jhered/esi027। আইএসএসএন 0022-1503। পিএমআইডি 15653558।
- ↑ Zimmer, Carl (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৫)। "Eyes, Part One: Opening Up the Russian Doll"। The Loom (Blog)। Corante। ২ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০০৭।
- ↑ Behe 1996
- ↑ Renyi Liu; Ochman, Howard (২৪ এপ্রিল ২০০৭)। "Stepwise formation of the bacterial flagellar system"। Proc. Natl. Acad. Sci. U.S.A.। ১০৪ (17)। Washington, D.C.: National Academy of Sciences: ৭১১৬–৭১২১। বিবকোড:2007PNAS..104.7116L। ডিওআই:10.1073/pnas.0700266104। আইএসএসএন 0027-8424। পিএমসি 1852327। পিএমআইডি 17438286।
- 1 2 Isaak, Mark, সম্পাদক (১৯ জুলাই ২০০৭)। "Index to Creationist Claims: Claim CB200: Irreducible complexity"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Ussery, David (মার্চ ১৯৯৯)। "Darwin's Black Box: The Biochemical Challenge to Evolution by Michael J. Behe"। BIOS (Book review)। ৭০ (1)। Florence, AL: Beta Beta Beta Biological Society: ৪০–৪৫। আইএসএসএন 0005-3155। জেস্টোর 4608497। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Aharoni, Amir; Gaidukov, Leonid; Khersonsky, Olga; এবং অন্যান্য (জানুয়ারি ২০০৫)। "The 'evolvability' of promiscuous protein functions"। Nature Genetics। ৩৭ (1)। London: Nature Publishing Group: ৭৩–৭৬। ডিওআই:10.1038/ng1482। আইএসএসএন 1061-4036। পিএমআইডি 15568024।
- ↑ Robison, Keith (১১ ডিসেম্বর ১৯৯৬)। "Darwin's Black Box: Irreducible Complexity or Irreproducible Irreducibility?"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Claramonte Sanz, Vicente (২০০৯)। "La llama áurea de Darwin: respuestas de la bioquímica al diseño inteligente" [Darwin's golden flame: Responses of biochemistry to intelligent design]। Teorema (স্পেনীয় ভাষায়)। ২৮ (2): ১৭৩–১৮৮। আইএসএসএন 0210-1602। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Waggoner, Ben M.; Collins, Allen G.; এবং অন্যান্য (২২ নভেম্বর ১৯৯৪)। Rieboldt, Sarah; Smith, Dave (সম্পাদকগণ)। "The Cambrian Period"। Tour of geologic time (Online exhibit)। Berkeley, CA: University of California Museum of Paleontology। ১৫ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Lane, Abby (২০ জানুয়ারি ১৯৯৯)। "Timing"। The Cambrian Explosion। Bristol, England: University of Bristol। ৭ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Butterfield 2001, পৃ. 200–216
- ↑ Butterfield, N. J. (২০০৭)। "Macroevolution and macroecology through deep time"। Palaeontology। ৫০ (1): ৪১–৫৫। ডিওআই:10.1111/j.1475-4983.2006.00613.x।
- ↑ Bambach, Richard K.; Bush, Andrew M.; Erwin, Douglas H. (জানুয়ারি ২০০৭)। "Autecology and the filling of Ecospace: Key metazoan radiations"। Palaeontology। ৫০ (1)। Hoboken, NJ: Wiley-Blackwell on behalf of the Palaeontological Association: ১–২২। ডিওআই:10.1111/j.1475-4983.2006.00611.x। আইএসএসএন 0031-0239।
- ↑ Servais, Thomas; Harper, David A. T.; Jun Li; এবং অন্যান্য (এপ্রিল–মে ২০০৯)। "Understanding the Great Ordovician Biodiversification Event (GOBE): Influences of paleogeography, paleoclimate, or paleoecology?" (পিডিএফ)। GSA Today। ১৯ (4–5)। Boulder, CO: Geological Society of America: ৪–১০। ডিওআই:10.1130/GSATG37A.1। আইএসএসএন 1052-5173। ১৭ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Fowler 2007, পৃ. 170
- ↑ Budd, Graham E. (ফেব্রুয়ারি ২০০৩)। "The Cambrian Fossil Record and the Origin of the Phyla"। Integrative and Comparative Biology। ৪৩ (1)। Oxford, UK: Oxford University Press for the Society for Integrative and Comparative Biology: ১৫৭–১৬৫। ডিওআই:10.1093/icb/43.1.157। আইএসএসএন 1540-7063। পিএমআইডি 21680420।
- ↑ Ghose, Tia (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩)। "Evolutionary Big Bang Was Sparked By Multiple Events"। LiveScience। Salt Lake City, UT: Purch। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৪।
- ↑ Antcliffe, Jonathan B. (২০১২)। "Patterns in Palaeontology: The Cambrian explosion – Paradoxes and possible worlds"। Palaeontology Online। ২ (Article 8)। Palaeontological Association (sponsor): ১–১২। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৪।
- ↑ PZ Myers (১৩ এপ্রিল ২০১৩)। "More lies from the Discovery Institute"। Pharyngula (Blog)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৪।
- ↑ Knoll, Andrew H.; Carroll, Sean B. (২৫ জুন ১৯৯৯)। "Early Animal Evolution: Emerging Views from Comparative Biology and Geology"। Science। ২৮৪ (5423)। Washington, D.C.: American Association for the Advancement of Science: ২১২৯–২১৩৭। ডিওআই:10.1126/science.284.5423.2129। আইএসএসএন 0036-8075। পিএমআইডি 10381872।
- ↑ Towe, Kenneth M. (১ এপ্রিল ১৯৭০)। "Oxygen-Collagen Priority and the Early Metazoan Fossil Record"। Proc. Natl. Acad. Sci. U.S.A.। ৬৫ (4)। Washington, D.C.: National Academy of Sciences: ৭৮১–৭৮৮। বিবকোড:1970PNAS...65..781T। ডিওআই:10.1073/pnas.65.4.781। আইএসএসএন 0027-8424। পিএমসি 282983। পিএমআইডি 5266150।
- ↑ Catling, David C.; Glein, Christopher R.; Zahnle, Kevin J.; McKay, Christopher P. (জুন ২০০৫)। "Why O2 Is Required by Complex Life on Habitable Planets and the Concept of Planetary 'Oxygenation Time'"। Astrobiology। ৫ (3)। New York: Mary Ann Liebert, Inc.: ৪১৫–৪৩৮। বিবকোড:2005AsBio...5..415C। ডিওআই:10.1089/ast.2005.5.415। আইএসএসএন 1531-1074। পিএমআইডি 15941384।
- ↑ Keese, Bob। "Ozone"। The Upper Atmosphere: A ATM 101 (Lecture)। Albany, NY: University at Albany। ১৪ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০১৪।
- ↑ Gitt, Werner (আগস্ট ১৯৯৬)। "Information, Science and Biology" (PDF)। Creation Ex Nihilo Technical Journal। ১০ (2)। Creation Ministries International: ১৮১–১৮৭। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Musgrave, Ian; Baldwin, Rich; এবং অন্যান্য (২০০৫)। "Information Theory and Creationism"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Thomas, Dave। "Evolution and Information: The Nylon Bug"। Albuquerque, NM: New Mexicans for Science and Reason। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Bergstrom, Carl T.; Lachmann, Michael (২০০৬)। "The fitness value of information"। আরজাইভ:q-bio.PE/0510007।
{{arXiv উদ্ধৃতি}}:|class=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Rich Baldwin (২০০৫)। "Information Theory and Creationism: William Dembski"। TalkOrigins Archive। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০১০।
- ↑ Mark Perakh, (2005). Dembski "displaces Darwinism" mathematically – or does he? ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১২-০৩-৩১ তারিখে
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "Rosenhouse" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Morris 1974, পৃ. 45: "Until evolutionists can not only speculate, but demonstrate, that there does exist in nature some vast program to direct the growth toward higher complexity of the marvelous organic space-time unity known as the terrestrial biosphere (not to mention that of the cosmos), as well as some remarkable global power converter to energize the growth through converted solar energy, the whole evolutionary idea is negated by the Second Law."
- ↑ Patterson 1984, পৃ. 99–116: "Henry Morris, director of the Institute for Creation Research (ICR) has joined several other engineers to make thermodynamics a cornerstone of the creation-evolution controversy. For twenty years Morris has maintained that the second law of thermodynamics directly contradicts evolution. ... Is there, indeed, a paradox at all? The answer to this question is, quite simply - no! Morris and his colleagues have constructed a completely fallacious and deceptive argument."
- ↑ Morris, Henry। "Does Entropy Contradict Evolution?"। Institute for Creation Research।
- ↑ "Does the Second Law of Thermodynamics Favor Evolution?"। answersingenesis.org। ২০১৫।
- ↑ Isaak, Mark (১ অক্টোবর ২০০৩)। "Five Major Misconceptions about Evolution"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
- ↑ Oerter, Robert N. (২০০৬)। "Does Life On Earth Violate the Second Law of Thermodynamics?"। Fairfax, VA: George Mason University। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ "Creationism and the Laws of Thermodynamics"। National Center for Science Education। ২০০৫।
- 1 2 Styer, Daniel F. (নভেম্বর ২০০৮)। "Entropy and evolution"। American Journal of Physics। ৭৬ (11)। College Park, MD: American Association of Physics Teachers; American Institute of Physics: ১০৩১–১০৩৩। ডিওআই:10.1119/1.2973046। আইএসএসএন 0002-9505।
- ↑ Bunn, Emory F. (অক্টোবর ২০০৯)। "Evolution and the Second Law of Thermodynamics"। American Journal of Physics। ৭৭ (10)। College Park, MD: American Association of Physics Teachers; American Institute of Physics: ৯২২–৯২৫। আরজাইভ:0903.4603। ডিওআই:10.1119/1.3119513। আইএসএসএন 0002-9505।
- ↑ Rosenhouse, Jason (শরৎ ২০০১)। "How Anti-Evolutionists Abuse Mathematics" (পিডিএফ)। The Mathematical Intelligencer (Letter to the editor)। ২৩ (4)। New York: Springer-Verlag: ৩–৮। ডিওআই:10.1007/bf03024593। আইএসএসএন 0343-6993। ৯ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৫।
- Sewell, Granville (শরৎ ২০০০)। "A Mathematician's View of Evolution" (পিডিএফ)। The Mathematical Intelligencer (Opinion)। ২২ (4)। New York: Springer-Verlag: ৫–৭। ডিওআই:10.1007/bf03026759। আইএসএসএন 0343-6993। ১২ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Goodman, Morris; Tagle, Danilo A.; Fitch, David H. A.; এবং অন্যান্য (মার্চ ১৯৯০)। "Primate evolution at the DNA level and a classification of hominoids"। Journal of Molecular Evolution। ৩০ (3)। New York: Springer-Verlag: ২৬০–২৬৬। ডিওআই:10.1007/BF02099995। আইএসএসএন 0022-2844। পিএমআইডি 2109087।
- ↑ Myers, Philip; Parr, C. S.; Jones, T.; এবং অন্যান্য (২০১৫)। "Hominidae: Classification"। Animal Diversity Web। Ann Arbor, MI: University of Michigan। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|প্রথমাংশ2=এর জন্য|প্রথমাংশ2=অনুপস্থিত (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার|ast2=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] - ↑ Politics, 1253a
- ↑ Isagoge
- ↑ Rendle-Short, Tyndale John (ফেব্রুয়ারি ১৯৮০)। "What should a Christian think about evolution?"। Ex Nihilo। ৩ (1)। Creation Ministries International: ১৫–১৭। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৫।
9. Evolution lowers man from the 'image of God' to the level of an animal. Why then should he not behave as one, in his own life and towards others?
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (২ এপ্রিল ২০০৩)। "Index to Creationist Claims: Claim CA009: Being and behaving like animals"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ "A Venerable Orang-utang" (Editorial cartoon commentary)। London। ২২ মার্চ ১৮৭১। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৫।
I have to apologize once more for the wild fligh (STDs), of my incorrigible rtist. I told him most clearly and positively to draw me a life-like portrait of that profound philosopher, Mr. Darwin...
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|newpaper=উপেক্ষা করা হয়েছে (|newspaper=প্রস্তাবিত) (সাহায্য) — Original cartoon here. From the collection of The Complete Work of Charles Darwin Online. - ↑ Kellogg 1917, পৃ. 22–31
- ↑ Mohler, R. Albert, Jr. (৮ আগস্ট ২০০৫)। "The Origins of Life: An Evangelical Baptist View"। Taking Issue (Essay)। Washington, D.C.: NPR। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) Taking Issue subject: Evolution and Religious Faith. - ↑ Hall, Gary J.। "The Result of Believing Evolution"। Living Word Bible Church United Kingdom (Lesson)। Liverpool, England। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Morris 1989
- ↑ Morris 1982
- ↑ "Kennedy: Evolution to Blame for Death, Hopelessness in World"। Right Wing Watch। Washington, D.C.: People for the American Way। ১৭ আগস্ট ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Martin, Allie; Parker, Jenni (২৫ আগস্ট ২০০৬)। "TV Producer Defends Documentary Exposing Darwin-Hitler Link"। Agape Press। ৩০ আগস্ট ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৫।
- 1 2 "ADL Blasts Christian Supremacist TV Special & Book Blaming Darwin For Hitler" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। New York: Anti-Defamation League। ২২ আগস্ট ২০০৬। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Weikart 2004
- ↑ Witt, Jonathan (১৫ ডিসেম্বর ২০০৬)। "From Darwin to Hitler: A Pathway to Horror (Updated)"। Evolution News and Views। Seattle, WA: Discovery Institute। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ This creationist claim that is part of a Discovery Institute campaign and is amply repeated in creationist literature. For example:
- Bergman, Jerry (আগস্ট ১৯৯৯)। "Darwinism and the Nazi race Holocaust"। Creation Ex Nihilo Technical Journal। ১৩ (2)। Creation Ministries International: ১০১–১১১। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৫।
- Sarfati, Jonathan (ডিসেম্বর ১৯৯৯)। "The Holocaust and evolution"। Creation Ex Nihilo (Guest editorial)। ২২ (1)। Creation Ministries International: ৪। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ "Anti-Evolution Film Misappropriates the Holocaust" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। New York: Anti-Defamation League। ২৯ এপ্রিল ২০০৮। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০০৯।
- "Intelligent Design: It's Not Science" (পিডিএফ)। New York: Anti-Defamation League। ২০১২। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Ellis, Bob (৭ মে ২০০৬)। "Creationist Links Origins to Faith, Everyday Life"। Dakota Voice। Rapid City, SD: Dakota Voice, LLC। ৯ জুন ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Paul, Gregory S. (২০০৫)। "Cross-National Correlations of Quantifiable Societal Health with Popular Religiosity and Secularism in the Prosperous Democracies: A First Look" (পিডিএফ)। Journal of Religion & Society। ৭। Omaha, NE: Creighton University; Kripke Center। আইএসএসএন 1522-5658। ৩১ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৫।
The paper was criticized by:- Moreno-Riaño, Gerson; Smith, Mark Caleb; Mach, Thomas (২০০৬)। "Religiosity, Secularism, and Social Health: A Research Note" (পিডিএফ)। Journal of Religion & Society। ৮। Omaha, NE: Creighton University; Kripke Center। আইএসএসএন 1522-5658। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৫।
[Paul's] methodological problems do not allow for any conclusive statement to be advanced regarding the various hypotheses Paul seeks to demonstrate or falsify.
Of course, correlation does not imply causality, and Paul does not produce any speculations about the cause of these correlations.
- Moreno-Riaño, Gerson; Smith, Mark Caleb; Mach, Thomas (২০০৬)। "Religiosity, Secularism, and Social Health: A Research Note" (পিডিএফ)। Journal of Religion & Society। ৮। Omaha, NE: Creighton University; Kripke Center। আইএসএসএন 1522-5658। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ "Born Again Christians Just As Likely to Divorce As Are Non-Christians"। Ventura, CA: The Barna Group। ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৪। ১১ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Shermer, Michael (অক্টোবর ২০০৬)। "Darwin on the Right"। Scientific American। ২৯৫ (4)। Stuttgart: Georg von Holtzbrinck Publishing Group: ৩৮। ডিওআই:10.1038/scientificamerican1006-38। আইএসএসএন 0036-8733। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Ruse, Michael (৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। "Darwin and Hitler: a not-very-intelligent link"। Tallahassee Democrat (Op-ed ("My View"))। Tysons Corner, VA: Gannett Company। পৃ. B৩। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Isaak, Mark, সম্পাদক (১৩ মার্চ ২০০৭)। "Index to Creationist Claims: Claim CA006.1: Hitler's views"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Avalos, Hector (২৪ আগস্ট ২০০৭)। "Creationists for Genocide"। Talk.reason। ২৯ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৫।
- 1 2 3 Perry এবং অন্যান্য 2014, পৃ. 634–635: "The most extreme ideological expression of nationalism and imperialism was Social Darwinism. In the popular mind, the concepts of evolution justified the exploitation by the 'superior races' of 'lesser breeds without the law.' This language of race and conflict, of superior and inferior people, had wide currency in the Western nations. Social Darwinists vigorously advocated empires, saying that strong nations—by definition, those that were successful at expanding industry and empire—would survive and others would not. To these elitists, all white peoples were more fit than nonwhites to prevail in the struggle for dominance. Even among Europeans, some nations were deemed more fit than others for the competition. Usually, Social Darwinists thought their own nation the best, an attitude that sparked their competitive enthusiasm. ...In the nineteenth century, in contrast to the seventeenth and eighteenth centuries, Europeans, except for missionaries, rarely adopted the customs or learned the languages of local people. They had little sense that other cultures and other peoples deserved respect. Many Westerners believed that it was their Christian duty to set an example and to educate others. Missionaries were the first to meet and learn about many peoples and the first to develop writing for those without a written language. Christian missionaries were ardently opposed to slavery...."
- ↑ Paul, Diane B. in Gregory Radick (৫ মার্চ ২০০৯)। The Cambridge Companion to Darwin। Cambridge University Press। পৃ. ২১৯–২০। আইএসবিএন ৯৭৮-০৫২১৭১১৮৪৫।
Like many foes of Darwinism, past and present, the American populist and creationist William Jennings Bryan thought a straight line ran from Darwin's theory ('a dogma of darkness and death') to beliefs that it is right for the strong to crowd out the weak.
- ↑ Sailer, Steve (৩০ অক্টোবর ২০০২)। "Q&A: Steven Pinker of 'Blank Slate'"। UPI। ৫ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০১৫।
- ↑ Strobel 2004, পৃ. 32: "In my quest to determine if contemporary science points toward or away from God, I knew I had to first examine the claims of evolution in order to conclude once and for all whether Darwinism creates a reasonable foundation for atheism. That's because if the materialism of Darwinian evolution is a fact, then the atheist conclusions I reached as a student might still be valid."
- ↑ Johnson, Phillip E. (১৬ আগস্ট ১৯৯৯)। "The Church of Darwin"। The Wall Street Journal। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Young 1988
- ↑ Pennock 1999
- ↑ Orr, H. Allen (৩০ মে ২০০৫)। "Devolution"। The New Yorker। আইএসএসএন 0028-792X।
- ↑ "Statements from Religious Organizations"। National Center for Science Education। Oakland, CA: National Center for Science Education। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- ↑ Schrock, John Richard (১৭ মে ২০০৫)। "Christianity, Evolution Not in Conflict"। The Wichita Eagle। Sacramento, CA: The McClatchy Company। পৃ. ১৭A। ১৬ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ "Evolution and Creationism In Public Education: An In-depth Reading Of Public Opinion" (পিডিএফ)। People For the American Way। Washington, D.C.: People For the American Way। মার্চ ২০০০। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ Larson, Edward J.; Witham, Larry (৩ এপ্রিল ১৯৯৭)। "Scientists are still keeping the faith"। Nature। ৩৮৬ (6624)। London: Nature Publishing Group: ৪৩৫–৪৩৬। বিবকোড:1997Natur.386..435L। ডিওআই:10.1038/386435a0। আইএসএসএন 0028-0836।
- ↑ Witham, Larry (নভেম্বর–ডিসেম্বর ১৯৯৭)। "Many scientists see God's hand in evolution"। Reports of the National Center for Science Education। ১৭ (6)। Berkeley, CA: National Center for Science Education: ৩৩। আইএসএসএন 2158-818X। ৫ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০০৭।
- 1 2 Robinson, Bruce A.। "Beliefs of the U.S. public about evolution and creation"। ReligiousTolerance.org। Ontario Consultants on Religious Tolerance। ৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ "Churches urged to challenge Intelligent Design"। London: Ekklesia। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৫।
- "Statement on the Teaching of Evolution" (পিডিএফ)। Saint Louis, MO: American Association for the Advancement of Science। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৬। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- "Anti-Evolution Film Misappropriates the Holocaust" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। New York: Anti-Defamation League। ২৯ এপ্রিল ২০০৮। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৫।
- "Intelligent Design: It's Not Science" (পিডিএফ)। New York: Anti-Defamation League। ২০১২। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৫।
- Johnson, Phillip E. (১৬ আগস্ট ১৯৯৯)। "The Church of Darwin"। The Wall Street Journal।fulltext reprint
- "Born Again Christians Just As Likely to Divorce As Are Non-Christians"। Ventura, CA: The Barna Group। ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৪। ১১ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- Pope John Paul II (৩০ অক্টোবর ১৯৯৬)। "Magisterium is concerned with question of evolution, for it involves conception of man"। L'Osservatore Romano (Message to the Pontifical Academy of Sciences)। নং 44 (Weekly English সংস্করণ)। Tipografia Vaticana, Vatican City: Holy See। পৃ. ৩, ৭। ২১ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০১৫।
- This creationist claim that is part of a Discovery Institute campaign and is amply repeated in creationist literature. For example: *Bergman, Jerry (আগস্ট ১৯৯৯)। "Darwinism and the Nazi race Holocaust"। Creation Ex Nihilo Technical Journal। ১৩ (2)। Creation Ministries International: ১০১–১১১।
- Sarfati, Jonathan (ডিসেম্বর ১৯৯৯)। "The Holocaust and evolution"। Creation Ex Nihilo (Guest editorial)। ২২ (1)। Creation Ministries International: ৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৫।
- Ellis, Bob (৭ মে ২০০৬)। "Creationist Links Origins to Faith, Everyday Life"। Dakota Voice। Rapid City, SD: Dakota Voice, LLC। ৯ জুন ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- van Wyhe, John (২০০২)। "Charles Darwin: gentleman naturalist"। The Complete Work of Charles Darwin Online।
- "Churches urged to challenge Intelligent Design"। London: Ekklesia। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৬।
- Morton, Glenn R. (২০০২)। "The Imminent Demise of Evolution: The Longest Running Falsehood in Creationism"। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- "Statements from Religious Organizations"। National Center for Science Education। Oakland, CA।
- "Evolution library: Scopes trial"। PBS।
- "Human Chromosome 2"। PBS LearningMedia। PBS; WGBH Educational Foundation। ২০০৭। Video segment from Nova's Judgment_Day:_Intelligent_Design_on_Trial (2007).
- "Evolution and Creationism In Public Education: An In-depth Reading Of Public Opinion" (পিডিএফ)। People For the American Way। Washington, D.C.: People For the American Way। মার্চ ২০০০। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- Robinson, Bruce A.। "Beliefs of the U.S. public about evolution and creation"। ReligiousTolerance.org। Ontario Consultants on Religious Tolerance। ২৭ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- Moran, Laurence (২২ জানুয়ারি ১৯৯৩)। "What is Evolution?"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
- Moran, Laurence (২২ জানুয়ারি ১৯৯৩)। "Evolution is a Fact and a Theory"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
In the American vernacular, 'theory' often means 'imperfect fact'--part of a hierarchy of confidence running downhill from fact to theory to hypothesis to guess. Thus the power of the creationist argument: evolution is 'only' a theory and intense debate now rages about many aspects of the theory. If evolution is worse than a fact, and scientists can't even make up their minds about the theory, then what confidence can we have in it? [...] Well evolution is a theory. It is also a fact. And facts and theories are different things, not rungs in a hierarchy of increasing certainty.
— Moran quoting Stephen_J._Gould (Discover, May 1981) - Nedin, Chris (১৫ ডিসেম্বর ১৯৯৭)। "On Archaeopteryx, Astronomers, and Forgery"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
- Elsberry, Wesley R. (২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮)। "Missing links still missing!?"। TalkOrigins Archive (Post of the Month)। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
- Isaak, Mark, সম্পাদক (২ এপ্রিল ২০০৩)। "Index to Creationist Claims: Claim CA009: Being and behaving like animals"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
- Isaak, Mark, সম্পাদক (১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৩)। "Index to Creationist Claims: Claim CB401: Inconceivable instinct"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
- Isaak, Mark, সম্পাদক (১৭ মার্চ ২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CC201: Phyletic gradualism"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
- Isaak, Mark, সম্পাদক (১০ মে ২০০৪)। "Index to Creationist Claims: Claim CA221: Were you there?"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
- Isaak, Mark, সম্পাদক (১৩ মার্চ ২০০৭)। "Index to Creationist Claims: Claim CA006.1: Hitler's views"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
- Foley, Jim। "Fossil Hominids: The Evidence for Human Evolution"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
- "Icons of Evolution FAQs"। TalkOrigins Archive। Houston, TX: The TalkOrigins Foundation, Inc.।
- Avalos, Hector (২৪ আগস্ট ২০০৭)। "Creationists for Genocide"। Talk.reason। ২৯ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০০৭।
- Ruse, Michael (৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। "Darwin and Hitler: a not-very-intelligent link"। Tallahassee Democrat (Op-ed ("My View"))। Tysons Corner, VA: Gannett Company। পৃ. B৩। ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৫।
- Pope Pius XII (১২ আগস্ট ১৯৫০)। "Humani Generis"। Vatican: the Holy See (Papal encyclical)। St. Peter's Basilica, Vatican City: Holy See। ১৯ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১৬।
- Charig, Alan J.; Greenaway, Frank; Milner, Angela C.; এবং অন্যান্য (২ মে ১৯৮৬)। "Archaeopteryx Is Not a forgery"। Science। ২৩২ (4750): ৬২২–৬২৬। বিবকোড:1986Sci...232..622C। ডিওআই:10.1126/science.232.4750.622। আইএসএসএন 0036-8075। পিএমআইডি 17781413। এস২সিআইডি 39554239।
- Huelsenbeck, John P.; Rannala, Bruce (১১ এপ্রিল ১৯৯৭)। "Phylogenetic Methods Come of Age: Testing Hypotheses in an Evolutionary Context"। Science। ২৭৬ (5310): ২২৭–২৩২। সাইটসিয়ারএক্স 10.1.1.456.4974। ডিওআই:10.1126/science.276.5310.227। আইএসএসএন 0036-8075। পিএমআইডি 9092465।
- Paul, Gregory S. (২০০৫)। "Cross-National Correlations of Quantifiable Societal Health with Popular Religiosity and Secularism in the Prosperous Democracies: A First Look" (পিডিএফ)। Journal of Religion & Society। ৭। আইএসএসএন 1522-5658। ৩১ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৫।
- Majid, Abdul (গ্রীষ্ম ২০০২)। "The Muslim Responses To Evolution"। Science-Religion Dialogue। ১ (1)। Mansehra, Pakistan: Hazara Society for Science-Religion Dialogue। ১৯ জানুয়ারি ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- Shermer, Michael (অক্টোবর ২০০৬)। "Darwin on the Right"। Scientific American। ২৯৫ (4): ৩৮। বিবকোড:2006SciAm.295d..38S। ডিওআই:10.1038/scientificamerican1006-38। আইএসএসএন 0036-8733। পিএমআইডি 16989476।
- Elena, Santiago F.; Lenski, Richard E. (জুন ২০০৩)। "Evolution experiments with microorganisms: the dynamics and genetic bases of adaptation"। Nature Reviews Genetics। ৪ (6): ৪৫৭–৪৬৯। ডিওআই:10.1038/nrg1088। আইএসএসএন 1471-0056। পিএমআইডি 12776215। এস২সিআইডি 209727।
- Delsuc, Frédéric; Brinkmann, Henner; Philippe, Hervé (মে ২০০৫)। "Phylogenomics and the reconstruction of the tree of life"। Nature Reviews Genetics। ৬ (5): ৩৬১–৭৫। সাইটসিয়ারএক্স 10.1.1.333.1615। ডিওআই:10.1038/nrg1603। আইএসএসএন 1471-0056। পিএমআইডি 15861208। এস২সিআইডি 16379422।
- Witham, Larry (নভেম্বর–ডিসেম্বর ১৯৯৭)। "Many scientists see God's hand in evolution"। Reports of the National Center for Science Education। ১৭ (6): ৩৩। আইএসএসএন 2158-818X।
- Shubin, Neil H.; Daeschler, Edward B.; Jenkins, Farish A. (৬ এপ্রিল ২০০৬)। "The pectoral fin of Tiktaalik roseae and the origin of the tetrapod limb"। Nature। ৪৪০ (7085): ৭৬৪–৭৭১। বিবকোড:2006Natur.440..764S। ডিওআই:10.1038/nature04637। আইএসএসএন 0028-0836। পিএমআইডি 16598250। এস২সিআইডি 4412895।
- Larson, Edward J.; Witham, Larry (৩ এপ্রিল ১৯৯৭)। "Scientists are still keeping the faith"। Nature। ৩৮৬ (6624): ৪৩৫–৪৩৬। বিবকোড:1997Natur.386..435L। ডিওআই:10.1038/386435a0। আইএসএসএন 0028-0836। এস২সিআইডি 32101226।
- Rennie, John (জুলাই ২০০২)। "15 Answers to Creationist Nonsense"। Scientific American। ২৮৭ (1): ৭৮–৮৫। বিবকোড:2002SciAm.287a..78R। ডিওআই:10.1038/scientificamerican0702-78। আইএসএসএন 0036-8733। পিএমআইডি 12085506।
- Burian, Richard M. (১৯৮৬)। "Why the panda provides no comfort to the creationist" (পিডিএফ)। Philosophica। ৩৭ (1): ১১–২৬। ডিওআই:10.21825/philosophica.82521। এস২সিআইডি 247442638। ৭ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৬।
- Schrock, John Richard (১৭ মে ২০০৫)। "Christianity, Evolution Not in Conflict"। The Wichita Eagle। Sacramento, CA: The McClatchy Company। পৃ. ১৭A। ১৬ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৫।
- "Transcript of Roundtable Interview, page 5 of 5"। The Washington Post। ২ আগস্ট ২০০৫।
<references>-এ সংজ্ঞায়িত "aaas-2006-2-16-statement-teaching-evolution" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "adl-2008-4-29-misappropriation" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "arn-johnson" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "barna-2004-09-08" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "caltech-1996-10-30-pope-john-paul-ii" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "creation-1999-8-bergman" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "dakotavoice-2006-5-7-ellis" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "darwin-online-2002-van-wyhe-complete" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "ekklesia" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "entouch-2002-morton-imminent-demise" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "ncse-religiousorganizations" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "pbs-evolution-library-scopes-trial" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "pbslearningmedia-2007-human-chromosome-2" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "pfaw-public-education" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "religioustolerance-robinson" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkorigins-1993-1-22-moran-definition" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkorigins-1993-1-22-moran-fact" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkorigins-1997-12-15-nedin" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkorigins-1998-2-25-elsberry" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkorigins-2003-4-2-isaak" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkorigins-2003-9-17-isaak" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkorigins-2004-3-17-isaak" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkorigins-2004-5-10-isaak" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkorigins-2007-3-13-isaak" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkorigins-faqs-foley" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkorigins-faqs-wells" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "talkreason-2007-08-24-avalos" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "tallahassee-2008-2-6-ruse" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "vatican-1950-08-12-pope-pius-xii" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "archaeopteryx-1986-charig-greenaway-milner-walker-whybrow" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "aaas-1997-4-11-huelsenbeck-rannala" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "creighton-2005-paul" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "hssrd-2002-summer-majid" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "michaelshermer-2006-10-shermer" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "naturepublishing-2003-elena" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "naturepublishing-2005-5-delsuc-brinkman-philippe" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "ncse-witham" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "nature-2006-4-6-shubin-daeschler-jenkins" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "naturepublishing-larson" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "scientificamerican-2002-rennie" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "ugent-logica-1986-burian" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "thewitchitaeagle-schrock" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "washingtonpost-2005-8-2-gwb" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
প্রকাশনা
[সম্পাদনা]- ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - Bowler, Peter J. (১৯৯২) [Original hardback edition published 1983]। The Eclipse of Darwinism: Anti-Darwinian Evolution Theories in the Decades Around 1900 (ইংরেজি ভাষায়) (Johns Hopkins Paperbacks সংস্করণ)। Baltimore, MD: Johns Hopkins University Press। আইএসবিএন ০-৮০১৮-৪৩৯১-X harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - Bowler, Peter J. (২০০৩)। Evolution: The History of an Idea (ইংরেজি ভাষায়) (3rd সংস্করণ)। Berkeley, CA: University of California Press। আইএসবিএন ০-৫২০-২৩৬৯৩-৯ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - {{cite book | last = Darwin | first = Charles | authorlink = Charles Darwin | year = 1859 | title = On the Origin of Species by Means of Natural Selection, or the Preservation of Favoured Races in the Struggle for Life | edition = 1st | location = London | publisher = John Murray 2015-03-30.
- Darwin, Charles (১৮৬৬)। On the Origin of Species by Means of Natural Selection, or the Preservation of Favoured Races in the Struggle for Life (ইংরেজি ভাষায়) (4th সংস্করণ)। London: John Murray। ওসিএলসি 44636697।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - Fry, Iris (২০০০)। Emergence of Life on Earth: A Historical and Scientific Overview (ইংরেজি ভাষায়)। New Brunswick, NJ: Rutgers University Press। আইএসবিএন ০-৮১৩৫-২৭৪০-৬ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - Ham, Ken (১৯৮৭)। The Lie: Evolution (ইংরেজি ভাষায়)। Green Forest, AR: Master Books। আইএসবিএন ০-৮৯০৫১-১৫৮-৬ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - Hempel, Carl Gustav (১৯৬৫) [Essay originally published 1950 in Revue Internationale de Philosophie, 41 (11): 41–63]। "Problems and Changes in the Empiricist Criterion of Meaning" (PDF)। Aspects of Scientific Explanation and other Essays in the Philosophy of Science (ইংরেজি ভাষায়)। Glencoe, IL: Free Press harv।
- ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - Hoyle, Fred; Wickramasinghe, Chandra (১৯৮৬)। Archaeopteryx, the Primordial Bird: A Case of Fossil Forgery (ইংরেজি ভাষায়)। Swansea, Wales: Christopher Davies। আইএসবিএন ০-৭১৫৪-০৬৬৫-৫। ওসিএলসি 17768215।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Hoyle, Fred; Wickramasinghe, Chandra (১৯৯৩)। Our Place in the Cosmos: The Unfinished Revolution (ইংরেজি ভাষায়)। London: J. M. Dent & Sons। আইএসবিএন ০-৪৬০-৮৬০৮৪-৪ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - Isaak, Mark (২০০৭)। The Counter-Creationism Handbook (ইংরেজি ভাষায়)। Berkeley, CA: University of California Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২০-২৪৯২৬-৪ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - Kehoe, Alice B. (১৯৮৪) [Originally published 1983]। "The Word of God"। Godfrey, Laurie R. (সম্পাদক)। Scientists Confront Creationism (ইংরেজি ভাষায়) (Later prt. সংস্করণ)। New York: W. W. Norton & Company। আইএসবিএন ০-৩৯৩-৩০১৫৪-০ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - {{cite book | last = Kellogg | first = Vernon | authorlink = Vernon Lyman Kellogg | year = 1917 | title = Headquarters Nights: A Record of Conversations and Experiences at the Headquarters of the German Army in France and Belgium | ইউআরএল = https://archive.org/details/cu31924027829435 | location = Boston | publisher = The Atlantic Monthly Press 2015-04-07.
- Kitcher, Philip (১৯৮২)। Abusing Science: The Case Against Creationism (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge, MA: MIT Press। আইএসবিএন ০-২৬২-১১০৮৫-৭ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - Klyce, Brig; Wickramasinghe, Chandra (২০০৩)। "Creationism versus Darwinism: A Third Alternative"। Campbell, John Angus; Meyer, Stephen C. (সম্পাদকগণ)। Darwinism, Design and Public Education (ইংরেজি ভাষায়)। East Lansing, MI: Michigan State University Press। আইএসবিএন ০-৮৭০১৩-৬৭৫-৫ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - Moore, James R. (১৯৭৯)। The Post-Darwinian Controversies: A Study of the Protestant Struggle to Come to Terms with Darwin in Great Britain and America, 1870-1900 (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge; New York: Cambridge University Press। আইএসবিএন ০-৫২১-২১৯৮৯-২ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - Morris, Henry M. (১৯৮৯)। The Long War Against God: The History and Impact of the Creation/Evolution Conflict (ইংরেজি ভাষায়)। Grand Rapids, MI: Baker Book House। আইএসবিএন ০-৮০১০-৬২৫৭-৮ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - Patterson, John W. (১৯৮৪) [Originally published 1983]। "Thermodynamics and Evolution"। Godfrey, Laurie R. (সম্পাদক)। Scientists Confront Creationism (ইংরেজি ভাষায়) (Later prt. সংস্করণ)। New York: W. W. Norton & Company। আইএসবিএন ০-৩৯৩-৩০১৫৪-০ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - Quine, Willard Van Orman (১৯৫৩) [Essay originally published 1951 in The Philosophical Review, 60 (1): 20–43]। "Two Dogmas of Empiricism"। From a Logical Point of View: Nine Logico-Philosophical Essays (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge, MA: Harvard University Press harv।
- ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - Sarfati, Jonathan; Matthews, Mike (২০০২)। Refuting Evolution 2 (ইংরেজি ভাষায়)। Green Forest, AR: Master Books। আইএসবিএন ০-৮৯০৫১-৩৮৭-২ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - Scott, Eugenie (২০০৫) [Originally published 2004; Westport, CT: Greenwood Press]। Evolution Vs. Creationism: An Introduction (ইংরেজি ভাষায়)। Foreword by Niles Eldredge (1st pbk. সংস্করণ)। Berkeley, CA: University of California Press। আইএসবিএন ০-৫২০-২৪৬৫০-০ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - Temple, Frederick (১৮৮৪)। The Relations Between Religion and Science. Eight Lectures Preached Before the University of Oxford in the Year 1884 on the Foundation of the Late Rev. John Bampton, M.A.। Bampton Lectures (ইংরেজি ভাষায়)। London: Macmillan and Co.। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১০৮-০০০২৭-৭ harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - Young, David A. (১৯৮৮) [Originally published 1982; Grand Rapids, MI: Zondervan]। Christianity and the Age of the Earth (ইংরেজি ভাষায়)। Thousand Oak, CA: Artisan Publishers। আইএসবিএন ০-৯৩৪৬৬৬-২৭-X harv।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ অক্ষর পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]- ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)