বিপন্ন বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের প্রজাতির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংক্রান্ত কনভেনশন
| বিপন্ন বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের প্রজাতির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংক্রান্ত কনভেনশন | |
|---|---|
| চিত্র:CITES logo.jpg | |
| স্বাক্ষরপ্রদান | ৩ মার্চ ১৯৭৩ |
| অবস্থান | Geneva, সুইজারল্যান্ড |
| কার্যকর | ১ জুলাই ১৯৭৫ |
| দফা কার্যকর | ১০টি অনুসমর্থন |
| পক্ষ | ১৮৫ |
| স্বাক্ষী | সুইস কনফেডারেশন সরকারের নিকট সংরক্ষিত |
| ভাষা | |
| সম্পূর্ণ পাঠ্য | |
CITES (উচ্চারণ: সাইটিস) হলো Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora (বিপন্ন বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের প্রজাতির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংক্রান্ত কনভেনশন)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ওয়াশিংটন কনভেনশন নামেও পরিচিত। CITES একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি। এর উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কারণে বিপন্ন হয়ে পড়া বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতিকে সুরক্ষা প্রদান করা। ১৯৬৩ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ (IUCN)-এর সদস্যদের একটি বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবের ফলস্বরূপ এই কনভেনশনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়। ১৯৭৩ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয় এবং ১৯৭৫ সালের ১ জুলাই থেকে CITES কার্যকর হয়।
এই কনভেনশনের প্রধান লক্ষ্য হলো CITES-এর তালিকাভুক্ত প্রাণী ও উদ্ভিদের নমুনার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য (আমদানি ও রপ্তানি) যেন বন্য পরিবেশে সংশ্লিষ্ট প্রজাতির টিকে থাকার ক্ষেত্রে কোনো হুমকি সৃষ্টি না করে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য অনুমতিপত্র ও সনদের একটি নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। CITES-এর আওতায় ৪০,৯০০-এরও বেশি প্রজাতি বিভিন্ন মাত্রার সুরক্ষা লাভ করে।[১]
ডিসেম্বর ২০২৪-এর হিসাব অনুযায়ী[হালনাগাদ], CITES-এর মহাসচিব হলেন ইভোন হিগুয়েরো।[২]
পটভূমি
[সম্পাদনা]CITES বিদ্যমান সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারের চুক্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম বৃহৎ এবং প্রাচীন একটি চুক্তি। এই কনভেনশনের তিনটি কার্যকর ভাষা রয়েছে—ইংরেজি, ফরাসি ও স্প্যানিশ। সব নথি এই তিন ভাষাতেই উপলভ্য।[৩] এই কনভেনশনে অংশগ্রহণ স্বেচ্ছামূলক। যে দেশগুলো এই কনভেনশনের বাধ্যবাধকতা মেনে নিতে সম্মত হয়, তাদের ‘‘পক্ষভুক্ত রাষ্ট্র’’ (Parties) বলা হয়। যদিও CITES পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর জন্য আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক, তবে এটি কোনো দেশের জাতীয় আইনের বিকল্প নয়। বরং এটি একটি কাঠামো প্রদান করে, যা প্রতিটি পক্ষভুক্ত রাষ্ট্র সম্মান করে এবং যার বাস্তবায়নের জন্য নিজ নিজ জাতীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ আইন প্রণয়ন করতে হয়।
প্রাথমিকভাবে CITES পশ্চিমা দেশগুলোতে পশমের মতো বিলাসপণ্য-এর চাহিদাজনিত সম্পদ হ্রাসের বিষয়টি মোকাবিলা করত। তবে এশিয়ায়, বিশেষ করে চীনে, সম্পদের বৃদ্ধি ঘটার সঙ্গে সঙ্গে এর গুরুত্ব পরিবর্তিত হয়। তখন সেখানে চাহিদাসম্পন্ন পণ্যের দিকে নজর দেওয়া শুরু হয়, বিশেষ করে হাতির দাঁত বা গণ্ডারের শিংয়ের মতো বিলাসপণ্যে ব্যবহৃত উপাদানের ক্ষেত্রে। ২০২২ সাল পর্যন্ত CITES তার আওতা সম্প্রসারণ করে এমন হাজার হাজার প্রজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যেগুলো আগে তেমন গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতো না এবং বিলুপ্তির ঝুঁকিতেও ছিল না, যেমন মান্টা রে।[৪]
অনুসমর্থন
[সম্পাদনা]
১৯৭৩ সালের ৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি-তে ৮০টি দেশের প্রতিনিধিদের এক বৈঠকে এই কনভেনশনের পাঠ চূড়ান্ত করা হয়। এরপর এটি ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭৪ পর্যন্ত স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ছিল। স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মধ্যে দশম অনুসমর্থন সম্পন্ন হওয়ার পর, ১৯৭৫ সালের ১ জুলাই কনভেনশনটি কার্যকর হয়। যে দেশগুলো কনভেনশনে স্বাক্ষর করে, তারা অনুসমর্থন, গ্রহণ বা অনুমোদনের মাধ্যমে পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ২০০৩ সালের শেষ নাগাদ সব স্বাক্ষরকারী দেশই পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রে পরিণত হয়। যারা শুরুতে স্বাক্ষরকারী ছিল না, তারাও পরে কনভেনশনে যোগ দিয়ে পক্ষভুক্ত রাষ্ট্র হতে পারে। জুন ২০২৫-এর হিসাব অনুযায়ী[হালনাগাদ], এই কনভেনশনের মোট পক্ষভুক্ত সংখ্যা ১৮৫, যার মধ্যে ১৮৪টি রাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত।[৬]
CITES কনভেনশনে পক্ষভুক্ত নয়—এমন দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য সংক্রান্ত বিধান ও নিয়মও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাতিসংঘ-এর সব সদস্য রাষ্ট্র এই চুক্তির পক্ষভুক্ত, তবে ব্যতিক্রম হলো উত্তর কোরিয়া, মাইক্রোনেশিয়ার যুক্তরাষ্ট্রসমূহ, হাইতি, কিরিবাস, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নাউরু, দক্ষিণ সুদান, পূর্ব তিমুর এবং টুভালু। জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হলি সি-ও এই কনভেনশনের সদস্য নয়। এছাড়া ডেনমার্ক রাজ্য-এর একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ফারো দ্বীপপুঞ্জ-কে CITES-এর ক্ষেত্রে পক্ষভুক্ত নয় বলে গণ্য করা হয় (ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ড ও গ্রিনল্যান্ড উভয়ই CITES-এর অংশ)।[৫][৭]
কনভেনশনের পাঠ্যে একটি সংশোধনী, যা গাবোরোনে সংশোধনী নামে পরিচিত,[৮] আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সমন্বয় সংস্থাগুলোকে (REIO)—যেমন ইউরোপীয় ইউনিয়ন—একটি সদস্য রাষ্ট্রের মর্যাদা দিয়ে কনভেনশনের পক্ষভুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়। এই ধরনের সংস্থা CITES-এর সভায় তাদের সদস্যসংখ্যার সমান ভোট দিতে পারে, তবে অতিরিক্ত কোনো ভোট পায় না।
CITES কনভেনশনের ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গাবোরোনে সংশোধনীটি ২০১৩ সালের ২৯ নভেম্বর কার্যকর হয়। এটি কার্যকর হয় ১৯৮৩ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত CITES-এর পক্ষভুক্ত থাকা ৮০টি রাষ্ট্রের মধ্যে ৫৪টি রাষ্ট্র (অর্থাৎ দুই-তৃতীয়াংশ) সংশোধনী গ্রহণের দলিল জমা দেওয়ার ৬০ দিন পর। সে সময় এটি কেবল সেই রাষ্ট্রগুলোর ক্ষেত্রেই কার্যকর হয়, যারা সংশোধনীটি গ্রহণ করেছিল। ২০১৩ সালের ২৯ নভেম্বরের পর যে রাষ্ট্রগুলো কনভেনশনের পক্ষভুক্ত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সংশোধিত পাঠ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য। আর যারা ওই তারিখের আগে পক্ষভুক্ত হয়েছিল কিন্তু সংশোধনী গ্রহণ করেনি, তারা গ্রহণ করার ৬০ দিন পর এটি কার্যকর হবে।[৮]
CITES-এর শাসন কাঠামো
[সম্পাদনা]CITES সদস্য রাষ্ট্রসমূহের (পক্ষভুক্ত রাষ্ট্র) কার্যক্রমকে সহায়তা করার জন্য পরিচালিত হয়। এই সহায়তা প্রদান করা হয় তিনটি কমিটির মাধ্যমে—স্থায়ী কমিটি, প্রাণী কমিটি এবং উদ্ভিদ কমিটি। এসব কমিটির কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করেন মহাসচিব।[৯] CITES সচিবালয়ের মহাসচিব পদটি বিভিন্ন দেশের একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা হয়েছে।
CITES মহাসচিবদের সময়রেখা
[সম্পাদনা]১৯৭৮–১৯৮১: পিটার এইচ. স্যান্ড[১০]
তিনি জার্মানির বাভারিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জার্মানি, ফ্রান্স ও কানাডায় আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে শিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি অধ্যাপক ও লেখক হিসেবে কাজ করেন এবং পরিবেশ আইনকে তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নেন। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ (IUCN)-এর মহাপরিচালক এবং বিশ্বব্যাংকের পরিবেশ বিষয়ক আইনগত উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১১]
১৯৮২–১৯৯০: ইউজিন লাপোয়েন্ট[১০]
কানাডার নাগরিক লাপোয়েন্ট দীর্ঘ সময় সামরিক বাহিনীতে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে কূটনীতিক হিসেবে কাজ করেন। CITES-এর দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ভূমিকায় সক্রিয় ছিলেন। বর্তমানে তিনি একজন লেখক এবং অলাভজনক সংস্থা আইডব্লিউএমসি ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন ট্রাস্ট-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই সংস্থাটি মানবকেন্দ্রিক প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করে।[১২]
১৯৯১–১৯৯৮: ইজগ্রেভ টপকভ[১০]
বুলগেরিয়ায় জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠা টপকভ CITES পরিচালনার আগে একজন কূটনীতিক ছিলেন। CITES-এর নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে অনুমতিপত্রের অপব্যবহারের অভিযোগের পর তাঁকে এই পদ থেকে অপসারণ করা হয়।[১৩]
১৯৯৯–২০১০: ভিলেম ওয়াইনস্টেকার্স[১০]
নেদারল্যান্ডসের নাগরিক ও আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ওয়াইনস্টেকার্স সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে CITES-এর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি একজন লেখক।
২০১০–২০১৮: জন ই. স্ক্যানলন[১০]
অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক স্ক্যানলন পরিবেশ আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন। তিনি অবৈধ প্রাণী বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। বর্তমানে তিনি আফ্রিকার হাতি সংরক্ষণে কাজ করা এলিফ্যান্ট প্রোটেকশন ইনিশিয়েটিভ ফাউন্ডেশন (EPIF)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।[১৪]
২০১৮–বর্তমান: ইভোন হিগুয়েরো[১০]
এই পদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম নারী হিসেবে ইভোন হিগুয়েরো ইতিহাসে স্থান করে নেন। তিনি পরিবেশ অর্থনীতি বিষয়ে শিক্ষিত এবং পানামার নাগরিক।
বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ
[সম্পাদনা]CITES আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করার সময় তালিকাভুক্ত ট্যাক্সা-এর নমুনার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় এনে কার্যকর হয়।[১৫] CITES নমুনার মধ্যে বিস্তৃত ধরনের বস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ প্রাণী বা উদ্ভিদ (জীবিত বা মৃত উভয়ই), অথবা এমন কোনো পণ্য যাতে তালিকাভুক্ত ট্যাক্সার কোনো অংশ বা উৎপন্ন উপাদান রয়েছে, যেমন প্রসাধনী বা ঐতিহ্যবাহী ওষুধ।[১৬]
CITES চার ধরনের বাণিজ্যকে স্বীকৃতি দেয়—আমদানি, রপ্তানি, পুনঃরপ্তানি (যে কোনো নমুনার রপ্তানি যা আগে আমদানি করা হয়েছিল) এবং সমুদ্র থেকে প্রবেশ (যেসব প্রজাতি কোনো রাষ্ট্রের অধিক্ষেত্রের বাইরে সামুদ্রিক পরিবেশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, সেগুলোর কোনো রাষ্ট্রে পরিবহন)। CITES-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী “বাণিজ্য”-এর ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেন হওয়া আবশ্যক নয়। CITES-এর আওতাভুক্ত প্রজাতির যেকোনো নমুনার বাণিজ্য সংঘটিত হওয়ার আগে অবশ্যই অনুমতিপত্র ও সনদের একটি ব্যবস্থার মাধ্যমে অনুমোদিত হতে হবে। প্রতিটি দেশে CITES ব্যবস্থা পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক বা একাধিক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এই অনুমতিপত্র ও সনদ প্রদান করে। ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে এক বা একাধিক বৈজ্ঞানিক কর্তৃপক্ষ পরামর্শ দেয়, যারা সংশ্লিষ্ট নমুনার বাণিজ্য CITES-তালিকাভুক্ত প্রজাতির অবস্থার ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে তা মূল্যায়ন করে। বাণিজ্য অনুমোদনের জন্য প্রতিটি দেশের সংশ্লিষ্ট সীমান্ত কর্তৃপক্ষের নিকট CITES অনুমতিপত্র ও সনদ উপস্থাপন করতে হয়।
প্রতিটি পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রকে নিজ নিজ ভূখণ্ডে CITES-এর বিধান কার্যকর করার জন্য নিজস্ব জাতীয় আইন প্রণয়ন করতে হয়। পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রসমূহ CITES নির্ধারিত ব্যবস্থার চেয়ে কঠোর অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সাধারণত প্রয়োজন না হলেও অনুমতিপত্র বা সনদ বাধ্যতামূলক করা, কিংবা কিছু নির্দিষ্ট নমুনার বাণিজ্য সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা।[১৭]

পরিশিষ্ট
[সম্পাদনা]CITES-এর আওতায় ৪০,৯০০-এরও বেশি প্রজাতি, উপপ্রজাতি ও জনসংখ্যা সুরক্ষিত।[১৮] প্রতিটি সুরক্ষিত ট্যাক্সা বা জনসংখ্যাকে তিনটি তালিকার একটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেগুলোকে পরিশিষ্ট বলা হয়।[১৯][২০] কোনো ট্যাক্সা বা জনসংখ্যা কোন পরিশিষ্টে অন্তর্ভুক্ত হবে, তা নির্ধারিত হয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ফলে সৃষ্ট হুমকির মাত্রা এবং প্রযোজ্য CITES নিয়ন্ত্রণের স্তরের ওপর ভিত্তি করে।
কিছু ক্ষেত্রে বিভক্ত তালিকাভুক্তি দেখা যায়। এর অর্থ হলো, একই প্রজাতির কিছু জনসংখ্যা এক পরিশিষ্টে এবং অন্যগুলো অন্য পরিশিষ্টে তালিকাভুক্ত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, আফ্রিকান বুশ হাতি (Loxodonta africana) বর্তমানে বিভক্ত তালিকাভুক্ত। বতসোয়ানা, নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের জনসংখ্যা ছাড়া বাকি সব জনসংখ্যা পরিশিষ্ট I-এ অন্তর্ভুক্ত। উল্লিখিত চার দেশের জনসংখ্যা পরিশিষ্ট II-এ তালিকাভুক্ত। এছাড়াও এমন প্রজাতি রয়েছে, যাদের কেবল কিছু নির্দিষ্ট জনসংখ্যা কোনো পরিশিষ্টে তালিকাভুক্ত। এর একটি উদাহরণ হলো প্রংহর্ন (Antilocapra americana), যা উত্তর আমেরিকার একটি জাবরকাটা স্তন্যপায়ী প্রাণী। এর মেক্সিকান জনসংখ্যা পরিশিষ্ট I-এ তালিকাভুক্ত, তবে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার জনসংখ্যা তালিকাভুক্ত নয় (যদিও যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার কিছু জনসংখ্যা অন্যান্য অভ্যন্তরীণ আইনের মাধ্যমে সুরক্ষিত, যেমন Endangered Species Act অনুযায়ী)।
পরিশিষ্ট I ও II-এ অন্তর্ভুক্তি, সংশোধন বা অপসারণের প্রস্তাব পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সম্মেলনে (CoP) উপস্থাপন করা হয়। এই সম্মেলন সাধারণত প্রতি তিন বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়।[২১] পরিশিষ্ট III-এ তালিকাভুক্তির সংশোধন পৃথকভাবে কোনো রাষ্ট্র একতরফাভাবে করতে পারে।[২২]
পরিশিষ্ট I
[সম্পাদনা]পরিশিষ্ট I-এ অন্তর্ভুক্ত ট্যাক্সাগুলো বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে এবং এগুলো সর্বোচ্চ মাত্রার CITES সুরক্ষা পায়। বন্য উৎস থেকে সংগৃহীত এসব ট্যাক্সার বাণিজ্যিক বাণিজ্য অনুমোদিত নয়। অ-বাণিজ্যিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও বাণিজ্য সংঘটিত হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমদানি ও রপ্তানি—উভয় অনুমতিপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক।
পরিশিষ্ট I-এ তালিকাভুক্ত উল্লেখযোগ্য ট্যাক্সার মধ্যে রয়েছে লাল পান্ডা (Ailurus fulgens), পশ্চিমী গরিলা (Gorilla gorilla), শিম্পাঞ্জি প্রজাতিসমূহ (Pan spp.), বাঘ (Panthera tigris), এশীয় হাতি (Elephas maximus), তুষার চিতা (Panthera uncia), লাল-পা ডুক (Pygathrix nemaeus), কিছু আফ্রিকান বুশ হাতি জনসংখ্যা[ক] এবং মাঙ্কি পাজল গাছ (Araucaria araucana)।[২৩]
পরিশিষ্ট II
[সম্পাদনা]পরিশিষ্ট II-এ অন্তর্ভুক্ত ট্যাক্সাগুলো সবসময় বিলুপ্তির ঝুঁকিতে না থাকলেও, তাদের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন, যাতে তাদের অস্তিত্বের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবহার না ঘটে। এছাড়াও এমন প্রজাতিও এখানে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যেগুলো দেখতে পরিশিষ্টভুক্ত অন্য প্রজাতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। CITES-এর আওতায় তালিকাভুক্ত অধিকাংশ ট্যাক্সাই পরিশিষ্ট II-এ অন্তর্ভুক্ত।[২৪] পরিশিষ্ট II-এ অন্তর্ভুক্ত ট্যাক্সার যেকোনো বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সাধারণত রপ্তানিকারক দেশের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত একটি CITES রপ্তানি অনুমতিপত্র বা পুনঃরপ্তানি সনদ প্রয়োজন হয়।
পরিশিষ্ট II-এ তালিকাভুক্ত ট্যাক্সার উদাহরণ হিসেবে রয়েছে গ্রেট হোয়াইট শার্ক (Carcharodon carcharias), আমেরিকান কালো ভালুক (Ursus americanus), হার্টমানের পর্বত জেব্রা (Equus zebra hartmannae), সবুজ ইগুয়ানা (Iguana iguana), কুইন কন্চ (Strombus gigas), এম্পেরর বিচ্ছু (Pandinus imperator), মার্টেন্স জল মনিটর (Varanus mertensi), বিগলিফ মহগনি (Swietenia macrophylla), লিগনাম ভাইটি (Guaiacum officinale), চেম্বার্ড নটিলাস (Nautilus pompilius), সব পাথুরে প্রবাল (Scleractinia spp.), জঙ্গল ক্যাট (Felis chaus) এবং আমেরিকান জিনসেং (Panax quinquefolius)।
পরিশিষ্ট III
[সম্পাদনা]পরিশিষ্ট III-এ অন্তর্ভুক্ত প্রজাতিগুলো অন্তত একটি দেশে সুরক্ষিত এবং সেই দেশ অন্যান্য CITES পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রের কাছে বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে সহায়তা চেয়েছে। পরিশিষ্ট III-এ তালিকাভুক্ত প্রজাতির বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সাধারণত একটি CITES রপ্তানি অনুমতিপত্র (যদি প্রজাতিটি তালিকাভুক্তকারী দেশ থেকে সংগৃহীত হয়) অথবা অন্য কোনো দেশ থেকে হলে একটি উৎস সনদ প্রয়োজন হয়।
পরিশিষ্ট III-এ তালিকাভুক্ত প্রজাতি ও তালিকাভুক্তকারী দেশের উদাহরণ হিসেবে রয়েছে—কোস্টা রিকা কর্তৃক তালিকাভুক্ত হফম্যানের দুই আঙুলের স্লথ (Choloepus hoffmanni), ঘানা কর্তৃক তালিকাভুক্ত সিতাতুঙ্গা (Tragelaphus spekii) এবং বতসোয়ানা কর্তৃক তালিকাভুক্ত আফ্রিকান সিভেট (Civettictis civetta)।
ছাড় ও বিশেষ পদ্ধতি
[সম্পাদনা]CITES কনভেনশনের সপ্তম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, উপরোক্ত সাধারণ বাণিজ্য শর্তাবলীর ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম অনুমোদিত।
কনভেনশন-পূর্ব নমুনা
[সম্পাদনা]CITES এমন নমুনার জন্য একটি বিশেষ পদ্ধতির ব্যবস্থা করে, যেগুলো সংশ্লিষ্ট প্রজাতির ওপর কনভেনশনের বিধান কার্যকর হওয়ার আগেই সংগ্রহ করা হয়েছিল। এগুলোকে “কনভেনশন-পূর্ব” নমুনা বলা হয়। বাণিজ্যের আগে এসব নমুনার জন্য একটি CITES কনভেনশন-পূর্ব সনদ প্রদান করা আবশ্যক। কেবল সেই নমুনাগুলোই এই ছাড়ের যোগ্য, যেগুলো সংশ্লিষ্ট প্রজাতি প্রথমবার পরিশিষ্টে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার তারিখের আগে আইনগতভাবে সংগৃহীত হয়েছিল।[২৫]
ব্যক্তিগত ও গৃহস্থালি সামগ্রী
[সম্পাদনা]যদি কোনো CITES নমুনা ব্যক্তিগত বা গৃহস্থালি ব্যবহারের সামগ্রী হয়, তবে সাধারণভাবে তার বাণিজ্যের ক্ষেত্রে মানক অনুমতিপত্র বা সনদের প্রয়োজন হয় না।[২৬] তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা গৃহস্থালি সামগ্রীর জন্যও অনুমতিপত্র বা সনদ প্রয়োজন হতে পারে। পাশাপাশি কিছু দেশ আরও কঠোর অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ব্যক্তিগত বা গৃহস্থালি সামগ্রীর কিছু বা সব ক্ষেত্রেই অনুমতিপত্র বা সনদ বাধ্যতামূলক করে।[১৭]
বন্দী অবস্থায় প্রজনিত বা কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত নমুনা
[সম্পাদনা]যদি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সন্তুষ্ট হয় যে কোনো নমুনা বন্দী অবস্থায় প্রজনিত প্রাণী বা কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত উদ্ভিদ থেকে উৎসারিত, তবে CITES সেই নমুনার বাণিজ্যে বিশেষ পদ্ধতি প্রয়োগের অনুমতি দেয়।[২৭] পরিশিষ্ট I-এ অন্তর্ভুক্ত ট্যাক্সার বাণিজ্যিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে, বন্দী অবস্থায় প্রজনিত বা কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত নমুনাকে পরিশিষ্ট II-এর মতো বিবেচনা করে বাণিজ্য করা যেতে পারে। এতে দুটি অনুমতিপত্রের (আমদানি ও রপ্তানি) পরিবর্তে কেবল একটি (রপ্তানি) অনুমতিপত্র প্রয়োজন হয়। অ-বাণিজ্যিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে, মানক অনুমতিপত্রের পরিবর্তে রপ্তানিকারক রাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত বন্দী প্রজনন বা কৃত্রিম উৎপাদনের সনদ ব্যবহার করা যেতে পারে।
বৈজ্ঞানিক বিনিময়
[সম্পাদনা]ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিবন্ধিত বৈজ্ঞানিক বা ফরেনসিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অ-বাণিজ্যিক ঋণ, দান বা বিনিময়ের ক্ষেত্রে মানক CITES অনুমতিপত্র বা সনদের প্রয়োজন হয় না। এসব নমুনাসম্পন্ন চালানে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারি বা অনুমোদিত একটি লেবেল থাকতে হয় (কিছু ক্ষেত্রে শুল্ক ঘোষণা লেবেল ব্যবহার করা যেতে পারে)। এই বিধানের আওতায় যেসব নমুনা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, তার মধ্যে রয়েছে জাদুঘর, হার্বেরিয়াম, রোগনির্ণয় ও ফরেনসিক গবেষণার নমুনা।[২৮] নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা CITES-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রয়েছে।[২৯]
সংশোধনী ও সংরক্ষণ
[সম্পাদনা]কনভেনশনে কোনো সংশোধনী আনতে হলে ‘‘উপস্থিত ও ভোটদানকারী’’ পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর এক-তৃতীয়াংশ যদি এমন একটি সভায় আগ্রহ প্রকাশ করে, তবে পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সম্মেলন (CoP)-এর একটি বিশেষ অধিবেশনেও সংশোধনী আনা যেতে পারে। ১৯৮৩ সালের গাবোরোনে সংশোধনী আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোটসমূহকে এই চুক্তিতে যোগদানের সুযোগ দেয়। পক্ষভুক্ত নয়—এমন রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য অনুমোদিত, তবে এ ক্ষেত্রে রপ্তানিকারকদের দ্বারা অনুমতিপত্র ও সনদ ইস্যু করা এবং আমদানিকারকদের দ্বারা সেগুলো গ্রহণ করা সুপারিশ করা হয়।
পরিশিষ্টে অন্তর্ভুক্ত প্রজাতিগুলোর ক্ষেত্রে যে কোনো পক্ষভুক্ত রাষ্ট্র—সে রাষ্ট্রটি ওই প্রজাতির বিস্তৃতির রাষ্ট্র হোক বা না হোক—নতুন করে অন্তর্ভুক্তি, পরিশিষ্ট পরিবর্তন অথবা তালিকা থেকে অপসারণ (অর্থাৎ বিলোপ) প্রস্তাব করতে পারে। বিস্তৃতির রাষ্ট্রগুলোর আপত্তি থাকা সত্ত্বেও, যদি পর্যাপ্ত সমর্থন (দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা) থাকে, তবে তালিকাভুক্তিতে পরিবর্তন আনা যেতে পারে। প্রজাতি তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সম্মেলনে গৃহীত হয়।
কনভেনশনে যোগদানের সময় অথবা কোনো প্রজাতির তালিকাভুক্তি সংশোধিত হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রসমূহ সংরক্ষণ (reservation) জানাতে পারে। এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রজাতির বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ওই রাষ্ট্রকে CITES-এর পক্ষভুক্ত নয়—এমন রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা হয়।[৩০] উল্লেখযোগ্য সংরক্ষণের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বেলিন তিমি প্রজাতি নিয়ে আইসল্যান্ড, জাপান ও নরওয়ে-এর সংরক্ষণ এবং ফ্যালকনিফর্মিস-সংক্রান্ত সৌদি আরবের সংরক্ষণ।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "The CITES species | CITES"। cites.org। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Ivonne Higuero named as new CITES Secretary-General"। cites.org। CITES। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মে ২০১৯।
- ↑ "The CITES Secretariat | CITES"। cites.org। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Bettina Wassener (১২ মার্চ ২০১৩)। "No Species Is Safe From Burgeoning Wildlife Trade"। The New York Times। ১ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১৩।
- 1 2 "Denmark – National authorities"। CITES। ২৪ ডিসেম্বর ২০২০।
- ↑ "List of Contracting Parties"। cites.org।
- ↑ "Faroe Islands (Dependent territory of DK) – National authorities"। CITES। ২৩ আগস্ট ২০২১।
- 1 2 "Gaborone amendment to the text of the Convention"। cites.org। CITES। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ "The structure of CITES | CITES"। cites.org। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
- 1 2 3 4 5 6 "Ivonne Higuero, Secretary-General | CITES"। cites.org। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Peter H. Sand | Ludwig-Maximilians-Universität München - Academia.edu"। lmu-munich.academia.edu। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ "About IWMC – IWMC – World Conservation Trust"। www.iwmc.org। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ Masood, Ehsan (১ জুলাই ১৯৯৮)। "CITES chief removed in scandal over trade in banned species"। Nature (ইংরেজি ভাষায়)। ৩৯৪ (6689): ১১২। বিবকোড:1998Natur.394..112M। ডিওআই:10.1038/27998। আইএসএসএন 1476-4687।
- ↑ EPI। "The Secretariat"। EPI (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ "How CITES works"। CITES.org। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "CITES Article I"। CITES.org। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০২২।
- 1 2 "CITES Article XIV"। CITES.org। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "The CITES species"। CITES.org। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২২।
- ↑ Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora (২০১৩)। "Appendices I, II and III"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
- ↑ Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora। "The CITES Appendices"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
- ↑ "CITES Calendar"। cites.org। CITES। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ "CITES Resolution Conf. 9.25 Implementation of the Convention for species in Appendix III" (পিডিএফ)। CITES.org। ১৯ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)।
- ↑ "Appendices I, II and III"। cites.org। CITES। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ "The CITES species"। CITES.org। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "CITES Resolution 13.6" (পিডিএফ)। CITES.org। ১ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "Article VII"। CITES.org। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "CITES Article VII"। CITES.org। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "CITES Resolution Conf.11.15" (পিডিএফ)। CITES.org। ২ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "Register of scientific institutions"। CITES.org। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "Reservations entered by the Parties"। CITES.org। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২২।
- ↑ CITES আফ্রিকান বন হাতিকে L. africana-এর একটি উপপ্রজাতি হিসেবে বিবেচনা করে এবং তাই পরিশিষ্ট I-এর আওতায় সুরক্ষিত করে; যদিও বর্তমানে অধিকাংশ কর্তৃপক্ষ বন হাতিকে একটি স্বতন্ত্র প্রজাতি (L. cyclotis) হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে।
<ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি