বিদ্যুৎ গোর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বিদ্যুৎ গোর
Vidyut-old.jpg
জন্ম(১৯৭৬-১২-০৬)৬ ডিসেম্বর ১৯৭৬[১][২]
জাতীয়তাভারতীয়
অন্যান্য নাম
  • বিদ্যুৎ কালে
  • বিদ্যুৎ গোর-কালে
শিক্ষাইন্ডিয়ান সোসাইটি ফর অ্যাপ্লাইড বিহেভারিয়াল সায়েন্স (আইএসএবিএস)
পেশাইন্টারনেট ব্লগার, কর্মী, সাংবাদিক, প্রচারকারী
সন্তান
ওয়েবসাইটPersonal website

বিদ্যুৎ গোর (জন্ম: ৬ই ডিসেম্বর ১৯৭৬; পূর্বে বিদ্যুৎ কালে নামে পরিচিত ছিলেন এবং কখনও কখনও শুধুমাত্র বিদ্যুৎ নামে) হলেন একজন স্পষ্টবাদী ভারতীয় আংশিক সময়ের ব্লগার, সাংবাদিক, প্রচারক এবং কর্মী। তিনি ভারতীয় পরিবারে ঘরোয়া নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ করে দেবার জন্য পরিচিতি লাভ করেছিলেন[১] এবং ভারতে রাজনৈতিক ও জনসাধারণের দুর্নীতি প্রকাশে তাঁর কাজটি নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়া উভয় ক্ষেত্রেই আলোকপাত করা হয়েছিল।[৩][৩][৪][৫] ভারতীয় ডিজিটাল নজরদারির ক্ষেত্রে তাঁর যে আপত্তি, সেটি শিক্ষাগতভাবে অধ্যয়ন এবং জাতিসংঘের সিএসটিডি অধ্যয়নে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।[৬][৭][৮][৯] সামাজিক ও রাজনৈতিক নানা বিষয়ে মূল ধারার ভারতীয় মিডিয়া তাঁর মন্তব্য চায়।[১০][১১][১২] ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে, তিনি বিকল্পধারার ভারত সরকার, শুরু করে বিকল্প সরকারের ভূমিকা-পালন প্রকল্প প্রকাশ করেছিলেন, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।[১৩][১৪][১৫]

ব্লগ এবং ওয়েবসাইট[সম্পাদনা]

২০০৯ সাল থেকে গোর ভারতীয় সামাজিক বিষয়ে ব্লগিং করে আসছেন, তাঁকে ২০১০ সালে ভারতের "উইকিলিকস" হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছিল।[১][১৬] ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে মুম্বইয়ে কিনান সান্টোস এবং রুবেন ফার্নান্দেসের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তাঁর পোস্টের কারণে তিনি ভারতে জাতীয় খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, যেখানে সংবাদ মাধ্যম এবং ভারতীয় পুলিশের উপেক্ষা করার বিষয়টির প্রমাণ প্রকাশিত হয়েছিল।[১৭] ২০১৩ সালে, ইন্ডিয়া টুডে গোর সম্পর্কে বলেছিল: "মুম্বইয়ের কিনান ও রুবেন হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এই অসমসাহসী ব্লগার তাঁর ব্লগের মাধ্যমে খবরে এসেছিলেন। এই প্রচেষ্টা উক্ত দরিদ্র পরিবারকে তাদের মামলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় মনোযোগ আকর্ষণ করতে সহায়তা করেছে এবং খুনিদের খোলা মেলা ঘুরতে বাধা দিয়েছে"।[৫] ভারতীয় গুপ্তচর বি. রমন, কিনান-রুবেন হত্যার অপরাধীদের বিচার পাওয়ার বিষয়ে গোরের কাজ সম্পর্কে বলেছেন: "আমরা বিদ্যুতের প্রতি কৃতজ্ঞ"।[৩]

২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, গোরের ব্লগটি আবার জাতীয়ভাবে সকলের নজরে আসে যখন তিনি ভারতীয় জনগণের জমি সংক্রান্ত ব্যবসায়ের দুর্নীতির সাথে জড়িত বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে নথি পেয়েছিলেন, যা গোর তাঁর ব্লগে পোস্ট করেন;[৬] তিনি এই বিষয়টিকে সঠিক বলে উল্লেখ করে কোর্ট কর্তৃক মালপত্র অপসারণের আদেশের বিরোধিতা করেছিলেন, তবে পরে বিতর্কিত ভারতীয় আইটি আইনের অধীনে নোটিস পেলে তিনি নরম হতে বাধ্য হন, যে আইনের বলে গোর সঠিক হলেও, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা মোকদ্দমা হতে পারবে।[৬][৭][১৮] ভারতীয় আইটি আইনের অধীনে গোরের ২০১২ সালের প্রকাশের ওপর নজরদারি সম্পর্কিত বিষয়টি শিক্ষাগত গবেষণায় যুক্ত করা হয়েছিল।[৭]

গোর আমজনতা ডট কম-এ তার একটি স্ব-প্রকাশিত বইয়ের সংক্ষিপ্তসার হিসাবে লিখেছেন: আমজনতা ডটকম-এ ভারতের চিন্তাভাবনা: ভিন্নতা থেকে বৈচিত্র্য[১৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Hemchhaya De (২ মে ২০১৭)। "Blogger Vidyut Kale on being politically incorrect" (ইংরেজি ভাষায়)। femina.in। ২৭ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০১৯ 
  2. "@Vidyut"। Twitter। ৬ ডিসেম্বর ২০১৫। ২৫ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৯ 
  3. Roy, Nilanjana S. (২৭ মার্চ ২০১২)। "When Home Is No Refuge for Women"The New York Times (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0362-4331। ২৭ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০১৯Vidyut Kale is a corporate trainer and blogger who has written extensively about witnessing domestic violence in her family as a child, and then confronting abuse — emotional, financial and sexual — in her own marriage. 
  4. "Meet the brain behind the sarcasm sites on Narendra Modi and Rahul Gandhi"India Today (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ মার্চ ২০১২। ২৭ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০১৯ 
  5. "After Narendra Modi, Rahul Gandhi, Kapil Sibal gets a sarcastic site on himself"India Today। ৩ আগস্ট ২০১৩। ২৩ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৯The daredevil homemaker-cum-blogger shot into news with her blogs on the Keenan and Reuben murders in Mumbai. It was her efforts that helped the poor families get the attention that their case required and helped prevent the killers from going scot-free. 
  6. Sathe, Gopal (২ নভেম্বর ২০১২)। "liveMint: Free Speech | Virtual empowerment" (ইংরেজি ভাষায়)। Mint। ২৭ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৯Blogger Vidyut Kale has run www.aamjanta.com for six years. Mumbai-based Kale has written about corruption in the past and when someone sends her proof about a scam or a particular case, she posts the details on her website. 
  7. Namrata Chakraborty (Symbiosis Law School) (জুলাই ২০১৬)। "HUMAN RIGHTS AND DIGITAL MEDIA: A STUDY ON THE STATUS OF FREE SPEECH IN VIRTUAL WORLD WITH RESPECT TO US, UK & INDIAN OUTLOOK" (PDF)International Journal of Law and Legal Jurisprudence Studies3 (3): 384–385। আইএসএসএন 2348-8212। ১১ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৯Indian Scenario: Vidyut Kale 
  8. "List of organisations and individuals supporting civil society input to the UN Working Group looking at institutional mechanisms for global governance of the Internet"। IT For Change। সেপ্টেম্বর ২০১৩। ২৭ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৯ 
  9. "Response to the questionnaire issued by CSTD Working Group on Enhanced Cooperation" (PDF)United Nations Commission on Science and Technology for Development। সেপ্টেম্বর ২০১৩। ২৭ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৯ 
  10. Kim Arora (২ মে ২০১৪)। "Activists bemoan absence of "active" Pirate Party in India"The Times of India। ৩১ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৯Mumbai-based blogger and activist Vidyut Kale became active with the Indian Pirate Party last year. 
  11. Khuldune Shahid (৮ জানুয়ারি ২০১৬)। "Peace after Pathankot"The Friday Times। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৯Indian sociopolitical blogger Vidyut Kale believes that while critics of Modi will not spare the opportunity to question him, most of them – except Shiv Sena – are very pro-talks. 
  12. DIVYA RAJAGOPAL (১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "Team AIB apologises to Christian community"India Times। ২৮ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৯"Knowing the state of breaking law to create outrage, profiting from it, and ENDORSING them with public apology after apology. AIB FAIL," tweeted Vidyut Kale, blogger and a frequenter commentator on the micro blogging site Twitter. 
  13. Lazarus, Susanna Myrtle। "Meet India's spoof PM of an Alt Sarkar on Twitter"The Hindu। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  14. Kapur, Manavi (২৯ আগস্ট ২০১৯)। "A poll on Twitter has birthed an all-spoof alternative Indian government"Yahoo finance। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  15. Dhingra, Sanya (২৩ আগস্ট ২০১৯)। "With #AltSarkar, India gets a new 'government' and 'prime minister' — on Twitter"ThePrint। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  16. "Indian woman mirrors WikiLeaks"। ePathram। ৭ ডিসেম্বর ২০১০। ২৭ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৯Vidyut Kale, a behavioural scientist and corporate trainer based in Mumbai says that she felt that the Indian media has made a mess of the way the WikiLeaks revelations were reported. 
  17. Robin David; Sharmila Ganesan Ram (২৫ জুন ২০১৫)। "The real housewives of Twitter – Times of India"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৩-১৫ 
  18. "EDITORIAL: The world will remember 2012 as the year India tried every form of censorship imaginable on the internet, and failed."PCQuest। ২৮ মে ২০১২। ২৭ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৯Activist-blogger Vidyut Kale got a take-down notice for her blog post about a raid on a yacht party, where she exposed a history of financial misdealings. She too got a taste of Rule (3) 
  19. Kale, Vidyut (অক্টোবর ২০১২)। Thoughts on India at aamjanata.com: from differences to diversitySaarbrücken BloggingBooks। পৃষ্ঠা 148। আইএসবিএন 978-3-8417-7023-3ওসিএলসি 863996004। ২৩ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৯ [নিজস্ব উৎস]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]