বিজয়া ইমানি
বিজয়া লক্ষ্মী ইমানি | |
|---|---|
| জন্ম | ১৪ই মে ১৯৫৭ কুর্নুল, অন্ধ্র প্রদেশ, ভারত |
| মৃত্যু | ১৫ই জানুয়ারী ২০০৯ (বয়স ৫১) ওহিও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। |
| পেশা | সমাজকর্মী |
বিজয়া লক্ষ্মী ইমানি (১৪ই মে ১৯৫৭ - ১৫ই জানুয়ারি ২০০৯) ছিলেন একজন ভারতীয় আমেরিকান সমাজকর্মী যিনি পারিবারিক সহিংসতার বিরুদ্ধে তাঁর কাজের জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি ওহিওর ক্লিভল্যান্ডে ভারতীয় আমেরিকান সম্প্রদায়ের একজন নাগরিক নেতা ছিলেন। নর্থইস্ট ওহিও তেলুগু অ্যাসোসিয়েশন দিয়ে তিনি শুরু করেছিলেন। তারপরে ফেডারেশন অফ ইণ্ডিয়ান কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশন এবং গ্রেটার ক্লিভল্যান্ড এশিয়ান কমিউনিটির পর তিনি ফেডারেশন অফ ইণ্ডিয়া কমিউনিটির সভাপতি এবং ফেডারেশন অফ ইণ্ডিয়া কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশনের (এফআইসিএ) বোর্ড সদস্য ছিলেন। ২০১১ সালে তাঁকে মরণোত্তরভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার, প্রেসিডেন্সিয়াল সিটিজেনস মেডেল প্রদান করা হয়।[১][২]
প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা
[সম্পাদনা]বিজয়া ইমানির জন্ম অন্ধ্র প্রদেশের কর্নুলে ইন্দুরানি এবং জি ভেঙ্কটারমনা রেড্ডির ঘরে। হায়দ্রাবাদের ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি ১৯৮৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। তিনি ওহিওর ক্লিভল্যান্ড স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।[১]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]একক অভিভাবক হিসেবে, তিনি একই রকম পরিস্থিতিতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য সহায়তা গোষ্ঠী চালু করেছিলেন। বিজয়া ইমানির মূল লক্ষ্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক নির্যাতন কাটিয়ে উঠতে ভারতীয়-আমেরিকানদের সাহায্য করা। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে পারিবারিক সহিংসতার ব্যাপকতা সম্পর্কে একটি আলোচনাও শুরু করেন। ক্লিভল্যান্ড কালচারাল গার্ডেনকে পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, এই উদ্দেশ্যে তিনি ২০০২-২০০৬ সাল পর্যন্ত ইণ্ডিয়া কালচারাল গার্ডেনের নির্মাণ কাজ করেন। ওহিওর ক্লিভল্যান্ডের রকফেলার পার্কে ইণ্ডিয়া কালচারাল গার্ডেনের স্থাপত্যে ছয়টি ঐতিহ্যবাহী স্তম্ভ এবং ২০০৬ সালে স্থাপিত মহাত্মা গান্ধীর একটি মূর্তি সহ একটি বৃত্তাকার উদ্যান রয়েছে। মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিটির ভাস্কর ছিলেন গৌতম পাল।[৩]
মৃত্যু
[সম্পাদনা]২০০৯ সালে ৫১ বছর বয়সে ওহিওতে এক সড়ক দুর্ঘটনায় বিজয়া ইমানি মারা যান।[১] ২০১১ সালের ২০শে অক্টোবর, রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা ভারতীয়-আমেরিকান সম্প্রদায়ের পারিবারিক নির্যাতন কাটিয়ে ওঠার এবং এর বিরুদ্ধে কথা বলার সাহসের জন্য তাঁকে মরণোত্তর রাষ্ট্রপতি নাগরিক পদক প্রদান করেন। তাঁকে "পারিবারিক নির্যাতনের শিকারদের সাহায্য করার জন্য একজন আদর্শ" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল। হোয়াইট হাউসের পূর্ব কক্ষে তাঁর দুই মেয়ে, সুজাতা এবং নির্মলা, এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।[১]
কাজ
[সম্পাদনা]- সিএফডি ব্যবহার করে একটি হেলিকাল ওয়াটার-অয়েল সেপারেটরে মাল্টিফেজ ফ্লো'র গণনামূলক বিশ্লেষণ । টেক্সাস এঅ্যাণ্ডএম বিশ্ববিদ্যালয় - কিংসভিল, ২০০৬। ।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 Staff Reporter (২১ অক্টোবর ২০১১)। "Obama honours Indian-American activist Vijaya Emani"। The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ "India-born achievers shine in White House honours list"। The Times of India। ২২ অক্টোবর ২০১১। ৮ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Vijaya L. Emani (posthumous)"। Magnum Computers Inc.। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ভারতীয় সক্রিয়কর্মী
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন নারী
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন নারী
- ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন রাজনীতিবিদ
- ভারতীয় নারী সক্রিয়কর্মী
- ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী শিক্ষাবিদ
- ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় শিক্ষাবিদ
- ভারতীয় নারী অধিকারকর্মী
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় অভিবাসী
- ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ২০০৯-এ মৃত্যু
- ১৯৫৮-এ জন্ম
- মার্কিন সক্রিয়কর্মী