বিকানেরী ভূজিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বিকানেরী ভূজিয়া
Bikaneri Bhujia
Shop selling Bikaneri bhujia in Jaipur.jpg
জয়পুরের একটি বিকানেরী ভূজিয়ার দোকান
অন্যান্য নামভূজিয়া
প্রকারজলপান, স্নেক, ষ্টারটার
উৎপত্তিস্থলভারত
অঞ্চল বা রাজ্যরাজস্থান, গুজরাট
প্রধান উপকরণমোঠ শিম, বেসন, বাদম তেল
ভিন্নতাচেভ
[[wikibooks:bn:Special:Search/রন্ধনপ্রণালী: বিকানেরী ভূজিয়া
Bikaneri Bhujia
|রন্ধনপ্রণালী: বিকানেরী ভূজিয়া
Bikaneri Bhujia
]]  [[commons:Special:Search/বিকানেরী ভূজিয়া
Bikaneri Bhujia
|মিডিয়া: বিকানেরী ভূজিয়া
Bikaneri Bhujia
]]

বিকানেরী ভূজিয়া এক প্রকারের বেসন এবং রাজস্থানের শহর বিকানের স্থানীয় মসলায় প্রস্তুত করা মচমচে জলপান। এটি দেখিতে পাতলা হলুদ বর্ণের। সর্বপ্রথম ভূজিয়া বিকানের এ তৈরি করা হয়েছিল এবং পরে গোটা পৃথিবীতে এর প্রচলন হয়ে পড়ে।[১] বৃহৎ পরিমাণে প্রস্তুত করা বিভিন্ন ধরণের ভূজিয়াকে এক শ্রেণীবদ্ধ পরীক্ষা প্ৰণালীর মধ্য দিয়া নেয়া হয়। বিভিন্ন নতুন সামগ্রীতে প্ৰস্তুত করলেও এর মৌলিক ধৰ্ম যেন এক থাকে তাই এই পরীক্ষা করা হয়।

বিকানেরী ভূজিয়া বিকানেরের কুটিরশিল্প। বিকানের অঞ্চলের বিভিন্ন গাঁয়ে প্ৰায় ২৫ লাখ মানুষ বিশেষ করে মহিলারা এর সাথে জড়িত। বৰ্তমানে পেপছিকোর মতো বহু বহুজাতিক ভারতীয় জলপান কোম্পানীয়ে এই ভূজিয়ার নাম ব্যবহার করার জন্যে স্থানীয় শিল্পটি এক বৃহৎ প্রতিযোগিতার সন্মুখীন হয়েছে।[২][৩] বহু বছর নকল সামগ্ৰীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পর, ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভারতীয় পেটেন্ট কাৰ্য্যালয়ে বিকানেরী ভূজিয়াকে ভৌগোলিক অস্তিত্বের অধিকার এবং স্থানীয় প্ৰস্তুতকৰ্তাদের কে এর পেটেন্ট দেয়া হয়।[৪][৫][৬]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মহারাজা শ্ৰী দাংগার সিংএর রাজত্ব কালে ১৮৭৭ সালে এই ভূজিয়ার প্ৰথম নমুনা বিকানেরের প্ৰিঞ্চলী ষ্টেট এ প্ৰস্তুত করা হয়েছিল।[৭]

প্ৰস্তুত প্ৰণালী[সম্পাদনা]

মোঠ ডালের বেসন বিভিন্ন মসলা যেমন – বুট ডালের বেসন, ছেলুলোজের গুড়ি(ফাইবার), লবণ, লাল মরিচ, গোল মরিচ, এলাছি, লং, বাদাম তেল ইত্যাদি থেকে এটি প্ৰস্তুত করা হয়। ভূজিয়ার বিশেষ আকৃতির জন্যে একে চালনির মধ্য দিয়ে জোরে গরম বনস্পতি তেলে ভাজা হয়। সমগ্ৰ ভারত বিশেষ করে রাজস্থান, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, বিহার, পশ্চিম বঙ্গ এবং অসমে ভূজিয়া খুবই জনপ্ৰিয়।

পেটেন্ট এবং ভৌগোলিক অস্তিত্ব সুরক্ষা[সম্পাদনা]

২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিকানেরী ভূজিয়াকে ভৌগোলিক অস্তিত্ব সুরক্ষা দেয়া হয়।[৮]

তথ্য সূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Camel country: Known for its sand dunes and bhujia, Bikaner.."The Tribune। জানুয়ারি ১৮, ২০০৯। 
  2. "The whole world's bhujia"। indiatogether.org। ২৬ জুলাই ২০০৫। 
  3. "India: TNCs muscling into cottage industry sectors"। TWN (Third World Network)। জানু ১১, ১৯৯৬। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  4. "A copyright for Bikaneri bhujia, Hyderbadi haleem"Indian Express। সেপ্টে ১৪, ২০১০। 
  5. "Registered Geographical Indications (GI)" (PDF)Geographical Indication Registry (India)। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  6. "Patent shield soon from copycat GI Joes"Economic Times। ২৪ ফেব্রু ২০০৭। 
  7. http://www.thehindu.com/features/metroplus/Food/in-search-of-bikaneri-bhujia/article3945487.ece
  8. A copyright for Bikaneri bhujia, রাজস্থানের বিকানেরী ভূজিয়া এই তালিকায় যোগ দেয়ার পর ১২০ থেকে ১৩২ পর্যন্ত বৃদ্ধি হল।