বাস্কারভিলের কুকুর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বাস্কারভিলের কুকুর
Cover (Hound of Baskervilles, 1902).jpg
প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ
লেখকস্যার আর্থার কোনান ডয়েল
মূল শিরোনামThe Hound of the Baskervilles
অনুবাদককুলদারঞ্জন রায়
অঙ্কনশিল্পীসিডনি প্যাগেট
প্রচ্ছদ শিল্পীঅ্যালফ্রেড গার্থ জোনস
দেশযুক্তরাজ্য
ভাষাইংরেজি
ধারাবাহিকশার্লক হোমস
ধরনগোয়েন্দা সাহিত্য
প্রকাশিত১৯০২
প্রকাশকজর্জ নিউনস
প্রকাশনার তারিখ
১৯০২[১]
বাংলায় প্রকাশিত
১৯৩২-৩৩
পূর্ববর্তী বই"শেষ সমস্যা " (শার্লক হোমসের স্মৃতিকথা গ্রন্থের শেষ গল্প) 
পরবর্তী বই'শার্লক হোমস ফিরে এলো 

বাস্কারভিলের কুকুর (দ্য হাউন্ড অফ দ্য বাস্কারভিলস) হল স্যার আর্থার কোনান ডয়েল রচিত শার্লক হোমস ধারাবাহিকের তৃতীয় গোয়েন্দা উপন্যাস। ১৯০১ সালের অগস্ট মাস থেকে ১৯০২ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই উপন্যাসটি প্রথম দ্য স্ট্র্যান্ড ম্যাগাজিন-এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসের পটভূমি ছিল ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট কান্ট্রিতে অবস্থিত ডেভনের ডার্টমুর। মূল কাহিনীটি অলৌকিক উপায়ে জাত একটি বিকটদর্শন নারকীয় হাউন্ডের কিংবদন্তি থেকে অনুপ্রাণিত হত্যা-প্রচেষ্টার গল্প। শার্লক হোমস ও তার সঙ্গী ডক্টর ওয়াটসন এই কেসটির তদন্ত করেন। "শেষ সমস্যা" গল্পে আপাতদৃষ্টিতে প্রতীয়মান হোমসের মৃত্যুর এই উপন্যাসেই হোমসকে আবার দেখা যায় এবং বাস্কারভিলের কুকুর উপন্যাসটির সাফল্যই এরপর শার্লক হোমস চরিত্রটিকে ফিরিয়ে আনেন ডয়েল।

২০০৩ সালে যুক্তরাজ্যের "বেস্ট-লভড নভেল" তালিকার বিবিসি’র দ্য বিগ রিড সমীক্ষায় ২০০টি উপন্যাসের মধ্যে এই উপন্যাসটি ১২৮তম স্থান অধিকার করে।[২] ১৯৯৯ সালে ১০০ জন শার্লকিয়ান গবেষকের একটি যথাযথ রেটিং অনুসারে এই উপন্যাসটিকে সর্বশ্রেষ্ঠ হোমস উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।[৩]

বাংলা অনুবাদ[সম্পাদনা]

এই বইটি ১৯৩২-৩৩-এ ‘বাস্কারভিলের কুকুর’ নামে হোমস-কাহিনির অনুবাদ করেছিলেন কুলদারঞ্জন রায়। তার পরে প্রেমাঙ্কুর আতর্থী ‘জলার পেতনি’ নামে বইটি অনুবাদ করেছিলেন।[৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Facsimile of the 1st edition (1902)"। S4ulanguages.com। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০১০ 
  2. "BBC - The Big Read". BBC. April 2003, Retrieved 31 October 2012
  3. "The Best Sherlock Holmes Stories"। Bestofsherlock.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০৬-২৩ 
  4. "পুস্তক পরিচয় ১..."। আনন্দবাজার পত্রিকা। ৮ অক্টোবর ২০১১। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]