বাসর লতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

ইংরেজিতে মায়সুর ক্লক ভাইন বা শুধু ক্লক ভাইন নামেও পরিচিত বাসর লতা। এটি দক্ষিণ ভারতের স্হানীয় গাছ[১]

বাসর লতা
Thunbergia mysorensis Cairns.jpg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
(শ্রেণীবিহীন): Angiosperms
(শ্রেণীবিহীন): Eudicots
(শ্রেণীবিহীন): Asterids
বর্গ: Lamiales
পরিবার: Acanthaceae
গণ: Thunbergia
প্রজাতি: T. mysorensis
দ্বিপদী নাম
Thunbergia mysorensis
(Wight) T.Anderson ex Bedd.1865

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

বর্ণনা[সম্পাদনা]

বাসর লতার লতানো অংশ দেখতে অনেকটা মাধবী লতার মতো। শক্ত লতানো গাছ বাসর লতা সাধারণত ১০ মিটার পযর্ন্ত লম্বা হতে পারে। এ গাছের ফুল পুরোপুরিভাবে খোলে না। পাতার বিন্যাস বিপ্রতীপ, লম্বাটে, গভীর শিরাযুক্ত। পাতার দৈঘ্য ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার। বাসর লতার ঝুলন্ত মঞ্জরিতে তামাটে-লাল ফুল থাকে প্রায় সারা বছর[২]

বংশ বিস্তার[সম্পাদনা]

বীজের মাধ্যমে এর বংশ বিস্তার ঘটানো হয়।তবে সহজ হলো কাটিং পদ্ধতি অবলম্বন করা।কাটিং এর উপযিক্ত সময় বসন্তকাল। দুই সন্ধি ও দুই পাতাবিশিষ্ট লতা সংগ্রহ করে টবে সাধারণ দোয়াশ মাটিতে লাগালেই হবে[৩]

ব্যবহার[সম্পাদনা]

এ গাছ জ্বর, কৃমিরোগ, হার্ট ও ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসা ও বিষনাশক হিসাবে ব্যবহার করা যায়।রোগপ্রতিষেধক গুণসম্পন্ন এই লতার ব্যাক্টেরিয়া ও ফাঙ্গাস বিনাশ করার ক্ষমতা সম্পর্কে জানা গেছে[৪]

প্রাপ্তিস্থান[সম্পাদনা]

আমাদের দেশে বাসর লতার পরিচিতি কম । তবু কোথাও কোথাও এদের দেখা মিলে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্এডেনে এদের দেখা পাওয়া যাবে। বাসর লতা আছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গাডের্নেও। হলিক্রস স্কুল, বরিশাল অক্সফোর্ড মিশন হাউস ও ঢাকা সেন্ট যোশেফ হাই স্কুলে বাসর লতার আরও কয়েকটি গাছ আছে। এ ছাড়া বাসর লতা খুব একটা সহজলভ্য নয়। বাসর লতা দক্ষিণ ভারতের নীলগিরি পাহাড়ের কন্যাকুমারী অঞ্চলে অন্তত ৯০০ মিটার উচ্চতায় প্রাকৃতিকভাবেই জন্মে[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]