বাশ তাপিয়া দুর্গ
| বাশ তাপিয়া দুর্গ | |
|---|---|
باشطابيا | |
| মসুল, ইরাক | |
২০১৪ সালে বাশ তাপিয়া দুর্গের ধ্বংসাবশেষ | |
| স্থানাঙ্ক | ৩৬°২১′১৯.৪″ উত্তর ৪৩°৭′১৭.৭″ পূর্ব / ৩৬.৩৫৫৩৮৯° উত্তর ৪৩.১২১৫৮৩° পূর্ব |
| ধরন | দুর্গ |
| ভবন/স্থাপনা/ক্ষেত্রের তথ্য | |
| অবস্থা | ধ্বংসাবশেষ |
| ভবন/স্থাপনা/ক্ষেত্রের ইতিহাস | |
| নির্মিত | ১২শ শতাব্দী |
| উপকরণ | পাথর এবং স্টুকো |
| পরিণতি | আংশিক ধ্বংস, ২০১৫ |
| যুদ্ধ | অটোমান-পারস্য যুদ্ধ (১৭৪৩–৪৬) |
বাশ তাপিয়া দুর্গ (আরবি: باشطابيا) হল একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ১২শ শতকের দুর্গ, যা মোসুল, ইরাক-এ তিগ্রিস নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। এটি বাশতাবিয়া দুর্গ বা পাশতাবিয়া দুর্গ নামেও পরিচিত। দুর্গটি মোসুলের নগরপ্রাচীরের একটি অংশ গঠন করত। ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ত (আইএসআইএল) ২০১৫ সালের এপ্রিলে এটি আংশিকভাবে ধ্বংস করে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]বাশ তাপিয়া দুর্গ ১২শ শতাব্দীতে মোসুল নগরপ্রাচীরের অংশ হিসেবে নির্মিত সাতটি দুর্গের মধ্যে একটি ছিল। ১৩৯৩ সালে তৈমুর এটি ক্ষতিগ্রস্ত করেন। পরে এটি অটোমান সাম্রাজ্য দ্বারা পুনর্নির্মিত হয়।[১]
বাশ তাপিয়া দুর্গ অটোমান-পারস্য যুদ্ধ (১৭৪৩–৪৬) চলাকালীন মোসুল অবরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। অবরোধটি শুরু হয় ১৭৪৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, যখন পারস্যের শাহ নাদির শাহ শহরে প্রবেশ করে। মোসুলের পাসা হাজ্জি হোসেইন আল জালিলি শহরটি সফলভাবে রক্ষা করেন এবং ১৭৪৩ সালের ২৩ অক্টোবর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।[২]
দুর্গের ধ্বংসাবশেষ একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান হিসেবে পরিগণিত হয়।[৩] এটি মোসুলের নগরপ্রাচীরে রয়ে যাওয়া অল্পসংখ্যক অংশগুলোর মধ্যে অন্যতম।[৪][৫] দুর্গটি মসুলের উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হিসেবে পরিচিত।[৬]
ধ্বংস
[সম্পাদনা]মোসুলের পতনের পর ২০১৪ সালের ১০ জুন ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ত (আইএসআইএল) শহরটি দখল করে। দুর্গটি যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০১৫ সালের এপ্রিলে ইরাকি পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুসারে দুর্গটি আইএসআইএল দ্বারা ধ্বংস করা হয়। তাদের দ্বারা ধ্বংস করা বহু ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার মধ্যে অন্যতম স্থাপনা এটি।[৬][৭]
২০১৬ সালে আইএসআইএল কর্তৃক প্রকাশিত ছবিগুলোতে দুর্গের কিছু অংশ অবশিষ্ট থাকতে দেখা যায়।[৮]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "মোসুলের ইতিহাস"। mosulbaladiya.gov.iq। ২৪ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৫।
- ↑ Sicker, Martin (২০০১)। The Islamic World in Decline: From the Treaty of Karlowitz to the Disintegration of the Ottoman Empire। ওয়েস্টপোর্ট: Greenwood Publishing Group। পৃ. ৬৩। আইএসবিএন ০২৭৫৯৬৮৯১X।
- ↑ "আইএসআইএস মোসুলে বাশতাবিয়া দুর্গ উড়িয়ে দিয়েছে"। Shafaq News। ৮ এপ্রিল ২০১৫। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "ইরাক, মেসোপটেমিয়ায় ভ্রমণ"। busaroundglobe.com। ৩০ নভেম্বর ২০০৩। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "ইরাকের ঐতিহ্য"। ISESCO। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৫।
- 1 2 "ISIS destroy ancient Bashtabiya Castle in Mosul"। RUDAW। ৮ এপ্রিল ২০১৫। ১ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Боевики "Исламского государства" взорвали древний замок Баш Тапия в иракском Мосуле (রুশ ভাষায়)। TASS। ৮ এপ্রিল ২০১৫। ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "আইএসআইএস মসুল দুর্গের পর্যটন ছবি প্রকাশ করেছে"। Heavy.com। ১৮ এপ্রিল ২০১৬। ২২ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।