বার্দো জাতীয় জাদুঘর
তিউনিসের বারদো জাদুঘর, তিউনিসিয়া | |
![]() | |
| স্থাপিত | ৭ মে ১৮৮৮ |
|---|---|
| অবস্থান | লে বারদো, তিউনিস, তিউনিসিয়া |
| ধরন | জাতীয় জাদুঘর |
| সংগ্রহের আকার | প্রাগৈতিহাসিক যুগ এবং আদিযুগ লিবিকো-পিউনিক ইসলামিক হেলেনীয় রোমান |
| পরিদর্শক | ৬৬৪,৮৯১ (২০০৫) |
| তত্ত্বাবধায়ক | মোনসেফ বেন মুসা |
| ওয়েবসাইট | www |
বারদো জাতীয় জাদুঘর ( আরবি: المتحف الوطني بباردو ; ফরাসি: Musée national du Bardo ) অথবা বার্দো প্রাসাদ হল তিউনিসিয়ার তিউনিস শহরের উপকণ্ঠে লে বারদোতে অবস্থিত একটি জাদুঘর।
এটি ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাদুঘরগুলির মধ্যে একটি এবং সমৃদ্ধ সংগ্রহের দিক থেকে কায়রোর মিশরীয় জাদুঘরের পরে আফ্রিকা মহাদেশের দ্বিতীয় জাদুঘর।[১] এটি তিউনিসিয়ার ইতিহাসকে বহু সহস্রাব্দী ধরে এবং বিভিন্ন সভ্যতার মধ্য দিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের বিস্তৃত বৈচিত্র্যের মাধ্যমে তুলে ধরে।
৮৬০-এর দশকে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পুত্র মুহাম্মদ খাজনাদার প্রথম এই জাদুঘরের প্রস্তাব করেন।[২] ১৮৮৮ সাল থেকে এটি একটি পুরোনো বেলিকাল প্রাসাদে অবস্থিত। এখানে দেশে প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা শুরু হওয়ার পর থেকে আবিষ্কৃত অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের প্রদর্শনী হয়ে আসছে। এই ঐতিহাসিক ভবনটি তিউনিসিয়ার নিম্নকক্ষ, জনগণের প্রতিনিধি পরিষদের আসন হিসেবেও কাজ করে। প্রথমে এটি আলাউই জাদুঘর নামে পরিচিত ছিল। যা তৎকালীন শাসক এর নামে নামকরণ করা হয়েছিল। দেশের স্বাধীনতার পর এটি বারদো জাদুঘর নামে পরিচিতি লাভ করে। যদিও এই নামটি স্বাধীনতার আগেও ব্যবহৃত হতো।
জাদুঘরটিতে রোমান মোজাইকের বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগ্রহশালার একটি রয়েছে। এখানে কার্থেজ, হাদ্রুমেটাম, ডুগ্গা এবং উটিকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে খননকার্যের মাধ্যমে পাওয়া গেছে। সাধারণত, বারদোর মোজাইক, যেমন ভার্জিল মোজাইক, রোমান আফ্রিকার দৈনন্দিন জীবন নিয়ে গবেষণার জন্য একটি অনন্য উৎস। রোমান যুগের, জাদুঘরে কার্থেজ এবং থুবুরবো মাজুস সহ বিভিন্ন স্থানে পাওয়া দেবতা এবং রোমান সম্রাটদের প্রতিনিধিত্বকারী মার্বেল মূর্তির একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহ রয়েছে।
জাদুঘরে লিবিকো-পিউনিক স্থানগুলোর খননকার্য থেকে প্রাপ্ত নিদর্শনও রয়েছে, যার মধ্যে কার্থেজ অন্যতম। যদিও কার্থেজের জাতীয় জাদুঘর হল কার্থেজের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের প্রাথমিক জাদুঘর। এই বিভাগের অপরিহার্য জিনিসপত্র হল মুখোশ, টেরাকোটার মূর্তি এবং সেমেটিক লিপিবিদ্যার জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্টিল, এবং পুরোহিত এবং শিশুর স্টিল। জাদুঘরে বিশেষ করে মাহদিয়ার জাহাজ ধ্বংসাবশেষের খননকালে আবিষ্কৃত গ্রীক শিল্পকর্মও রয়েছে,যার প্রতীকী নিদর্শন হল সমুদ্রে ক্ষয়প্রাপ্ত আফ্রোদিতির মার্বেল মূর্তি আছে ।
দর্শক ধারণ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সংগ্রহের উপস্থাপনা উন্নত করতে, জাদুঘরটি একটি বৃহৎ প্রকল্পের অধীনে রয়েছে। যা প্রথমে ২০১১ সালে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল কিন্তু তিউনিসিয়ার বিপ্লবের কারণে ২০১২ সালে শেষ হয়। এই কাজের মধ্যে রয়েছে নতুন ভবন যোগ করে প্রদর্শনী এলাকা বৃদ্ধি এবং সংগ্রহগুলো পুনর্বিন্যাস করা। প্রকল্পটির লক্ষ্য জাদুঘরটিকে একটি উচ্চমানের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত করা, যাতে দর্শকরা সেখানে রাখা শিল্পকর্মগুলো পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেন।
২০১৫ সালের ১৮ মার্চ, একটি ইসলামপন্থী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জাদুঘরে হামলা চালায় এবং ভবনের মধ্যে পর্যটকদের জিম্মি করে। এই হামলায় ২২ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২১ জন ছিলেন বিদেশি পর্যটক। হামলার দায় স্বীকার করে আইএস।
অবস্থান এবং বর্ণনা
[সম্পাদনা]



বারদো জাতীয় জাদুঘরের ভবনটি মূলত ১৫শ শতাব্দীর হাফসিদ রাজবংশের একটি প্রাসাদ ছিল। প্রাসাদটি তিউনিসের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
বার্দো ভূমধ্যসাগরীয় অববাহিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাদুঘরগুলির মধ্যে একটি এবং মিশরীয় জাদুঘরের পরে আফ্রিকা মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জাদুঘর। এটি তিউনিসিয়ার ইতিহাসকে বহু সহস্রাব্দ ধরে এবং বিভিন্ন সভ্যতার মধ্য দিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের বিস্তৃত বৈচিত্র্যের মাধ্যমে প্রকাশ করে।। প্রথমে এটি আলাউই জাদুঘর (المتحف العلوي) নামে পরিচিত ছিল। দেশের স্বাধীনতার পর থেকেই এটি বারদো জাদুঘর নামে পরিচিতি লাভ করে।
ইসলামী বিভাগে কাইরুয়ানের নীল কুরআনের মতো বিখ্যাত কাজ ছাড়াও উত্তর আফ্রিকা এবং আনাতোলিয়ার সিরামিকের একটি সংগ্রহ রয়েছে।
বারদো বিশ্বের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট এবং বৃহৎ রোমান মোজাইক সংগ্রহগুলোর একটি সমন্বয় করেছে। যা ২০শ শতাব্দীর শুরু থেকে দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোতে খননকার্যের মাধ্যমে পাওয়া গেছে। যার মধ্যে রয়েছে কার্থেজ, হাদ্রুমেটাম, ডুগ্গা এবং উটিকা। এই মোজাইকগুলো রোমান আফ্রিকার দৈনন্দিন জীবন নিয়ে গবেষণার জন্য একটি অনন্য উৎস। জাদুঘরে আরও রয়েছে দেবতা ও রোমান সম্রাটদের প্রতিনিধিত্বকারী মার্বেল মূর্তির একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহ, যা কার্থেজ এবং থুবুর্বো মাজুসের মতো বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বারদোতে মূলত কার্থেজ থেকে লিবিকো-পিউনিক স্থানগুলোর খননকার্য থেকে প্রাপ্ত সমৃদ্ধ নিদর্শনও রয়েছে। এই বিভাগের প্রধান অংশগুলি হল মুখোশ, পোড়ামাটির মূর্তি এবং সেমেটিক লিপির জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় স্টিলা, যার মধ্যে পুরোহিত এবং শিশুর স্টিলা সবচেয়ে বিখ্যাত। জাদুঘরে বিশেষ করে মাহদিয়া জাহাজের খননকাজে আবিষ্কৃত গ্রীক শিল্পকর্মও রয়েছে। শিল্পকর্মের প্রতীকী নিদর্শন[কার মতে?] হল আফ্রোডাইটের একটি মার্বেল আবক্ষ মূর্তি।[স্বীকৃতিপ্রদান প্রয়োজন]
জাদুঘরটি একটি বড় সংস্কার প্রকল্পের মধ্য দিয়ে গেছে। ২০১২ সালে সংস্কার সম্পন্ন হয়। তবে তিউনিসিয়ার বিপ্লবের কারণে এটি বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। এই সম্প্রসারণে কমপ্লেক্সে ৯,০০০ বর্গমিটার যোগ করা হয়েছে। ফ্রান্সের এসসিপিএ কোডু-হিন্ডলি এবং তিউনিসিয়ার আমিরা নুইরা কমপ্লেক্সটির নকশা আকা হয়েছে। এর জন্য উল্লেখযোগ্য অর্থায়ন এসেছে বিশ্বব্যাংক থেকে।[৩]
সংগ্রহ
[সম্পাদনা]এতে প্রাচীন গ্রিস, কার্থেজ, তিউনিসিয়া এবং ইসলামিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন নিদর্শনসহ রোমান মোজাইকের বৃহৎ রয়েছে। জাদুঘরটি প্রাগৈতিহাসিক নিদর্শন থেকে শুরু করে আধুনিক গহনা পর্যন্ত বিভিন্ন বস্তু প্রদর্শন করে।
২০১৫ সন্ত্রাসী হামলা
[সম্পাদনা]২০১৫ সালের ১৮ মার্চ, তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে অবস্থিত বার্দো জাতীয় জাদুঘরে এক সন্ত্রাসী হামলায়[৪][৫] ২৪ জন নিহত হন। তখন তিনজন সন্ত্রাসী সিভিল পোশাকে জাদুঘরে হামলা চালিয়ে জিম্মি করে ফেলে।[৬] ঘটনাস্থলে ২১ জন, যাদের বেশিরভাগই ইউরোপীয় পর্যটক, নিহত হন। আরও একজন ১০ দিন পর মারা যান। প্রায় ৫০ জন আহত হন। এই হামলাটি প্যারিসে শার্লি হেবদো হামলার পরপরই ঘটে। সেখানে অনেক সাংবাদিক নিহত হয়েছিলেন।[৪][৫][৭] দুই বন্দুকধারী, তিউনিসিয়ার নাগরিক ইয়াসিন লাবিদি ও সাবের খাচনাউই পুলিশের গুলিতে নিহত হন। আর তৃতীয় হামলাকারী তখনও পলাতক ছিল।[৮] পুলিশ এই ঘটনাটিকে একটি সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বিবেচনা করে।[৯][১০] এটি ছিল তিউনিসিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলা। এ হামলা ২০০২ সালের ঘরিবা উপাসনালয় বোমা হামলাকে ছাড়িয়ে যায়। যেখানে ১৯ জন নিহত এবং ৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিল।[৭][১১]
গ্যালারি
[সম্পাদনা]"কার্থাজিনিয়ান শিল্প"
[সম্পাদনা]- অ্যানথ্রোপোমরফিক অ্যাম্ফোরা
- কার্থাজিনিয়ান শিশুর বোতল। রঙ করা অলংকরণ: চোখ; পামেট; তানিত....... খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দী
- সিংহাসনে বসে থাকা বাল হামনের মূর্তি
- তানিত লিওন্টোসেফালাসের মূর্তি
- পিউনিক গয়না
- কসোর এস-সাফ থেকে কার্থাজিনিয়ান বর্ম
- স্টিলের উপর বোতলের মূর্তি
- তানিতের স্টেল (উর্বরতার কার্থাজিনিয়ান দেবী)
- পুনিক মূর্তি
- দেবতার মূর্তি সহ কার্থেজিনিয়ান গ্রানাইট নুড়ি। খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দী
- ক্ষুদ্রাকৃতির পিউনিক চ্যাপেল (naïskos)
- ১৯২১ সালে কার্থেজে আবিষ্কৃত পুরোহিতের স্টিল। (খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দী। জে.-সি.)।
- পিউনিক গয়না
- ডিমেটারের মূর্তি
- খঞ্জনী ধরে থাকা করোপ্লাথ মূর্তি
- সিংহের মাথাওয়ালা দেবী তানিতের পিউনিক মূর্তি। খ্রিস্টীয় ১ম শতাব্দী
- পিউনিক স্টেলা
- Salammbô এর tophet এর Stele
- তানিত দেবীর ভাস্কর্য
- বার্ডের উদ্দেশ্যে কলস
- খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৫ম শতাব্দীর শেষের দিকে, কার্থেজের প্রোটোমে নেক্রোপলিস নামে পরিচিত একটি সমাধিতে পাওয়া মিশরীয় ধাঁচের মহিলা মুখোশ।
"বিখ্যাত মোজাইক"
[সম্পাদনা]- ইউলিসিস মোজাইকের বিস্তারিত
- মদের বোতলের মোজাইক
- ইউলিসিস মোজাইক
- নেপচুন রোমান মোজাইক
- রাশিচক্র মোজাইক
- সিগনর জুলিয়াস মোজাইক, খ্রিস্টীয় ৫ম শতাব্দী, কার্থেজ
- তার টয়লেটে ম্যাট্রন, সিই চতুর্থ শতাব্দী, কার্থেজ
- একটি বন্য শুয়োর এবং কুকুরের মোজাইক। খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতাব্দী
- ক্লিও এবং মেলপোমেনের মাঝখানে অবস্থিত ভার্জিলের মোজাইক (হাদ্রুমেটাম সোসে থেকে)। খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতাব্দী।
- শিকারের দৃশ্যের মোজাইক। খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী
- রোমান খ্রিস্টীয় মোজাইক, ইটভাটার কাজ। খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দী
- "ক্রিসেন্টিনাস ডায়াকোনাস" এর রোমান মোজাইক, যা খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীর। শিলালিপিটির অনুবাদ: "দেবদূতদের বাহিনী, শহীদদের গণনা, এবং শান্তিপূর্ণ জীবন যাপনকারী, তিনি পবিত্রভাবে আপনার কাছে যান। আমাদের স্মৃতি, ডিকন ক্রেসেন্টিনাস যে করুণ ধার্মিকতার সাথে অভ্যস্ত, সেই সাথে তৃতীয় আগস্টাস ক্যালেন্ডসে শান্তিতে ফিরে এসেছিল।"
- "সিংহদের মধ্যে ড্যানিয়েল" নামে একটি রোমান খ্রিস্টীয় মোজাইক। খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দী
বিখ্যাত ভাস্কর্য
[সম্পাদনা]- রোমান স্মারক ভাস্কর্য, যেখানে মৃত ব্যক্তি হারকিউলিসের পোশাক পরে আছেন। খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতাব্দী
- মিনিয়া প্রকুলা, রোমান ভাস্কর্য। সিই ২য় শতাব্দী।
- মিনার্ভার রোমান ভাস্কর্য। খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী
- সাটার্নের রোমান ভাস্কর্য। খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী
- দ্বিতীয় শতাব্দীর সেরেস ডায়াডেমিয়ার রোমান ভাস্কর্য
- ডেলফিক ট্রাইপডের উপর হেলান দিয়ে থাকা অ্যাপোলোর রোমান ভাস্কর্য। খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী।
- শুক্র এবং ইরোস, শুক্র এবং ইরোসের রোমান ভাস্কর্য, সিআর দ্বিতীয় শতাব্দী
- শুক্র পুডিকার ভাস্কর্য, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী
- গ্যানিমিডের ভাস্কর্য, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী
- বিশাল মাথা, বৃহস্পতির ভাস্কর্য, খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতাব্দী
- জুপিটার সেরাপিও, সিই ২য় শতাব্দী
- বৃহস্পতির ভাস্কর্য, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী
- বাক্কাসের ভাস্কর্য, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী
- শিশুকালে ডায়োনিসাসের ভাস্কর্য, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী
- সম্রাজ্ঞী ফাউস্টিনা দ্বিতীয় মূর্তির ভাস্কর্য, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী
- হারকিউলিসের ভাস্কর্য, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী
- মাতাল হারকিউলিসের ভাস্কর্য, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী
- প্রাচুর্যের ভাস্কর্য, খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতাব্দী
- Concordia Pantea এর ভাস্কর্য, CE ২য় শতাব্দী
নিচতলার টুকরো
[সম্পাদনা]- কেন্দ্রে ব্যাপটিস্ট্রি সহ প্রাথমিক খ্রিস্টীয় কক্ষ
- জাদুঘরের প্রবেশদ্বার
- দর্শনার্থীদের দ্বারা পরিপূর্ণ শবাধারের হলওয়ে।
- প্রথম তলায় প্রবেশের দরজা
আলথিবুরোস রুমের ফ্রেস্কো এবং ছাদ
[সম্পাদনা]- অভ্যন্তরীণ বারান্দায় ফ্রেস্কো
- বে প্রাসাদের ছাদ
ওড়না ঘরের ছাদ
[সম্পাদনা]- ওডনা রুমের রঙ করা সিলিং।
- রঙ করা কাঠের সিলিং।
- আলথিবুরোস কক্ষের রঙ করা এবং সোনালী রঙে মোড়ানো সিলিং।
সুস রুমের ছাদ
[সম্পাদনা]- মোজাইক হলের গম্বুজযুক্ত সিলিং
- ১৮৭০ সালের পূর্বে বার্দো প্রাসাদের কিছু অংশ, লে বার্দো
ভার্জিল রুমের ছাদ
[সম্পাদনা]- স্টুকো দিয়ে সজ্জিত ছাদ
- ভার্জিল ঘরের সিলিং
- বে'র অ্যাপার্টমেন্ট, ভার্জিল নামে পরিচিত কক্ষ, সোসের মোজাইকের নামানুসারে যা ২০১০ সালের সিই পর্যন্ত উন্মুক্ত ছিল।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Zaiane, Selma (২০০৮)। "Le musée national du Bardo en métamorphose. Pour une nouvelle image du tourisme culturel tunisien et de nouveaux visiteurs": ২।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Moumni, Ridha (২০২০)। "Archaeology and Cultural Policy in Ottoman Tunisia Part I: Muhammad Khaznadar (1865–70)"। Brill: ২৬৫–২৮৯। ডিওআই:10.1163/22118993-00371P10। আইএসএসএন 0732-2992। জেস্টোর 27141540। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২৪।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Daniel E. Coslett, "Heritage, Tourism, and the Challenges of Postcolonial Globalization at Tunis' Bardo Museum", in Neocolonialism and Built Heritage, ed. Daniel E. Coslett (New York: Routledge, 2020), 191–216.
- 1 2 "The Latest: French President Mourns Tunisia Victims"। The New York Times। ১৮ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০১৫।
- 1 2 "Museum attack a 'great calamity' for Tunisia's young democracy"। Los Angeles Times। ১৮ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "Thousands of Tunisians, leaders march after Bardo attack"। Reuters। ২৯ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০১৫।
- 1 2 Death toll rises to 23, msn.com; accessed 19 March 2015.
- ↑ "Third Tunisia museum attacker 'on the run', says president"। Yahoo! News। ২২ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "21 dead in Tunisia attack, Including Gunmen"। aljazeera.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০১৫।
- ↑ Marszal, Andrew (১৮ মার্চ ২০১৫)। "Gunmen 'take hostages' in attack on Tunisia parliament."। The Telegraph। ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "Tunisia Museum Attack Is Blow to Nation's Democratic Shift"। New York Times। ১৮ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০১৫।
