বানৌজা সংগ্রাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইতিহাস
বাংলাদেশ
নাম: বানৌজা সংগ্রাম
নির্মাণাদেশ: ২১ জুলাই ২০১৫
নির্মাতা: উচ্যাং শিপইয়ার্ড
নির্মাণের সময়: ০৯ অগাস্ট ২০১৬
অভিষেক: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
অর্জন: ০৩ এপ্রিল ২০১৯
শনাক্তকরণ: পরিচিতি সংখ্যাঃ এফ১১৩
সাধারণ বৈশিষ্ট্য
প্রকার ও শ্রেণী: টাইপ ০৫৬ কর্ভেট
ওজন: ১৩৩০ টন
দৈর্ঘ্য: ৯০ মিটার (৩০০ ফু)
প্রচালনশক্তি:
  • ২ x এসইএমটি পিয়েলসটিক ডিজেল ইঞ্জিন
  • ২ x শ্যাফট
গতিবেগ: ২৫ নট (৪৬ কিমি/ঘ; ২৯ মা/ঘ)
সেন্সর এবং
কার্যপদ্ধতি:
এসআর২৪১০সি এস-ব্যান্ড রাডার
রণসজ্জা:
  • ১ x এইচ/পিজে-২৬ ৭৬ মিমি কামান
  • ২ x এইচ/পিজে-১৭ ৩০ মিমি কামান
  • ২ x ২ সি-৮০২এ জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র
  • ১ x ৮ এফএল-৩০০০এন আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র
বিমানচালানর সুবিধাসমূহ: হেলিকপ্টার ডেক

বানৌজা সংগ্রাম বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি টাইপ ০৫৬ শ্রেণির রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রবাহি কর্ভেট। জাহাজটি চীনের উচ্যাং শিপইয়ার্ডে তৈরি। জাহাজটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যুক্ত হওয়া এই শ্রেণির তৃতীয় জাহাজ।

নকশা[সম্পাদনা]

জাহাজটি দৈর্ঘ্যে ৯০ মিটার (৩০০ ফু) লম্বা এবং ওজন ১৩৩০ টন। জাহাজটিতে দুইটি জার্মানির তৈরি এসইএমটি পিয়েলসটিক ডিজেল ইঞ্জিন রয়েছে যার সাহায্যে সে সর্ব্বোচ্চ ২৫ নট (৪৬ কিমি/ঘ; ২৯ মা/ঘ) গতিবেগে চলতে সক্ষম।. জাহাজটিতে সামনে ও পিছনে দুইটি আলাদা শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে এবং একটি অকার্যকর হয়ে পড়লেও অন্যটির সাহায্যে জাহাজটি কার্যক্রম চালাতে সক্ষম। চিরাচরিত গোলাকার সম্মুখভাগের পরিবর্তে জাহাজটিকে ভি-আকৃতিতে তৈরি করা হয়েছে যাতে উত্তাল সমূদ্রেও দ্রুতগতিতে চলতে পারে। কিন্তু জাহাজটিতে কোন সোনার না থাকায় এটি ডুবজাহাজ-বিধ্বংসী কার্যকম চালাতে সক্ষম নয়। বানৌজা সংগ্রামে একটি হেলিকপ্টার ডেক রয়েছে যেখানে একটি মধ্যম আকৃতির হেলিকপ্টার ওঠানামা করতে পারে তবে এতে কোন হ্যাঙ্গার নেই।

ইলেক্ট্রনিক্স[সম্পাদনা]

জাহাজটি সমুদ্রপৃষ্ঠ ও আকাশে অনুসন্ধানের জন্য চীনের তৈরি এসআর২৪১০সি এস-ব্যান্ড ৩ডি এইএসএ রাডার ব্যাবহার করে।[১] পাশাপাশি হেলিকপ্টার উড্ডয়ন ও অবতরন নিয়ন্ত্রণ এবং গোলাবর্ষণ নিয়ন্ত্রণের জন্যও এই রাডার ব্যাবহার করা যায়। এই রাডারটি ১৫০ কিলোমিটার (৯৩ মা) দূর থেকে লক্ষ্যবস্তুকে সনাক্ত করতে পারে এবং একসঙ্গে ১৫০টি লক্ষ্যবস্তুকে অনুসরণ করতে পারে।[২]

অস্ত্রসজ্জা[সম্পাদনা]

জাহাজটিতে একটি এইচ/পিজে-২৬ ৭৬ মিমি কামান রয়েছে যা জাহাজের সম্মুখভাগে বসানো হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠে থাকা হুমকি মোকাবেলা করার জন্য রয়েছে চারটিসি-৮০২এ জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। জাহাজটির নিজস্ব প্রতিরক্ষার জন্য রয়েছে দুইটি এইচ/পিজে-১৭ ৩০ মিমি দূর-নিয়ন্ত্রিত কামান। আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য রয়েছে ৮টি এফএল-৩০০০এন বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "China launches third Type C13B corvette for Bangladesh Navy"Janes 360 (ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০১৮ 
  2. "China's CSSC launches C-13B corvette for Bangladesh"। Quwa। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮