বাদুরতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মাদ্রাসা ভবন
মাদ্রাসার মূল ভবন।
বাদুরতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা
অবস্থান
বাদুরতলা, হাড়িটানা, পাথরঘাটা, বরগুনা
বাংলাদেশ
তথ্য
ধরনবেসরকারী
শ্রেণীশ্রেণী ১-৮
শিক্ষার্থী সংখ্যাপ্রায় ২৫০

বাদুরতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা বাংলাদেশের বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার একটি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা।[১]

বাদুরতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা ৩.jpg

জনৈক মরহুম আদম আলী ফরাজি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন একটি মক্তব, যার বর্ধিত রূপ বাদুরতলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা। আধুনিককালে এসে মুহম্মদ জাকারিয়া নামের একজন ব্যক্তির উদ্যোগে রূপ নেয় ইবতেদায়ী মাদ্রাসায়। ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ১০ কাঠা জমির উপর গড়ে ওঠে এ মাদ্রাসা। ২০১৮ সালে চালু হয়েছে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম। এর আগে এখানকার শিক্ষার্থীরা ২০১৭ সালে ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে শতকরা ১০০ ভাগ পাস সহ অসাধারণ ফলাফল অর্জন করে। ২ তলা ভিত্তির উপর সেমিপাকা এই ভবনটিই অত্র এলাকার অন্যতম ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

অবস্থান[সম্পাদনা]

মাদ্রাসাটি বাংলাদেশের বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার বাদুরতলা গ্রামে, ফরাজি বাড়ির সম্মুখে অবস্থিত৷

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এক সময় মাদ্রাসাটি ছিল মক্তব সংযুক্ত এতিমখানা৷ যেটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মরহুম আদম আলি ফরাজি৷ তখনকার সমাজ ব্যবস্থায় এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে সামান্য শিক্ষার আলো পৌঁছানোর জন্য এটি ছিল যথেষ্ট যুগোপযোগি উদ্যোগ। তিঁনি মৃত্যুর আগে মাদ্রাসার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পাঁচ কাঠা জমি দান করেন। তার মৃত্যুর পর তারই ছেলে ক্বারি আব্দুর রউফ ফরাজি দীর্ঘদিন এ মাদ্রাসা পরিচালনা করেন। ২০১৭ সালের ১লা জানুয়ারিতে, মুহম্মদ জাকারিয়া নামের একজন বিচারকের উদ্যোগে আরো পাঁচ কাঠা জমি সংযুক্ত করে মোট দশ কাঠা জমির উপর ইবতেদায়ী পঁঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।[২] ২০১৮ সালে তা সম্প্রসারণ করে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত করা হয়।

ব্যবস্থাপনা[সম্পাদনা]

মাদ্রাসাটি একজন সভাপতি সহ মোট ৬ সদস্যের কমিটি দ্বারা পরিচালিত হয়।

শিক্ষকবৃন্দ[সম্পাদনা]

মাদ্রাসাটিতে একজন অধ্যক্ষ এবং ৭ জন সাধারণ শিক্ষক রয়েছে।

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

এ মাদ্রাসাটি ১০ কাঠা জমির উপর অবস্থিত একটি সেমি পাকা ভবন। এখানে ৮ টি আলাদা শ্রেণীকক্ষ ছাড়াও রয়েছে একটি অফিস কক্ষ। ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলার জন্য রয়েছে একটি বড় খেলার মাঠ। মাঠের অপর পাশে রয়েছে একটি পুকুর।

শিক্ষা কার্যক্রম[সম্পাদনা]

এ মাদ্রাসায় জাতীয় শিক্ষা নীতি অনুসরন করে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

ফলাফল ও কৃতিত্ব[সম্পাদনা]

২০১৭ ও ২০১৮ সালে এ মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরা ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপণি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এ প্লাস শতভাগ উত্তীর্ণ হওয়ার রেকর্ড অর্জন করে। এছাড়া ২০১৮ সালের জেডিসি পরীক্ষায় ৯৯ ভাগ ছাত্রছাত্রী উত্তীর্ণ হয়।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)" |ইউআরএল= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)http (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. প্রসপেক্টাস, ২০১৮।