বাঘা জাদুঘর

স্থানাঙ্ক: ২৪°১১′৫৩″ উত্তর ৮৮°৫০′২৪″ পূর্ব / ২৪.১৯৮১১° উত্তর ৮৮.৮৩৯৯২° পূর্ব / 24.19811; 88.83992
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাঘা জাদুঘর
Bagha Museum.jpg
বাঘা জাদুঘর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
বাঘা জাদুঘর
বাঘা জাদুঘর
বাংলাদেশে বাঘা জাদুঘরের অবস্থান
স্থাপিত৭ মে ২০১৫ (2015-05-07)[১]
অবস্থানবাঘা, রাজশাহী, বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৪°১১′৫৩″ উত্তর ৮৮°৫০′২৪″ পূর্ব / ২৪.১৯৮১১° উত্তর ৮৮.৮৩৯৯২° পূর্ব / 24.19811; 88.83992
মালিকবাংলাদেশ সরকার
ভবনের বিস্তারিত
সাধারণ তথ্য
নির্মাণ শুরু হয়েছেজুন ২০১১
সম্পূর্ণজুলাই ২০১২
ব্যয়৬২,০০,০০০ টাকা

বাঘা জাদুঘর হলো বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলায় অবস্থিত একটি জাদুঘর। এটি ২০১২ সালের জুলাই মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০১৫ সালের ৭ মে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।[১][২][৩]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

হাজার বছরের পুরাকীর্তি ও মুসলিম স্থাপত্যের নিদর্শন দিয়ে সাজানো বাঘা জাদুঘর। বাঘার ঐতিহাসিক বাঘা শাহী মসজিদ ও বিশাল দীঘিকে ঘিরে আগত দর্শনার্থীদের পর্যটন সুবিধাবৃদ্ধিসহ অতীতের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে বাঘার বিশাল দীঘির পশ্চিম পাড়ে ও হযরত শাহ আব্দুল হামিদ দানিশমন্দের মাজারের উত্তর দিকে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ২০১১ সালের জুন মাসে ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে এই জাদুঘরের নির্মাণকাজ শুরু করে। এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০১২ সালের জুলাই মাসে এবং জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ২০১৫ সালের ৭ই মে।[৪]

সময়সূচি[সম্পাদনা]

গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। মাঝখানে দুপুর ১:০০টা থেকে ১:৩০ পর্যন্ত আধঘণ্টার জন্যে বন্ধ থাকে। আর শীতকালে সকাল ৯:০০টা থেকে বিকেল ৫:০০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। শীতকালেও দুপুর ১:০০টা থেকে ১:৩০টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। তবে, শুক্রবারে জুম্মার নামাজের জন্যে সাড়ে বারোটা থেকে তিনটা পর্যন্ত জাদুঘর বন্ধ থাকে। রবিবার সাধারণ ছুটি এবং সোমবার বেলা ২:০০টা থেকে খোলা হয়। এছাড়াও সরকারি বিশেষ দিবসগুলোতে জাদুঘর খোলা থাকে।[৪]

প্রবেশমূল্য[সম্পাদনা]

জাদুঘরের মূল ফটকের পাশেই রয়েছে টিকেট কাউন্টার। জন প্রতি টিকিটের দাম পনেরো টাকা; তবে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য টিকেটের প্রয়োজন নেই। মাধ্যমিক পর্যায়ের শিশু-কিশোরদের জন্য প্রবেশমূল্য নির্ধারিত করা হয়েছে ৫ টাকা। সার্কভুক্ত বিদেশি দর্শনার্থীর জন্যে প্রবেশমূল্য পঞ্চাশ টাকা এবং অন্যান্য বিদেশি দর্শকদের জন্য প্রবেশমূল্য দুইশত টাকা।[৪]

যাতায়াত[সম্পাদনা]

রাজশাহী জেলা শহর হতে বাসে করে বাঘা বাস টার্মিনাল এবং সেখান থেকে রিকশা বা ভ্যানে করে বাঘা জাদুঘরে যাওয়া যায়।[৪]

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "নির্মাণের তিন বছর পর কাল চালু হচ্ছে বাঘা জাদুঘর | অন্যান্য | The Daily Ittefaq"archive1.ittefaq.com.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৬-১৭ 
  2. "বাংলাদেশের বিভিন্ন জাদুঘরের অবস্থান বিষয়ক তথ্য: পার্ট-০২"bdchakri.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৬-১৭ 
  3. "জাদুঘর-সমূহ - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার"archaeology.portal.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৬-১৭ 
  4. "বাঘা জাদুঘর"bagha.rajshahi.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৬-১৭