বাংলায় দিল্লির আক্রমণ (১৩৫৮–১৩৬০)
| বাংলায় দিল্লির আক্রমণ (১৩৫৮–১৩৬০) | |||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| |||||||
| বিবাদমান পক্ষ | |||||||
|
|
| ||||||
| সেনাধিপতি ও নেতৃত্ব প্রদানকারী | |||||||
|
|
| ||||||
| শক্তি | |||||||
|
|
৪৭০ টি হাতি[১] [৩] | ||||||
| হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি | |||||||
|
|
| ||||||
বাংলায় দিল্লির আক্রমণ দ্বারা ১৩৫৩ সালের নভেম্বর থেকে ১৩৫৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলার বিরুদ্ধে পরিচালিত দিল্লি সালতানাতের আক্রমণকে বুঝানো হয়। ১৩৫৩ সালের নভেম্বরে দিল্লির সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক এক বিরাট সৈন্যবাহিনীসহ বাংলা আক্রমণ করেন। কিন্তু বাংলার সুলতান সিকান্দার শাহ এই আক্রমণ প্রতিহত করে দিতে সক্ষম হন। বাংলাকে স্বাধীন হিসেবে দিল্লির মেনে নেয়।
পটভূমি
[সম্পাদনা]চতুর্দশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে, বাংলায় দিল্লির বিদ্রোহী গভর্নররা তাদের নিজস্ব সালতানাত গঠন করেছিলেন। ১৩৫২ খ্রিষ্টাব্দে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ বাংলার অন্যান্য শাসকদের পরাজিত করেন এবং এই অঞ্চলকে এক সালতানাতের মধ্যে একত্রিত করেন। ইলিয়াস শাহ নিজেকে বাংলার সুলতান হিসেবে ঘোষণা করেন। ইলিয়াস শাহের পূর্ববর্তী সামরিক অভিযানের সাথে কাঠমান্ডু ও বারাণসীকে দখল করে; এবং উড়িষ্যায় আক্রমণ চালায়। যার ফলে ১৩৫৩ সালে দিল্লি বাংলায় আক্রমণ চালায় কিন্তু পরাজিত হয়। ইলিয়াস শাহের জীবিত থাকাকালে ফিরোজ শাহ আর বাংলা আক্রমণ করার সাহস করেন নি। ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর ১৩৫৮ সালে তিনি পুনারায় বাংলা আক্রমণ করেন।[৪][৫] তুঘলক ইলিয়াস শাহের এক প্রতিদ্বন্দ্বীর জামাইকে বাংলার সুলতান হিসেবে বসানোর চেষ্টা করেছিলেন।
অবরোধ
[সম্পাদনা]আগ্রাসনের সময়, সিকান্দার শাহ তার বাবার মতো একডালা দুর্গে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। দিল্লি সেনাবাহিনী কয়েক মাস ধরে দুর্গটি অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। বাংলার জলবায়ুতে ক্লান্ত হয়ে পড়ার পরে, দিল্লি সুলতান সিকান্দার শাহের সাথে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছেন।[৬] দিল্লি সিকান্দারকে স্বাধীন শাসক হিসাবে স্বীকৃতি দেয়। শান্তি চুক্তি দুই শতাব্দী ধরে বাংলার স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।[৭]
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 আবু তাহের (২০১২)। "সিকান্দর শাহ"। ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর (সম্পাদকগণ)। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।
- ↑ Hussain, Syed Ejaz (২০০৩)। The Bengal Sultanate: Politics, Economy and Coins, A.D. 1205-1576 (ইংরেজি ভাষায়)। Manohar। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৩০৪-৪৮২-৩।
- 1 2 3 ড. মুহম্মদ আব্দুর রহিম (১৯৭৭). বাংলাদেশে ইলিয়াস শাহী শাসন. বাংলাদেশের ইতিহাস. পৃ-১৯৮–১৯৯.
- ↑ ড. মুহম্মদ আব্দুর রহিম (১৯৭৭). বাংলাদেশে ইলিয়াস শাহী শাসন. বাংলাদেশের ইতিহাস. ১৯২–১৯৫.
- ↑ Tabori, Paul (1957). "Bridge, Bastion, or Gate". Bengali Literary Review. 3–5: 9–20
- ↑ Chakrabarti, Kunal; Chakrabarti, Shubhra (২২ আগস্ট ২০১৩)। Historical Dictionary of the Bengalis (ইংরেজি ভাষায়)। Scarecrow Press। পৃ. ১২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১০৮-৮০২৪-৫।
- ↑ Sengupta, Nitish K. (২০১১)। Land of Two Rivers: A History of Bengal from the Mahabharata to Mujib (ইংরেজি ভাষায়)। India: Penguin Books India। পৃ. ৭৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৪-৩৪১৬৭৮-৪।