বিষয়বস্তুতে চলুন

জাতীয় সংসদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(বাংলাদেশ সংসদ থেকে পুনর্নির্দেশিত)
জাতীয় সংসদ
প্রতীক বা লোগো
জাতীয় সংসদের সিলমোহর
লোগো
জাতীয় সংসদের পতাকা
ধরন
ধরন
এককক্ষ বিশিষ্ট
মেয়াদসীমা৫ বছর
ইতিহাস
শুরু মার্চ ১৯৭৩ (৫৩ বছর আগে) (1973-03-07)
পূর্বসূরীবাংলাদেশ গণপরিষদ
নেতৃত্ব
কানিজ মাওলা
২৫ জুলাই ২০২৫ থেকে
গঠন
আসন৩৫০ (নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসন-সহ)
রাজনৈতিক দল
সরকার (২১১)

বিরোধীদল (৭৭)

অন্যান্য (৮)

শূন্য (৪)
নির্বাচন
৩০০ আসনে সরাসরি ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট ভোটদান পদ্ধতিতে নির্বাচন হয় বাকি ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত
প্রথম নির্বাচন
১৯৭৩
সর্বশেষ নির্বাচন
২০২৬
পরবর্তী নির্বাচন
২০৩১
সভাস্থল
জাতীয় সংসদ ভবন,
শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা,
বাংলাদেশ
ওয়েবসাইট
www.parliament.gov.bd

জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা। এককক্ষ বিশিষ্ট এই আইনসভার সদস্য সংখ্যা ৩৫০; যার মধ্যে ৩০০ জন সংসদ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যগণ নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্যের ভোটে (পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে) নির্বাচিত হন।[] সংসদের মেয়াদকাল পাঁচ বছর।

সর্বশেষ সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তারেক রহমান এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দ্বিতীয় সর্বাধিক আসন জিতে বিরোধী দল গঠন করে, অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রথমবারের মতো সংসদে প্রবেশ করে।

সংসদ ভবন

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের প্রথম ও দ্বিতীয় সংসদ অধিবেশনগুলো অনুষ্ঠিত হয় পুরনো সংসদ ভবনে যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন পৃথিবীর দৃষ্টিনন্দন আইনসভা ভবনের একটি। রাজধানী ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার আয়তন ২১৫ একর। যেখানে মূল ভবনের পাশাপাশি রয়েছে উন্মুক্ত সবুজ পরিসর, মনোরম জলাধার ও সংসদ সদস্যদের কার্যালয়।

১৯৬১ সালে ৯ তলা এ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ইতিহাসের নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি এ ভবনের উদ্বোধন করা হয়। দৃষ্টিনন্দন এ ভবনের নকশা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত স্থপতি লুই আই কান[] সংসদ ভবন এলাকাকে প্রধান ভবন, দক্ষিণ প্লাজা ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্লাজা এই তিনটি অংশে ভাগ করা হয়েছে। সংসদের পেছন দিকে ক্রিসেন্ট লেক নামে একটি নান্দনিক জলাধার রয়েছে।[]

উপর থেকে সংসদ ভবন এলাকা
রাতের বেলায় সংসদ ভবন

আসন বিন্যাস

[সম্পাদনা]

জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্যদের আসন সংখ্যা ৩৫০, অতিথি আসন সংখ্যা ৫৬, কর্মকর্তা আসন সংখ্যা ৪১, সাংবাদিক আসন সংখ্যা ৮০ এবং দর্শক আসন সংখ্যা ৪৩০।

সদস্য পদ

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে হলে আগ্রহী প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া ছাড়াও বয়স ২৫ বছরের ঊর্ধ্বে হতে হবে। এছাড়া অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া কিংবা দ্বৈত নাগরিকত্ব এক্ষেত্রে প্রার্থীর অযোগ্যতা বলে বিবেচিত হবে।[]

সদস্যরা তাদের নিজ নিজ আসনে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে অধিকাংশের ভোটে নির্বাচিত হন। সদস্যগণ ৫ বছর মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হন। তারা নিরপেক্ষ বা একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অধিভুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন।[]

ক্ষমতা ও অধিকার

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়ে একটি মন্ত্রিসভা নিয়োগ করেন। [] প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই একজন সংসদ সদস্য হতে হবে এবং মন্ত্রীসভার ৯০% সদস্যকেও সংসদ সদস্য হতে হবে। [][] রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই একজন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করতে হবে, যিনি নিজের যুক্তিযুক্ত মতামতে, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন রাখেন। [] মন্ত্রিসভা সর্বদা সংসদের কাছে এবং প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছেও জবাবদিহি করেন। []

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি উন্মুক্ত ব্যালট ভোটের মাধ্যমে সংসদ দ্বারা নির্বাচিত হন। [] ফলস্বরূপ, বিরোধীদলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের খুব কমই সুযোগ থাকে। ফলে সাধারণত বিরোধীদল রাষ্ট্রপতি পদের জন্য কোনো প্রার্থী মনোনীত করে না এবং সরকারি দলের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন এবং পূর্ববর্তী রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ,[] জিল্লুর রহমান,[১০] একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী [১১] এবং শাহাবুদ্দিন আহমেদ সকলেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। সংসদ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনও করতে পারে। []

বিল পরীক্ষা, সরকারি নীতি পর্যালোচনা এবং জনগুরুত্বপূর্ণ অন্য যেকোন বিষয়ে সংসদ যেকোনো সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করতে পারে। [] তবে এই কমিটির কার্যত ক্ষমতা সবসময়ই ছিল নামমাত্র; বিচারিক ক্ষমতাও অস্পষ্ট,[১২] বিশেষ করে যদি সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে সংসদীয় কমিটি এবং সিনিয়র বেসামরিক কর্মচারীদের কাছে জবাবদিহি করার প্রয়োজন নেই। সরকারী প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলোর বিষয়ে সরকারকে সংসদীয় কমিটির কাছে খুব কমই জবাবদিহি করতে হয়। [১৩]

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের ফ্লোর ক্রসিং (নিজ দল থেকে পদত্যাগকৃত সাংসদ), মুক্ত ভোট (নিজ দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া) বা অনাস্থা প্রস্তাব পাস করার ক্ষেত্রে সংসদকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সাধারণ বুদ্ধিজীবী, সংবাদপত্র ও সাংবাদিক, নাগরিক অধিকার কর্মী এবং সংসদের অনেক সদস্য আইনটির সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। সমালোচকরা যুক্তি দেন যে ৭০ নং অনুচ্ছেদ বাক স্বাধীনতা এবং বিবেকের স্বাধীনতাকে হরন করে এবং এটি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন। উপরন্তু, এই অনুচ্ছেদে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রধানমন্ত্রীকে বিশাল ক্ষমতা প্রদান এবং ক্ষমতার ভারসাম্যকে সীমিত করা হয়েছে।

সংবিধানের ৭৮ অনুচ্ছেদ সংসদীয় অধিবেশনের মধ্যে সদস্যদের বক্তৃতা এবং কর্মের জন্য বিচার বিভাগকে জবাবদিহি করতে হবে না। [] ৪৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতির সেবায় যে কাউকে ক্ষমা প্রদানের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত [] এই অনুচ্ছেদের অধিনে ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদকে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ অনুমোদন করার অনুমতি দেওয়া হয়।

প্রস্তাবিত সংস্কার

[সম্পাদনা]

আইন বিশেষজ্ঞ এবং নীতি বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের আইনসভাকে এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা থেকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা ব্যবস্থায় সংস্কারের প্রস্তাব করেছেন।[১৪]

প্রস্তাবিত সংস্কারের অধীনে, ভোটাররা সরাসরি সংসদের উভয় কক্ষ নির্বাচন করতে পারবেন, নিম্নকক্ষের প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভা মনোনীত বা অপসারণের ক্ষমতা থাকবে, যেমনটি আধা-সংসদীয় ব্যবস্থা (ছবিতে) দেখা যায়, তবে, আধা-সংসদীয় ব্যবস্থার বিপরীতে, আইনসভা এবং গোপনীয় উভয় কার্যই নিম্নকক্ষ দ্বারা পরিচালিত হবে, যা এটিকে একটি হাইব্রিড সংসদ ব্যবস্থায় পরিণত করবে।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় দুটি কক্ষ থাকবে: একটি জাতীয় পরিষদ (নিম্নকক্ষ) এবং একটি সিনেট (উচ্চকক্ষ), প্রতিটি কক্ষ চার বছর মেয়াদে নির্বাচিত হবে। জাতীয় পরিষদে ৪০০ জন সদস্য থাকবে:

সিনেট ১০৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে:

  • ৫ জন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রান্তিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য মনোনীত।

প্রস্তাবিত মডেলের অধীনে, সিনেট আইন প্রণয়ন করবে না তবে জাতীয় পরিষদ কর্তৃক পাস হওয়া বিলগুলি পর্যালোচনা, সংশোধনী প্রস্তাব এবং বিলম্বিত করার ক্ষমতা থাকবে, যা আইন প্রণয়নের জন্য একটি ব্যবস্থা প্রদান করবে। এই মডেলটি অন্যান্য সংসদীয় গণতন্ত্রের অনুশীলন থেকে উদ্ভূত এবং আধা-সংসদীয় বৈশিষ্ট্যগুলি অন্তর্ভুক্ত করে যা নির্বাহী-আইনসভা সম্পর্ক ভারসাম্যপূর্ণ করার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা উন্নত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।[১৫]

২০২৫ সালের মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে ১,৩৭৩ জনের উপর পরিচালিত একটি সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) মতামত জরিপে দেখা গেছে যে দেশের ৭১% মানুষ জাতীয় সংসদের প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষে জনসংযোগকে সমর্থন করে এবং ৬৯% মানুষ দেশের দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভাকে সমর্থন করে।[১৬]

রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে মাসব্যাপী আলোচনার পর, মৌলিক সংস্কারের বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরির জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বাংলাদেশের জন্য ৫০৫ অথবা ৫৫৫ আসন বিশিষ্ট একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে, যার মধ্যে উচ্চকক্ষে ১০০ আসন থাকবে যার মধ্যে ১% থ্রেশহোল্ড সহ জনসংযোগের মাধ্যমে মনোনীত করা হবে এবং নিম্নকক্ষে ৪০০ আসন থাকবে যা যথারীতি FPTP এবং জনসংযোগের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে মনোনীত করা হবে। যদিও প্রস্তাবিত নিম্নকক্ষে নারী-সংরক্ষিত আসন ৫০টি থাকবে, দলগুলিকে সাধারণ নির্বাচনে কমপক্ষে ৭% মহিলা প্রার্থী মনোনীত করতে বাধ্য করা হবে। যদিও উচ্চকক্ষের কোনও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকবে না, তবে নিম্নকক্ষ কর্তৃক প্রস্তাবিত যেকোনো বিল বা আইন পর্যালোচনা করার ক্ষমতা থাকবে এবং প্রতিটি বিল (আর্থিক বিল ব্যতীত) উভয় কক্ষে উপস্থাপন করতে হবে। উচ্চকক্ষ এক মাসের বেশি কোনও বিল উপস্থাপন করতে পারবে না, যদি তা বহাল থাকে, তাহলে বিলটি "অনুমোদিত" বলে বিবেচিত হবে এবং পুনরায় পর্যালোচনার জন্য নিম্নকক্ষে ফেরত পাঠানো হবে।[১৭]

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উচ্চকক্ষে জনমত যাচাইয়ের ভিত্তিতে জনসংযোগ প্রবর্তনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, যদিও দেশের বৃহত্তম বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং তার মিত্ররা এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে এবং নিম্নকক্ষের বন্টনের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের আসন বন্টনের পক্ষে।[১৭]

বাংলাদেশের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা গঠনের চূড়ান্ত প্রস্তাব
হাউসনির্বাচনের পদ্ধতিসদস্য সংখ্যানোট
জাতীয় পরিষদ(House of the People)সরাসরি নির্বাচন (FPTP)৩০০+১০০= ৪০০সাধারণ নির্বাচনী এলাকা; 7% মহিলা প্রার্থীতা কোটা সহ
সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR)৫০জাতীয় পরিষদের সরাসরি নির্বাচিত আসনের উপর ভিত্তি করে
'বাংলাদেশ অধিষদ(House of the Senate)সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR)১০০+৫ = ১০৫সাধারণ নির্বাচনে জনপ্রিয় ভোটের ভাগের উপর ভিত্তি করে ১% থ্রেশহোল্ড
সর্বমোট ৫০৫ অথবা ৫৫৫

সংসদের ব্যাপ্তি

[সম্পাদনা]

সংসদের মেয়াদকাল পাঁচ বছর। কিন্তু দেশের সংকটকালে সংবিধান সমুন্নত রাখতে আইন পাসের মাধ্যমে এ মেয়াদের হেরফের হতে পারে। [১৮]

সংসদ নির্বাচন মেয়াদ সংখ্যাগরিষ্ঠ দল দলীয় প্রধান বিরোধী দল বিরোধী দলীয় প্রধান বৈঠক দিবসের সংখ্যা প্রণীত আইনের সংখ্যা মন্তব্য
প্রথম জাতীয় সংসদ ৭ই মার্চ ১৯৭৩ ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ - ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শেখ মুজিবুর রহমান প্রযোজ্য নয় প্রযোজ্য নয় ১৩৪ ১৫৪ অন্য কোনো রাজনৈতিক দল ১টির বেশি আসন লাভ করেনি।
দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ ২ এপ্রিল, ১৯৭৯- ২৪ মার্চ, ১৯৮২ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রযোজ্য নয় ২০৬ ৬৫ বিরোধী দল ভেঙে যাওয়ায় নেতা নির্বাচন করতে পারেনি।
তৃতীয় জাতীয় সংসদ ১০ জুলাই, ১৯৮৬-৬ ডিসেম্বর ১৯৮৭ জাতীয় পার্টি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা ৭৫ ৩৯ বিএনপি নির্বাচন বর্জন করে।
চতুর্থ জাতীয় সংসদ ১৫ এপ্রিল, ১৯৮৮- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ জাতীয় পার্টি এইচ এম এরশাদ বিরোধী দলীয় জোট এ. এস. এম. আব্দুর রব ১৬৮ ১৪২ আব্দুর রব এরশাদের নিযুক্ত বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন।
পঞ্চম জাতীয় সংসদ ২৭শে ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ ৫ এপ্রিল, ১৯৯১- ২৪ নভেম্বর, ১৯৯৫ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) খালেদা জিয়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা ৪০০ ১৭৩
ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ ১৯ মার্চ, ১৯৯৬- ৩০ মার্চ, ১৯৯৬ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) খালেদা জিয়া বাংলাদেশ ফ্রিডম পার্টি প্রযোজ্য নয় ০৪ ০১
সপ্তম জাতীয় সংসদ জুন ১২, ১৯৯৬ ১৪ জুলাই, ১৯৯৬- ১৩ জুলাই, ২০০১ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) খালেদা জিয়া ৩৮২ ১৯১
অষ্টম জাতীয় সংসদ অক্টোবর ১, ২০০১ ২৮ অক্টোবর, ২০০১- ২৭ অক্টোবর, ২০০৬ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) খালেদা জিয়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা ৩৭৩ ১৮৫
নবম জাতীয় সংসদ ২৯ শে ডিসেম্বর ২০০৮ ২৫, জানুয়ারি ২০০৯- ২০১৩ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) খালেদা জিয়া ৪১৮ ২৭১
দশম জাতীয় সংসদ ৫ই জানুয়ারি ২০১৪ ২৯ জানুয়ারি, ২০১৪-০৩ জানুয়ারি, ২০১৯ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি রওশন এরশাদ এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারায় চরম ব্যাঘাত ঘটে। বিএনপি ও শরিকদলেরা নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৫৪টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করে।
একাদশ জাতীয় সংসদ ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০৩ জানুয়ারি, ২০১৯-২৯ জানুয়ারি, ২০২৪ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা জাতীয় পার্টি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ[১৯] এই নির্বাচনকে আখ্যায়িত করা হয় ‘রাতের ভোটের নির্বাচন’ হিসেবে। এই বিতর্কিত নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পূর্বেই সরকার দলীয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের মাধ্যমে ব্যালট বাক্স পূর্তির অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া যায়।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ৭ জানুয়ারি ২০২৪ ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪-৬ আগস্ট, ২০২৪[২০] বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা জাতীয় পার্টি জি এম কাদের এই নির্বাচনকে ‘আমি এবং ডামি’ নির্বাচন হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকেন অনেকে। এই নির্বাচনে বিরোধী পক্ষের উপস্থিতি না থাকায় ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিজের সংগঠনের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ডামি হিসেবে নির্বাচনে এনে নাটক সাজায়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তারেক রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শফিকুর রহমান

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারদের তালিকা

[সম্পাদনা]
সংসদ স্পিকার ডেপুটি স্পিকার মনোনয়নকারী দল মেয়াদ শুরু মেয়াদ শেষ
প্রথম সংসদ শাহ আব্দুল হামিদ মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ ১ মে, ১৯৭২
মোহাম্মদউল্লাহ   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৭ এপ্রিল, ১৯৭৩ ২৬ জানুয়ারি, ১৯৭৪
আব্দুল মালেক উকিল   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৪ ৫ নভেম্বর, ১৯৭৫
দ্বিতীয় সংসদ মির্জা গোলাম হাফিজ ব্যারিস্টার সুলতান আহমেদ চৌধুরী   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ২ এপ্রিল, ১৯৭৯ ২৩ মার্চ, ১৯৮২
তৃতীয় সংসদ শামসুল হুদা চৌধুরী মোঃ কোরবান আলী   জাতীয় পার্টি ১০ জুলাই, ১৯৮৬ ২৪ এপ্রিল, ১৯৮৮
চতুর্থ সংসদ শামসুল হুদা চৌধুরী মোহাম্মাদ রিয়াজ উদ্দীন আহমেদ   জাতীয় পার্টি ২৫ এপ্রিল, ১৯৮৮ ৫ এপ্রিল, ১৯৯১
পঞ্চম সংসদ আবদুর রহমান বিশ্বাস শেখ রাজ্জাক আলী   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ৫ এপ্রিল, ১৯৯১ ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১
শেখ রাজ্জাক আলী হুমায়ুন খান পন্নী   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ১২ অক্টোবর, ১৯৯১ ১৯ মার্চ, ১৯৯৬
ষষ্ঠ সংসদ শেখ রাজ্জাক আলী এল. কে. সিদ্দিকী   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ১৯ মার্চ, ১৯৯৬ ১৪ জুলাই, ১৯৯৬
সপ্তম সংসদ হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী এডভোকেট আবদুল হামিদ   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৪ জুলাই, ১৯৯৬ ১০ জুলাই, ২০০১
এডভোকেট আবদুল হামিদ অধ্যাপক আলী আশরাফ   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১২ জুলাই, ২০০১ ৮ অক্টোবর, ২০০১
অষ্টম সংসদ ব্যারিস্টার জমিরুদ্দিন সরকার মোঃ আখতার হামিদ সিদ্দিকী   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ২৮ অক্টোবর, ২০০১ ২৫ জানুয়ারি, ২০০৯
নবম সংসদ এডভোকেট আবদুল হামিদ শওকত আলী   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৫ জানুয়ারি, ২০০৯ ২৪ এপ্রিল, ২০১৩
শওকত আলী (ভারপ্রাপ্ত) শূন্য   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৪ এপ্রিল, ২০১৩ ৩০ এপ্রিল, ২০১৩
শিরীন শারমিন চৌধুরী শওকত আলী   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৩০ এপ্রিল, ২০১৩ ২৪ জানুয়ারি, ২০১৪
দশম সংসদ শিরীন শারমিন চৌধুরী ফজলে রাব্বি মিয়া   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৪ জানুয়ারি, ২০১৪ ৩০ জানুয়ারি, ২০১৯
একাদশ সংসদ শিরীন শারমিন চৌধুরী ফজলে রাব্বি মিয়া   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৩০ জানুয়ারি, ২০১৯ ২২ জুলাই, ২০২২
শামসুল হক টুকু   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৮ আগস্ট, ২০২২ ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪
দ্বাদশ সংসদ শিরীন শারমিন চৌধুরী
শামসুল হক টুকু   বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪ ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪[২১]

বিতর্কিত নির্বাচন

[সম্পাদনা]

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালে। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল আসনে জয় লাভ করেছিল। তবে অধিকাংশ বিরোধী পক্ষ এটিতে একটি পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৯ সালে। তৎকালীন ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতি তথা জিয়াউর রহমানের গঠিত দল বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছিল।

একাধারে ১৯৮৬ সালের তৃতীয় এবং ১৯৮৮ সালের চতুর্থ সংসদ নির্বাচন উভয়ই হয়েছিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি তথা সামরিক স্বৈরশাসন এরশাদের অধীনে। অধিকাংশ বিরোধী পক্ষের বয়কটের মুখে এই দুইটি নির্বাচনকে বিতর্কিত হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়ে থেকে।

১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অন্যতম একটি বিতর্কিত নির্বাচন। এই নির্বাচনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল বিএনপি সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছিল। বিরোধী জোটের তীব্র আন্দোলনের মুখে এই সংসদের পতন ঘটে। এর স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ১২ কর্মদিবস।

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারায় চরম ব্যাঘাত ঘটে। বিএনপি এবং শরীক দলগুলোর নির্বাচন বর্জনের ফলে আওয়ামী লীগ একচেটিয়া অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিল।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে আখ্যায়িত করা হয় ‘রাতের ভোটের নির্বাচন’ হিসেবে। এই বিতর্কিত নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পূর্বেই সরকার দলীয় ক্যাডারদের মাধ্যমে ব্যালট বাক্স পূর্তির অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া যায়। এই নির্বাচনে এসে বিএনপি এবং শরীক দলগুলোর চরম ভরাডুবি ঘটেছিল।

২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অদ্যাবধি সংগঠিত শেষ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ‘আমি এবং ডামি’ নির্বাচন হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকেন অনেকে। এই নির্বাচনে বিরোধী পক্ষের উপস্থিতি না থাকায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নিজের সংগঠনের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ডামি হিসেবে নির্বাচনে এনে নাটক সাজায়। ২০২৪ সালের আগষ্ট মাসে গণঅভ্যুত্থানের মুখে এই সংসদের বিলুপ্তি ঘটে। বর্তমানে এই সংসদের অধিকাংশ সদস্য পলাতক অথবা কারাবন্দি।


২০২৬ সালের বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচন

[সম্পাদনা]

২০২৬ সালে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।[২২]

প্রথমদিকে, প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা করেছিলেন যে নির্বাচন ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে।[২৩]

তবে পরবর্তীতে, ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে তিনি নতুন ঘোষণা দেন যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, রমজানের পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।[২৪]

১১ ডিসেম্বর ২০২৫ এ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। একইসাথে একই দিনে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।[২৫]

সূত্র

[সম্পাদনা]

(সংশোধনযোগ্য)

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. নিউজ, সময় (১ জানুয়ারি ১৯৭০)। "যেভাবে নির্বাচিত হন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিরা"Somoy News। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০২৪
  2. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৭ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৫
  3. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৭ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৫
  4. 1 2 3 4 5 6 7 8 "Bangladesh Constitution" (পিডিএফ)। Parliament of Bangladesh। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১১
  5. হেলাল উদ্দিন আহমেদ (২০১২)। "প্রধানমন্ত্রী"ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর (সম্পাদকগণ)। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১ওসিএলসি 883871743ওএল 30677644M
  6. "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান | প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা"bdlaws.minlaw.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০২৩
  7. "Bangladesh Government Information"। Travel Document Systems, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১১
  8. Chowdhury, Jashim Ali (৬ নভেম্বর ২০১০)। "Reminiscence of a lost battle: Arguing for the revival of second schedule"দ্য ডেইলি স্টার। ২৪ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  9. "Zillur all set to be president"দ্য ডেইলি স্টার। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
  10. হেলাল উদ্দিন আহমেদ (২০১২)। "আহম্মেদ, ইয়াজউদ্দিন"ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর (সম্পাদকগণ)। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১ওসিএলসি 883871743ওএল 30677644M
  11. কাজী এবাদুল হক এবং হেলাল উদ্দিন আহমদ (২০১২)। "আহমদ, বিচারপতি শাহাবুদ্দিন"ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর (সম্পাদকগণ)। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১ওসিএলসি 883871743ওএল 30677644M
  12. Islam, M Rafiqul (২২ জানুয়ারি ২০১১)। "Sovereignty debate"দ্য ডেইলি স্টার। ১৫ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  13. "SC accountable to none"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৯ জানুয়ারি ২০১১।
  14. Hosen Khan, Arafat (১৮ এপ্রিল ২০২৫)। "Reforming the Legislature in Bangladesh: A Critical Analysis of the Semi-Parliamentary Proposal in the 2025 Constitutional Reform Commission Report"Verfassungsblogডিওআই:10.59704/97d7e8934e9b1c94। ১৮ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  15. Karim, Riadul (২৭ জানুয়ারি ২০২৫)। "Upper house won't be able to propose law"Prothom Alo। ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  16. "পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ চান ৭১ শতাংশ মানুষ: সুজন"Bangla Tribune। ১২ আগস্ট ২০২৫।
  17. 1 2 "সংসদের উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন" [Proportional elections in the parliament's upper chamber]Deutsche Welle Bangla। ২ আগস্ট ২০২৫।
  18. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৮ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৫
  19. https://www.banglanews24.com/politics/news/bd/695120.details
  20. "জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা"ঢাকা পোস্ট। ৬ আগস্ট ২০২৪। ৬ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০২৪
  21. "স্পিকার পদ থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরীর পদত্যাগ"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১০-১০-২০২৪ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |সংগ্রহের-তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
  22. বাংলাদেশে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার: এপি নিউজ
  23. বাংলাদেশের নির্বাচন ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে অনুষ্ঠিত হবে: রয়টার্স
  24. বাংলাদেশের নির্বাচন রমজানের আগে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে: টাইমস অব ইন্ডিয়া
  25. "জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি, মনোনয়ন জমা ২৯ ডিসেম্বর"The Daily Star Bangla। ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]