বাংলাদেশে দুর্গাপূজা
| দুর্গাপূজা | |
|---|---|
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, ঢাকা, ২০১৩ | |
| অন্য নাম | শারদীয় দুর্গাপূজা, দুর্গোৎসব, শারদোৎসব |
| পালনকারী | হিন্দু |
| ধরন | ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব |
| তাৎপর্য |
|
| পালন | পূজা, অঞ্জলি প্রদান, পারিবারিক এবং অন্যান্য সামাজিক সমাবেশ, কেনাকাটা এবং উপহার প্রদান, ভোজ, প্যান্ডেল পরিদর্শন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান |
| শুরু | মহালয়া |
| সমাপ্তি | বিজয়াদশমী |
| তারিখ |
|
| সংঘটন | বার্ষিক |
| সম্পর্কিত | দশেরা, কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা |
বাংলাদেশে দুর্গাপূজা একটি অন্যতম বৃহত্তম ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক উৎসব, যা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসবগুলোর মধ্যে একটি।[১] এই পূজায় দেবী দুর্গাকে পূজা করা হয়, যিনি শত্রুদের বিনাশকারী এবং শুভশক্তির প্রতীক। দুর্গাপূজা সাধারণত আশ্বিন মাসের (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) শারদীয় নবরাত্রির সময় উদযাপিত হয় এবং ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীতে পাঁচ দিন ধরে চলে। বাংলাদেশে দুর্গাপূজা মূলত মন্দির ও পূজা মণ্ডপগুলোতে ব্যাপক আকারে পালিত হয়। মণ্ডপগুলোতে দেবীর প্রতিমা স্থাপন করা হয় এবং প্রতিদিনের আরতি, পূজা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। ষষ্ঠী তিথিতে দেবীকে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। বিসর্জনের দিন, ভক্তরা দেবীকে বিদায় জানিয়ে নদী বা পুকুরে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়।
বাংলাদেশের প্রতিটি জেলাতেই দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়, তবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, বরিশালসহ বড় শহরগুলিতে এর জমকালো আয়োজন দেখা যায়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা বাঙালি হিন্দুদের পাশাপাশি বাংলাদেশের ত্রিপুরা,[২] হাজং, বানাই, ওরাওঁ, মাহাতো, পাত্র, কোচ, বর্মন, গঞ্জু, ডালু-সহ আরও বেশ কিছু ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষও পালন করে থাকেন।[৩]
২০২১ সালে সারা দেশে পূজামণ্ডপের সংখ্যা ছিল ৩২,১২২, যা ২০২২ সালে ৪৬টি বৃদ্ধি পেয়ে ৩২,১৬৮-এ দাঁড়ায়।[৪] ২০২৩ সালে সারাদেশে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে পূজামণ্ডপের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩২,৪৬০।[৫] ২০২৪ সালে তা কমে ৩১ হাজার ৪৬১টি মণ্ডপ ও মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়।[৬]
বাংলাদেশে দুর্গাপূজার ঐতিহ্য ও ইতিহাস
[সম্পাদনা]বাংলাদেশে দুর্গাপূজার ঐতিহ্য ও ইতিহাস গভীরভাবে ভারতীয় উপমহাদেশের সংস্কৃতির সাথে জড়িত। এটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎসবগুলোর একটি, যা দেবী দুর্গার মহিষাসুরমর্দিনী রূপের আরাধনা করে।
- ঐতিহাসিক পটভূমি
দুর্গাপূজার উৎস ও ইতিহাস ভারতের প্রাচীন সভ্যতার সাথে শুরু। কিংবদন্তি অনুসারে রাম দুর্গাপূজা প্রচলন করেন।[৭] প্রাচীনকাল থেকে ভারতের পূর্বাঞ্চলে দুর্গাপূজা পালিত হয়ে আসছে দ্বাদশ শতাব্দীতে সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত রামচরিতম্-এ উমার (দুর্গার অপর নাম) পূজা উপলক্ষে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে এই উত্সবটি শরৎকালে, কখনও হেমন্তে (শরতের শেষের দিকে) পালন করা হয়। তবে কৃত্তিবাস শরৎকে প্রতিকূল এবং বসন্তকে এই উৎসবের উপযোগী বলে উল্লেখ করেছেন। কৃত্তিবাসের অনেক আগে মার্কণ্ডেয় পুরাণে উল্লেখ করা হয়েছে যে দেবীর এই বার্ষিক পূজা শরৎকালে অনুষ্ঠিত হয়। ষোড়শ শতাব্দীতে মুকুন্দরামের লেখা কবিকঙ্কন চণ্ডীতে দুর্গার মহিষাশুরমর্দিনী (রাক্ষস মহিষাশুরের হত্যাকারী) আকৃতি তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে বর্ণনা করা হয়েছে।[৮] এটি মূলত একটি কৃষি উত্সব হিসেবে উদ্ভব হয়েছিল, যেখানে দেবী দুর্গাকে শস্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদের রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। ধর্মীয় মহাকাব্য মহাভারত এবং পুরাণে দেবী দুর্গার বিভিন্ন কাহিনী পাওয়া যায়। দেবী দুর্গার শত্রু মহিষাসুরকে বধ করার কাহিনী সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য।
- বাংলাদেশের প্রসঙ্গে
বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে উৎসবের আজকের ধরণ এবং সময়টি তাহিরপুরের রাজা কংস নারায়ণ দ্বারা প্রবর্তিত বলে মনে করা হয়।[৯] সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) শাসনামলে বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগ উৎসবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হল দেবদেবীর বিভিন্ন ভাস্কর্য প্রদর্শন এবং উপাসনার রীতি।[১০][১১] বাংলাদেশে দুর্গাপূজা ঐতিহাসিকভাবে রাজা-মহারাজাদের সময় থেকেই উদযাপন হয়ে আসছে। বিশেষ করে, ১৯শ শতকের শেষের দিকে এবং ২০শ শতকের শুরুর দিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এই পূজার ব্যাপক জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী এবং চট্টগ্রামের মতো শহরগুলোতে দুর্গাপূজা জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপন করা হয়।
- ঐতিহ্যবাহী আচার
দুর্গাপূজার আচার-অনুষ্ঠান এবং রীতিনীতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসছে। মহালয়া, ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী এবং দশমী — প্রতিটি দিনের নিজস্ব বিশেষত্ব ও আচার রয়েছে।[১২] কুমারী পূজা, যাত্রাপালা, গান, এবং নাচের মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও দুর্গাপূজার ঐতিহ্যের অংশ। এতে স্রষ্টা এবং সৃষ্টি উভয়ের প্রতি সম্মান ও ভক্তি প্রকাশিত হয়।
- সমকালীন প্রেক্ষাপট
বর্তমানকালে, দুর্গাপূজা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তি ও আধুনিকতার প্রভাবে পূজার উদযাপন পদ্ধতিতেও পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন শহরে থিম ভিত্তিক মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুর্গাপূজা এখন শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবেও পরিচিত।
- রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দুর্গাপূজা কখনও কখনও সংঘাত ও অসুবিধার কারণ হয়েছে। ধর্মীয় সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় দুর্গাপূজা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। তবে, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায় তাদের ঐতিহ্য রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে।
পূজার আচার-অনুষ্ঠান এবং পদ্ধতি
[সম্পাদনা]বাংলাদেশে দুর্গাপূজা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে উদযাপিত হয় এবং এর আচার-অনুষ্ঠানগুলো সুনির্দিষ্ট নিয়ম এবং পদ্ধতি অনুযায়ী সম্পন্ন হয়। এই পূজার মূল উৎসব পাঁচ দিনব্যাপী, যা ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত চলে। প্রতিটি দিনের ধর্মীয় আচার এবং রীতিনীতির মধ্যে রয়েছে পবিত্রতা, ভক্তি, এবং শৃঙ্খলা। আশ্বিন মাসে প্রথম যে অমাবস্যা হয়, সেটির নাম মহালয়া। এরপরে যে চাঁদ উঠবে, সেই চাঁদের ষষ্ঠ দিনে দেবীর বোধন বা মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হয়।[১৩] নিচে দুর্গাপূজার প্রতিটি আচার-অনুষ্ঠান ও পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো:
- মহালয়া
দুর্গাপূজার সূচনা হয় মহালয়ার মাধ্যমে। মহালয়া দুর্গাপূজার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই দিনটি বিশেষ করে পিতৃপক্ষের সমাপ্তি এবং দেবীপক্ষের সূচনার দিন হিসেবে পালিত হয়। মহালয়ার দিনে হিন্দু সম্প্রদায় পিতৃতর্পণ করে, অর্থাৎ পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনা করে তিল ও জলের অঞ্জলি দেওয়া হয়। মহালয়ার ভোরে দেবী দুর্গার আবাহন করা হয়, এবং চণ্ডীপাঠ (দেবী স্তুতি) অনুষ্ঠিত হয়। অনেক স্থানে এদিন দেবীর আগমন ও প্রস্থানের প্রতীকী উৎসবও পালন করা হয়।[১৪][১৫]
- ষষ্ঠী (বোধন)
ষষ্ঠী তিথিতে দুর্গাপূজার মূল আচার-অনুষ্ঠান শুরু হয়। এই দিনটি বোধন নামে পরিচিত, যেখানে দেবী দুর্গার আবাহন করা হয়। পুরোহিত বিশেষ মন্ত্র উচ্চারণ করে দেবীর মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন, যা প্রাণ-প্রতিষ্ঠা নামে পরিচিত।[১৬] বোধনের মাধ্যমে দেবী দুর্গাকে মণ্ডপে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং ষষ্ঠী তিথি থেকেই পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।[১৭][১৮]
- সপ্তমী
সপ্তমী তিথি পূজার প্রধান দিনগুলোর একটি। এই দিনে দেবীর নবপত্রিকা স্থাপন করা হয়, যা দেবীর ৯টি বিশেষ রূপের (নবদুর্গা) প্রতীক হিসেবে পূজিত হয়। নবপত্রিকা হল নয়টি পবিত্র গাছের সমন্বয়, যা একটি কলাগাছ দিয়ে আবৃত করা হয়। একে বলা হয় কলাবউ বা নবপত্রিকা, যা একটি পবিত্র নদীতে স্নান করিয়ে মণ্ডপে নিয়ে আসা হয় এবং দেবী দুর্গার পাশে স্থাপন করা হয়। এরপর দেবীর পূজা, অর্ঘ্য প্রদান এবং অঞ্জলি দেওয়া হয়। সপ্তমী দিনে দেবীর মূল পূজা শুরু হয় এবং দেবীকে নানান উপাচার সহকারে অর্ঘ্য ও নৈবেদ্য প্রদান করা হয়।[১৯][২০][২১]
- অষ্টমী

মহাষ্টমী দুর্গাপূজার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনে দেবী দুর্গার মহাগৌরী রূপের পূজা করা হয়। দিনটি সংস্কৃত স্তোত্র পাঠের মাধ্যমে শুরু হয় কারণ হাজার হাজার ভক্ত দেবীকে অঞ্জলি প্রদান করেন।[২২] অষ্টমীর প্রধান আচার হলো কুমারী পূজা, যেখানে কুমারী মেয়েকে দেবী দুর্গার রূপ ধরে পূজা করা হয়। এর মাধ্যমে নারীশক্তির আরাধনা করা হয়।[২৩][২৪] অষ্টমীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আচার হলো সন্ধিপূজা, যা অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয়। এই পূজা বিশেষত মহিষাসুরমর্দিনী রূপে দেবীর বিজয়ের স্মরণে করা হয়। সন্ধিপূজায় ১০৮টি প্রদীপ জ্বালানো হয় এবং ১০৮টি পদ্মফুল নিবেদন করা হয়।[২৫]
- নবমী
নবমী দিনটি দুর্গাপূজার শেষ পূর্ণাঙ্গ পূজার দিন। নবমী তিথিতে দেবী দুর্গার চণ্ডী রূপের পূজা করা হয়, যিনি মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন। নবমী পূজায় ভক্তরা দেবীর সামনে মহাপ্রসাদ নিবেদন করেন এবং বিশেষ পূজা ও হোমযজ্ঞ সম্পন্ন হয়। নবমীর দিনে দেবীকে ভোগ নিবেদন করার পর প্রসাদ বিতরণ করা হয়। ভক্তরা দেবীর আশীর্বাদ লাভের জন্য মণ্ডপে আসেন এবং দেবীর সামনে প্রণাম করেন।
- দশমী (বিজয়া দশমী)
বিজয়া দশমী দুর্গাপূজার সমাপ্তি দিবস। এই দিনটি দেবী দুর্গার বিদায়ের দিন হিসেবে পালন করা হয়।[২৬] দশমীর মূল আচার হলো দেবী বিসর্জন। দেবী দুর্গার মূর্তি শোভাযাত্রার মাধ্যমে নদী বা পুকুরে নিয়ে গিয়ে বিসর্জন দেওয়া হয়।
বিসর্জনের সময় ভক্তরা "দুর্গা মাই কি জয়" স্লোগান দিয়ে দেবীকে বিদায় জানায়। এই আচারটি দেবীর স্বর্গে ফিরে যাওয়ার প্রতীক হিসেবে পালন করা হয় এবং পরের বছর আবার ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে ভক্তরা দেবীকে বিদায় জানায়।

বিজয়া দশমীতে অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ আচার হলো সিঁদুর খেলা।[২৭] বিবাহিত নারীরা একে অপরের কপালে সিঁদুর পরিয়ে দেন এবং দেবীর কপালে সিঁদুর দিয়ে তাঁর আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। সিঁদুর খেলা আনন্দের প্রতীক এবং এটি দুর্গাপূজার অন্যতম রঙিন আচার।[২৮]
- অঞ্জলি এবং প্রসাদ
প্রতিদিন পূজার সময় ভক্তরা দেবীর কাছে অঞ্জলি (ফুল দিয়ে প্রার্থনা) প্রদান করেন। পূজা শেষে দেবীর ভোগ হিসেবে নিবেদন করা প্রসাদ ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। প্রসাদ হিসেবে সাধারণত ফল, মিষ্টান্ন এবং ভাত পরিবেশন করা হয়।
- আরতি ও ধুনুচি নাচ

প্রতিদিন সন্ধ্যায় বিশেষ আরতির আয়োজন করা হয়, যা মোমবাতি, ধূপ, এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে দেবীকে নিবেদন করা হয়। আরতির সময় ধুনুচি নৃত্য করা হয়, যেখানে ভক্তরা ধুনুচি (ধূপ জ্বালানোর পাত্র) হাতে নিয়ে দেবীর সামনে নাচেন। এই নৃত্যটি দুর্গাপূজার অন্যতম আকর্ষণীয় অংশ।[২৯]
- হোমযজ্ঞ
নবমী তিথিতে পূজার অংশ হিসেবে হোমযজ্ঞ আয়োজন করা হয়। পুরোহিতরা আগুন জ্বালিয়ে দেবীর মন্ত্র উচ্চারণ করেন এবং ভক্তরা তাতে অর্ঘ্য অর্পণ করে দেবীর আশীর্বাদ কামনা করেন।
- দরিদ্র ভোজন এবং দান
দুর্গাপূজার সময় অনেক মন্দির ও মণ্ডপে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া দান-ধ্যানের মাধ্যমে দেবীর আশীর্বাদ লাভের প্রচলনও আছে।
বাংলাদেশে দুর্গাপূজার আচার-অনুষ্ঠানগুলোর মূল লক্ষ্য হলো দেবী দুর্গার প্রতি ভক্তি প্রদর্শন, ধর্মীয় আচার পালনের মাধ্যমে আত্মিক শান্তি লাভ, এবং সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করা।
সামাজিক প্রভাব
[সম্পাদনা]বাংলাদেশে দুর্গাপূজা একটি বিশাল ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পালিত হয়, যা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রভাব ফেলে। এই উৎসবটি শুধুমাত্র ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বিনিময়, এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।[৩০] দুর্গাপূজার সামাজিক প্রভাবগুলো নিম্নরূপ:
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বৃদ্ধি
বাংলাদেশে দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলেও, মুসলমানসহ অন্যান্য ধর্মের মানুষও এই উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। পূজার সময় অনেক জায়গায় মুসলিম প্রতিবেশীরা মণ্ডপ সাজাতে এবং পূজা আয়োজনে সহযোগিতা করেন। এই মিলনমেলার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়, যা দেশের ঐক্য এবং সামাজিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করে।
- সাংস্কৃতিক বিনিময়
দুর্গাপূজার সময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, যেমন গান, নাচ, নাটক এবং আলোকসজ্জার আয়োজন হয়। এসব উৎসবের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মিশ্রণ ঘটে, যা দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সংস্কৃতির আদান-প্রদান সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতা বাড়ায়।
- অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি
দুর্গাপূজার সময় বিশাল মণ্ডপ তৈরি, পূজা সামগ্রী, পোশাক, প্রসাদ ও আলোকসজ্জার চাহিদা বাড়ে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। অনেক মানুষ পূজার সময় নতুন পোশাক ও উপহার কেনেন, মন্দির ও মণ্ডপের সাজসজ্জার জন্য শিল্পী, কারিগর, এবং শ্রমিকদের নিয়োগ করা হয়। এটি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে একটি অস্থায়ী উত্থান তৈরি করে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙা করে।[৪][৩১][৩২]
- সামাজিক একতা এবং বন্ধন দৃঢ়ীকরণ
দুর্গাপূজার সময় পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুরা একত্রিত হন, যা সামাজিক সম্পর্ককে আরও গভীর করে। মানুষ পূজা উপলক্ষে একে অপরকে আমন্ত্রণ জানায়, যা বন্ধুত্ব ও সামাজিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করে। এছাড়া, মন্দির বা মণ্ডপে একসঙ্গে পূজা করার মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে একধরনের সমন্বয় এবং সহানুভূতির পরিবেশ তৈরি হয়।
- দাতব্য এবং মানবসেবামূলক কার্যক্রম
দুর্গাপূজার সময় অনেক মন্দির এবং সংস্থা দাতব্য কার্যক্রমের আয়োজন করে। দরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। এইসব দাতব্য কাজ সমাজে সহানুভূতি এবং মানবতার প্রসার ঘটায়।
- সামাজিক সমস্যা ও অস্থায়ী উত্তেজনা
কিছু সময়ে, সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা বা দুর্গাপূজা উপলক্ষে সহিংসতার ঘটনা ঘটতে পারে, যা সামাজিক উত্তেজনা তৈরি করে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ সরকার এবং সমাজের সচেতনতা এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও পূজার সময় নিরাপত্তা জোরদার করে।[৩৩][৩৪]
- পরিবেশগত সচেতনতা
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মণ্ডপ ও প্রতিমা তৈরি এবং বিসর্জন নিয়ে পরিবেশ সচেতনতার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক স্থানেই এখন পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সার্বিকভাবে, দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
প্রধান দুর্গাপূজার স্থানসমূহ
[সম্পাদনা]বাংলাদেশে দুর্গাপূজা বেশ ধুমধাম করে পালিত হয় এবং এর প্রধান স্থানগুলোতে অনেক পূর্ণার্থীরা ভিড় করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দুর্গাপূজার আয়োজন হলেও কিছু বিশেষ স্থান জনপ্রিয়তার জন্য বিখ্যাত। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু প্রধান দুর্গাপূজার স্থান হল:
ঢাকা
[সম্পাদনা]- ঢাকেশ্বরী মন্দির: ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দিরগুলোর মধ্যে ঢাকেশ্বরী মন্দির অন্যতম। এখানে দুর্গাপূজার আয়োজন অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল পূজা মন্ডপ।
- রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন: ঢাকার গোপীবাগে অবস্থিত এই মঠে প্রতি বছর দুর্গাপূজা অনেক ভক্তের সমাগমে পালিত হয়।[৩৫]
- রমনা কালী মন্দির
- বনানী পূজা মণ্ডপ: প্রতিবছর বনানী খেলার মাঠে অস্থায়ী পূজা মণ্ডপ তৈরি করা হয়। ব্যয়বহুল জাঁকজমকপূর্ণ এই পূজা মণ্ডপ দেখতে সবাই অগ্রহী হয়।[৩৫]
- খামারবাড়ি পূজা মণ্ডপ: কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (কেআইবি) এর পাশেই খামারবাড়ি পূজা মণ্ডপ। আলোকসজ্জা, প্রতিমার সৌন্দর্য, প্রবেশদ্বার, আভ্যন্তরীণ কাঠামোশৈলী ও প্যান্ডেলের কারণে আলোচিত খামারবাড়ি পূজা মণ্ডপ।[৩৫]
- পুরান ঢাকার পূজা মণ্ডপ[৩৫]
- শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির: মৌচাক বাজারের কাছে সিদ্ধেশ্বরী এলাকার অভ্যন্তরে অবস্থিত।[৩৬]
চট্টগ্রাম
[সম্পাদনা]- চৌমুহনী সার্বজনীন বিজয়া দুর্গা মন্দির: নোয়াখালীর এ মন্ডপে ৭১ ফুট উচ্চতার বাংলাদেশের উচ্চতম দুর্গা প্রতিমা নির্মিত হয়েছিল।[৩৭]
- আনন্দময়ী কালীবাড়ি মন্দির: চট্টগ্রামে এই মন্দির দুর্গাপূজার জন্য বিখ্যাত। হাজার হাজার ভক্ত এখানে পূজার সময় জড়ো হন।
রংপুর
[সম্পাদনা]
- রীঁ শ্রী শ্রী করুণাময়ী কালীবাড়ি, রংপুর সদর
- মদন মোহন ঠাকুরবাড়ি, পালপাড়া, রংপুর
- সিন্দুরমতি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, লালমনিরহাট
- সেনপাড়া কালির পাঠ সার্বজনীন দুর্গা মন্দির
- শ্রীশ্রী রাধা-গিরিধারী মন্দির, বানিয়ার দিঘী, লালমনিরহাট
কুমিল্লা
[সম্পাদনা]- নানুয়া দীঘির পাড়: কুমিল্লায় দুর্গাপূজার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এখানকার পূজার মণ্ডপগুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে সাজানো হয়।
সিলেট
[সম্পাদনা]গোয়াইনঘাটে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন মন্দির সিলেট অঞ্চলে দুর্গাপূজার উৎসব অত্যন্ত আনন্দঘনভাবে পালিত হয়।
রাজশাহী
[সম্পাদনা]রাজশাহী শহরের বিভিন্ন মন্দিরে দুর্গাপূজা ব্যাপকভাবে পালিত হয় এবং বিশেষ করে রাজশাহী শহরের কেন্দ্রীয় মন্দিরগুলোতে বড় আকারের পূজা হয়।
খুলনা
[সম্পাদনা]- শিকদার বাড়ি পূজা মন্ডপ: বাগেরহাট সদর দক্ষিণ হাকিমপুর শিকদার বাড়ির পুজোয় ২০২৩ সালে ৫০১টি প্রতিমা দিয়ে পুজো মণ্ডপ সাজানো হয়েছিল। আয়োজকরা প্রতিমার সংখ্যার দিক দিয়ে এই মণ্ডপকে এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় মণ্ডপ বলে দাবি করেছিলেন ।[৩৮][৩৯]
- গোপালগঞ্জের মঠ: খুলনা অঞ্চলে এই মঠে দুর্গাপূজা অত্যন্ত ধুমধামের সাথে পালিত হয়।
বরিশাল
[সম্পাদনা]- মাধবপাশার দুর্গাপূজা: বরিশাল অঞ্চলে মাধবপাশার দুর্গাপূজা ঐতিহ্যবাহী ও সুপরিচিত।
দুর্গাপূজা উদযাপনে সরকারি ও সামাজিক ভূমিকা
[সম্পাদনা]বাংলাদেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে সরকার ও সমাজের উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ উৎসব দেশের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্যে একটি এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হিসেবে স্বীকৃত। সরকারের ভূমিকা ও সামাজিক দায়িত্ব এ উৎসবের সফলতা এবং শান্তিপূর্ণ উদযাপনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
সরকারি ভূমিকা
[সম্পাদনা]- নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ
পূজার সময় সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী (পুলিশ, র্যাব, বিজিবি) মোতায়েন করা হয়। বিশেষ করে পূজা মণ্ডপগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। সরকার পূজা মণ্ডপগুলোর চারপাশে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য, নারী পুলিশ এবং স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করে যাতে ভক্তরা নিরাপদে পূজা উদযাপন করতে পারেন।[৩৩][৩৪]
- সরকারি ছুটি ঘোষণা
দুর্গাপূজায় বাংলাদেশে বিজয়া দশমী দিন সাধারণ ছুটি এবং অষ্টমী ও নবমীতে ঐচ্ছিক ছুটি নিতে করতে পারে।[৪০][৪১] ২০২৪ সালে ছুটি বৃদ্ধির দাবি উঠলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এম. সাখাওয়াত হোসেন দুর্গাপূজায় তিনদিন ছুটির সুপারিশ করার কথা জানান।[৪২] পরবর্তীতে একদিন ছুটি বাড়ানো হয়।[৪৩]
- অনুদান ও সহযোগিতা
সরকার প্রতি বছর মন্দির ও পূজা মণ্ডপগুলোর জন্য ২ কোটি আর্থিক অনুদান প্রদান করে।[৪৪] যা পূজা আয়োজনের খরচ সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্থানীয় প্রশাসনও পূজা উদযাপনে প্রয়োজনীয় সমর্থন দেয় এবং সহযোগিতা করে।
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা
দুর্গাপূজা উদযাপনকালে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য সরকার বিশেষভাবে সচেতন থাকে। সকল ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ঐক্য ও সহনশীলতা বজায় রাখতে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থা জনগণকে সচেতন করে তুলতে সামাজিক প্রচার অভিযান পরিচালনা করে, যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত না হয়।
সামাজিক ভূমিকা
[সম্পাদনা]- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতা
দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতিফলন। মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও এই উৎসবে আনন্দ সহকারে অংশগ্রহণ করে। অনেক জায়গায় মুসলমান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা পূজা মণ্ডপ তৈরি, সজ্জা, এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করেন। এই মিলনের মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়।[৪৫]
- সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
দুর্গাপূজার সময় বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। ভক্তিমূলক সঙ্গীত, নাচ, গান, নাটক, আলোকসজ্জা এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের সকল স্তরের মানুষ একত্রিত হয়। এইসব অনুষ্ঠান সামাজিক বন্ধনকে আরও মজবুত করে তোলে এবং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা বাড়ায়।
- স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম
দুর্গাপূজা উদযাপনের সময় স্থানীয় যুবসমাজ এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মিলে পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকে। এর ফলে পূজা উদযাপন সুশৃঙ্খল এবং সুরক্ষিতভাবে সম্পন্ন হয়। অনেক স্বেচ্ছাসেবক মানবতার সেবায় যুক্ত হয়ে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের মাঝে খাবার, বস্ত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিতরণ করেন।
- পরিবেশগত সচেতনতা
অনেক স্থানেই সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণে পরিবেশবান্ধব উপায়ে দুর্গাপূজা উদযাপন করা হচ্ছে। প্রতিমা তৈরিতে প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার, বিসর্জনের সময় জলদূষণ এড়ানো, এবং অন্যান্য পরিবেশগত সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর কাজ সমাজের বিভিন্ন সংগঠন করে থাকে।
গণমাধ্যমের ভূমিকা
[সম্পাদনা]দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল, রেডিও, এবং অনলাইন মিডিয়া অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। পূজার বিশেষ অনুষ্ঠান এবং সংস্কৃতির প্রচার গণমাধ্যমের মাধ্যমে হয়, যা ধর্মীয় সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে তোলে। এছাড়া, দুর্গাপূজার সময় যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়।
দুর্গাপূজায় সংস্কৃতি ও বিনোদন
[সম্পাদনা]বাংলাদেশে দুর্গাপূজা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতিফলনও। এই উৎসবের সাথে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত, যা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের বাইরেও জাতীয় ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে। পূজা উদযাপনকালে দেশজুড়ে নানা ধরনের বিনোদনমূলক কার্যক্রম ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। নিচে বাংলাদেশের দুর্গাপূজায় সংস্কৃতি ও বিনোদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হলো:
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
[সম্পাদনা]- সঙ্গীত ও নৃত্য
দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন মণ্ডপে এবং মন্দির প্রাঙ্গণে সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, ভজন, কীর্তন এবং আধুনিক গান পরিবেশিত হয়। অনেক সময় স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে নাচ-গানের প্রতিযোগিতা বা বিশেষ পরিবেশনা হয়। এর মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়। এছাড়া, ধুনুচি নাচের মতো ঐতিহ্যবাহী নৃত্যও দুর্গাপূজার অন্যতম আকর্ষণ। ধুনুচি নৃত্য বিশেষত সন্ধিপূজার সময় মণ্ডপে পরিবেশিত হয়, যা সবার মাঝে উচ্ছ্বাস ও আনন্দ তৈরি করে।
- নাটক ও যাত্রাপালা
অনেক এলাকায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্থানীয় নাট্যদল এবং যাত্রাপালা দলগুলোর বিশেষ নাট্য মঞ্চায়নের আয়োজন করা হয়। এসব নাটকে ধর্মীয় আখ্যান, পুরাণকথা, এবং সমাজ সংস্কারের বার্তা প্রতিফলিত হয়। কিছু এলাকায় এখনো যাত্রাপালা অত্যন্ত জনপ্রিয়, যা দুর্গাপূজার সময় বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম।
- আরতি প্রতিযোগিতা
দুর্গাপূজার আরেকটি উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক দিক হল আরতি প্রতিযোগিতা।[৪৬] বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে দলীয় বা ব্যক্তিগতভাবে আরতির মাধ্যমে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রতিযোগিতায় সৃষ্টিশীলতা, শৃঙ্খলা এবং ধর্মীয় ভাবনার প্রকাশ ঘটে, যা ভক্তদের মন জয় করে।
বিনোদনমূলক কার্যক্রম
[সম্পাদনা]- মেলায় অংশগ্রহণ
দুর্গাপূজা উপলক্ষে অনেক জায়গায় মেলা বসে, যেখানে স্থানীয় পণ্য, খাবার, এবং হস্তশিল্প প্রদর্শিত হয়। এই মেলাগুলোতে শিশুদের বিনোদনের জন্য নাগরদোলা, সার্কাস, এবং বিভিন্ন ধরনের খেলার ব্যবস্থা থাকে। দুর্গাপূজার মেলা বাঙালি সংস্কৃতির একটি অংশ, যা নতুন প্রজন্মের সাথে ঐতিহ্যের সংযোগ ঘটায়।
- আলোকসজ্জা ও প্রতিমা দর্শন
পূজার মণ্ডপগুলোতে মনোরম আলোকসজ্জা করা হয়, যা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। বিভিন্ন থিমের ওপর ভিত্তি করে তৈরি প্রতিমা ও মণ্ডপ দর্শন এখন বাংলাদেশের দুর্গাপূজার একটি বড় বিনোদনমূলক দিক। প্রতিমা দর্শন ও আলোকসজ্জা দেখতে অনেক মানুষ এক মণ্ডপ থেকে আরেক মণ্ডপে ঘুরে বেড়ান।
ঢাকার মতো বড় শহরগুলোতে পূজার সময় বিশেষ আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়, যা শহরের বিভিন্ন এলাকা আলোকিত করে তোলে। এই আলোকসজ্জার মধ্যে ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার সংমিশ্রণ দেখা যায়।
প্রতিযোগিতা ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান
[সম্পাদনা]- খেলাধুলার আয়োজন
দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়। ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, কাবাডি ইত্যাদি খেলার আয়োজন করা হয়, যেখানে তরুণদের অংশগ্রহণ দেখা যায়। এই ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সামাজিক বন্ধনকে আরও মজবুত করে এবং উৎসবের আনন্দ বাড়িয়ে তোলে। নারীরা শঙ্খ-ধ্বনি, উলু-ধ্বনি, চেয়ার খেলা, বালিশ লুকানোসহ বেশ কিছু প্রতিযোগিতা ও খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
অনেক জায়গায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং কুইজ আয়োজন করা হয়। এসব প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু সাধারণত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে থাকে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা দেওয়া হয়।
গণমাধ্যমে পূজা কেন্দ্রিক বিনোদন
[সম্পাদনা]- টেলিভিশন ও রেডিও অনুষ্ঠান
দুর্গাপূজা উপলক্ষে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে বিশেষ নাটক, টক শো, এবং পূজার গানের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়। অনেক চ্যানেল পূজার সময় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ থেকে সরাসরি অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে, যা দূরে বসেও মানুষকে পূজার আনন্দে সামিল হতে সাহায্য করে। রেডিও স্টেশনগুলোতেও পূজার গান, ভক্তিমূলক সঙ্গীত, এবং পূজা সংক্রান্ত বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হয়।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদযাপন
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি দুর্গাপূজার উৎসবকে আরও বড় আকারে উদযাপনের সুযোগ করে দিয়েছে। বিভিন্ন মণ্ডপের থিম, প্রতিমা, এবং আলোকসজ্জার ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা হয়, যা দেশ ও দেশের বাইরে থাকা মানুষের কাছে পূজার আনন্দ পৌঁছে দেয়।
দাতব্য ও সামাজিক কার্যক্রম
[সম্পাদনা]দুর্গাপূজার সময় অনেক মন্দির এবং পূজা কমিটি দাতব্য কার্যক্রম আয়োজন করে। যেমন, দরিদ্রদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ, খাবার বিতরণ, এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান। এছাড়া, অনেক স্থানে রক্তদান শিবিরের আয়োজনও করা হয়, যা সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন ঘটায়।
আধুনিক পরিবর্তন
[সম্পাদনা]বাংলাদেশের দুর্গাপূজা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক সময়ের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সামাজিক পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক প্রভাবের কারণে দুর্গাপূজা উদযাপনের ধরণেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। একই সঙ্গে, কিছু চ্যালেঞ্জও দেখা দিয়েছে, যা পূজা উদযাপনের প্রক্রিয়া এবং তার মূল ভাবনার ওপর প্রভাব ফেলছে।
- প্রযুক্তির ব্যবহার
বর্তমান সময়ে দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন মণ্ডপে আধুনিক আলোকসজ্জা, সাউন্ড সিস্টেম[৪৭] এবং থিম ভিত্তিক ডিজাইন ব্যবহার করা হচ্ছে। পূজা মণ্ডপগুলোতে ডিজিটাল সুরক্ষা ব্যবস্থা, যেমন সিসিটিভি ক্যামেরা ও মেটাল ডিটেক্টরের ব্যবহারও বৃদ্ধি পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও পূজার আয়োজন সম্পর্কে প্রচার করা হয়। পূজার অনুষ্ঠানগুলো সরাসরি সম্প্রচার করা হয়, যার ফলে দেশে এবং দেশের বাইরে বসবাসরত মানুষজন এই উৎসবে ভার্চুয়ালভাবে অংশ নিতে পারেন।
- থিম ভিত্তিক পূজা
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে থিম ভিত্তিক পূজার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিমা, মণ্ডপ, এবং আলোকসজ্জা বিভিন্ন থিমে সাজানো হয়। থিম ভিত্তিক মণ্ডপগুলো শিল্পের নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে এবং দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। এ ধরণের থিম নির্ভর মণ্ডপগুলোতে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা যেমন নারী অধিকার, পরিবেশ সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।[৪৮][৪৯]
নিরাপত্তা-হামলা
[সম্পাদনা]দুর্গাপূজা উদযাপনকালে নিরাপত্তা একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা বা উত্তেজনা দেখা দেয়, যা মণ্ডপ ও প্রতিমা ভাঙচুরের মতো অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দিতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে কখনো কখনো এই ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। ভিড়ের কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানোও একটি চ্যালেঞ্জ। বিশেষত মণ্ডপগুলোতে মানুষের অতিরিক্ত ভিড় নিরাপত্তার ঝুঁকি সৃষ্টি করে।
২০২১
[সম্পাদনা]২০২১ সালের ১৩ থেকে ১৯ অক্টোবর দুর্গা পূজা উৎসবের সময় সারা বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা উস্কে দেওয়া হয়েছিল, একটি ভাইরাল ভিডিওর প্রতিক্রিয়ায় যেখানে একটি মন্দিরের প্রতিমার পায়ের নিচে কুরআন রাখা হয়েছিল। যার ফলে সারা বাংলাদেশে অর্ধশতাধিক মন্দির ও অস্থায়ী পূজা মন্ডপ ভাঙচুর করা হয়েছে।[৫০][৫১] পুলিশ তদন্তে জানা যায়, সেখানে কুরআন রেখেছিল ইকবাল হোসেন নামক এক ব্যক্তি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় ঐদিন মধ্যরাতে নিকটবর্তী একটি মাজার থেকে কুরআন হাতে বের হয়ে তাকে পূজা মণ্ডপের দিকে যেতে দেখা যায় এবং শেষে হনুমানের হাতের অস্ত্রটি নিয়ে রাস্তায় ঘুরাফেরা করতে দেখা যায়।[৫১][৫২]
২০২৪
[সম্পাদনা]২০২৪ সালের ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে অনুষ্ঠিত দুর্গা পূজায় বেশকিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। যেমন ১৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় একটি মন্দিরে নির্মাণাধীন আটটি দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়।[৫৩][৫৪] খুলনার বেশকিছু মন্দিরে মন্দিরে উড়োচিঠি, দুর্গাপূজা করতে হলে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।[৫৫][৫৬] ৩ অক্টোবর কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের বত্রিশ এলাকার বড় বাজার-মণিপুরঘাট রোডে শ্রী শ্রী জিউর আখড়ায় দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়।[৫৭] ৮ অক্টোবর দুর্গা পূজার ষষ্ঠীর দিন রাজবাড়ীর সজ্জনকান্দা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক ঐক্য পরিষদ মন্দিরের দুর্গাপূজা মণ্ডপের পাঁচটি প্রতিমা ভাঙচুর হয়।[৫৮]
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Durga Puja | Festival, Traditions, & Facts | Britannica"। www.britannica.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪। ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "পাহাড়ে দুর্গাদেবী সেজেছেন ত্রিপুরাদের পোশাক রিনাই রিসায়"। Barta24 (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ অক্টোবর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দু ছাড়াও বাংলাদেশে আরও যেসব জনগোষ্ঠীর মানুষ এই ধর্মীয় উৎসব পালন করেন"। BBC News বাংলা। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 "দুর্গাপূজার অর্থনীতি"। যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ মন্ডল, স্মৃতি (২০ অক্টোবর ২০২৩)। "ঢাকায় দুর্গাপূজার আকর্ষণীয় ৫ মণ্ডপ"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (৮ অক্টোবর ২০২৪)। "এবার সারা দেশে ৩১ হাজার ৪৬১টি মণ্ডপ–মন্দিরে দুর্গাপূজা হবে"। দৈনিক প্রথম আলো। ৯ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "When and How Did Durga Puja Originate?"। Learn Religions (ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ Sun, Daily (৬ অক্টোবর ২০২২)। "Oldest Durgapuja in Bangladesh"। daily-sun (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "অধুনা বাংলাদেশে প্রথম কবে দুর্গাপুজো হয়েছিল? জেনে নিন ইতিহাস"। এই সময়। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Durga Puja in Bangladesh"। The Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। ৩ অক্টোবর ২০২২। ২০ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "DURGA PUJA"। beautifulbangladesh.gov.bd। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ মন্ডল, স্মৃতি (১৮ অক্টোবর ২০২৩)। "দুর্গাপূজার যত আচার-অনুষ্ঠান"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "শারদীয় দুর্গাপূজা: হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসবের তারিখ ঠিক হয় যেভাবে"। BBC News বাংলা। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Mahalaya Durga Puja 2023: History, significance and the rituals associated with it"। The Economic Times। ১৪ অক্টোবর ২০২৩। আইএসএসএন 0013-0389। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "When is Mahalaya? Date, shubh muhurat, rituals, significance and all you need to know"। হিন্দুস্তান টাইমস। ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ Bangla, Jiyo। "বোধন কথা: বোধন ও অকালবোধন - জিয়ো বাংলা"। JiyoBangla (Bengali ভাষায়)। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ "দেবীপক্ষের ষষ্ঠীতে মা দুর্গার বোধন, কিন্তু কেন? জানুন বোধন কথা"। Aaj Tak বাংলা। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ Bangla, TV9 (১৯ অক্টোবর ২০২৩)। "বোধন দিয়েই শুরু বাঙালির প্রাণের পুজো! জানুন ষষ্ঠীর নির্ঘণ্ট ও তাত্পর্য"। TV9 Bangla। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ "নবপত্রিকা পুজোর তাৎপর্য"। আনন্দবাজার পত্রিকা। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ লেখা (২১ অক্টোবর ২০২৩)। "দুর্গাপূজা : দুর্গা, নবপত্রিকা, কলাবউ"। দৈনিক প্রথম আলো। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "কলাবউ বা নবপত্রিকা আসলে কী?"। www.kalerkantho.com। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "History Of Durga Puja In Bengal – BCAF" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ https://www.facebook.com/rtvonline। "উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কুমারী পূজা উদযাপন"। RTV Online। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য);-এ বহিঃসংযোগ (সাহায্য)|শেষাংশ= - ↑ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। "কুমারী পূজায় মাতৃবন্দনা"। কুমারী পূজায় মাতৃবন্দনা (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ লেখা (২২ অক্টোবর ২০২৩)। "কেন করা হয় সন্ধিপূজা"। দৈনিক প্রথম আলো। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "বিসর্জনে বিদায় দুর্গাকে"। RTV Online। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "বিজয়া দশমী: বিদায় বেলায় সিঁদুর খেলা"। জাগোনিউজ২৪.কম। ৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "Durga Puja 2023: When is Sindur Khela and how is it celebrated? Know history, rituals, and significance"। Hindustan times। ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ ডেস্ক, অনলাইন (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১)। "বাঙালির ঐতিহ্য- ধুনুচি নাচ"। Banglakagoj (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ লেখা (২৩ অক্টোবর ২০২৩)। "সম্প্রীতির বন্ধনে দুর্গোৎসব"। দৈনিক প্রথম আলো। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ নিশা, নাসিমা আক্তার (২১ অক্টোবর ২০২৩)। "দুর্গাপূজার সমৃদ্ধ অর্থনীতি"। dhakapost.com। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ হালদার, সুকান্ত (২১ অক্টোবর ২০২৩)। "দুর্গাপূজায় এবার প্রত্যাশার চেয়ে বিক্রি বেশি"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 "দুর্গাপূজা উদযাপনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার"। Bangla Tribune। ৮ অক্টোবর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২৪।
- 1 2 "দুর্গাপূজা ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী"। জাগোনিউজ২৪.কম। ৮ অক্টোবর ২০২৪। ৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০২৪।
- 1 2 3 4 মন্ডল, স্মৃতি (২০ অক্টোবর ২০২৩)। "ঢাকায় দুর্গাপূজার আকর্ষণীয় ৫ মণ্ডপ"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Top 5 Magnificent Durga Puja Mandaps in Dhaka 2021 - Bproperty"। A blog about homes, trends, tips & life | Bproperty (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ অক্টোবর ২০২১। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "নোয়াখালীতে গড়ে তোলা হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু দুর্গা প্রতিমা"। BBC News বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Bangladesh Durga Puja: ৫০১টি প্রতিমা, বাংলাদেশে ফিরল এশিয়ার সবচেয়ে বড় দুর্গাপুজো"। Aaj Tak বাংলা। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "দুর্গাপূজায় ৬৫ ফুট দীর্ঘ কুম্ভকর্ণের সঙ্গে মণ্ডপে ৫০১ প্রতিমা"। দৈনিক প্রথম আলো। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "২০২৪ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ"। সময় টিভি। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ কালবেলা। "সরকারি ছুটির তালিকা ২০২৪"। কালবেলা | বাংলা নিউজ পেপার। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "দুর্গাপূজায় তিনদিন ছুটির সুপারিশ করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা"। একাত্তর টিভি। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ছে, শিগগিরই প্রজ্ঞাপন"। Bangla Tribune। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে যেসকল পূজামণ্ডপসমূহ অনুদান পেল"। হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট। ৩০ জানুয়ারি ২০২৪। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "শারদীয় দুর্গোৎসবের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য"। জাগোনিউজ২৪.কম। ৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (২০ অক্টোবর ২০২৩)। "ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব শুরু"। দৈনিক প্রথম আলো। ৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "Dhak, the heartbeat of Durga Puja, battles economic challenges"। Dhaka Tribute। ৯ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ চৌধুরী, সুজয় (২০ অক্টোবর ২০২৩)। "প্রাণ-প্রকৃতির গ্রাম আর রং-তুলিতে পূজার স্মৃতি"। দৈনিক প্রথম আলো। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "বাংলাদেশের রাজবাড়ি চত্বরে মেট্রোরেল! দুর্গাপুজোয় থিমের চমক ওপার বাংলায়"। এই সময়। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ Ellis-Petersen, Hannah; correspondent, Hannah Ellis-Petersen South Asia (১৬ অক্টোবর ২০২১)। "Seven dead after violence erupts during Hindu festival in Bangladesh"। The Guardian (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২৪।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ2=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - 1 2 হক, গাজীউল (২০ অক্টোবর ২০২১)। "কুমিল্লার মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রেখেছিলেন ইকবাল হোসেন: পুলিশ"। দৈনিক প্রথম আলো। ৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ ""কুমিল্লার সেই পূজা মণ্ডপে কোরআন রাখেন ইকবাল হোসেন: পুলিশ""। RTV Online। ১৮ মে ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ "ভাঙ্গায় থানার কাছেই দুই মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর, আটক ১"। ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ সংবাদদাতা, নিজস্ব; ফরিদপুর (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪)। "ফরিদপুরে দুটি মন্দিরে নির্মাণাধীন প্রতিমা ভাঙচুর"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ Hosan, Ragib; Television, Jamuna (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪)। "খুলনার কয়েকটি মন্দিরে উড়োচিঠি, 'দুর্গাপূজা করতে হলে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে'"। Jamuna Television (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "খুলনায় মন্দিরে মন্দিরে উড়োচিঠি, দুর্গাপূজা করতে হলে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি"। Bangla Tribune। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ রাসেল, এস কে (৩ অক্টোবর ২০২৪)। "কিশোরগঞ্জ শারদীয় দুর্গাপূজা মণ্ডপের প্রতিমা ভেঙেছে দুর্বৃত্তরা"। চ্যানেল আই (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "রাজবাড়ীতে দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর"। ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০২৪।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ""দুর্গা পূজা - হিন্দু উৎসব, Durga-Puja.org""। www.durga-puja.org। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২।





