বিষয়বস্তুতে চলুন

বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশকের তালিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

কোনো একটা দেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া ও মানুষের সৃজনশীলতা মিলে কোনো পণ্য তৈরি হলে তাকে বলা হয় সেই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য। আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ববিষয়ক সংস্থা ওয়াল্ড প্রপার্টি রাইটস অর্গানাইজেশন এর নিয়ম মেনে বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) এই স্বীকৃতি ও সনদ দিয়ে থাকে।

বর্তমানে বাংলাদেশের মোট নিবন্ধিত (সনদপ্রাপ্ত) জিআই পণ্য ৬৪টি।[১]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৭ নভেম্বর, ২০১৬ সালে দেশের ১ম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় জামদানি শাড়ি।

১৭ আগস্ট ২০১৭ সালে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশকে বাংলাদেশি পণ্য হিসাবে বিশ্ব স্বীকৃতি অর্জনের কথা ঘোষণা করে। এর ফলে ইলিশ বাংলাদেশের ২য় ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হয়।

২৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে খিরসাপাত আমকে বাংলাদেশের ৩য় ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (খাদ্যদ্রব্য) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকাই মসলিনকে বাংলাদেশের ৪র্থ ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

২০২১ সালের ২৬ এপ্রিল রাজশাহী সিল্ককে ৫ম, রংপুরের ৭০০ বছরের ঐতিহ্যের ধারকবাহক রংপুরের শতরঞ্জিকে ৬ষ্ট, চিনিগুঁড়া চালকে ৭ম, দিনাজপুরের কাটারিভোগকে ৮ম এবং বিজয়পুরের সাদা মাটিকে ৯ম জিআই পণ্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

২০২২ সালের ২৪ এপ্রিল বাগদা চিংড়িকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য বলে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়। এটি বাংলাদেশের ১০ম জিআই পণ্য।

তালিকা

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের যেসব পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক হিসেবে মঞ্জুরকৃত (সনদপ্রাপ্ত) তার তালিকা নিম্নরূপ:[১]

ক্রমিক[১]ভৌগোলিক নিদর্শনের নামজেলাধরননিবন্ধনের তারিখসনদ প্রদানের তারিখতথ্যসূত্র
১জামদানি শাড়িহস্তশিল্প১ সেপ্টেম্বর ২০১৫১৭ নভেম্বর ২০১৬[২]
২বাংলাদেশ ইলিশকৃষি১৩ নভেম্বর ২০১৬১৭ আগস্ট ২০১৭[২]
৩চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আমচাঁপাইনবাবগঞ্জকৃষি২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭২৭ জানুয়ারি ২০১৯[২]
৪বিজয়পুরের সাদা মাটিনেত্রকোণাখনিজ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭১৭ জুন ২০২১[২]
৫দিনাজপুরের কাটারিভোগ চালদিনাজপুরকৃষি৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭১৭ জুন ২০২১[২]
৬বাংলাদেশ কালিজিরা চালকৃষি৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭১৭ জুন ২০২১[২]
৭রংপুরের শতরঞ্জিরংপুরহস্তশিল্প১১ জুলাই ২০১৯১৭ জুন ২০২১[২]
৮রাজশাহী সিল্করাজশাহীহস্তশিল্প২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭১৭ জুন ২০২১[২]
৯ঢাকাই মসলিনঢাকাহস্তশিল্প২ জানুয়ারি ২০১৮১৭ জুন ২০২১[২]
১০রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম[টীকা ১]রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জকৃষি৯ মার্চ ২০১৭৬ অক্টোবর ২০২১
সংশোধিত: ২৫ এপ্রিল ২০২৩
[৩][৪][৫][৬]
১১বাংলাদেশের বাগদা চিংড়িকৃষি৪ জুলাই ২০১৯২৪ এপ্রিল ২০২২[৭]
১২বাংলাদেশের শীতল পাটিহস্তশিল্প১৬ মার্চ ২০২১২০ জুলাই ২০২৩[৮]
১৩বগুড়ার দইবগুড়াখাদ্যসামগ্রী১ জানুয়ারি ২০১৮২৬ জুন ২০২৩[৯]
১৪শেরপুরের তুলশীমালা ধানশেরপুরকৃষি১১ এপ্রিল ২০১৮১২ জুন ২০২৩[১০]
১৫চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আমচাঁপাইনবাবগঞ্জকৃষি১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭২৬ জুন ২০২৩
১৬চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আমচাঁপাইনবাবগঞ্জকৃষি১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭২৬ জুন ২০২৩
১৭নাটোরের কাঁচাগোল্লানাটোরখাদ্যসামগ্রী৩০ মার্চ ২০২৩
১৮বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলকৃষি২৫ অক্টোবর ২০১৭
১৯টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ীর চমচমটাঙ্গাইলখাদ্যসামগ্রী৩০ মার্চ ২০২৩
২০কুমিল্লার রসমালাইকুমিল্লাখাদ্যসামগ্রী১৬ এপ্রিল ২০২৩
২১কুষ্টিয়ার তিলের খাজাকুষ্টিয়াখাদ্যসামগ্রী১৭ এপ্রিল ২০২৩
২২রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আমরংপুরকৃষি১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
২৩মৌলভীবাজারের আগরমৌলভীবাজারকৃষি১২ এপ্রিল ২০১৭
২৪মৌলভীবাজারের আগর আতরমৌলভীবাজারকৃষি১১ জুলাই ২০১৯
২৫মুক্তাগাছার মণ্ডাময়মনসিংহখাদ্যসামগ্রী২ মে ২০২৩
২৬যশোরের খেজুরের গুড়যশোরখাদ্যসামগ্রী২৩ মে ২০২৩১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
২৭নরসিংদীর অমৃতসাগর কলানরসিংদীকৃষি২৯ আগস্ট ২০২৩
২৮রাজশাহীর মিষ্টি পানরাজশাহীকৃষি৩১ আগস্ট ২০২৩
২৯গোপালগঞ্জের রসগোল্লাগোপালগঞ্জখাদ্যসামগ্রী২২ আগস্ট ২০২৩
৩০জামালপুরের নকশিকাঁথাজামালপুরহস্তশিল্প১৭ জুলাই ২০১৯
৩১টাঙ্গাইল শাড়িটাঙ্গাইলহস্তশিল্প৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
৩২নরসিংদীর লটকননরসিংদীকৃষি২৯ আগস্ট ২০২৩৩০ এপ্রিল ২০২৫
৩৩মধুপুরের আনারসটাঙ্গাইলকৃষি১৭ নভেম্বর ২০২৩৩০ এপ্রিল ২০২৫
৩৪ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দইভোলাখাদ্যসামগ্রী১৯ ডিসেম্বর ২০২৩৩০ এপ্রিল ২০২৫
৩৫মাগুরার হাজরাপুরী লিচুমাগুরাকৃষি২৩ আগস্ট ২০২৩৩০ এপ্রিল ২০২৫
৩৬সিরাজগঞ্জের গামছাসিরাজগঞ্জহস্তশিল্প৬ মার্চ ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৩৭সিলেটের মণিপুরী শাড়িসিলেটহস্তশিল্প২১ জুন ২০২৩৩০ এপ্রিল ২০২৫
৩৮মিরপুরের কাতান শাড়িঢাকাহস্তশিল্প১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৩৯ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলাঢাকাহস্তশিল্প২ নভেম্বর ২০২১৩০ এপ্রিল ২০২৫
৪০কুমিল্লার খাদিকুমিল্লাহস্তশিল্প১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৪১ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টিব্রাহ্মণবাড়িয়াখাদ্যসামগ্রী৮ এপ্রিল ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৪২গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনাগোপালগঞ্জশিল্প১৪ মার্চ ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৪৩সুন্দরবনের মধুখুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরাকৃষি১৯ আগস্ট ২০১৭৩০ এপ্রিল ২০২৫[১১]
৪৪শেরপুরের ছানার পায়েসশেরপুরখাদ্যসামগ্রী১৫ জানুয়ারি ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৪৫সিরাজগঞ্জের লুঙ্গিসিরাজগঞ্জহস্তশিল্প৬ মার্চ ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৪৬গাজীপুরের কাঁঠালগাজীপুরকৃষি২০ মার্চ ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৪৭কিশোরগঞ্জের রাতা বোরো ধানকিশোরগঞ্জকৃষি২১ মে ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৪৮অষ্টগ্রামের পনিরকিশোরগঞ্জখাদ্যসামগ্রী২১ মে ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৪৯বরিশালের আমড়াবরিশালকৃষি২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৫০কুমারখালীর বেডশিটকুষ্টিয়াহস্তশিল্প২৩ মে ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৫১দিনাজপুরের বেদানা লিচুদিনাজপুরকৃষি১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫
৫২মুন্সীগঞ্জের পাতক্ষীরমুন্সীগঞ্জখাদ্যসামগ্রী২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫[১২]
৫৩নওগাঁর নাক ফজলি আমনওগাঁকৃষি২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫[১৩]
৫৪টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কির সন্দেশটাঙ্গাইলখাদ্যসামগ্রী১ এপ্রিল ২০২৪৩০ এপ্রিল ২০২৫[১৪]
৫৫ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলার বীজ ও গাছঢাকাকৃষি১ ডিসেম্বর ২০২১৩০ এপ্রিল ২০২৫
৫৬ মেহেরপুরের মেহেরসাগর কলা মেহেরপুর কৃষি ১৪ জুলাই ২০২৪
৫৭ নেত্রকোণার বালিশ মিষ্টি নেত্রকোণা খাদ্রসামগ্রী
৫৮ ফুলবাড়ীয়ার লাল চিনি ময়মনসিংহ কৃষি
৫৯ মেহেরপুরের হিমসাগর আম মেহেরপুর কৃষি
৬০ ফরিদপুরের পাট ফরিদপুর কৃষি
৬১ মেহেরপুরের সাবিত্রী মিষ্টি মেহেরপুর খাদ্যসামগ্রী
৬২ কালিগঞ্জের তোয়ালে গাজীপুর হস্তশিল্প
৬৩ জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু জয়পুরহাট কৃষি
৬৪ মানিকগঞ্জের হাজারী গুড় মানিকগঞ্জ খাদ্যসামগ্রী
  1. ↑ ২০১৭ সালের ৯ মার্চ তারিখে রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের করা আবেদনের পর ডিপিডিটি ২০২১ সালের ৬ অক্টোবর ফজলি আমকে রাজশাহী জেলার ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। এর বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি অ্যাসোসিয়েশনের বিরোধিতার প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালের ২৫ এপ্রিল সংশোধন করে রাজশাহীর সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জকেও ফজলি আমের সত্ত্ব প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 "মঞ্জুরকৃত জিআই পণ্য"। পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুন ২০২৬।
  2. 1 2 3 4 5 6 7 8 9 "জি আই: বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক স্বীকৃতি পাওয়া নয়টি পণ্যের বিশেষত্ব"। বিবিসি বাংলা। ১৯ জুন ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
  3. ↑ "রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ উভয়ই পেল ফজলি আমের স্বীকৃতি"। সময় টিভি। ২৪ মে ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
  4. ↑ "স্বীকৃতি পেল রাজশাহীর ফজলি আম"। সময় টিভি। ২৭ অক্টোবর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
  5. ↑ "রাজশাহীর সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে যুক্ত করে ফজলির জিআই স্বীকৃতি"। নয়া শতাব্দী। ২৫ মে ২০২২। ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
  6. ↑ "ফজলি আম: জিআই পণ্যের স্বীকৃতি নিয়ে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের টানাটানি, শুনানি মঙ্গলবার"। বিবিসি বাংলা। ২৪ মে ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
  7. ↑ "এবার জিআই সনদ পেল বাগদা চিংড়ি"। প্রথম আলো। ১৮ মে ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
  8. ↑ "এবার জিআই পণ্যের মর্যাদা পাচ্ছে শীতলপাটি ও বগুড়ার দই"। বাংলানিউজ২৪.কম। ২৪ নভেম্বর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
  9. ↑ "জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল 'বগুড়ার দই'"। বাংলানিউজ২৪.কম। ৫ জুলাই ২০২৩। ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
  10. ↑ "সুগন্ধী 'তুলশীমালা' ধান এখন শেরপুরের জিআই পণ্য"। বিডিনিউজ২৪.কম। ১৬ জুন ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
  11. ↑ "জিআই স্বীকৃতি: 'বিশ্বে বাংলাদেশের সুন্দরবনের মধুর নতুন ব্র্যান্ডিং হবে'"। কয়রা, খুলনা: প্রথম আলো। ২ মে ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০২৫।
  12. ↑ "জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল মুন্সীগঞ্জের 'পাতক্ষীর'"। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। ৩০ এপ্রিল ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০২৫।
  13. ↑ প্রতিনিধি (৬ মে ২০২৫)। "জিআই স্বীকৃতির পর নাক ফজলি আম এখন নওগাঁর"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫।
  14. ↑ "জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল জামুর্কির সন্দেশ"। সমকাল। ৩০ এপ্রিল ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০২৫।